নির্বাচন কমিশনের বিবেক ও দেশপ্রেম নেই: জাপা মহাসচিব



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

  • Font increase
  • Font Decrease

নির্বাচন কমিশনের আচরণ প্রমাণ করে তারা নিরপেক্ষ নয়। নির্বাচন কমিশনের বিবেক ও দেশপ্রেম নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে "পল্লীবন্ধু পরিষদ" এর সঙ্গে মতবিনিয়ম সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে নির্বাচন কমিশনের ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত গরীবের ঘোড়া রোগ। রাজনৈতিক দলগুলোর বিরোধীতা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে, নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়। ইভিএম কেনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা উচিত।

তিনি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন হচ্ছে, আওয়ামী লীগের নির্বাচন কমিশন। কমিশনের প্রত্যেককে আমরা চিনি। এরা সবাই আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভালো নিয়োগ, প্রমোশন এবং পোস্টিং পেয়েছেন। এরা সবাই আওয়ামী লীগের সুবিধাভুগী। নির্বাচন কমিশনের মত সংবিধানিক পদে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা ছাড়া তিনি নিয়োগ দিতে পারেন না। তাই, আওয়ামী লীগের সুবিধাভুগীরাই নির্বাচন কমিশনে নিয়োগ পেয়েছেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তান সহ বিশ্বের অনেক দেশই ইভিএম এ নির্বাচন বন্ধ করেছে। ভারতেও সমালোচনা হচ্ছে ইভিএম-এ নির্বাচন নিয়ে। ভারতের কংগ্রেস ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছে, তারা আর ইভিএম-এ ভোট করবে না। সারা বিশ্বেই ইভিএম নিয়ে সমালোচনা ঝড় বইছে কিন্তু আমাদের নির্বাচন কমিশন প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা ব্যায়ে ইভিএম কিনতে উঠেপড়ে লেগেছে।

তিনি বলেন, ইভিএম এর কোন দোষ নেই, কিন্তু যারা ইভিএম পরিচালনা করবে তাদের তো দোষ আছে। তাছাড়া, ইভিএম-এ অনেক সময় আঙ্গুলের ছাপ মেলে না। এতে ঝামেলা সৃষ্টি হয়, ভোট গ্রহণে বিলম্ব হয়। দেশের মানুষ এখনো ইভিএম-এ ভোট দেয়ার জন্য প্রস্তুত নয়। তাছাড়া দেশের মানুষ মনে করে, ইভিএম হচ্ছে নিরবে ভোট কারচুপির মেশিন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেয়া হলো। শাসকদল শুধু ইভএম-এ ভোট নেয়ার পক্ষে কথা বলেছে। সরকারের শরিক কিছু দলগুলো বিভিন্ন শর্ত আরোপ করে ইভিএম চেয়েছে। আর, দেশের বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ ইভিএম-এ ভোট গ্রহণের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে। যদি রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের মতামনের গুরুত্ব না থকে তাহলে কেন আমাদের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করলেন?

তিনি বলেন, যখন ডলারের অভাবে জ্বালানি তেল কিনতে পারে না দেশ, দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের মানুষের হিমশিম অবস্থা। দেশের মানুষ বাজার করতে পারে না। অসুধ ও শিশুখাদ্য কিনতে পারছে না। এমন বাস্তবতায় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা দিয়ে ইভিএম মেশিন কেনার কোন যুক্তি নেই। সরকার মানুষের কষ্টের টাকায় ইভিএম না কিনে এক কোটি দুঃস্থ ও বেকারকে সহায়তা করতে পারে।

চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. নুরুল আজহারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুর রহমান খান, এম এ মুনিম চৌধুরী বাবু, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন খান, দফতর সম্পাদক-২ এম এ রাজ্জাক খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মোঃ গোলাম মোস্তফা, যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় জিয়াউর রহমান বিপুল, ফারুক শেঠ, প্রিন্সিপাল মোস্তফা চৌধুরী, মোঃ জয়নাল আবেদীন, ইঞ্জিনিয়ার তসলিম উদ্দিন প্রমুখ।

দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর ১৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফর সঙ্গীদের বহন করা একটি ভিভিআইপি ভাড়া করা ফ্লাইট রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে (বাংলাদেশ সয়ম রাত সাড়ে ৪ টা) ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করে।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদ ইমরান ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মাদ আব্দুল মুহিত বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন থেকে তাঁর দেশে ফেরার পথে লন্ডনে স্বল্প সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি করবেন।

শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে এক রাষ্ট্রীয় সফরে ১৫ সেপ্টেম্বর লন্ডনে যান। সেখানে তিনি রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় এবং রাজা তৃতীয় চাল্স আয়োজিত সিংহাসনে আরোহণ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশে ১৯ সেপ্টেম্বর লন্ডন ত্যাগ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৭তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং এর ফাঁকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

;

‘অশুভ চক্র হিন্দুদের ওপর হামলা চালিয়ে দায় চাপাতে চায় সরকারের ওপর’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে একটি অশুভ চক্র হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চালিয়ে তার দায় সরকারের ওপর চাপাতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাসপ্তমীর দিন রোববার রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন পূজামন্ডপ পরিদর্শনে এসে তিনি একথা বলেন।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটা অশুভ চক্র বোঝাতে চায়; আওয়ামী লীগের হাতে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়। পূজা কমিটি আমাকে বলেছে; সাম্প্রদায়িক হামলার বিচার হয় না। কেন বিচার হবে না! বাংলাদেশে কত অপরাধীর বিচার শেখ হাসিনা করেছেন। এমনকি নিজের দলের লোকেরাও জেলে আছেন। হিন্দুদের মন্দিরে, বাড়ি-ঘরে-মণ্ডপে হামলা হলে দুর্বৃত্তদের ক্ষমা নেই।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন। নির্বাচন সামনে রেখে একটা অশুভ চক্র হিন্দুদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে ভারত সরকারকে জানিয়ে দিতে চায়, কাজটা আওয়ামী লীগ করেছে। ওই অশুভ শক্তির ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

বিএনপির উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতি আমরা করব, কিন্তু এই দুর্গা উৎসবে কোনো রাজনীতি নেই। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মকর্ম করতে দিন। সংলাপ করছেন করুন, সেটা আপনাদের নিজেদের ব্যাপার। দুর্গা উৎসব দশমী পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দল আপনাদেরও ভূমিকা আছে। আপনারাও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবেন।

হিন্দু ধর্মালম্বীদের অভয় দিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভয় পাবেন না; আতঙ্কিত হবেন না। এবার আমরা প্রস্তুত আছি। আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা সতর্ক আছে আপনারও কোন চিন্তা করবেন না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার সরকার একাধারে ১৩ বছর  ক্ষমতার মঞ্চে আসীন আছে। এই ১৩ বছরে ১৩ বার দুর্গাপূজা হয়েছে। ৩০ হাজার পুজামণ্ডপ হয়েছে। এবার ৩২ হাজারের বেশি পূজা মণ্ডপ রয়েছে। আপনাদের স্মরণ করে দিতে চাই এই ১৩ বছরে মাত্র একবার দুর্গাপূজা সহিংসতার টার্গেট হয়েছে; সাম্প্রদায়িকতার টার্গেট হয়েছে; দুর্বৃত্তদের টার্গেট হয়েছে; সনাতন ধর্মালম্বীদের বাড়িঘর টার্গেট হয়েছে; মন্দির টার্গেট হয়েছে; তাদের ঘরবাড়ি দোকানপাটে পর্যন্ত হামলা হয়েছে। আমি বলতে চাই একাধারে ১১ বছর দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে হয়েছে। কোন শান্তি বিনষ্ট হয়নি। কিন্তু গতবার দুর্ভাগ্যজনক কিছু ঘটনা ঘটে গেছে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া বক্তব্য রাখেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, সহসভাপতি ডা. দিলীপ রায়সহ মহানগর ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

;

‘নির্বাচন প্রতিহতের নামে বিশৃঙ্খলা করলে প্রতিরোধের মুখে পড়বে বিএনপি’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নির্বাচন প্রতিহতের নামে দেশে কোন বিশৃঙ্খলা করলে দেশের জনগণের প্রতিরোধে বিএনপিকে আগুনের মুখে পড়তে হবে।

শনিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর হাজারীবাগে থানা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিএনপি- জামায়াতের আগুন সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ এবং প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

বিএনপির ইচ্ছায় নয়, সংবিধান অনুযায়ী আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরে কথা অনুযায়ী আওয়ামী লীগ নাকি আগামী নির্বাচনে ৩০ আসনও পাবে না, তাহলে কি বিএনপি মহাসচিব জ্যোতিষবিদ হয়ে গেছেন?

তিনি বলেন, ২০০৮ সালেও বিএনপির নেত্রী বলেছিলেন আওয়ামী লীগ ৩০ আসনও পাবে না, কিন্তু ভোটে দেখা গেলো উল্টো বিএনপিই ৩০ আসনও পাইনি। আগামী নির্বাচনের ফলাফল কি হবে তা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ও দেশের জনগণ জানে, বিএনপি মহাসচিবের কথায় হবে না বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

গতবারও বিএনপি নির্বাচনে আসবে না বলে জানায় কিন্তু গাধা পানি ঘোলা করে খায় উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পরে ঠিকই নির্বাচনে অংশ নেয় বিএনপি

ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট হলে বিএনপির কপাল পুড়বে তাই তারা এর বিরোধীতা করছে এমন দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি হচ্ছে ভোট ডাকাতের সর্দার, তাই বিএনপি ভোট ডাকাতি করার জন্য ইভিএমের বিরোধিতা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে আসা না আসা বিএনপির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার, আওয়ামী লীগও চায় বিএনপি নির্বাচনে আসুক, কিন্তু কাউকে জোর করে নির্বাচনে আনার কোন দরকার নাই।

হাজারীবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আনোয়ার হোসেন, শাহাবুদ্দিন ফরাজি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির ও সাংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, নুরুল আমিন রুহুল।

;

আল্লাহ নিজের রহমতের চাদরে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করে চলেছেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র ৭৬ তম শুভ জন্মদিন পালনে কৃষক লীগের আয়োজন

প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র ৭৬ তম শুভ জন্মদিন পালনে কৃষক লীগের আয়োজন

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, অন্ধকার দূর হবে, আলোর বিচ্ছুরণ হবে, এই হল জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্মের তাৎপর্য। নেত্রীর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমাদের একটাই স্বপ্ন এবং উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনাকে এনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শূন্যতা পূরণ করব। বাঙালির বাঁধভাঙা কান্না এবং প্রকৃতির কান্নায় একাকার হয়ে ঝড় উঠেছিল জনমনে, পাগলে মত ছুটেছিল মানুষ সরকার-পুলিশ-বিএনপি-জামাত সন্ত্রাসীদের বাধা উপেক্ষা করে জন সমুদ্রে পরিণত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ, বিমান বন্দর থেকে সর্বত্র। আল্লাহ নিজের রহমতের চাদরে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করে চলেছেন। ২১ আগস্টসহ এখনো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বুলেট-বোমা উপেক্ষা করে নেত্রীর সুরক্ষায় প্রাচীর হয়ে অবস্থান করছে।

শনিবার ( ১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা এমপি’র ৭৬ তম শুভ জন্মদিন পালনে কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিশেষ অতিথি আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, শেখ হাসিনা আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে দেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে জাগরিত করে নানা রকমের হামলা জয় করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকারের পতন করে বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে এবং উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত করেন। বিএনপি-জামাত বাংলাদেশ কে পাকিস্তানী ভাবার্দশে একটি সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গঠন করতে চায়। পাকিস্তান প্রেমী মির্জা ফখরুল এবং তারেক জিয়া’রা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। আমরা ১৬ কোটি মানুষ এবং আওয়ামী লীগের সকল সংগঠনকে সাথে নিয়ে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করব।

কৃষক লীগের সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ বলেন, ১৯৮১ সালে কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে জাতির পিতার অসমাপ্ত স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যান, হাল ধরেন বাঙালি জাতির, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সহ তলা বিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেন এবং শিক্ষাঙ্গণকে সন্ত্রাস মুক্ত ও সেশনজট মুক্ত করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করেন। আজকের এই মঞ্চে নেত্রীর শুভ জন্মদিন উপলক্ষে একটি কথাই বলব, আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং  ষড়যন্ত্রকারীদের মোকাবেলা করতে হবে। তিনি কৃষকরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। কারণ তিনি সুস্থ থাকলে বাংলাদেশ থাকবে, এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।

সভা সঞ্চলনা করেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি এমপি। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব শরীফ আশরাফ আলী, আলহাজ্ব শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এস.এম আকবর আলী চৌধুরী, হোসনে আরা এমপি, কৃষিবিদ ড. নজরুল ইসলাম, মোঃ আবুল হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ সরকার বিটু, এ্যাড. শামীমা শাহরিয়ার এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা, নূরে আলম সিদ্দিকী হক, অধ্যাপক নাজমুল ইসলাম পানু,  অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ নাজির মিয়া, আইন সম্পাদক এ্যাড. জহির উদ্দিন লিমন, দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

সভা শেষে  প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া মাহফিল এবং কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

;