১০ ডিসেম্বরের আগেই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করেছে বিএনপি: কাদের



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কক্সবাজার
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশের আগেই রাজপথে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করেছে। তারা আজ পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছে।

বুধবার (৭ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি একথা বলেন। জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর বিএনপি নাকি রাজপথ ও ঢাকা দখল করবে। ১০ ডিসেম্বরের আগেই তারা নয়াপল্টনে পুলিশের ওপর হামলা করেছে। তারা কেন নয়াপল্টনে সমাবেশ করতে চায় তা জনগণ জানে। কারণ সেখান থেকে দ্রুত অস্ত্র আর আগুন সন্ত্রাস করতে পারে তারা।

বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে তিনি বলেন, ফখরুল সাহেব, ঢাকা দখলের হুমকি দেবেন না। আমাদের নেতা-কর্মীরা মহানগর, জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড ও পাড়া-মহল্লায় পাহারায় থাকবেন।

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই আমাদের অস্তিত্বের জন্য। আমি কারও অন্ধ সমর্থক নই। কাজ করে যারা, আমি তাদের পক্ষে বলি। জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, এই ডিসেম্বরে খেলা হবে, আগামী নির্বাচনে খেলা হবে, আন্দোলনে খেলা হবে, অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে খেলা হবে। খেলা হবে টাকা চুরির বিরুদ্ধে, ভোট চুরির বিরুদ্ধে, হাওয়া ভবনের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে।

কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অ্যাডভোকেট ফরিদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান প্রমুখ।

জিএম কাদের জাপার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবিঃ সংগৃহীত

ছবিঃ সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease
জাতীয় পাটির চেয়ারম্যান পদে জিএম কাদের এর দায়িত্ব পালনের উপর নিম্ন আদালতের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা ৮ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। এখন থেকে জাতীয় পাটির কার্যক্রম পরিচালনা করতে আর কোন বাধা থাকল না বলে  বার্তা২৪কমকে নিশ্চিত করেছেন পার্টি প্রেসিডিয়াম সদস্য ও অতিরিক্ত মহাসচিব অ্যাড, রেজাউল ইসলাম ভুঁইয়া।

রোববার (৫ জানুয়ারি) ওই আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রায় আড়াই মাসের নিষেধাজ্ঞার কবলে ছিলেন জিএম কাদের।

গত বছরের ১৬ নভেম্বর জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি ও চেয়ারম্যানের সাবেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধার করা মামলায় জাপা চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ও দলীয় কার্যক্রমের উপর দেয়া নিষেধাজ্ঞা দেন ঢাকার প্রথম যুগ্ম জেলা জজ মাসুদুল হকের আদালত।

২৯ নভেম্বর নিম্ন আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে জিএম কাদেরের আনা রিভিশন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল রুলসহ দলীয় কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা স্থগিত আদেশ দেন। 

হাইকোর্ট জিএম কাদেরের পক্ষে রায় দিলে সুপ্রীম কোর্টের চেম্বার জজ আদালতে গড়ায় মামলাটি। দলীয় কার্যক্রম পরিচালনায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম  কাদেরের প্রশ্নে হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ স্থগিত করেন সুপ্রীম কোর্টের চেম্বার জজ আদালত। 

পরে বিষয়টি সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগে গড়ালে ৩০ নভেম্বর  বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিম চেম্বার জজের আদেশ বহাল রাখেন। এরপর কয়েক দফায় শুনানি শেষে জিএম কাদেরের উপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা সাময়িক সময়ের জন্য স্থগিত করা হয় 
;

বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন: শেখ পরশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ

যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি সন্ত্রাসী সংগঠন বলে মন্তব্য করে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেছেন, যার ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেইটে দেশব্যাপী বিএনপি-জামায়াতের নৈরাজ্য ও তাণ্ডবের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ উত্তর আয়োজিত শান্তি সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার নাম এসেছিল মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায়। আন্তর্জাতিক মানি লন্ডারিং মামলাতেও তিনি দুর্নীতির বরপুত্র এবং সারা বিশ্বে কুখ্যাত। এছাড়া ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা, একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও দুর্নীতির কারণে দেশ-বিদেশে তার ব্যাপক সুনাম আছে। এই কুখ্যাত সন্ত্রাসী এবং দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন রাজনৈতিক দল এখন আমাদেরকে সন্ত্রাসী হিসাবে উপস্থাপন করার রাজনৈতিক কৌশল হাতে নিয়েছে। তিনি বলেন বিএনপির নেতৃবৃন্দদের বলতে চাই জনগণকে আপনারা ভিকটিম বানানোর স্পর্ধা দেখাবেন না। জনগণের অধিকার, অর্থাৎ জনগণের জান-মালের নিরাপত্তায় যদি আপনারা ব্যাঘাত ঘটান তার দাঁতভাঙ্গা জবাব আপনারা রাজপথেই পাবেন। স্বাধীনতার পর এই প্রথম এ দেশের মেহনতি মানুষ তাদের মৌলিক অধিকারগুলো উপভোগ করছে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা নিশ্চিত হয়েছে। এই প্রথম খাদ্যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। বিএনপির বাংলাদেশের এই কৃতিত্ব পছন্দ হচ্ছে না। প্রায় ২ লক্ষ গৃহহীনদের বসবাসের জন্য ঘর দেয়া হয়েছে, যেটা কোন উন্নত রাষ্ট্রও দিতে পারে না। বস্তিবাসীদেরকে বহুতল বিশিষ্ট ফ্ল্যাটে পুনর্বাসন করা হচ্ছে। করোনার মোকাবিলায় পৃথিবীর প্রথম ১০-১২ টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের নাম। বিনা মূল্যে মোট ৩০ কোটি টিকা প্রদান করা হয়েছে। সারা দেশে প্রায় পনের হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক হয়েছে। শিক্ষায় বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সাফল্য, বিশেষ করে সাক্ষরতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ গোটা পৃথিবীতে এক অবাক নিদর্শন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, আওয়ামী যুবলীগের নেতা কর্মীরা আপনাদের মত আদর্শহীন রাজনীতি করে না, আমাদের নেতা-কর্মীরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে। আপনাদের মত পাকিস্তানের তাবেদারি রাজনীতি আমরা করি না। তাই আপনারা বলতে পারেন, ‘এই বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তান ভাল ছিল’। আপনাদের লজ্জা নাই। তাই আপনারা এমন কথা বলতে পারেন। আমাদের পুলিশ বাহিনীর উপর যদি আপনারা চড়াও হন, তাহলে কিন্তু এদেশের জনগণ সেটা মেনে নেবে না। যেই পুলিশ বাহিনীকে আপনারা ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। যেই দেশকে আপনারা জঙ্গি রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। এই পুলিশ বাহিনীর কৃতিত্বে সেই জঙ্গিবাদ আজ প্রায় নির্মূল এবং নির্বাসনে। সুতরাং আপনাদের সাবধান করে দিচ্ছি, আমাদের পুলিশ বাহিনীর উপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করবেন না। আজকে অনেকে মানবাধিকারের কথা বলে। বাংলাদেশের মানুষ জানে কারা এদেশে মানবাধিকার লংঘন করেছে? কারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে ? তাই আগামী নির্বাচন বর্তমান নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে হবে। কেউ আসুক আর না আসুক নির্বাচন শেখ হাসিনার অধীনেই হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন, বিএনপি এটি নিকৃষ্ট সংগঠন। বিএনপি একটি মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী সংগঠন। জনবিচ্ছিন্ন এই সংগঠনটি জনগণের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে চায়। তিনি আরও বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা খুনি জিয়াউর রহমান এদেশের ছাত্র সমাজকে ধ্বংস করার জন্য তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের হাতে টাকা আর অস্ত্র তুলে দিয়েছিলেন। এটাই হচ্ছে বিএনপির আসল চেহারা। তাই বলতে চাই, আন্দোলনের নামে বিএনপি-জামায়াত যদি কোথাও জনগণের জানমালের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, অগ্নি-সন্ত্রাস করে তাহলে তারদেরকে রাজপথে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ উত্তর আয়োজিত শান্তি সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশিদ, ডা. খালেদ শওকত আলী, মো. রফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান পবন, মো. নবী নেওয়াজ, এ কে এম আহসানুল হক চৌধুরী ডিউক এমপিসহ প্রমুখ।

;

‘আ.লীগ আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে চায়’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেনি, ভবিষ্যতেও তারা জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চায় না। তারা যদি আগামীতে জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসতে চাইত, তাহলে তারা জনগণকে কষ্ট দিতে পারত না। তারা চায় আবারও ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতায় আসতে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে নগরীর কাজীর দেউরীস্থ নুর আহম্মেদ সড়কে বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন।

সরকারের পদত্যাগ এবং বিএনপির ১০ দফা দাবিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিএনপি কেন্দ্র ঘোষিত এই সমাবেশের আয়োজন করে।

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল ইউনিয়নে বিএনপি পদযাত্রা করবে জানিয়ে নজরুল ইসলাম খান বলেন, অবৈধ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সারাদেশে চলছে। সেটা আরো বেগবান করতে হবে। আন্দোলনের মধ্য দিয়েই এ অবৈধ সরকারের পতন হবে। আর সে পতনের অংশীদার আমরা হব। আগামী শনিবার বাংলাদেশের সকল ইউনিয়নে পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। আমরা কর্মসূচি দিলেই এ সরকার বাঁধা দেয়। আমরা দেখতে চাই সারা বাংলাদেশের কয়টা ইউনিয়নে তারা বাঁধা দিতে পারে। সব ইউনিয়নের সকল নারী-পুরুষ পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করবে।

তিনি বলেন, আমরা একবার বাকশালের গোরস্থানের ওপর জিয়াউর রহমানের হাত ধরে গণতন্ত্র পেয়েছিলাম। পরে স্বৈরাশাসক এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে খালেদা জিয়ার হাত ধরে গণতন্ত্র পেয়েছি। এবার আমরা তারেক জিয়ার হাত ধরে এ সরকারের হাত থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করব। বিএনপি বারবার বিজয় হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করেছে। এবারও করবে।

সরকার জনগণকে পরোয়া করে না উল্লেখ তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে যারা হালাল উপার্জন করে সে শ্রমিক, কৃষক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সরকারি কর্মচারী ও সাধারণ মানুষ তারা আজ চলতে পারছে না। প্রতিদিন জিনিসের দাম বাড়ছে। এ সরকারের তাতে কোনো পরোয়া নেই। তিন সপ্তাহের মধ্যে দুইবার জ্বালানির দাম বেড়েছে। যদি এ সরকার জনগণের পরোয়া করত তাহলে এটা তারা করতে পারত না।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার নিজেরা সংবিধানকে লঙ্ঘন করে আবার সেটা প্রয়োগের কথা বলছে। দেশের আজকের চলমান পরিস্থিতির উপরে এ সরকারের পতনের আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। তাই এ সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন আরও গতিশীল করতে হবে। আমরা একটা মহাযুদ্ধের মধ্যে আছি। এ যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। এ যুদ্ধ গণতন্ত্রের লড়াইয়ের যুদ্ধ, মানুষের ভোটের যুদ্ধ। আমাদের দেশের মানুষ আজ না খেয়ে আছে। দেশের মানুষের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার নূন্যতম সু্যোগ সুবিধা নেই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মীর মো, নাছির উদ্দিন বলেন, ওবায়দুল কাদের সাহেব বলেন তারা মিছিল করলে আমরা নাকি পালানোর জায়গা পাবো না। আজ এসে তিনি দেখে যাক মানুষের এই জনসমুদ্র। আমরা যদি ঘোষণা দিই আজ থেকে বাংলাদেশ বন্ধ তাহলে আপনাদের সে ক্ষমতা নেই আবার চালু করার। তারা নাকি স্মার্ট বাংলাদেশ করবে! দুর্নীতিবাজদের মুখে স্মার্ট বাংলাদেশের কথা মানায় না। বাংলাদেশের গণতন্ত্র আবার ফিরিয়ে আনতে আরেকটা গণ অভ্যুত্থান ঘটাতে হবে। সে ডাক আসবে। তখন সব অচল হয়ে যাবে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ানের পরিচালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, বিএনপির উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জয়নাল আবেদীন ফারুক, অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, গোলাম আকবর খোন্দকার, এস এম ফজলুল হক, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভাগীয় সমন্বয়কারী মাহবুবের রহমান শামীম।

;

টাকা ছাপিয়ে দেশ চালাচ্ছে সরকার: আমীর খসরু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু চৌধুরী

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু চৌধুরী বলেছেন, টাকা ছাপিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে বর্তমান অবৈধ সরকার। গত দুই মাসে তারা পঞ্চাশ হাজার কোটি নতুন টাকা ছাপিয়েছে। এটা অব্যাহত ভাবে চলতে পারে না। দেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি ধ্বংস করে দিয়েছে। গত কয়েক বছরে দশ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে আওয়ামী লীগ। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে রাস্তায় আন্দোলন করে এই সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে হবে।

শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টায় ময়মনসিংহ নগরীর পলিটেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট মাঠে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভোট চোর, এটাই মূল কথা। দেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য রাস্তায় নেমেছে। তাদেরকে মিথ্যা, গায়েবি মামলায় গ্রেফতার করা হচ্ছে। খুন করা হচ্ছে। ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থাকার জন্য অবৈধভাবে সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যবহার করে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রক্রিয়ায় বহু অপকর্ম তারা করছে। আওয়ামী লীগ দেশের জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তারা রাজনৈতিক ভাবে পরাজিত। মনে রাখতে হবে আওয়ামী লীগ শুধু ভোট চুরি করে না। তারা পুকুর চুরি করছে, ব্যাংক, শেয়ার বাজার, মেগা প্রজেক্ট, ছোট প্রজেক্ট সব চুরি করে দেশকে ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রে পরিণত করেছে।

আমীর খসরু বলেন, দেশের মানুষের জীবন-যাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ দু’বেলা খেতে পারছে না। সরকারের লুটপাট ও চুরির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ, তেলের উচ্চ মূল্য দিতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেটের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় সব পণ্যের দাম বেড়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতা ধরে রাখতে ভোট চুরিতে মন দিয়েছে। জনগণকে পিটিয়ে ভোট দখলে রাখতে চেষ্টা করছে।

প্রশাসনের উদ্দেশ্যে বিএনপির এই নেতা বলেন, জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবেন না। টিকে থাকতে পারবেন না। স্বৈরাচার টিকতে পারেনি। দেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই সরকারকে বিদায় করতে হবে। আমাদেরকে হামলা, মামলা, হত্যা করেও থামাতে পারেনি। আমরা মরতে শিখেছি। কেউ আমাদের থামাতে পারবে না।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে ভয় পায় না। তিনি ভয় পায় নির্বাচনকে। আর এ কারণেই তিনি নির্বাচন নিয়ে উপহাস করছেন। অর্থনীতি থেকে শুরু করে সব সেক্টরকে সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন এক দফার আন্দোলনে এই সরকারকে বিদায় করে দেশকে ধ্বংসের দ্বার প্রান্ত থেতে ফিরিয়ে উন্নয়নের পথে নিয়ে আসতে হবে। এজন্য সবাই প্রস্তুতি নিন।

;