১০ ডিসেম্বর নিয়ে দ্বিধা রাখবেন না: মির্জা ফখরুল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘১০ ডিসেম্বর নিয়ে মনে কোনো দ্বিধা রাখবেন না। ১০ ডিসেম্বর অবশ্যই ঢাকায় সমাবেশ হবে এবং এই সমাবেশ থেকে নতুন স্বপ্ন দেখবে মানুষ; সমাবেশ থেকে মানুষ নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আরও তীব্রভাবে নামবে।’

তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ এই যে দানব সরকার আমাদের উপর চেপে বসেছে তাকে পরাজিত করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় সেই কাজ করা হবে। আমরা খুব পরিষ্কার করে বলেছি-আমরা এই সরকারের পতন চাই। আমরা সংসদ বিলুপ্ত চাই, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর চাই। নতুন একটি নির্বাচন কমিশনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটা গ্রহণযোগ্য অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। আন্দোলনে শরিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় সরকার গঠন করব, রাষ্ট্র সংস্কার করব।’

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘কয়েকদিন আগে অনির্বাচিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী একটি নাটক করেছেন; সেই নাটকটি ছিল ২০১৫ সালের আন্দোলনের সময় যাদের কে আগুনে পুড়িয়ে নিহত করা হয়েছিল, আহত করা হয়েছিল তাদের কে একসঙ্গে নিয়ে এসেছে তিনি(প্রধানমন্ত্রী) অনেক কান্নাকাটি করেছেন। এবং জনগণের সামনে আবারও একটা ভুল ধারণা তুলে ধরে বলেছেন, ওইরকম ঘটনা আবারও ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আমাদের তখনই সন্দেহ হয়েছে তিনি যে চেষ্টা করছেন; জনগণের যে আন্দোলন শুরু হয়েছে। জনগণ যে তাদের দাবি আদায়ে রাস্তায় নামতে শুরু করেছে এটাকে বন্ধ করার আরেকটি কৌশল। যাকে আমি সবসময় বলি-হীন চক্রান্ত; সেই চক্রান্ত তিনি আবারও শুরু করতে চান।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে পত্রপত্রিকায় দেখেছি, খবর পেয়েছি পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রায় ২০০ টি বাস নাকি প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এটা কিছু অসমর্থিত সূত্রে থেকে পাওয়া খবর। ইতিমধ্যে আমরা কিছু কিছু আলামতও পেয়েছি; ছাত্রলীগ-যুবলীগ নামদারি সন্ত্রাসীকে প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে থানায় থানায় নামিয়ে দিয়ে সেখানে সন্ত্রাস প্রতিরোধ করবে। আমরা তখন থেকেই এব্যাপারে সচেতন ও সজাগ হয়েছি। যে কারণে আজকে এই সেমিনারে উত্থাপন করা হয়েছে দেশের সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক দল ও কুটনৈতিকদের জানাতে চাই যে-সরকার আবার সেই পুরনো খেলায় উদর পিন্ডি বুদর গারে চাপানোর জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে জানি বাংলাদেশের মানুষ জেগে উঠেছে। সময় এসেছে এখন রুখে দাড়াতে হবে এবং সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষ আলোচনার কিছু নেই; কারণ এই সরকারকে সরকার বলা যায় না। এরা নির্বাচিত সরকার নয়; জনগণের ম্যান্ডেট এদের কাছে নেই। এরা ১৫ বছর ধরে এই দেশের মানুষের উপরে অন্যায় অত্যাচার নির্যাতনের স্টীম রোলার চালিয়ে গেছে। আমাদের দলের ৬শত নেতা-কর্মীকে গুম করে দিয়েছে। ইলিয়াস আলী-চৌধুরী আলম ১০ বছর ধরে তাদের কোনো খুজ পাইনি। সহস্রাধিক মানুষ হত্যা হয়েছে; ৪০ লক্ষ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন তারা কোর্টে যাচ্ছেন আসছেন; কি একটা ভয়ঙ্কর অবস্থা। এই তো কয়েকদিন পূর্বে সাধারণ ঘরের ছেলে ভোলার শাওন মিছিলে এসে বুক পেতে দিয়েছে; একটি মাত্র কারণ সে মুক্তি চায়। দানবীয় সরকারের হাত থেকে মুক্তি চায়। অনেকে মনে করে আজকে এটা বিএনপির সমস্যা; আসলে এটা বিএনপির সমস্যা নয়; এটা জাতির সমস্যা। যে জাতি ৭১ সালে যুদ্ধ করেছিল একটি গণতন্ত্রান্ত্রিক রাষ্ট্র ও কল্যাণকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে। সেই জাতির আজকে কি করুণ অবস্থা থেকে মুক্তি চায়, নি:শ্বাস নিতে চায়।’

বিএনপি সমাবেশের নামে পিকনিক করেছেন: তথ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি সমাবেশের নামে পিকনিক করেছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, দেশের আট বিভাগে তারা সমাবেশের নামে মশারি ও কয়েল নিয়ে খিচুড়ি রান্না করে খেয়েছেন। এটি তাদের সমাবেশ না, পিকনিক। তারা পিকনিক করেছেন আর জারি গান শুনেছেন।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠের জনসভায় দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কথায় কথায় বলে আওয়ামী লীগ পালাবার সুযোগ পাবে না। তাদের নেতা তারেকই দেশের বাইরে পালিয়ে আছেন। এদেশের জনগণ বিএনপিকেই পালাবার সুযোগ দেবে না।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এসে রাজশাহীতেই বাংলা ভাই সৃষ্টি করেছিল। তারা ক্ষমতায় গেলে একটি নয়, ১০টি বাংলা ভাই সৃষ্টি করবেন।

মন্ত্রী বলেন, রাজশাহীর এ মাদরাসা তারা সমাবেশ করেছেন। এখানে আমাদের নেতাকর্মীরা সমাবেশ করতে চাননি। তারা বড় মাঠে করতে চেয়েছিলেন। আমরা এখানেই করেছি। এটি একটি ঐতিহাসিক মাঠ। আজ আমাদের জনসভা মাঠ ছাড়িয়ে পুরো শহরে চলে গেছে। রাজশাহীজুড়েই জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

;

‘আ.লীগ কখনো দেশ ছেড়ে পালায় না, বিএনপি নেতারা পালায়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ পালানোর সময় পাবে না বিএনপির নেতাদের এমন বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আজ যারা বলে আওয়ামী লীগ পালানোর সময় পাবে না, তাদের উদ্দেশ্যে বলি আওয়ামী লীগ এদেশ থেকে পালায় না। বিএনপির নেতারাই এদেশ থেকে পালায়।

তিনি বলেন, এদেশে জিয়াউর রহমান, এরশাদসহ অনেকেই ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ছাড়া এদেশে কেউ উন্নয়ন করেনি।

রোববার রাজশাহীর আওয়ামী লীগ আয়োজিত ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

বিকাল তিনটার দিকে জনসভায় উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী। জনসভায় উপস্থিত হয়ে ২৬টি প্রকল্প উদ্বোধন ও ছয়টির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি। এসময় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এর আগে দুপুরে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ প্রধান বলেন, নৌকায় ভোট দেওয়ায় ফাহিমা-মহিমাদের নির্যাতন করেছে। অনেক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। অথচ এই নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই এদেশ স্বাধীন হয়েছে। নৌকায় ভোট না দিলে খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী হতে পারতো না। নৌকায় ভোট দিয়েছে বলেই জিয়াউর রহমান মেজর জেনারেল হতে পারছে। কিন্তু সেই নৌকার প্রতি এতো ক্ষোভ কেন।

বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকুক এটা বিএনপি সহ্য করতে পারে না বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলেই এদেশে লুটপাট আর দুর্নীতি করে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে এদেশের মানুষ শান্তিতে থাকে, ভালো থাকে।

জনসভায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারদায় পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে ৩৮তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের শিক্ষা সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

;

‘পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় উঠব’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘আমরা দেশ ছেড়ে পালাব না, প্রয়োজনে ফখরুল সাহেবের বাসায় উঠব’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর মাদরাসা মাঠের জনসভায় ওবায়দুল কাদের এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান রাজনীতি করবে না বলে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আমরা পালাব না, প্রয়োজনে মির্জা ফখরুল সাহেবের বাসায় গিয়ে উঠব। জায়গা দেবে তো?’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি এখন পদযাত্রা করছে। পদযাত্রা মানে অন্তিম যাত্রা, পদযাত্রা মানে মরণযাত্রা, পদযাত্রা মানে শেষ যাত্রা।

কাদের বলেন, কিছুদিন আগে বিএনপি এখানে একটা সমাবেশ করেছে। সেই সমাবেশ আর আজকের সমাবেশ সারাব বাংলাদেশ দেখছে। আজকের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হয়েছে। জনসভা মাঠের ১০ গুণ মানুষ মাঠের বাইরে বসে আছে।

তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের বড় জ্বালা, অন্তর জ্বালা। জ্বালায় জ্বালায় মরে। পদ্মা সেতুর জ্বালা। পদ্মা সেতুর পর মেট্রোরেল এসেছে। মেট্রোরেলের পর আরেক জ্বালা আসছে বঙ্গবন্ধু চটানেল। যেদিকে তাকাই উন্নয়ন। জ্বালায় মরে ফখরুল আর বিএনপি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজশাহী সিটি গ্রীণ সিটিতে রুপান্তিরিত হয়েছে উল্লেখ করে কাদের বলেন, আপনারা ভাগ্যবান। রাজশাহী এখন দেশের সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন সিটি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজশাহীতে নবরূপে সজ্জিত করেছেন মেয়র, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।

তিনি বলেন, খেলা হবে। হবে খেলা। খেলা হবার আগেই তো পালানো শুরু করেছেন। আগেই তো মরণ যাত্রা শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দুর্নীতি, লটুপাট, অর্থপাচার, হত্যা-ষড়যন্ত্রের, জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে খেলা হবে। আগামী নির্বাচনে ফাইনাল খেলা হবে। তৈরি হয়ে যান। তাদের শিক্ষা হয়নি, শিক্ষাটা পাবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে আবারো পরাজয়ের মুখ দর্শন করতে হবে।

;

বিএনপি-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে: ফারুক খান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বে দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেই সময়ে বিএনপি-জামায়াত দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

ফারুক খান বলেন, যখন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, যখন বাংলাদেশের জিডিপি সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ার উপরে, যখন বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ ঠিক সেই মুহূর্তে বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশকে পিছনের দিকে নেওয়ার জন্য নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক সবাই ভবিষ্যৎবাণী করেছে, বাংলাদেশ যেভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যদি এভাবে এগিয়ে যায় তাহলে ২০৩০ সালের মধ্যে এটি বিশ্বের ২৭তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে। আর এটা সম্ভব শুধুমাত্র রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে।

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

তারানা হালিম বলেন, যাতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ভেঙে পড়ে, দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি হয়, খাদ্য সংকট সৃষ্টি হয়, বেকার সমস্যা বৃদ্ধি পায়, মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে তাই চায় বিএনপির, এটাই দলটির আসল চেহেরা। তারা কখনই এদেশের মানুষের ভালো চায় না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে তোলা যায়। সামনের যে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কথা বলা হচ্ছে শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশ তা কাটিয়ে উঠতে পারবে। আগামী নির্বাচনে নৌকায় ভোট দিলে বঙ্গবন্ধুকন্যা তার দূরদর্শী নেতৃত্বে একটি উন্নত সুখীসমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে।

শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, বিএনপির মুখে গণতন্ত্রের কথা মানায় না, মানবাধিকারের কথা মানায় না। আপনাদের হিংসাত্মক রাজনীতি আর সন্ত্রাসের কারণে নতুন প্রজন্ম রাজনীতি করতে চায় না। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপির প্রধান শত্রু এদেশের সাধারণ জনগণ।

;