বিএনপি আমলে তারেক খাম্বার ব্যবসা করেছে, বিদ্যুৎ আসেনি: নানক



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, বিএনপি বিদ্যুৎ খাত ধ্বংস করে দিয়েছিলো। ৯৬ সালে শেখ হাসিনার সরকার ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিলেন। বিএনপি ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান খাম্বার ব্যবসা করেছে, বিদ্যুৎ আসেনি। সেই বিদ্যুৎ ২ হাজার মেগাওয়াটে চলে এসেছিলো। আর শেখ হাসিনার সরকার আবার রাষ্ট্র পরিচালনায় এসে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছেন।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর গুলিস্তানে মহানগর নাট্যমঞ্চে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বর্ধিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, বিএনপির সময়ে বিদ্যুতের জন্য আন্দোলন হয়েছিলো, কানসাটে ১৪ জন মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছিলো। সারের জন্য মিছিল করেছিলো কৃষকরা। সেই কৃষকদের ওপর গুলি চালিয়েছিলো তারা। সেই খাম্বামার্কা বিএনপি এখন বিদ্যুতের পরিকল্পনা দেয়, লজ্জাকর। ওদের লজ্জা নেই।

বিদ্যুৎ নিয়ে বিএনপির শাসনামলের জন-অসন্তোষ ও হাহাকারের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, পানির জন্য দৌড় সালাউদ্দিনের কথা মনে নেই? মসজিদ থেকে বলা হতো, মসজিদের বিদ্যুৎ-পানি নেই, যার যার বাসা থেকে অযু করে আসবেন। এগুলো মানুষ ভুলে যায়নি।

তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্বে যখন কোভিডের সংকট চলছে তখন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ভালোভাবে সংকট মোকাবিলা করেছে। টিকা আসার আগেই তিনি টিকার জন্য টাকা দিয়ে বুকিং করে রেখেছিলেন, যাতে বাংলাদেশ আগেই টিকা পায়। বিনা পয়সায় সবাইকে টিকা দিয়ে কোভিড নিয়ন্ত্রণ করেছেন শেখ হাসিনা। অর্থনীতি টিকিয়ে রাখতে প্রণোদনা দিয়েছেন বিভিন্ন খাতে।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নুরুল আমিন রুহুলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির।

‘নালিশ পার্টি থেকে বিএনপি এখন মাথা খারাপ পার্টিতে পরিণত হয়েছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

নালিশ করে দিশা না পেয়ে বিএনপি এখন 'মাথা খারাপ পার্টি'তে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গাইবান্ধা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. হাছান বলেন, র‌্যাবের কয়েকজন সদস্য ও পুলিশ প্রধানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় বিএনপি নেতারা বর্ষাকালে পুঁটিমাছের মতো লাফিয়েছেন। কিন্তু এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আর বিশ্বনেতাদের পাশে বসে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বৈঠক করতে দেখে, তাদের লাফালাফি বন্ধ হয়ে গেছে, মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগে বিএনপি নেতারা দিনের বেলা বিভিন্ন জায়গায় নালিশ করে বেড়াতো, আর রাতের বেলা বিভিন্ন দূতাবাসে গিয়ে ধর্ণা দিতো। সেই নালিশ পার্টি এখন মাথা খারাপ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। তারা এখন বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশের নামে নিজেরা নিজেরা মারামারি করে, আর পুলিশের ওপর হামলা করে। ক'দিন আগেও মুন্সিগঞ্জে তারা পুলিশের ওপর হামলা করেছে।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার পর, সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় সেই ঘোষণা প্রচার করা হয়। চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ঘোষণা করে, চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান সেই কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। পরে আওয়ামী লীগ নেতারা একজন সেনাবাহিনীর অফিসারকে দিয়ে ঘোষণা পাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে, তখন চট্টগ্রামে অবস্থানরত মেজর রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

তিনি জানান, তিনি এমবুশে আছেন, সেখান থেকে সরে এলে যুদ্ধের ক্ষতি হবে এবং তিনি কাছাকাছি থাকা মেজর জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বোয়ালখালীর পাহাড় থেকে তখন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে এসে ২৭ মার্চ বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করানো হয়। প্রথমে জিয়া ভুল পড়েন, পরে বঙ্গবন্ধুর নামে ঠিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ, কারণ বঙ্গবন্ধু এই দিন স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। আর জিয়াকে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা পাঠ করানো হয় ২৭ মার্চ। আজকে বিএনপির যারা বলার চেষ্টা করেন যে জিয়া হুইসেল বাজিয়েছেন আর দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে, তারা জাতির সাথে মশকরা করেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই।

গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এড. সৈয়দ শামছুল আলম হিরুর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি উদ্বোধক হিসেবে, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান এমপি, কোষধ্যক্ষ এইচ এম আশিকুর রহমান এমপি, কেন্দ্রীয় সদস্যদের মধ্যে এড. হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, এড. সফুরা বেগম রুমি, সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

সম্মেলনে আবু বকর সিদ্দিক গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি ও মোজাম্মেল হক মন্ডল সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।

;

পিস্তল তাক করা এমপির সঙ্গে সমঝোতা করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান!



গনেশ দাস, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বগুড়া
পিস্তল তাক করা এমপির সঙ্গে সমঝোতা করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান!

পিস্তল তাক করা এমপির সঙ্গে সমঝোতা করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান!

  • Font increase
  • Font Decrease

উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতিকে পিস্তল তাক করে গুলি ছোড়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলুর বিরুদ্ধে। আর এই অভিযোগে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা বিক্ষোভ সমাবেশ, কুশপুত্তলিকা দাহ থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করতে থাকেন।

তবে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) উপজেলা চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ছান্নু ও সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলুর বুক মিলানো ও মিষ্টি খাওয়ানো ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে নেট মাধ্যমে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংসদ সদস্য এবং উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যে বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির পর মিষ্টি খাওয়ানো এবং বুক মিলানো হয়।

শাজাহানপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব হোসেন ছান্নু এ প্রসঙ্গে বলেন, এমপি (সংসদ সদস্য) ঝামেলায় যাবেন না, কোথাও কোন অভিযোগ করেননি, অন্যদিকে আমাদের সিনিয়ররা চাচ্ছেন এ ঘটনা আর লম্বা না হোক। এ কারণে তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় অন্য এক জায়গায় সৌজন্য সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। বিষয়টি পজিটিভ ভাবে নেয়ার জন্য তিনি সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন।


অপর দিকে বগুড়া-৭ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু বলেছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আমার ছোট ভাই, তিনি ভুল বুঝতে পেরে শনিবার আমার বাসায় আসেন। এ সময় তার সাথে দলের নেতাকর্মী ছাড়াও কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিকও ছিলেন। সংসদ সদস্য বলেন কেউ ভুল বুঝে বাসায় এসে ক্ষমা চাইলে আর কিছু করার থাকে না।

তিনি আরো বলেন, আমি তো এমপি, আমার ওপরে এই উপজেলায় আর কোন পদ পদবী না, তাই ওদেরকে ক্ষমা করে বুকে জড়িয়ে নিয়েছি। এ সময় বাসায় যা ছিল তাই দিয়ে আপ্যায়ন করেছি।

উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর (বুধবার) শাজাহানপুর উপজেলা পরিষদের দোতলায় এমপির সমর্থক ও উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থকের মধ্যে হামলা পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেল চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন ছান্নু উভয় পক্ষকে থামানোর জন্য এগিয়ে গেলে সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাবলু পিস্তল বের করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং সংসদ সদস্যকে সরিয়ে নিয়ে যান। সেসময় উপজেলা চেয়ারম্যান অভিযোগ তোলেন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্য পিস্তল তাক করে গুলি ছোড়ার চেষ্টা করেছেন। এই অভিযোগে শাজাহানপুর উপজেলায় কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে সংসদ সদস্য রেজাউল  করিম  বাবলুকে অবাঞ্চিত  ঘোষণা করা হয় এবং তার কুশপুত্তলিকা দাহ করে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মীরা।

;

‘আন্দোলন জমানোর অশুভ খেলায় মেতেছে বিএনপি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি লাশ ফেলে আন্দোলন জমানোর অশুভ খেলায় মেতে উঠেছে।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের তাঁর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

সরকারের বিদায় সাইরেন নাকি বেজে গেছে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, গত ১৪ বছর ধরেই বিএনপি মহাসচিবের কানে সরকার বিদায়ের সাইরেন বাজছে, জনগণের কানে নয়।

শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অর্জন দেশের জনগণ ঠিকই দেখতে পায় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতারা চোখে কালো চশমা পড়ে থাকে বলে তারা দিনের আলোয় রাতের অন্ধকার দেখতে পায়, এজন্যই বিএনপি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোন উন্নয়ন-অর্জন দেখতে পায় না।

কমিটিতে দলের দুঃসময়ের নেতাকর্মীদের গুরুত্ব দিতে হবে, বসন্তের কোকিলরা দুঃসময়ে থাকবে না এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র বিশ্বাসী যে কোন শিক্ষিত লোকের জন্য আওয়ামী লীগের দরজা সবসময় খোলা।

ওবায়দুল কাদের দলের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলা শেখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, আমাদের সবার নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা, আর আমরা সবাই তাঁর কর্মী।

তিনি আবারও নেতাকর্মীদের বলেন, বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগ কে বাঁচাতে হবে। মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে।

জাতিসংঘে বিশ্ব মানবতা এবং মানব সভ্যতার পক্ষে কথা বলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

;

সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা: ঢাকা দক্ষিণ আ.লীগের সম্পাদক হুমায়ুনকে শোকজ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির

  • Font increase
  • Font Decrease

সম্মেলনে বিশৃঙ্খলা, নেতাকর্মীদের গালিগালাজ করায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দলের দফতর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বার্তা২৪.কম-কে এ কথা জানান।

তিনি বলেন, লালবাগ থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কর্মীদের গালিগালাজ ও সম্মেলনে কেন্দ্রের নির্দেশ অমান্য করে সমাবেশ করার পর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরকে শোকজ করা হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

এর আগে, বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের লালবাগ থানা ইউনিটের সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতেই বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের চার পক্ষ।

এসময় বিশৃঙ্খলা থামাতে গিয়ে মাইক হাতে নিয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ হুমায়ুন কবির ‘শুয়োরের বাচ্চা’ বলে গালি দেন বিশৃঙ্খলাকারীদের।

সম্মেলনের নেতাকর্মীদের মধ্যে মোট পাঁচ দফায় হাতাহাতি মারামারি হয়েছে।

মাইকে বারবার নির্দেশ দেওয়া হলেও থামেনি বিশৃঙ্খলা। রাজধানীর লালবাগেই বাড়ি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের।

এসময় বিশৃঙ্খলা থামাতে গিয়ে মাইক হাতে নিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, স্লোগান বন্ধ করো। স্লোগান বন্ধ কর 'শুয়োরের বাচ্চারা'।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক মারামারি থামানোর জন্য নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মারামারি থামানোর জন্য আহ্বান করছি। বিশৃঙ্খলা করবেন না, বিশৃঙ্খলা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। থামুন আপনারা। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আপনাদের মাঝে এসেছে, এর গুরুত্ব উপলব্ধি করুন আপনারা?

এসময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, লাফালাফি, বাড়াবাড়ি করবেন না। নির্বাচনের ১৪ মাস বাকি অথচ শোডাউন দিয়ে শক্তি প্রদর্শন শুরু করেছেন। আপনারা কেউ এমপি হতে পারবেন না, নেতা হতে পারবেন না।

এছাড়া পূর্ব নির্ধারিত চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ ছিল শুক্রবার বিকাল ৩টায়। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সেই সম্মেলন না করার জন্য বললেও না মেনে সম্মেলনস্থলে সমাবেশ করে চকবাজার থানার অন্তর্গত বিভিন্ন শাখা আওয়ামী লীগ। সমাবেশ স্থলে নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

;