অপশক্তি সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, অপশক্তি মাঠে নেমেছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এসে তিনি এ আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দুর্বৃত্ত দল ঘটনা ঘটিয়ে আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপায়। কাজেই আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে। অপশক্তি এখন মাঠে নেমেছে। আমাদের কামনা থাকবে এই অপশক্তির বিনাশ হোক।

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল করতে দেবে না যুবলীগ: পরশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, ভয়ভীতি দেখিয়ে ও বোমাবাজি করে দেশ চালোনো যায় না। বিএনপির উদ্দেশ্য হাসিল করতে দেবে না আওয়ামী যুবলীগের নেতাকর্মীরা। তাই নেতাদের নির্দেশ দিচ্ছি আপনারা রাজপথে থাকবেন। আপনাদের সঙ্গে নিয়েই এই সন্ত্রাসীদের আমরা শায়েস্তা করবো।

তিনি বলেন, বিএনপির কোনো নেতার রাষ্ট্র পরিচালনা করার কোনো যোগ্যতা নাই। না আছে খালেদা জিয়ার, না আছে তার গুণধর পুত্র তারেকের। দক্ষতা নাই বলে আজ তারা এ দেশকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, হয়তো তাদের বিদেশি প্রভুদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে। কিন্তু কোনো বিদেশি প্রভুদের নির্দেশনায় বা হস্তক্ষেপে বাংলাদেশে নির্বাচন হবে না। সরকারও পরিবর্তন হবে না।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করে যুবলীগ।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভা নিয়ে চট্টগ্রামসহ ১১ জেলার যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। আগামী ৪ ডিসেম্বরের মহাসমাবেশকে মহা জনসমুদ্রে পরিণত করে সফল করার জন্য যুবলীগকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয় সভায়।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ অতুলনীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। এমন কোনো ক্ষেত্র নাই, এমন কোনো গোত্রের মানুষ নাই যেখানে তার সেবার সুফল পৌঁছায়নি। আজকে পদ্মা সেতুর পর চট্টগ্রামবাসীর স্বপ্নের বঙ্গবন্ধু টানেল দৃশ্যমান এবং চালু হওয়ার জন্য অপেক্ষমান। এই টানেল দেশের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে। দেশের জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি বাড়াতে সাহায্য করবে। টানেল নির্মাণ শেষ হলে চট্টগ্রাম শহর চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ এর মডেলে গড়ে তোলা হবে।

প্রস্তুতি সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, এম শাহাদাত হোসেন তসলিম, আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, মুহাম্মদ বদিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু মনির মো. শহিদুল হক রাসেল, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মশিউর রহমান চপল, মীর মোহাম্মদ মহি উদ্দিন, মো. আব্দুল হাই, আদিত্য নন্দী প্রমুখ।

;

সমাবেশের নামে বাড়াবাড়ি করলে ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির সমাবেশের সুবিধার্থে সব করার পরও বাড়াবাড়ি করলে সরকার যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, ঢাকায় বিএনপির নির্বিঘ্ন সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ দেওয়ার কথা বলা এবং সেখানে ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা সত্ত্বেও তারা যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায়।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ঢাকায় বিএনপির সমাবেশ নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্রলীগের সম্মেলন ৮ তারিখের পরিবর্তে এগিয়ে এনে ৬ তারিখ করেছেন যাতে সেই মঞ্চ, প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলার পর বিএনপি সময় নিয়ে মঞ্চ এবং তাদের প্যান্ডেল নির্মাণ করতে পারে। কোনো সম্মেলন পিছিয়ে দেয়া সহজ কিন্তু এগিয়ে আনা সহজ নয়। তারপরও বিএনপির জন্য আওয়ামী লীগ সেটি করেছে। শুধু তাই নয়, বিএনপি তো নির্বিঘ্নে সারাদেশে সমাবেশ করছে।

মন্ত্রী বলেন, তাদেরকে আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, আমরা যখন সমাবেশ করতাম আমাদের ওপর গ্রেনেড হামলা, বোমা হামলা, বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। আমাদের দলীয় কার্যালয়ের দু’পাশে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া হয়েছিলো, সহজে আমাদের সমাবেশ করতে দেয়া হতো না। রাসেল স্কোয়ারে আমরা ২০ জন নিয়ে দাঁড়ালে পুলিশ লাঠিপেটা করতো। সেই ছবিগুলো আপনারাই সংগ্রহ করেছেন এবং এখনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছে। তাদের আমলে যেভাবে আমাদের প্রয়াত নেতা মো. নাসিমকে পুলিশ লাঠিপেটা করেছিল, আমাদের অন্যতম জ্যেষ্ঠ নেতা মতিয়া চৌধুরীকে টানাহেঁচড়া করেছিল, আমিও পুলিশের লাঠিপেটা খেয়েছি, এভাবে তাদের কোনো নেতা আমাদের ১৪ বছরের আমলে এসবের শিকার হতে হয়নি।

বিএনপির সমাবেশে জঙ্গি প্রভাব নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এদেশে জঙ্গিদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে বিএনপি, তাদের কারণেই জঙ্গিদের উত্থান ঘটেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জঙ্গিদের যে অপতৎপরতা দেখতে পাচ্ছি এটির সাথেও বিএনপির অপতৎপরতা একই সূত্রে গাঁথা।

তিনি বলেন, দেশে জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান হয়েছে বিএনপির হাত ধরে। বাংলা ভাইকে মাঠেই নামিয়েছিল বিএনপি। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন বাংলা ভাইকে পুলিশ প্রটেকশন দেওয়া হয়েছিল। অপারেশন কিলিং কমান্ডার বাংলা ভাইয়ের নেপথ্যে গডফাদার ছিলেন রুহুল কুদ্দুস দুলু, রাজশাহীর সাবেক মেয়র মিনু, আলমগীর কবীর, নাদিম মোস্তফা, ব্যারিস্টার আমিনুল হকসহ আরও অনেকেই। এভাবেই জঙ্গিগোষ্ঠীর উত্থান ও বিস্তৃতি ঘটিয়েছিল বিএনপি। তাদের সময়েই ৫শ’ জায়গায় বোমা ফাটিয়ে জঙ্গিরা তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছে, যেটির বিরুদ্ধে তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

;

শেখ হাসিনার সরকার কখনো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করবে না: কাদের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নেত্রকোনা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দেশের সংবিধান অনুযায়ী এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে যেভাবে নির্বাচন হচ্ছে, সেভাবেই এদেশে সাধারণ নির্বাচন হবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার কখনো নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সরকার শুধুমাত্র নিয়মমাফিক দায়িত্ব পালন করবে। আর নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য স্বাধীনভাবে তার কাজ করবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) নেত্রকোনা জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মতিউর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী আশরাফ আলী খান খসরু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, মির্জা আজম এমপি ও শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল এবং আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল এবং আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ডিসেম্বর মাসে একটি খেলা হবে। খেলা হবে বিএনপি, হাওয়া ভবন এবং বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে।

ঢাকা মহানগরীতে বিএনপির মহাসমাবেশ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওইদিন সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সতর্ক থাকবেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কর্মীরা কোনো ঝামেলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে বা আগুন নিয়ে খেলার চেষ্টা করলে, দেশের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা তাদের অশুভ পরিকল্পনা নস্যাৎ করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বাধা দেব।

;

প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে: হানিফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে: হানিফ

প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে: হানিফ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ।

তিনি বলেন, ৪ তারিখ পলোগ্রাউন্ড মাঠে নেত্রীর জনসভা হবে। ওই দিনটি হবে চট্টগ্রামবাসীর মহা আনন্দের দিন। ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম শহরের রাস্তায় রাস্তায় বর্ণিল সাজে সেজেছে। প্রধানমন্ত্রী যেদিন আসবেন সেদিন চট্টগ্রামে জনসমুদ্র হবে।

মঙ্গলবার (২৯ নভেম্বর) সকালে আগামী ৪ ডিসেম্বর চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা সফল করতে নগরের একটি কনভেনশন সেন্টারে যুবলীগের প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন,বিএনপি কয়েকদিন খুব লাফালাফি করেছে।তবে যুবলীগের সেই ১১ তারিখের জনসভা দেখে তাদের অনেকের হুঁশ ফিরে আসছে। আগের কথার জোর কিন্তু নেই এখন। এখন সুরটা কিছু নরম হয়ে গেছে। মিউ মিউ শব্দ এসেছে এখন তাদের।

তিনি বলেন, সেই রফিকুল ইসলাম মাদানী জোশে হুঁশ হারিয়ে ফেলেছিল।আর হুঁশ ফিরে আসার পর তো সে এখন পা জড়ায় ধরছে সকলের। রফিকুল ইসলাম মাদানীর মতো পরিস্থিতি হয়েছে বিএনপির। আমি বিএনপিকে বলবো তারা যেন জোশে হুঁশ না হারায়।না হয় তাদেরকেও এভাবে পা জড়ায় ধরতে হবে।

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাইনুল হোসেন খান নিখিলের সঞ্চালনায় এতে অন্যান্যের মধ্যে প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর আলম শাহীন, মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন, এম শাহাদাত হোসেন তসলিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নাঈম, মুহাম্মদ বদিউল আলম,সাংগঠনিক সম্পাদক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. শহিদুল হক রাসেল বক্তব্য রাখেন। এতে চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ টি সাংগঠনিক জেলার যুবলীগের বিভিন্ন স্থরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

;