জাপার অব্যাহতি দেওয়া নেতাদের অন্তর্ভুক্তির আদেশ রওশনের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেগম রওশন এরশাদ

বেগম রওশন এরশাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি, বহিষ্কার ও কমিটিতে বাদ দেয়া সব নেতাকর্মীদের পার্টিতে অন্তর্ভুক্তির আদেশ দিয়েছেন পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের লেটারহেড প্যাডে পাঠানো ওই চিঠি পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। বিরোধী দলীয় নেতার রাজনৈতিক সচিব, গোলাম মসীহ চিঠি প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বার্তা২৪.কমকে। এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, চিঠি পার্টির চেয়ারম্যানের মেইলে প্রেরণ করা হয়েছে।

রওশন এরশাদ চিঠিতে লিখেছেন, অচলাবস্থার অবসান ও পার্টিকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল গাফফার বিশ্বাস, এছাড়া নবম সন্মেলনের পর, পদ পদবিতে না রাখা সাবেক মন্ত্রী ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এমএ সাত্তার, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, জাফর ইকবাল সিদ্দিকী, ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর, কাজী মামুনুর রশীদ, অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, সাবেক উপদেষ্টা অ্যাড. মাহবুবুল আলম বাচ্চু, সাবেক সংসদ সদস্য ও দলের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নুরুসহ দেশজুড়ে অব্যাহতি, বহিষ্কার ও নিষ্ক্রিয় করে রাখা সব নেতাকর্মীদের এই আদেশ জারির পর হইতে যার যার আগের পদ পদবিতে অন্তর্ভুক্ত করা হলো।

জাপা চেয়ারম্যানকে পাঠানো চিঠিতে বেগম রওশন এরশাদ জাতীয় পার্টির সর্বময় ক্ষমতার সংরক্ষক হিসেবে পার্টির গঠনতন্ত্রের ধারা-২০ এর উপধারা-১; প্রধান পৃষ্ঠপোষকের ক্ষমতাবলে গঠনতন্ত্রের বিশেষ ক্ষমতা এবং মৌলিক অধিকার পরিপন্থী ধারা ২০ এর উপধারা ২ এর সব বিধান স্থগিতের নির্দেশনা দিয়েছেন।

রওশন এরশাদ বলেন, ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে অনুমোদিত পার্টির গঠনতন্ত্রের ধারা-২০ এর উপধারা ১ এর সব বিধান অপব্যহৃত হয়। যা গনতন্ত্র ও সংবিধান পরিপন্থী। নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের বিধি বিধান মেনেই তার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেখানে মানবাধিকার ও গণতন্ত্র লঙ্ঘনের সুযোগ নেই। শুধু তাই নয়, দেশজুড়ে পার্টির সব তৃণমূল নেতাকর্মীরাও এসব ধারার বিপক্ষে। এটা বাতিল চায় লাখ লাখ এরশাদ প্রেমি কর্মী সমর্থক।

প্রধান পৃষ্ঠপোষক বলেন, আপনার মন্তব্য অনুযায়ী সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের কারণে সংসদ ও সরকার পরিচালনা ব্যবস্থা যেমন এক ব্যক্তির নিয়ন্ত্রণে, ঠিক তেমনই নবম সম্মেলনের মাধ্যমে দলীয় গঠনতন্ত্রে ২০ ধারার উপধারা ১ এর সব উপধারা ও অনুচ্ছেদ। এর মাধ্যমে যখন তখন তৃণমূল থেকে শীর্ষ পর্যন্ত কোনো ধরনের শোকজ বা বিনা নোটিশে বহিস্কার ও অব্যাহতি দেয়া হচ্ছে। যা একজন রাজনৈতিক কর্মীর গণতান্ত্রিক অধিকারকে ক্ষুন্ন করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। প্রকৃতপক্ষে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ গৃহীত হওয়ার একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও যৌক্তিকতা রয়েছে। কিন্তু জাতীয় পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০ ধারার ১(১), উপধারা-২ ও উপধারা-৩ বর্ণিত বিধানাবলীর সঙ্গে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের ন্যূনতম কোনো মিল নেই।

জাতীয় পার্টির অভিভাবক হিসেবে সারা দেশের লাখ লাখ নেতাকর্মীর দাবি মেনে দলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দশম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এসব ক্ষমতা স্থগিত করা হলো উল্লেখ করে তা কার্যকরের নির্দেশনা দেন।

এরইমধ্যে দলীয় কর্মকাণ্ড পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়, বিগত দিনে দলের বহু সিনিয়র, অভিজ্ঞ, দায়িত্বশীল পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের নিস্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। এতে করে পার্টিকে দিনে দিনে দূর্বল করা হয়েছে। করা হয়েছে খন্ডিত। পার্টির মধ্যে অগণতান্ত্রিক আবহ থাকায় নেতাকর্মীরা বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং পদ হারানোর ভীতি ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে আবারো পার্টি খন্ডিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জাতীয় পার্টি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছেন। এতে পার্টির নেতাকর্মীরাও অনেকটা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ছেন। গত ৩১ আগস্ট হঠাৎ করেই কাউন্সিল আহ্বান করেন রওশন এরশাদ। ২৬ নভেম্বর তারিখ ঘোষণার সময় একটি প্রস্তুতি কমিটিও ঘোষণা করেন। প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ঘোষণা করা হয় বেগম রওশন এরশাদকে। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন তার রাজনৈতিক সচিব ও এরশাদ মুক্তি পরিষদের সাবেক সভাপতি গোলাম মসীহকে। রওশন এরশাদের ওই চিঠির এখতিয়ার বহির্ভূত বলে উল্লেখ করেন জিএম কাদের। প্রতিক্রিয়ায় রওশন এরশাদকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে অপসারণের জন্য চিঠি দেন স্পিকারকে। এরই মধ্যে মসিউর রহমান রাঙ্গা ও সাবেক এমপি জিয়াউল হক মৃধাকে পার্টির সকল পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

অপশক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপশক্তি মাঠে নেমেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে তিনি এ আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্বৃত্ত দল ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপায়। কাজেই আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। অপশক্তি এখন মাঠে নেমেছে। আমাদের কামনা থাকবে এই অপশক্তির বিনাশ হোক।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন।

;

আ.লীগের মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভা মঙ্গলবার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের যৌথসভা মঙ্গলবার।

মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এ যৌথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের সংসদীয় ও স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সংশ্লিষ্ট সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ সভায় জাতীয় সংসদের ফরিদপুর-২ আসনের উপ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনিত করা হবে বলে জানা গেছে ৷ এই আসনের সদস্য সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয় ৷

আগামী ৫ নভেম্বর আসনটিতে উপ নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠানের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন ৷

;

নির্বাচনে জোট গঠনের বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রংপুর
জিএম কাদের

জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, নির্বাচনে জোট গঠনের এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমাদের নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটার ওপর আমাদের ভবিষ্যৎ রাজনীতির অস্তিত্ব নির্ভর করছে। তাই তৃণমূল থেকে দলের উচ্চপর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে রংপুর সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, যেজন্য আওয়ামী লীগ সরকারকে সমর্থন দেওয়া হয়েছিল তার বাস্তব প্রতিফলন ঘটেনি। এ সরকার ক্ষমতায় এসে যা করছে তা বিএনপির চেয়ে এক ডিগ্রি বেশি। আমরা এর পরিবর্তন চাই।

বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের নীতিগত পার্থক্য থাকলেও তাদের কর্মকাণ্ড এক উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, দেশের মানুষ সামাজিক নিরাপত্তা চায়। দেশের মানুষ খুন-ধর্ষণ-লুটপাট থেকে উদ্ধার চায়। আমরা আমাদের নিজস্ব রাজনীতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। দেশের মানুষের সুস্থ রাজনীতি উপহার দিতে চাই।

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল। সামনে নির্বাচন। কিন্তু আমরা এখন পর্যন্ত কিছুই বুঝতে পারছি না। নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে কি না, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে কি না তা বুঝতে পারছি না।’

জাতীয় পার্টিতে ভাঙনের বিষয়ে জিএম কাদের বলেন, একটা দলে থাকলে অনেকেই নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরমধ্য থেকে আমরা একজনকে বেছে নেই। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে।’
এসময় আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে রংপুরে জাতীয় পার্টির মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বলে ঘোষণা দেন তিনি।

পাঁচ দিনের সফরে ঢাকা থেকে দুপুর ১২টায় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান জিএম কাদের। পড়ে সড়কপথে রংপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান নেতাকর্মীরা।

এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মাসুদ নান্টু, সদস্য সচিব আব্দুর রাজ্জাক, মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এসএম ইয়াসীরসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

পরে নেতাকর্মীদের নিয়ে দর্শনায় পল্লীনিবাসে জাতীয় পার্টির প্রয়াত চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কবর জিয়ারত করেন তিনি। এরপর বিকেলে জেলা জাতীয় পার্টি কার্যালয়ে নেতকর্মীদের সাথে মতবিনিময় শেষে রংপুর নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন।

;

দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর ১৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকার উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফর সঙ্গীদের বহন করা একটি ভিভিআইপি ভাড়া করা ফ্লাইট রোববার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে (বাংলাদেশ সয়ম রাত সাড়ে ৪ টা) ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করে।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মুহাম্মাদ ইমরান ও জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মুহাম্মাদ আব্দুল মুহিত বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রী ওয়াশিংটন থেকে তাঁর দেশে ফেরার পথে লন্ডনে স্বল্প সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি করবেন।

শেখ হাসিনা যুক্তরাজ্যে এক রাষ্ট্রীয় সফরে ১৫ সেপ্টেম্বর লন্ডনে যান। সেখানে তিনি রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় এবং রাজা তৃতীয় চাল্স আয়োজিত সিংহাসনে আরোহণ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশে ১৯ সেপ্টেম্বর লন্ডন ত্যাগ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে তিনি ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৭তম অধিবেশনে ভাষণ দেন এবং এর ফাঁকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

;