‘আ.লীগ ক্ষমতার জন্য ভারতকে কখনো অনুরোধ করেনি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের/ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের সাথে বাংলাদেশ কোন বৈরিতার সম্পর্ক চায় না, ভারতের সাথে বৈরিতা করে দেশের ক্ষতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর পলাশি মোড়ে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিল উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বক্তব্য প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় টিকিয়ে থাকা ও আসার জন্য ভারতকে কখনো অনুরোধ করেনি, শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে কাউকে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। এটি কারো ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে।

হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কোন সাম্প্রদায়িক হামলা হয়নি, জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা করেছে তারা দুর্বৃত্ত।

আমাদের সমর্থন, ক্ষমতার উৎস বাংলাদেশের জনগণ। বাইরের কেউ আমাদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে পারবে না। আল্লাহর ইচ্ছায় জনগণের সমর্থনে আওয়ামী লীগ টিকে আছে, ইনশাল্লাহ ভবিষ্যতেও টিকে থাকবে। যিনি এ কথা বলেছেন, তার ব্যক্তিগত অভিমত হতে পারে। এটা আমাদের সরকারের বক্তব্য না, দলেরও বক্তব্য না। এতে করে ভারতও লজ্জা পায়। কীভাবে আমরা এ কথা বলি! বন্ধু, বন্ধু আছি। সম্পর্কটা ভালো আছে। অহেতুক কথা বলে এটা নষ্ট করবেন না কেউ, বলেন কাদের।

হিন্দু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে কাদের বলেন, আমরা আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, আছি এবং আমরা ভবিষ্যতেও আপনাদের সঙ্গে থাকবো। এখানে কোনো দ্বিধাদ্বন্দ্বের অবকাশ সেই।

আল্লাহ নিজের রহমতের চাদরে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করে চলেছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র ৭৬ তম শুভ জন্মদিন পালনে কৃষক লীগের আয়োজন

প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র ৭৬ তম শুভ জন্মদিন পালনে কৃষক লীগের আয়োজন

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, অন্ধকার দূর হবে, আলোর বিচ্ছুরণ হবে, এই হল জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মের তাৎপর্য। নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমাদের একটাই স্বপ্ন এবং উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনাকে এনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শূন্যতা পূরণ করব। বাঙালির বাঁধভাঙা কান্না এবং প্রকৃতির কান্নায় একাকার হয়ে ঝড় উঠেছিল জনমনে, পাগলে মত ছুটেছিল মানুষ সরকার-পুলিশ-বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীদের বাধা উপেক্ষা করে জন সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ, বিমান বন্দর থেকে সর্বত্র। আল্লাহ নিজের রহমতের চাদরে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করে চলেছেন। ২১ আগস্টসহ এখনো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বুলেট-বোমা উপেক্ষা করে নেত্রীর সুরক্ষায় প্রাচীর হয়ে অবস্থান করছে।

শনিবার ( ১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র ৭৬ তম শুভ জন্মদিন পালনে কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, শেখ হাসিনা আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জাগরিত করে নানা রকমের হামলা জয় করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারের পতন করে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে এবং উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিএনপি-জামাত বাংলাদেশ কে পাকিস্তানী ভাবার্দশে একটি সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন করতে চায়। পাকিস্তান প্রেমী মির্জা ফখরুল এবং তারেক জিয়া’রা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা ১৬ কোটি মানুষ এবং আওয়ামী লীগের সকল সংগঠনকে সাথে নিয়ে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করব।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ বলেন, ১৯৮১ সালে কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে জাতির পিতার অসমাপ্ত স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যান, হাল ধরেন বাঙালি জাতির, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সহ তলা বিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেন এবং শিক্ষাঙ্গণকে সন্ত্রাস মুক্ত ও সেশনজট মুক্ত করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করেন। আজকের এই মঞ্চে নেত্রীর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে একটি কথাই বলব, আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং  ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবেলা করতে হবে। তিনি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। কারণ তিনি সুস্থ থাকলে বাংলাদেশ থাকবে, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

সভা সঞ্চলনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব শরীফ আশরাফ আলী, আলহাজ্ব শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এস.এম আকবর আলী চৌধুরী, হোসনে আরা এমপি, কৃষিবিদ ড. নজরুল ইসলাম, মোঃ আবুল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটু, এ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা, নূরে আলম সিদ্দিকী হক, অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম পানু,  অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া, আইন সম্পাদক এ্যাড. জহির উদ্দিন লিমন, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

সভা শেষে  প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিল এবং কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

;

বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকদের তালিকা করছে পুলিশ!



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকদের তালিকা করছে পুলিশ!

বিএনপি-জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকদের তালিকা করছে পুলিশ!

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি-জামায়াতের মদদদাতাদের তালিকা প্রস্তুত করছে পুলিশ। বিএনপি, জামায়াত-ই-ইসলামী এবং অন্যান্য বিরোধী দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি সফল করতে অর্থদাতা, জনবল সংগঠক ও সহযোগীসহ যারা আড়ালে থেকে যারা কাজ করছেন তারাও পুলিশের এই তালিকায় রয়েছে।

গত ২২ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) রাজনৈতিক শাখা থেকে ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার ও মহানগরের পুলিশ কমিশনারের কাছে বিএনপিসহ অনান্য বিরোধীদলের কর্মসূচি সফল করতে যারা কাজ করছে তাদের নাম-ঠিকানা, ভোটার আইডি কার্ড এবং মোবাইল নম্বর সংগ্রহের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনার আলোকে, এসপি এবং কমিশনাররা সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি এবং বেতার বার্তা পাঠিয়েছেন। সেখানে বিরোধী দলগুলির কর্মসূচিতে পৃষ্ঠপোষকতাকারী ব্যক্তিদের তালিকা চাওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দেশের সব জেলার থানাগুলোকে বিএনপি-জামায়াত এবং সরকার বিরোধী পৃষ্টপোষকদের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং এনআইডি কার্ড নম্বর সংগ্রহ করতে হবে।

বরিশাল রেঞ্জের একজন জেলা এসপি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, চিঠি পেয়েছি এবং আমরা যারা দলীয় কর্মসূচিতে পৃষ্ঠপোষকতা করছে তাদের খতিয়ে দেখছি। সম্পর্কে সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করার পরে একটি প্রতিবেদন জমা দেব তবে এটি একটি নিয়মিত তদন্ত। এই বিষয়ে ব্যক্তিদের হয়রানি, জিজ্ঞাসাবাদ বা গ্রেফতার করা হবে না।

এ প্রসঙ্গে স্পেশাল ব্রাঞ্চের উপ-মহাপরিদর্শক (রাজনৈতিক) এজেডএম নাফিউল ইসলাম বলেন, কোন নেতা-কর্মী মারা গেছে বা তাদের অবস্থান ছেড়েছে কিনা তা জানার জন্য প্রতি দুই-তিন মাসে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থা আপডেট করি। এছাড়া দলগুলোর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্যও আমাদের হালনাগাদ করতে হবে। এটা রুটিন ওয়ার্ক। আমরা এটা আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত বা অন্য দলের জন্য করে থাকি।

এসবির একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, জাতীয় নির্বাচন এগিয়ে আসার সাথে সাথে প্রতিবারই এই তালিকা করা হয়। নির্বাচনের আগে এসব লোক যাতে সহিংসতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আগাম নজরদারিতে রাখা হয়। তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনও নজরদারিতে রাখা হয়। সর্বোপরি আইন রক্ষায় তালিকা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিভাগের একজন জেলার এসপিও বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বিএনপি-জামায়াত দাতাদের তালিকা তৈরির বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এরই মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের বর্তমান নেতাদের আলাদা তালিকা তৈরি করছে পুলিশ। সিএমপি সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের অধীনে ১৬টি থানায় তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বিএনপি নেতাদের নাম-ঠিকানার পাশাপাশি এনআইডি কার্ড নম্বরও সংগ্রহ করা হচ্ছে।

জুলাই মাসে একটি অপরাধ পর্যালোচনা সভায়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামও ডিএমপির আওতাধীন ৫০টি থানাকে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের তালিকা হালনাগাদ করার নির্দেশ দেন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা এখন আমাদের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে একটি তালিকা তৈরি করছে।

;

বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোন টানাপোড়েন নেই: কৃষিমন্ত্রী



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, টাঙ্গাইল
কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক

  • Font increase
  • Font Decrease

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাণিজ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কোন টানাপোড়েন নেই। আমরা একে অপরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি।

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত শহর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে দাম নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন। তবুও আমরা মনিটরিং করছি। খুব জোরালোভাবে এটা তত্বাবধান করা হচ্ছে। আমরা দেখছি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্তিম ঘাটতি সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে মুনাফা করছে। সেটা নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারের। আমরা সেটা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ খুব সচেতন। তারা জানে দেশে কোন দুর্ভিক্ষ নাই। খাদ্য শস্যের দাম বাড়ছে, মানুষের কষ্ট হচ্ছে, একথা আমরা বারবার বলছি। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি বিনামূল্যে খাদ্য দেওয়ার জন্য। কম মূল্যে খাদ্য দেওয়ার জন্য। দেশে খাদ্যের হাহাকার নাই, কোন সমস্যা নাই, কোন দুর্ভিক্ষ নাই। তবে মানুষের কিছু কষ্ট আছে। যারা গরিব মানুষ, নিম্নআয়ের মানুষ, রিকশা ও ভ্যানওয়ালা তাদের সমস্যা আছে। সেটা যতটা সম্ভব মোকাবিলা করার জন্য আমরা কাজ করছি। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফ দিয়ে, বিনামূল্যে খাদ্য দিয়ে আমরা যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করছি।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যে কোন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের মৌলিক অধিকার আছে জাতীয় সমস্যা নিয়ে সমাবেশ, মিছিল ও আন্দোলন করার। কিন্তু আমাদের সংবিধানে সুস্পষ্ট বলা আছে মিছিল, মিটিং, সমাবেশ সুশৃঙ্খল হতে হবে এবং শান্তি বজায় রাখতে হবে। কোনক্রমেই মানুষের জীবন ও জানমালের উপর কোন হুমকি সৃষ্টি করা যাবে না। জীবনমানকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা যাবে না। কিন্তু আমরা দেখছি বিএনপি ঠিকই সমাবেশ করছে। এই সমাবেশ থেকে পুলিশের ওপর আক্রমণ করছে। যখন পুলিশের ওপর আক্রমণ করে, তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে তা নিভৃত করার। পুলিশ তাদের পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং মাঝে মধ্যে গুলি পর্যন্ত করে। আপনারা শান্তিপূর্ণভাবে মিটিং করেন, তাতে কেউ বাধা দেবে না।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে দেশে একটা অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে চাচ্ছে। তারা ২০১৩ সালে আবার ফিরে যেতে চাচ্ছে। তারা নিবার্চনে যাবে না, গাড়িতে আগুন দিবে, বিদ্যুতের লাইন তুলে ফেলবে, ট্রেনে আগুন দিবে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারবে। আমরা এটা করতে দিব না। এখনকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সক্ষম, অনেক সুশৃঙ্খল। আমাদের দায়িত্ব পুলিশকে সহযোগিতা করা। জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের।

তিনি বলেন, আমরা সারা পৃথিবীর মতামতকে সম্মান করি। বিশ্বের সকল সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমরা সম্মান করি। কিন্তু তারা যেটা বলছে তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার। কিন্তু তাদের একটা বিষয় মনে রাখতে হবে আমাদের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে বাংলাদেশে আর কোন দিন তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা হবে না। সুপ্রিম কোর্টের রায়েও রয়েছে তত্বাবধায়ক সরকারের আইনটা অবৈধ।

ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এবিএম রিয়াজুল কবির কাওছার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ মামুন, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ প্রমুখ। এ সময় জেলা আওয়ামী লীগ ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকমীরা উপস্থিত ছিলেন।

;

‘আ.লীগের জন্ম এই মাটিতে, শিকড় অনেক গভীরে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগের হাটু ভাঙবে না, কোমর ও ভাঙবে না। আওয়ামী লীগের জন্ম এই মাটিতে, এই দলের শিকড় অনেক গভীরে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাটু ভাঙবে না, কোমর ও ভাঙবে না। আওয়ামী লীগের জন্ম এই মাটিতে। আওয়ামী লীগ এই মাটি থেকে উঠে আসা দল। আমাদের শিকড় অনেক গভীরে। এই মাটিতে যার জন্ম তার কোমর ভাঙবে না। আমি ভুল করিনি, ফখরুল সাহেব ভুল করেছেন।’

শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। বাংলা একাডেমি অডিটরিয়ামে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

‘আওয়ামী লীগের হাটু ভেঙে গেছে’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি গত পরশুদিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে বলেছিলাম কোমর ভাঙা বিএনপি, হাটু ভাঙা বিএনপি লাঠির উপর ভর করেছে। দেখলাম বিএনপির ফখরুল সাহেব তার জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন আওয়ামী লীগের নাকি হাটু ভেঙে গেছে। মির্জা ফখরুল হয় তো ভুলে গেছেন এটা আমার কথা না, এটা তাদের থ্রিংক ট্যাংক গণস্বাস্থ্যে জাফরউল্লাহ চৌধুরী এ কথা বলেছেন। বার বার বলেছেন কোমর ভাঙা বিএনপি, হাটু ভাঙা বিএনপি। আমি তাদের কথাই স্মরণ করিয়ে দিলাম হাটু ভাঙা দল লাঠির উপর ভর করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও অবদান তুলে ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্যোগে আলো হাতে আমাদের বর্ণিল ঠিকানা শেখ হাসিনা। তিনি ধ্বংস স্তুপের উপর বার বার সৃস্টির পতাকা উড়িয়েছেন। ১৩ বছর আগের বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশ এক নয়। এদেশে যুদ্ধাপরাধের বিচার করা কি সহজ ছিলো। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করে আমাদের পাপ মোচন করেছেন। জনগণের কল্যাণ, ভাগ্য উন্নয়নের জন্যই শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলির সদস্য মতিয়া চৌধুরীরর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় দলের সভাপতিমন্ডলির সদস্য আব্দুর রহমান, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি নুরুল হুদা, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুনন্নাহার লাইলী, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ কমিটির সদস্য সচিব সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

;