‘বিএনপি এখন ব্যাঙের মতো ডাকছে, পুঁটি মাছের মতো লাফাচ্ছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আমরা গোপালগঞ্জের মাটিতে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই বিএনপি এখন ব্যাঙের মতো ডাকছে, পুঁটি মাছের মত লাফাচ্ছে। তারা মূলত ষড়যন্ত্র করছে।

শহীদ শেখ কামালের ৭৩তম জন্মদিন উপলক্ষে শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শুক্রবার (৫ আগস্ট) দুপুরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ফলমূল, শাকসবজি ও সরিষা বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিএনপি যদি জনগণের জানমাল নিয়ে ছিনিমিনি খেলে, অতীতের মতো পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে তাহলে আগামী সেপ্টেম্বরে আমরা মাঠে নামবো। তখন বিএনপি পালানোর পথ খুঁজে পাবে না। কারণ আগস্ট মাস শোকের মাস। তাই আমরা শোক পালন করছি।

আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীর সভাপতিত্বে বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, বিএনপি বাসায় বসে বক্তৃতা করে আর প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করে। বিএনপির বিক্ষোভে যত লোক ছিল তার থেকে গাছে কাকও অনেক বেশি ছিল। আর করোনাকালীন সময়ে আওয়ামী লীগ ও তার নেতাকর্মীরা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে অন্য কেউ দাঁড়ায়নি। তবে সবাই সতর্ক থাকবেন কারণ বিএনপি ষড়যন্ত্র করছে।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদফতর সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খানের সঞ্চালনায় কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভবেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. বাবুল শেখ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ।

আলোচনা সভা শেষে মন্ত্রী টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়া উপজেলার ১ হাজার কৃষকের মাঝে ১৫ ধরনের সবজি, ফলমূল ও সরিষার বীজ বিতরণ করেন।

এর আগে, তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ টুঙ্গিপাড়া পৌঁছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান ও বঙ্গবন্ধু এবং ১৫ আগস্টের সকল শহীদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়ায় অংশ নেন।

বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠপুত্র শেখ কামাল স্মরণে তথ্যমন্ত্রী বলেন, শহীদ শেখ কামালকে দুষ্কৃতিকারীরা হত্যা করলেও তার স্বল্প বয়সের কর্মের মাধ্যমেই যুগ যুগ ধরে, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন তিনি আমাদের মাঝে জাগরূক থাকবেন। এই অল্প বয়সের মধ্যেই যে প্রতিভা ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বাক্ষর তিনি রেখেছিলেন, তাতে আমি মনে করি তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ আরও অনেক উপকৃত হতো। আজকের এই দিনে আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

৩০০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ



মহিউদ্দিন আহমেদ, কন্ট্রিবিউটিং এডিটর, বার্তা২৪.কম
৩০০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ

৩০০ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ

  • Font increase
  • Font Decrease

 

বিএনপি যদিও নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া আগামী নির্বাচনে না যাওয়ার ব্যাপারে অনঢ় অবস্থানে আছে। কিন্তু একই সাথে দলটি আগামী নির্বাচনকে মাথায় রেখে সংসদীয় আসনগুলোতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকারও খসড়া করে রাখতে চায়। যেন যে কোন পরিস্থিতিতে প্রার্থী নিয়ে কোন প্রকার বিভ্রান্তিতে পরতে না হয়। এর আগে ২০১৮ সালের নির্বাচনে কৌশলগত কারনে বিএনপিকে প্রায় প্রতিটি আসনে এক বা একাধিক এমনকি ততোধিক প্রার্থীকে মনোনয়নের চিঠি দিতে হয়েছিল। মূলত তখনই কিছু বিষয় পরিষ্কার হয় বিএনপি হাই কমান্ডের কাছে। এর মধ্যে একটি ছিল, শুধু লবিং করে মনোনয়ন বাগিয়ে নেয়া কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নিজ এলাকায় অবস্থান তৈরি করতে না পারা। নির্বাচনের সময়ে সরকার ও প্রশাসনের ভয়ে নিষ্ক্রিয় থাকা। ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে দলীয় মনোনয়নের চিঠি বাগিয়ে নেয়া এবং নির্বাচনী মাঠ থেকে দূরে থাকা। মোদ্দা কথা উল্লেখযোগ্য পরিমান প্রার্থীর একেবারেই জনসম্পৃক্ততা না থাকা।

সবকিছু বিবেচনা করে এবার আসনভিত্তিক মনোনয়ন নিশ্চিত করার আগে আগ্রহীদের এলাকা ভিত্তিক সক্ষমতা যাচাই করতে চায় বিএনপি। নিজ সংসদীয় আসনে আন্দোলন সংগ্রাম বেগবান করতে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা কি পরিমান ভূমিকা রাখতে পারছে সেটাও মনিটর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে এক সূত্রে জানা গেছে।

গত ১৬ আগস্ট বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে চলতি মাসের ২২ তারিখ জেলা উপজেলা পর্যায়ে যে কর্মসূচী পালিত হবে সেখানে সংশ্লিষ্ট জেলার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং সাবেক সংসদ সদস্যের অবশ্যই উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সেইসাথে কেন্দ্র থেকে এগুলো মনিটরিং করার সিদ্ধান্তও হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপি হাইকমান্ডের এমন সিদ্ধান্তে খুশি তৃণমূল বিএনপি এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। তারা মনে করছে এমন সিদ্ধান্তে শুধু রাজধানী ভিত্তিক দলীয় রাজনীতির দৌরাত্ম্য কমবে। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাথে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ এবং জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়বে। নির্বাচনের কিছুদিন আগে কেন্দ্র থেকে চিঠি নিয়ে এসে ক্ষমতা জাহিরের অবসান ঘটবে।

আসন ভিত্তিক মনোনয়ন প্রত্যাশীরা সক্রিয় হলে তৃণমূলে এর কেমন প্রভাব পরতে পারে এ বিষয়ে জানতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান’কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, যারা নির্বাচন করতে চায় তাদেরকে আগে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে নিজেদেরকে প্রমান করতে হবে। যে যেই নির্বাচনী এলাকায় নির্বাচন করতে আগ্রহী, সকলের জন্যই তো বিএনপির দুয়ার খোলা আছে। কিন্তু তাদেরকে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে নিজেদের প্রমাণ করতে হবে। আর অবশ্যই তৃণমূলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে সন্দেহ নেই।

;

বাংলাদেশে এখন রিকশাওয়ালারাও রিজার্ভের কথা বলে: কাদের



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপির সভা-সমাবেশ করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদারতার অর্থ দলটির নেতারা বুঝেন না।

মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে কষ্ট লাগে আমাদের নেত্রী বলেছেন, বিএনপি সমাবেশ করুক, জনসভা করুক কোনো বাধা আমরা দেব না। নেত্রী আপনার এ উদারতার অর্থ আমরা বুঝি। তারা তো সেটা বুঝে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা বলে, বিদেশিদের চাপে আপনি এটা করছেন। লন্ডন থেকে স্লোগান দেয় আর স্লোগানের প্রতিধ্বনি হয় পল্টনে। কী স্লোগান ? টেক ব্যাক বাংলাদেশ। টেক ব্যাক করে কোথায় যাবে? লুটপাটের হাওয়া ভবনের বাংলাদেশ। পাঁচবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের বাংলাদেশ। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ বিসর্জনের বাংলাদেশ।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংকটের বিস্তীর্ণ কাঁটাবন পেরিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখনো বাংলাদেশ স্ট্যাবিলিটি বজায় রেখেছে। এখনো বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এখনো রেমিট্যান্স আছে হাজার হাজার কোটি টাকার। এখনো ৪০ থেকে ৪২ বিলিয়ন ডলার আমাদের রিজার্ভে। বললাম কেন? বাংলাদেশে এখন রিকশাওয়ালারাও রিজার্ভের কথা বলে। শ্রীলঙ্কার রিজার্ভ ফুরিয়ে গেছে। পাকিস্তানের রিজার্ভ তলানিতে। এ জন্য বাংলাদেশকে নিয়েও তারা দুঃস্বপ্ন দেখে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মানুষের কান কথা শুনে, গুজব শুনে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাও হবে না, পাকিস্তানও হবে না। এটা বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। এটা বীরের দেশ। শেখ হাসিনার বাংলাদেশ।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সবাই শুধু ঐক্যবদ্ধ থাকুন। দলটাকে সুশৃঙ্খল রাখুন। যেভাবে এগিয়ে চলছে আমরা যদি নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী এগিয়ে যেতে পারি, আগামী নির্বাচনে আমরা আবারও বিজয়ের বন্দরে পৌঁছাতে পারব। আওয়ামী লীগে সব আছে। এখানে ভালো মানুষের অভাব নেই। শুধু ঐক্যটা রাখলেই হবে। ঐক্যটা থাকলে আওয়ামী লীগ বিজয়ী হবে। আওয়ামী লীগের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।

;

জিয়া কখনই প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপি বলে জিয়া মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন। আমরা অস্বীকার করছি না। কিন্তু সে কি স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলো? অবশ্যই তার কর্মকাণ্ডে সেটি প্রমাণ হয় না। যদি তিনি সত্যি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হতেন তাহলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকাণ্ডের পর ইনডেমনিটি আইন করে খুনিদের রক্ষা করতেন না। জিয়া যদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত না থাকে তাহলে তিনি খুনিদের বিচার কেন করেননি? তাদের বিচার করতে তার কি সমস্যা ছিলো? সে উল্টো তাদের পুরস্কৃত করেছিলো। তাদের রাষ্ট্রদূত বানিয়েছিলো।

সোমবার (১৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ আয়োজিত কেআইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বিএনপি জন্ম হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি দিয়ে। তারা এখনো এ রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তারা পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ হত্যা করে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস করে। তারা কখনো চায় না দেশের মানুষ ভালো থাকুক। তারা শুধু চায় যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় যেতে। তাদের এখন দেশে-বিদেশে সবখানে ষড়যন্ত্র করে। তারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। তাদের নেতারা সব সময় মিথ্যাচার নিয়ে ব্যস্ত থাকে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জন্ম তারিখ ছিলো ৫ সেপ্টেম্বর। তিনি হঠাৎ করে ১৫ আগস্ট কেক কাটা শুরু করলেন। এর কারণ ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী। গোটা জাতির শোকের ও বেদনার দিন এরা আনন্দ করে, কারণ বঙ্গবন্ধু এ দেশকে স্বাধীন করেছেন আর খালেদা জিয়া পাকিস্তানের পক্ষের শক্তি। সে স্বাধীনতা চায়নি। ১৯৮৪ সালে যখন খালেদা জিয়া বিএনপির নেত্রী হন তখন তার পিতা তৎকালীন পত্রিকা ‘নিপুন’ এ সাক্ষাৎকারে বলেছেন ১৯৪৫ সালে যখন ২য় বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হলো ৫ সেপ্টেম্বর সেদিন খালেদা জিয়া জন্মগ্রহণ করেছিলো। কতটা খারাপ মন মানসিকতার হলে এভাবে কারো শাহাদাত বার্ষিকীতে মানুষ আনন্দ উল্লাস করতে পারে।

কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মহাসচিব কৃষিবিদ মো. খায়রুল আলম প্রিন্সের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব কৃষিবিদ এম. আমিনুল ইসলাম। সভাপতির বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের সহ-সভাপতি কৃষিবিদ প্রফেসর এ. কে. এম. সাইদুল হক চৌধুরী।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ সভাপতি কৃষিবিদ ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ মো. মোবারক আলী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী কৃষিবিদ মসিউর রহমান হুমায়ূন প্রমুখ।

;

১৫ আগস্টের খুনি চক্র এখনও সোচ্চার: শেখ তাপস



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

১৫ আগস্টের খুনি চক্র এখনও সোচ্চার রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

রোববার (১৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কদমতলী থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে তবারক বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ মন্তব্য করেন।

শেখ তাপস বলেন, ১৫ আগস্ট কাল রাতে সংগঠিত ইতিহাসের নিকৃষ্টতম হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত খুনি চক্র নিত্য-নতুন ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তারা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে চলা বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা রোধ করতে চায়। এই খুনি চক্র এখনও সোচ্চার রয়েছে।

যত ষড়যন্ত্রই হোক না কেন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল -- বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে ওঠবে। সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাই যত ষড়যন্ত্র, দুরভিসন্ধিই হোক না কেন --ঘাতক চক্রের সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে আমরা আরও ঐক্যবদ্ধভাবে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে এই বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব। আজকে জাতীয় শোক দিবসে এটাই আমাদের প্রত্যয়।

ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস এ সময় খুনি চক্রকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বাংলাদেশের মাটি থেকে নির্মূল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কদমতলী থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৫৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিকের সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মন্নাফী প্রধান আলোচক এবং আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদ সদস্য ও ঢাকা-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. দিলীপ কুমার রায় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মিরাজ হোসেন বিশেষ আলোচক হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

;