‘বিদ্যুৎ নিয়ে যারা দুর্নীতির কথা বলেন তারাই দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিদ্যুৎ নিয়ে যারা দুর্নীতির কথা বলেন-তারাই প্রকৃতপক্ষে দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার (২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বিদ্যুৎ নিয়ে বিএনপির অব্যাহত মিথ্যাচারের জবাবে এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা সরকার বিদ্যুৎ নিয়ে দুর্নীতি করলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত করা সম্ভব হতো না, শিল্পায়নের বিকাশ ঘটতো না,অর্থনীতির সমৃদ্ধি এবং প্রবৃদ্ধি ঘটতো না বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, বরং শেখ হাসিনা সরকার বিএনপির বেসামাল দুর্নীতি ও লুটপাটের পথ বন্ধ করে দেশের জন্য এনার্জি সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন বিদ্যুতের আলো।

বিএনপি নেতারা সহজেই তাদের অতীত ভুলে যেতে চাইলেও জনগণ ঠিকই তা মনে রাখেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন তাদের সময়কালে দেশে দিনে ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলত।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টরে শেখ হাসিনা সরকার বৈপ্লবিক সাফল্য দেখিয়েছেন এমন দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো ২২০ কিলোওয়াট, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৫৬০ কিলোওয়াট।

মন্ত্রী তাঁর বিবৃতিতে আরও বলেন ২০০৯ সালের শুরুতে দেশে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতাভুক্ত ছিলো মোট জনসংখ্যার ৪৭ শতাংশ, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে শতভাগ।

২০০৯ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো ৩ হাজার ২৬৭ মেগাওয়াট, বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষমতা ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বিবৃতিতে বলেন শুধু তাই নয়, ২০০৯ সালের শুরুতে দেশে বিদ্যুেৎ গ্রাহক সংখ্যা ছিলো ১ কোটি ৮ লক্ষ।

তিনি জানান ২০২২ সালের এপ্রিলে এসে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৭ লক্ষ।

সরকারের এ সাফল্যে বিএনপি ঈর্ষান্বিত হয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ওবায়দুল কাদের।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার আশঙ্কা কাটাতে আগাম ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশকেও কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিতে হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের, বলেন এর অংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে রেশনিং করা হচ্ছে, যা একটি সাময়িক পদক্ষেপ।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন একটি মহল ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ভুঁয়া জিগির তুলছেন, প্রকৃতপক্ষে ভারত থেকে দেশে আমদানিকৃত বিদ্যুতের পরিমাণ মোটের উপর মাত্র ১০ শতাংশ। আবার কেউ কেউ বলছেন, দেশে নাকি ১৩ দিনের অকটেন এবং ১৭ দিনের পেট্রোলের রিজার্ভ আছে।

অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে, সামান্য পরিমাণে বুস্টার ছাড়া দেশে অকটেন ও পেট্রোল আমদানিই করা হয় না উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বিবৃতিতে বলেন প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রের কনডেনসেট থেকে রিফাইন করে পেট্রোল ও অকটেন তৈরি করা হয়।

আবার কেউ কেউ বলছেন, দেশে তেল মজুদ আছে ৩৭ দিনের, তারা এ কথা বলছেন জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করার জন্য। প্রকৃত সত্য হচ্ছে দেশে তেল মজুদের সক্ষমতা রয়েছে ৪০ দিনের।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে বিএনপি যে অব্যাহত অপপ্রচার আর মিথ্যাচার করছে, তা নিজেদের ব্যর্থতা আড়ালের অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয় - এমন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন তাদের সময়ে দেশ ছিলো অন্ধকারে নিমজ্জিত।

তিনি বলেন তারা দেশের মূল্যবান খনিজ সম্পদ ক্ষমতায় আসার জন্য বিদেশি প্রভুদের হাতে তুলে দিয়েছিলো।বিদ্যুতের পরিবর্তে স্থাপন করেছিলো খাম্বা।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আরও বলেন বিকল্প ক্ষমতা কেন্দ্র হাওয়া ভবন আর খোয়াব ভবন আলোকিত রাখতে গিয়ে সারা দেশকে অন্ধকারে রেখেছিলো বিএনপি।

বিক্ষোভেই ক্ষোভ প্রশমন বিএনপির



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
বিক্ষোভেই ক্ষোভ প্রশমন বিএনপির

বিক্ষোভেই ক্ষোভ প্রশমন বিএনপির

  • Font increase
  • Font Decrease

গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক দলগুলো; বিশেষ করে রাজপথের বিরোধী দলগুলো বিভিন্ন উপায়ে প্রতিবাদ করে থাকে। এগুলোর মধ্যে সর্বাগ্রে রয়েছে হরতাল অবরোধের মত কর্মসূচি। তার পরের ধাপেই আছে সমাবেশ বা মহাসমাবেশ। প্রতিবাদের জন্য লং মার্চও বেশ জনপ্রিয়। অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মধ্যে আছে অবস্থান কর্মসূচি, অনশন ও মানববন্ধন। তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবে মিছিল ও মশাল মিছিলের চল এখনো আছে। এছাড়া নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বিক্ষোভ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল তো রয়েছেই। প্রতিবাদ জানাতে বিএনপি কোন পন্থায় অভ্যস্ত?

বিএনপি সর্বশেষ উন্মুক্ত মাঠে মহাসমাবেশ করেছিলো ২০২১ সালের মার্চ মাসের ৩০ তারিখ। সেটা ছিল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। তারপরও দলটি বড় ধরনের সমাবেশ করেছে তবে সেগুলো ছিল তাদের দলীয় কার্যালয় পল্টন অফিসের সামনে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে বিভাগীয় শহরগুলোতে মহাসমাবেশ করেছিলো।২০২২ সাল শুরু করেছিলো সাংগঠনিক জেলাগুলোতে সমাবেশের মধ্য দিয়ে। সেগুলো বেশির ভাগ অনুষ্ঠিত হয়েছিল সংশ্লিষ্ট জেলার বিএনপি কার্যালয়কে ঘিরে। তবে এই সময়ের মধ্যে বিএনপি সবচেয়ে বেশি যে কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পালন করে আসছে তার নাম বিক্ষোভ সমাবেশ। বিএনপির মূল দলসহ দলটির বিভিন্ন অংগ সংগঠনের ব্যানারে পালন হচ্ছে এই বিক্ষোভ কর্মসূচি।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ঘোষণা দিয়ে গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সারাদেশে মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১০ দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছিল বিএনপি। ৩১শে জুলাই জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ভোলা জেলার নেতা আবদুর রহিম পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার ঘটনায় এবং এর ২ দিন পর আহত ভোলা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরে আলম মারা যাওয়ার পর বিএনপি তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ সমাবেশ করে এবং আরও ৭ দিনের বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দেয়। যদিও ভোলাতে হরতাল দেয়া হয়েছিল। তবে বিভিন্ন অংগ সংগঠনের ব্যানারে রাজধানীতে কেবল বিক্ষোভ কর্মসূচিই চলমান রয়েছে। যেগুলোর বেশিরভাগ আবার অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় প্রেসক্লাবে।

নিজ দলের নেতা-কর্মীদের মৃত্যুর পরও বিএনপি কেন বিক্ষোভ কর্মসূচির বাইরে যেতে পারছে না এমন প্রশ্নে বিএনপির বরিশাল বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরীন বলেন,‘আজকে যে কারণে দুইজন মারা গেল এটা তো বিএনপির জন্য না, দেশ ও জনগণের জন্য। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদের একটি পোগ্রামে তারা গুলি করে দিল। কিন্তু এই দাবি তো শুধু বিএনপির দাবি না। বিএনপি জনগণের জন্য কাজ করে এবং জনগণকে সাথে নিয়েই কাজ করবে। দরকার পরলে বিএনপি জনগণের স্বার্থে অবশ্যই কঠিন থেকে কঠিনতর কর্মসূচি দিবে’।

বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দলটি এখনই হরতাল বা অবরোধের মতো বড় কর্মসূচিতে যাবে না। তারা মনে করছে সরকার এবং সরকার পক্ষীয় লোকজন উস্কানি দিয়ে তাদের মাঠে নামাতে চাইছে। সঠিক সময়ের আগেই তাদেরকে মাঠে নামিয়ে দমন-পীড়নের মাধ্যমে নির্বাচনী ফায়দা নিতে চায় সরকার। এজন্যই তারা আন্দোলনে কৃচ্ছতা সাধন করছে এবং সঠিক সময়ের অপেক্ষায় আছে।

;

আ.লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা এত সহজ নয়: তোফায়েল আহমেদ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ভোলা
তোফায়েল আহমেদ

তোফায়েল আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, গত ১৪ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় কিন্তু বিএনপির কোন নেতা কর্মীর ওপর অত্যাচার-হামলা হয়নি অথচ বিএনপি অহেতুক ভোলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে।

২০০১ সালে বিএনপির কারণে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা কেউ ঘরে থাকতে পারেনি। তারা আবার সহিংসতা করতে চায়। এ ব্যাপারে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান তোফায়েল আহমেদ।

তিনি আজ মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) ভোলা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের পায়ের নিচে মাটি নেই, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতাচ্যুত করা এত সহজ নয়।

এ সময় তোফায়েল আহমেদ বলেন, ১৪ বছর ধরে বিএনপির মহাসচিব এর কাছ থেকেই একটা কথাই শোনা যায়। তবে আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কে ধন্যবাদ জানাই, কারণ সে বিভিন্ন বিভিন্ন বক্তৃতা দিয়ে প্রেস ব্রিফিং করে সমাবেশ করে বিএনপিকে টিকিয়ে রেখেছে। এছাড়া বিএনপির আর কোনো কাজ নেই। ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন করেছে বিএনপি, ৩১ মার্চ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। বারবার আমাদের মাধ্যমে বিদায় নিয়েছে বিএনপি। আমরা সেই দল। 

এ সময় প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বলেন, আওয়ামী লীগ ২০০৮ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত টানা ১৪ বছর ক্ষমতায় থাকলেও বিএনপির উপর কোন অত্যাচার নির্যাতন করেনি। অথচ বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন আওয়ামী লীগের কর্মীরা বাড়িতে থাকতে পারেনি। এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়িয়েছে। আওয়ামী লীগ সেই রাজনীতি করে না বলেও তিনি জানান।

এ সময় তিনি দলীয় নেতৃবিন্দদের ঐক্য বদ্ধ থাকার আহবান জানান।

জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দোস্ত মাহামুদ এর সভাপত্বি মত বিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আজিজুল ইসলাম, ভোলা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিবুল্লাহ নাজু, সাধারণ সম্পাদক শাহ আলী নেওয়াজ পলাশ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতিকুর রহমান, শ্রমীক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহে আলমসহ অন্যানরা।

;

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকাস্থ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রতিনিধি দল।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল চিফ স্কট ব্রান্ডন এবং পলিটিক্যাল, ইকোনোমিক ও কালচারাল কাউন্সিলর আর্টুরো হাইন্স জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানীস্থ কার্যালয়ে এলে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান তাদের স্বাগত জানান।

এ সময় তারা বন্ধু প্রতীম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন। সভায় তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে।

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি এবং জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বিশেষ দূত ও উপদেষ্টা মাসরুর মওলা উপস্থিত ছিলেন।

;

নির্বাচনে আসা না আসা একটি দলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচনে আসা না আসা যে কোন দলের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার, কিন্তু নির্বাচন হতে না দেওয়ার আস্ফালন করে লাভ নেই ।

তিনি বলেন, যতই বাধা আসুক সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার (০৯ আগস্ট) তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংকালে বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে একথা বলেন তিনি।

সরকার নাকি আন্দোলনে ভীত, বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য কমেডি ক্লাবের জন্য যুৎসই হতে পারে কিন্তু দেশের বাস্তবতার সাথে কোন মিল নেই এমন মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে কোথায় তাদের আন্দোলন?  কোথায় তাদের উত্তাপ?  জনগণতো কিছু দেখছে না।

তিনি আরও বলেন, একবার শুনি রাজপথ দখলে নিবে,আবার শুনি সরকারকে টেনে নামাবে,কখনো শুনি নির্বাচন হতে দিবে না।আসলে বিএনপির সক্ষমতা কতটুকু তা আমাদের জানা আছে।

বিএনপি নেতাদের প্রতিদিন অভিন্ন বক্তব্য, হুমকি-ধামকি শুনতে শুনতে জনগণ এখন হাসে বলেও মনে করেন তিনি।

বৈশ্বিক সংকটের নেতিবাচক প্রভাবের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহে অস্থিতিশীলতা ও মূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ সংকট কোন দেশের নয়,এ সংকট সারা বিশ্বের।

মন্ত্রী বলেন, এ বাস্তবতা অনুধান না করে বিএনপি ও তার দোসররা শুধু বাংলাদেশ সরকারকে দায়ী করছেন।

বিএনপি নেতাদের কথায় কথায় দুর্নীতি আর লুটপাটের কথা বলা বিষয়ে ওবায়দুল কাদের তাদের উদ্দেশে বলেন, অন্ধকারে ঢিল না ছুঁড়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ দিয়ে বলুন, কোথায়,কারা, কে দুর্নীতি করছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্নীতির প্রশ্নে শেখ হাসিনা সরকারের শূন্য সহিষ্ণুতা নীতির কোন নড়চড় হয়নি।

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে পরিবহন ভাড়া সমন্বয় করা হয়েছে কিন্তু কোন কোন পরিবহন বাড়তি ভাড়া আদায় করছে এ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, পরিবহন মালিক শ্রমিকগণ সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকছেন,তারাসহ বৈঠক করে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা বাস্তবে প্রয়োগ করবেন।

মন্ত্রী বলেন যারা সমন্বয়কৃত ভাড়ার বেশি আদায়ের চেষ্টা করছেন - আমাদের মনিটরিং এর আওতায় তারা রয়েছেন, তাই আবারো তাদের সহযোগিতা  চাচ্ছি, অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পরিবহনে যারা পরিকল্পিত ভাবে ধর্ষণ ও ডাকাতির মত ঘটনা ঘটায় তাদের গণশত্রু আখ্যায়িত করে বলেন, তারা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করছে। এদের কঠোর হস্তে দমন করতে হবে।

;