সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্যই রাঙ্গাকে অব্যাহতি: চুন্নু



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্যই মসিউর রহমান রাঙ্গাকে দলের পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গত এক বছর ধরে গণমাধ্যম, সংসদ ও বিভিন্ন ফোরামে সংগঠনের নীতি ও অবস্থান বিরোধী কথা বলছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, এক মাস আগেও এমন একটি অবস্থার প্রেক্ষিতে জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা। তখন সংগঠনবিরোধী কোন কাজ করবেন না বলেছিলেন। মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রতি পার্টির সিদ্ধান্ত গঠনতন্ত্র ও বিধি মোতাবেক হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রায় এক বছর ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি বিদেশে চিকিৎসাধীন। এছাড়া তিনি হঠাৎ করে নভেম্বরে একটি কাউন্সিল ঘোষণা করেছেন। তিনি আহবায়ক হয়ে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যানবৃন্দদের যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে। অথচ, আমরা কেউই এ বিষয়ে কিছুই জানি না। আবার যাকে সদস্য সচিব করা হয়েছে তিনি জাতীয় পার্টির প্রাথমিক সদস্যও নয়। আবার বিরোধীদলীয় নেতার অনুপস্থিতিতে সংসদের অনেক কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

অপরদিকে, কাউন্সিল আহবানের এখতিয়ার বেগম রওশন এরশাদের নেই। তার সাথে কথা হয়েছিলো, আমরা তাকে পরের দিন কাউন্সিল আহবানের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি এখতিয়ার বর্হিভূত কাউন্সিল আহবানের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করেননি। তাই সংসদীয় দলের সভায় জাতীয় পার্টির ২৬ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ২৪ জনই এই সিদ্ধান্তের সাথে একমত। ২৩ জন উপস্থিত থেকে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা করার সিদ্ধান্তে স্বাক্ষর করেছেন। আর অপর একজন সংসদ সদস্য বিদেশ থাকার কারণে ফোন করে তার সম্মতির কথা জানিয়েছেন। সেই চিঠি চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গার স্বাক্ষরে স্পিকারের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

চুন্নু বলেন, যদি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান চান তবেই মসিউর রহমান রাঙ্গা রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন। কারণ, কাউকে পার্টিতে ফেরানোর এখতিয়ার শুধুমাত্র জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের। এসময় তিনি বলেন, কেউ দল থেকে চলে যেতে পারে তাতে দলের কোন ক্ষতি হয় না। অনেকেই চলে গেছেন কিন্তু জাতীয় পার্টি তার স্থানেই আছে। জাতীয় পার্টি কেউ ভাঙতে পারবে না। জাতীয় পার্টি এখন অনেক শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ।

তিনি বলেন, এখন গঠনতন্ত্রের বিশ ধারার সমালোচনা করছেন মসিউর রহমান রাঙ্গা, কিন্তু যখন মহাসচিব ছিলেন তখন তো এই ধারার কথা কখনোই বলেননি।

তিনি আরও বলেন, যখন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের জাতীয় পার্টির রাজনীতি পরিষ্কার করছেন। যখন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলছেন, আমরা এখন আর কোন জোটে নেই, জাতীয় পার্টি কারো দালালি করবে না। তখন হয়তো কারো কারো কষ্ট হতে পারে। যারা দালালি করতে চায় তারা কখনোই সফল হবে না। দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির রাজনীতি থেকে দেশের মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টির সংসদীয় দলের সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের কাছে স্পিকার নিজেই বলেছেন, তিনি বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেবেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, ফখরুল ইমাম এমপি, আলহাজ্ব সফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট মো. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান আহসান আদেলুর রহমান এমপি, শফিকুল ইসলাম শফিকুল, ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, এইচ শাহরিয়ার আসিফ প্রমুখ।

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত



ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত
ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২ ডিসেম্বর। সম্মেলন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মহানগর ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে সম্মেলনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। কমিটিতে স্থান পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন পদপ্রত্যাশীরা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভালো, রয়েছে ক্লিন ইমেজ, পরিবারের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী তারাই আগামীর নেতৃত্বে আসবে। এছাড়াও যারা শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় এবং মানবিক কাজ করে আলোচনায় আসতে পেরেছেন, এমন ছাত্রনেতারাও এগিয়ে থাকবেন।

নেতাকর্মীরা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা হলেন- সভাপতি পদে এগিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সুমন, রুপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু নাইম, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাদ হাসান অথৈ, ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের ২নং যুগ্ম সম্পাদক রকি, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেলসহ দুই ডজন পদপ্রত্যাশী।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী সালমান খান প্রান্ত বলেন, করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। আগামীতেও করতে চাই। অপশক্তিকে রুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাই আমার লক্ষ্য। ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আমি সব সময় সরব বলে প্রতিহিংসার স্বীকার হয়েছি বহুবার।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সুযোগ দিলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করবো। ছাত্রলীগ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বিপ্লবী বাংলার বিপ্লবী সংগঠন। ছাত্রলীগের কর্মীরা সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এবং মনে লালন করে। আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। দলের জন্য সবসময় কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও করব।

সালমান খান প্রান্ত গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী মোজাম্মেল হক, গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াছ আহমেদের নাতি।

;

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ ডিসেম্বরের জনসভাকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমুদ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলালীগের নেত্রী সোনিয়া আজাদের উদ্যোগে গণসংযোগ, পথসভা ও হ্যান্ড লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সোমবার ২৮ শে নভেম্বর নগরের জিইসি মোড়ে এই প্রচারণা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

এসময় আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ এমনিতেই অধীর আগ্রহে বসে আছেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তারা অনেক উচ্ছ্বসিত। কারণ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া তারা পেতে শুরু করেছে। চট্টলবাসী জনসভাকে যেন জনসমুদ্রে পরিণত করতে পারে, তার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। বর্তমান যুগে মানুষ সব-ই জানেন। তবুও আমরা জনসংযোগ করে মানুষকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মনে করিয়ে দিতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য এই জনসভায় যেন সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

এসময়ে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর সাধারণ জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন। তুলে ধরেন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রনণয়ন ও বাস্তবায়নের কথা।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেত্রী কানিজ ফাতেমা, ইসরাত হাসান, নাসরিন সুলতানা মুন্নি,আরফা বেগম,ডেইজি চৌধুরীসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

;

‘ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা, শেখ হাসিনার নৈতিকতা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৮ তারিখ থেকে ৬ তারিখে করা বিএনপির আন্দোলনের ফসল নয়, এটা শেখ হাসিনার উদার  নৈতিকতার ফসল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৮ নভেম্বর)  দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন দুর্ভোগ সৃষ্টি না করতে বিএনপি নেতাদের আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মীও তাদের সমাবেশের ধারে-কাছেও যাবেনা।

;

‘সমাবেশে আগুন-লাঠি নিয়ে খেলতে এলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন বাধা দিবে না সরকার তবে আগুন ও লাঠি নিয়ে খেলতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপিকে এ হুঁশিয়ারি করেন।

ওবায়দুল কাদের তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি সমাবেশ যেন সুষ্ঠু ভাবে করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের ৮ ডিসেম্বরের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৬ তারিখে করা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছ।তাদের রাজনীতি হচ্ছে আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও।

রাজনীতি না করার শর্তে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে যাওয়া নেতাকে নেতা বানানো এতো সহজ নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন মানুষকে ধোকা দেওয়ার সময় শেষ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন দুনিয়ার কোন দেশে তত্বাবধায়ক সরকার আছে? আপনাদের নেত্রীই তো বলেছিলেন পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়।

তিনি বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, এটা এখন মিউজিয়ামে।

ওবায়দুল কাদের বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই, আগামী জাতীয় নির্বাচন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশেও সেভাবে হবে।

কুমিল্লার সমাবেশে কোথায় গেল হাঁকডাক, জনগণের উপস্থিতি ছিল খরা,কোথায় গেল স্রোত আর ঢল এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ঢাকা শহরে দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

তিনি আবারও পিরোজপুর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশে বলেন বিএনপির দুঃশাসন, অপকর্ম,ভোটচুটি,হাওয়া ভবন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আউয়ালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর শাম্মি আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

;