‘নালিশ পার্টি থেকে বিএনপি এখন মাথা খারাপ পার্টিতে পরিণত হয়েছে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

নালিশ করে দিশা না পেয়ে বিএনপি এখন 'মাথা খারাপ পার্টি'তে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গাইবান্ধা স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ড. হাছান বলেন, র‌্যাবের কয়েকজন সদস্য ও পুলিশ প্রধানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় বিএনপি নেতারা বর্ষাকালে পুঁটিমাছের মতো লাফিয়েছেন। কিন্তু এখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আর বিশ্বনেতাদের পাশে বসে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বৈঠক করতে দেখে, তাদের লাফালাফি বন্ধ হয়ে গেছে, মাথা খারাপ হয়ে গেছে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আগে বিএনপি নেতারা দিনের বেলা বিভিন্ন জায়গায় নালিশ করে বেড়াতো, আর রাতের বেলা বিভিন্ন দূতাবাসে গিয়ে ধর্ণা দিতো। সেই নালিশ পার্টি এখন মাথা খারাপ পার্টিতে পরিণত হয়েছে। তারা এখন বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশের নামে নিজেরা নিজেরা মারামারি করে, আর পুলিশের ওপর হামলা করে। ক'দিন আগেও মুন্সিগঞ্জে তারা পুলিশের ওপর হামলা করেছে।

স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার পর, সারাদেশে বিভিন্ন জায়গায় সেই ঘোষণা প্রচার করা হয়। চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রকে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ঘোষণা করে, চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নান সেই কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। পরে আওয়ামী লীগ নেতারা একজন সেনাবাহিনীর অফিসারকে দিয়ে ঘোষণা পাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে, তখন চট্টগ্রামে অবস্থানরত মেজর রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।

তিনি জানান, তিনি এমবুশে আছেন, সেখান থেকে সরে এলে যুদ্ধের ক্ষতি হবে এবং তিনি কাছাকাছি থাকা মেজর জিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। তিনি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বোয়ালখালীর পাহাড় থেকে তখন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে এসে ২৭ মার্চ বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করানো হয়। প্রথমে জিয়া ভুল পড়েন, পরে বঙ্গবন্ধুর নামে ঠিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতা দিবস ২৬ মার্চ, কারণ বঙ্গবন্ধু এই দিন স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন। আর জিয়াকে দিয়ে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা পাঠ করানো হয় ২৭ মার্চ। আজকে বিএনপির যারা বলার চেষ্টা করেন যে জিয়া হুইসেল বাজিয়েছেন আর দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে, তারা জাতির সাথে মশকরা করেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে বলেন, উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের কোনো বিকল্প নেই।

গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এড. সৈয়দ শামছুল আলম হিরুর সভাপতিত্বে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন এমপি উদ্বোধক হিসেবে, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান এমপি, কোষধ্যক্ষ এইচ এম আশিকুর রহমান এমপি, কেন্দ্রীয় সদস্যদের মধ্যে এড. হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, এড. সফুরা বেগম রুমি, সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে বক্তব্য দেন।

সম্মেলনে আবু বকর সিদ্দিক গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি ও মোজাম্মেল হক মন্ডল সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান।

নয়াপল্টনে কোন উদ্দেশ্যে সমাবেশ করতে চায় বিএনপি: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রশ্ন রেখে বলেছেন, পার্টি অফিসে সমাবেশ করার জন্য বিএনপির এতো দৃঢ়তা কেন? এখানে তাদের কি কোন বদ উদ্দেশ্য আছে? কোন মতলবে কি তারা এটা চায়? 

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে বিএনপির উদ্দেশ্যে একথা বলেন তিনি।

বিএনপি সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে যদি সহিংসতার উপাদান যুক্ত করে তাহলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগ সমুচিত জবাব দিবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বিএনপি কেন তাদের সমাবেশকে ঘিরে ১০ ডিসেম্বর বেছে নিয়েছে তাদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এমন প্রশ্ন রেখে ওবায়দুল কাদের বলেন বিএনপি কি জানে না বাংলাদেশের ইতিহাস? ১৯৭১ সালে ১০ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যা নীল নকশা বাস্তবায়নে প্রক্রিয়া শুরু হয়।

১০ ডিসেম্বর সিরাজ উদ্দিন হোসেন এবং সাংবাদিক সৈয়দ নাজমুল হক - এই দুই জনকে পাক-হানাদার বাহিনী দেশের আলবদর বাহিনী উঠিয়ে নিয়ে যায় জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই বুদ্ধিজীবি হত্যার মতো নৃশংসতম ঘটনা বাংলাদেশে সংগঠিত হয়।

জ্ঞান, গরিমা যাদেরকে ঘিরে সেই সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিত্ব, সাংবাদিক, চিকিৎসকদের ধরে নিয়ে গিয়ে হত্যা করা হয় স্মরণ করে দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ১০ ডিসেম্বর সমাবেশের জন্য কেন বিএনপি বেছে নিলো এটাই প্রশ্ন?

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন বিএনপি যেতে চায় না, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাক-হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে, সেই ১৯৭১ সালে ৭ মার্চ ভাষণ বিএনপির পছন্দ নাও হতে পারে - যদিও জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে সর্বকালের সেরা ভাষণ হিসেবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক স্থান, যেখানে স্বধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ, ১৬ ডিসেম্বর যারা বিশ্বাস করে, সেখানে পাক-হানাদার মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন- সেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কেন বিএনপির অপছন্দ তা জানতে চেয়ে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঐতিহাসিক উদ্যান। বিশাল জায়গা এখানে, আওয়ামী লীগ সব সমাবেশ, জাতীয় সম্মেলন করে এখানে।

তাহলে বিএনপি কেন তাদের পার্টি অফিসের সামনে ছোট এলাকায়, যেখানে ৩৫ হাজার স্কোয়ারের ফিটের মতো একটা ছোট জায়গায় তাদের সমাবেশের জন্য বেছে নিলো প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের।

আওয়ামী লীগ সতর্ক পাহারায় থাকবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

;

বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল করতে দেবে না যুবলীগ: পরশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে ও বোমাবাজি করে দেশ চালোনো যায় না। বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল করতে দেবে না আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তাই নেতাদের নির্দেশ দিচ্ছি আপনারা রাজপথে থাকবেন। আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এই সন্ত্রাসীদের আমরা শায়েস্তা করবো।

তিনি বলেন, বিএনপির কোনো নেতার রাষ্ট্র পরিচালনা করার কোনো যোগ্যতা নাই। না আছে খালেদা জিয়ার, না আছে তার গুণধর পুত্র তারেকের। দক্ষতা নাই বলে আজ তারা এ দেশকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, হয়তো তাদের বিদেশি প্রভুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে। কিন্তু কোনো বিদেশি প্রভুদের নির্দেশনায় বা হস্তক্ষেপে বাংলাদেশে নির্বাচন হবে না। সরকারও পরিবর্তন হবে না।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করে যুবলীগ।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে চট্টগ্রামসহ ১১ জেলার যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। আগামী ৪ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশকে মহা জনসমুদ্রে পরিণত করে সফল করার জন্য যুবলীগকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয় সভায়।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ অতুলনীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এমন কোনো ক্ষেত্র নাই, এমন কোনো গোত্রের মানুষ নাই যেখানে তার সেবার সুফল পৌঁছায়নি। আজকে পদ্মা সেতুর পর চট্টগ্রামবাসীর স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল দৃশ্যমান এবং চালু হওয়ার জন্য অপেক্ষমান। এই টানেল দেশের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। দেশের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করবে। টানেল নির্মাণ শেষ হলে চট্টগ্রাম শহর চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ এর মডেলে গড়ে তোলা হবে।

প্রস্তুতি সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, এম শাহাদাত হোসেন তসলিম, আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মনির মো. শহিদুল হক রাসেল, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মশিউর রহমান চপল, মীর মোহাম্মদ মহি উদ্দিন, মো. আব্দুল হাই, আদিত্য নন্দী প্রমুখ।

;

সমাবেশের নামে বাড়াবাড়ি করলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির সমাবেশের সুবিধার্থে সব করার পরও বাড়াবাড়ি করলে সরকার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, ঢাকায় বিএনপির নির্বিঘ্ন সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা এবং সেখানে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা সত্ত্বেও তারা যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সম্মেলন ৮ তারিখের পরিবর্তে এগিয়ে এনে ৬ তারিখ করেছেন যাতে সেই মঞ্চ, প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলার পর বিএনপি সময় নিয়ে মঞ্চ এবং তাদের প্যান্ডেল নির্মাণ করতে পারে। কোনো সম্মেলন পিছিয়ে দেয়া সহজ কিন্তু এগিয়ে আনা সহজ নয়। তারপরও বিএনপির জন্য আওয়ামী লীগ সেটি করেছে। শুধু তাই নয়, বিএনপি তো নির্বিঘ্নে সারাদেশে সমাবেশ করছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদেরকে আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, আমরা যখন সমাবেশ করতাম আমাদের ওপর গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা, বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। আমাদের দলীয় কার্যালয়ের দু’পাশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া হয়েছিলো, সহজে আমাদের সমাবেশ করতে দেয়া হতো না। রাসেল স্কোয়ারে আমরা ২০ জন নিয়ে দাঁড়ালে পুলিশ লাঠিপেটা করতো। সেই ছবিগুলো আপনারাই সংগ্রহ করেছেন এবং এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছে। তাদের আমলে যেভাবে আমাদের প্রয়াত নেতা মো. নাসিমকে পুলিশ লাঠিপেটা করেছিল, আমাদের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা মতিয়া চৌধুরীকে টানাহেঁচড়া করেছিল, আমিও পুলিশের লাঠিপেটা খেয়েছি, এভাবে তাদের কোনো নেতা আমাদের ১৪ বছরের আমলে এসবের শিকার হতে হয়নি।

বিএনপির সমাবেশে জঙ্গি প্রভাব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এদেশে জঙ্গিদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি, তাদের কারণেই জঙ্গিদের উত্থান ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিদের যে অপতৎপরতা দেখতে পাচ্ছি এটির সাথেও বিএনপির অপতৎপরতা একই সূত্রে গাঁথা।

তিনি বলেন, দেশে জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান হয়েছে বিএনপির হাত ধরে। বাংলা ভাইকে মাঠেই নামিয়েছিল বিএনপি। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বাংলা ভাইকে পুলিশ প্রটেকশন দেওয়া হয়েছিল। অপারেশন কিলিং কমান্ডার বাংলা ভাইয়ের নেপথ্যে গডফাদার ছিলেন রুহুল কুদ্দুস দুলু, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিনু, আলমগীর কবীর, নাদিম মোস্তফা, ব্যারিস্টার আমিনুল হকসহ আরও অনেকেই। এভাবেই জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান ও বিস্তৃতি ঘটিয়েছিল বিএনপি। তাদের সময়েই ৫শ’ জায়গায় বোমা ফাটিয়ে জঙ্গিরা তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছে, যেটির বিরুদ্ধে তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

;

শেখ হাসিনার সরকার কখনো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না: কাদের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নেত্রকোনা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হচ্ছে, সেভাবেই এদেশে সাধারণ নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার কখনো নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সরকার শুধুমাত্র নিয়মমাফিক দায়িত্ব পালন করবে। আর নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য স্বাধীনভাবে তার কাজ করবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, মির্জা আজম এমপি ও শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এবং আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসেম্বর মাসে একটি খেলা হবে। খেলা হবে বিএনপি, হাওয়া ভবন এবং বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে।

ঢাকা মহানগরীতে বিএনপির মহাসমাবেশ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওইদিন সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কর্মীরা কোনো ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা আগুন নিয়ে খেলার চেষ্টা করলে, দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাধা দেব।

;