দেশে রাজনীতি নেই: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, দেশে রাজনীতি নেই, রাজনীতি করার পরিবেশ সীমিত হয়ে গেছে। দেশের মানুষের কথা বলার অধিকার সীমিত হয়ে পড়েছে।

বুধবার (৩ আগস্ট) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্র সমাজের সাবেক নেতাদের সঙ্গে এক সভায় তিনি একথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য বড় ধরনের হুমকি। আমরা মানুষের বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতার জন্য কাজ করছি। আমরা গণমানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে রাজনীতি করছি। নির্বাচনের মাধ্যমে পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত করার অধিকার ছিনতাই হয়ে গেছে। আমরা মানুষের সব অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন তোতা, হুমায়ুন খান, দেলোয়ার হোসেন খান মিলন, যুগ্ম ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল দিদার দিপু, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শামীম আহমেদ রাজীব, এ.কে.এম. সাজ্জাদ পারভেজ, রেজাউর রাজী স্বপন চৌধুরী, রাকিব খান।

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান রওশন এরশাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান রওশন এরশাদের

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান রওশন এরশাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ এমপি এক বিবৃতিতে বলেছেন, সামগ্রিক বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি যৌক্তিক হলেও সরকার ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন, পেট্টোলের দাম যে মাত্রায় বৃদ্ধি করেছে তা নিয়ে দেশবাসী উদ্বিগ্ন।

সামগ্রিকভাব অর্থনীতি এমনিতেই চাপের মধ্যে আছে, কোভিড-পরবর্তী একটা পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া চলছিল এবং জনজীবনে মূল্যস্ফীতির বড় ধরনের চাপ রয়েছে-এ অবস্থায় জ্বালানির দাম যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা।

বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে ভোগ্যপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম আরেকদফা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে জনদুর্ভোগ বেড়ে যাবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিধারা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে তেল-গ্যাসসহ সব ধরনের জ্বালানি সহনীয় পর্যায়ে রাখা জরুরি। 

তিনি আরও বলেন, করোনা অতিমারির বিরূপ প্রভাব এবং ইউক্রেন যুদ্ধের অভিঘাত ইতোমধ্যে জনসাধারনের উপার্জন এবং ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস করেছে। এর মধ্যে যদি জ্বালানির মূল্য অসহনীয় হয়ে ওঠে তাহলে জনজীবন দূর্বিষহ হয়ে উঠতে পারে। এ অবস্থায় মানুষের জীবনমানের দিক বিবেচনা করে সরকার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে যৌক্তিক ও সহনীয় পর্যায়ে রাখবেন- এমনই প্রত্যাশা করেন বিরোধীদলীয় নেতা।

;

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাপার দুই দিনের কর্মসূচি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাপার দুই দিনের কর্মসূচি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে জাপার দুই দিনের কর্মসূচি

  • Font increase
  • Font Decrease

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় পার্টি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ৮ আগস্ট ৩টায় কাকরাইলস্থ জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ, পরদিন ৯ আগস্ট সারাদেশে বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও সকল ইউনিট পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল।

রোববার (৭ আগস্ট) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানদের এক সভায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো- চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, সালমা ইসলাম এমপি এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে কঠোর কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধীদল জাপা। তেলের দাম বৃদ্ধির তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে দলটি। জাপার চেয়ারম্যান এক বিবৃতিতে বলেছেন, ৫১ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজিরবিহীন। জ্বালানি তেলের এমন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি হবে। প্রমাণ হলো দেশের মানুষের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই।

;

‘ক্ষমতায় টিকে থাকতে সবকিছু জনগণের ওপর চাপিয়ে দিচ্ছে সরকার’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ

চট্টগ্রামে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপির সমাবেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্তমান সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে সবকিছু জনগণের ওপর চাপিয়েছে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, এই সরকার দেশকে শ্রীলংকার পরিণতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের মূল্য ৯০ ডলার কমেছে। অথচ বাংলাদেশে রাতারাতি ৫০ শতাংশের ওপরে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করেছে এই অবৈধ সরকার। এই অবৈধ সরকারের দুর্নীতির মধ্যে দিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির কারণে হঠাৎ করে মধ্য রাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। যে ডিজেলের দাম ছিল ৮০ টাকা, তার দাম এখন ১১৪ টাকা। অকটেনের দাম ছিল ৮৮ টাকা তার দাম এখন ১৩৫ টাকা। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে সবকিছুই সর্বসাধারণের ক্রয় ক্ষমতার ঊর্ধ্বে চলে যাবে। সাধারণ মানুষের দুর্দশার সীমা থাকবে না। অবিলম্বে এই হঠকারী সিদ্ধান্ত পরিহার করুন। অন্যথায় জনগণকে সাথে নিয়ে রাজপথে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

শনিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদের চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে এক সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকার দেশকে তালাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছে। এই সরকার বারবার তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। তার ওপর আবার জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। মানুষের পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গেছে। এই সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য জনগণের ওপর সবকিছু চাপিয়ে দিচ্ছে। জনগণ আজ দিশেহারা। আন্দোলনের প্রস্তুতি নিন। আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন চৌধুরীর লিটন, শাহ আলম, আব্দুল মান্নান, সদস্য গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ, মনজুরুল আলম মঞ্জু, কামরুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মাহবুবুল আলম, নগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম রাশেদ খান, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, থানা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, মো. সেকান্দর, মো. সালাউদ্দিনসহ প্রমুখ।

;

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজিরবিহীন: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, ৫১ শতাংশেরও বেশি পর্যন্ত জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নির্দয় ও নজীরবিহীন। জ্বালানি তেলের এমন মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে মহাবিপর্যয় সৃষ্টি হবে। প্রমাণ হলো দেশের মানুষের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই।

শনিবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এমন মন্তব্য করেছেন।

বিবৃতিতে বলেন, অকটেনের মূল্য এক লাফে ৫১ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি লিটার ৮৯ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। ৮৬ টাকা লিটারের পেট্রোলের দাম ৫১ দশমিক ১৬ ভাগ বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। ডিজেল ও কেরোসিন এর দাম ৪২ দশমিক ৫ ভাগ বেড়ে প্রতি লিটার ৮০ টাকার বদলে বিক্রি হচ্ছে ১১৪ টাকায়। অথচ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী ।

গত ৪/৫ মাসে বিভিন্ন স্থানে বেঞ্চমার্ক ক্রুড ওয়েলের দাম কমেছে ২৯ থেকে ৩০ শতাংশ। ইউএস বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৯ ডলারের নিচে নেমে যায়। গত মার্চে যার দর উঠেছিল ১২৪ ডলারে। আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড প্রতি ব্যারেল বিক্রি হয় ৯৪ ডলারে। সারাবিশ্বে যখন জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, তখন দেশে তেলের মূল্য বৃদ্ধি সকল মহলকে হতাশ করেছে।

বিবৃতিতে বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বেড়ে যাবে পরিবহণ ব্যয়। নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। পাশাপাশি দেশীয় পণ্যের উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে, বাড়বে দামও। এতে রফতানি শিল্পেও বিপর্যয় সৃষ্টি হবে। ভয়াবহ পরিণতির দিকে অগ্রসর হবে দেশের অর্থনীতি। হাহাকার উঠবে সাধারণ মানুষের পরিবারে। তাই, জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি।

;