‘পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না: জিএম কাদের

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের দায় সরকার এড়াতে পারে না। এমন বক্তব্যে প্রতিবেশী বন্ধু দেশ ভারতকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে, দেশের সার্বভৌমত্ব প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

শনিবার (২০ আগস্ট) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্টজনদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এমন মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের আরো বলেন, হিন্দু শাস্ত্রমতে শিষ্টের লালন আর দুষ্টের দমনের জন্যই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব। কিন্তু এখন দেশে চলছে, দুষ্টের লালন আর শিষ্টের দমন। এখন শুধু সংখ্যালঘু সম্প্রদায় দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন না, এখন মুসলিমরাও সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। এখন সৎ মানুষ হলে চাকরি মেলে না, আদর্শবান হলে ব্যবসা করতে পারছেন না। বেঁচে থাকার তাগিদেই এখন দেশ ছেড়ে অন্যদেশে যাচ্ছেন সবাই। দেশে দুর্নীতির রাজত্ব কায়েম হয়েছে। দুর্নীতির সুনামীতে ভেসে যাচ্ছে আদর্শ আর ন্যায়পরায়ণতা।

তিনি বলেন, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠনে সরকার উদ্যোগ নিতে পারে। জাতীয় পার্টি আইনের খসড়া পেলে বিবেচনা করে সংসদে তুলতে পারবে। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করার পাশাপাশি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সকল ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করার কারণে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে গালাগাল দেয়। কিন্তু, পঞ্চদশ সংশোধনীতে রাষ্ট্রধর্ম বহাল রেখে বর্তমান সরকার সংবিধানে এটি অপরিবর্তনযোগ্য করেছে।

তিনি বলেন, দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিবছর দেশ থেকে লাখো-কোটি টাকা পাচার হচ্ছে। জবাবদিহিতার অভাবে দুর্নীতি ছড়িয়ে পড়েছে প্রতিটি ক্ষেত্রে। কেউ দুর্নীতির সমালোচনা করলে সরকার তাকে ষড়যন্ত্রকারী ও রাষ্ট্রবিরোধী মনে করে। সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করতে চাইলে, সমালোচনা শুনতে হবে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। বিচার বর্হিভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কথা উঠলে সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে হাস্যকর হিসেবে উড়িয়ে দেয়া হয়। ফলে সারাবিশ্বের কাছে আমরা মিথ্যেবাদী রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত হচ্ছি। দেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। মানুষ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। আবার প্রতিনিধি পছন্দ না হলে ভোটের মাধ্যমে পরিবর্তন করার অধিকার চায়। প্রজাতন্ত্র মানে দেশের মালিকানা সাধারণ মানুষের। দেশের মালিকানা সাধারণ মানুষের না থাকলে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে কখনোই দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব হবে না।

তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। ১২ হাজার কোটি টাকা ট্যাক্স আর মুনাফার ৪২ হাজার কোটি টাকা সমন্বয় করলেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হতো না। দেশের মানুষের কষ্ট হতোনা, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সকল পণ্যের দাম আকাশচুম্বি হয়ে পড়েছে। সরকার হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে মেগা প্রকল্প তৈরি করছে, কিন্তু মানুষ বাঁচাতে কোন উদ্যোগ নেই। মানুষ যদি খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকতে না পারে তাহলে মেগা প্রকল্পের সুবিধা কে ভোগ করবে?

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসনামলেই সবচেয়ে বেশি সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। জাতীয় পার্টি সব সময় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় ঐতিহ্য সৃষ্টি করেছে। ভোটের রাজনীতির জন্য কিছু রাজনৈতিক দল উসকানি দেয়, আবার ধর্মীয় গোড়ামি আর ব্যক্তি স্বার্থেও কখনো কখনো বিচ্ছিন্নভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় এদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করা হবে।

কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভ রায়, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি বক্তব্য রাখেন। সনাতন ধর্মাবলম্বী নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নিম চন্দ্র ভৌমিক, সুব্রত চৌধুরী, জে এল ভৌমিক, গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক, নকুল চন্দ্র সাহা, সুমন কুমার রায়, দ্বীজমনি গৌরাঙ্গ দাস ব্রক্ষ্মচারী, জাতীয় পার্টির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক শংকর পাল, সজন মিশ্র।

জাতীয় পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন দে ও যুগ্ম দফতর সম্পাদক সমরেশ মন্ডল মানিকের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন, নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, ভাইস চেয়ারম্যান এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, মোঃ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, একেএম আশরাফুজ্জামান খান, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য নির্মল দাস, এম এ রাজ্জাক খান।

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২ ডিসেম্বর। সম্মেলন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মহানগর ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে সম্মেলনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। কমিটিতে স্থান পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন পদপ্রত্যাশীরা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভালো, রয়েছে ক্লিন ইমেজ, পরিবারের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী তারাই আগামীর নেতৃত্বে আসবে। এছাড়াও যারা শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় এবং মানবিক কাজ করে আলোচনায় আসতে পেরেছেন, এমন ছাত্রনেতারাও এগিয়ে থাকবেন।

নেতাকর্মীরা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা হলেন- সভাপতি পদে এগিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সুমন, রুপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু নাইম, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাদ হাসান অথৈ, ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের ২নং যুগ্ম সম্পাদক রকি, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেলসহ দুই ডজন পদপ্রত্যাশী।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী সালমান খান প্রান্ত বলেন, করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। আগামীতেও করতে চাই। অপশক্তিকে রুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাই আমার লক্ষ্য। ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আমি সব সময় সরব বলে প্রতিহিংসার স্বীকার হয়েছি বহুবার।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সুযোগ দিলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করবো। ছাত্রলীগ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বিপ্লবী বাংলার বিপ্লবী সংগঠন। ছাত্রলীগের কর্মীরা সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এবং মনে লালন করে। আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। দলের জন্য সবসময় কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও করব।

সালমান খান প্রান্ত গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী মোজাম্মেল হক, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াছ আহমেদের নাতি।

;

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ ডিসেম্বরের জনসভাকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমুদ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলালীগের নেত্রী সোনিয়া আজাদের উদ্যোগে গণসংযোগ, পথসভা ও হ্যান্ড লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সোমবার ২৮ শে নভেম্বর নগরের জিইসি মোড়ে এই প্রচারণা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

এসময় আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ এমনিতেই অধীর আগ্রহে বসে আছেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তারা অনেক উচ্ছ্বসিত। কারণ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া তারা পেতে শুরু করেছে। চট্টলবাসী জনসভাকে যেন জনসমুদ্রে পরিণত করতে পারে, তার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। বর্তমান যুগে মানুষ সব-ই জানেন। তবুও আমরা জনসংযোগ করে মানুষকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মনে করিয়ে দিতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য এই জনসভায় যেন সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

এসময়ে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর সাধারণ জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন। তুলে ধরেন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রনণয়ন ও বাস্তবায়নের কথা।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেত্রী কানিজ ফাতেমা, ইসরাত হাসান, নাসরিন সুলতানা মুন্নি,আরফা বেগম,ডেইজি চৌধুরীসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

;

‘ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা, শেখ হাসিনার নৈতিকতা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৮ তারিখ থেকে ৬ তারিখে করা বিএনপির আন্দোলনের ফসল নয়, এটা শেখ হাসিনার উদার  নৈতিকতার ফসল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৮ নভেম্বর)  দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন দুর্ভোগ সৃষ্টি না করতে বিএনপি নেতাদের আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মীও তাদের সমাবেশের ধারে-কাছেও যাবেনা।

;

‘সমাবেশে আগুন-লাঠি নিয়ে খেলতে এলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন বাধা দিবে না সরকার তবে আগুন ও লাঠি নিয়ে খেলতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপিকে এ হুঁশিয়ারি করেন।

ওবায়দুল কাদের তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি সমাবেশ যেন সুষ্ঠু ভাবে করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের ৮ ডিসেম্বরের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৬ তারিখে করা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছ।তাদের রাজনীতি হচ্ছে আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও।

রাজনীতি না করার শর্তে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে যাওয়া নেতাকে নেতা বানানো এতো সহজ নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন মানুষকে ধোকা দেওয়ার সময় শেষ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন দুনিয়ার কোন দেশে তত্বাবধায়ক সরকার আছে? আপনাদের নেত্রীই তো বলেছিলেন পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়।

তিনি বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, এটা এখন মিউজিয়ামে।

ওবায়দুল কাদের বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই, আগামী জাতীয় নির্বাচন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশেও সেভাবে হবে।

কুমিল্লার সমাবেশে কোথায় গেল হাঁকডাক, জনগণের উপস্থিতি ছিল খরা,কোথায় গেল স্রোত আর ঢল এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ঢাকা শহরে দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

তিনি আবারও পিরোজপুর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশে বলেন বিএনপির দুঃশাসন, অপকর্ম,ভোটচুটি,হাওয়া ভবন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আউয়ালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর শাম্মি আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

;