সুষ্ঠু উপ নির্বাচনে 'গণতন্ত্রের বিজয়' হয়েছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ছেড়ে দেয়া আসনগুলোর উপ নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ হওয়ার মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে উপনির্বাচন হয়েছে, বগুড়া, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মোট ছয়টি উপনির্বাচন। মির্জা ফখরুল বলেছিলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাকি মাগুরার দাদা হয়েছে, দাদা হবে। দাদাও হয়নি, নানাও হয়নি, মাগুরাও হয়নি, নির্বাচন হয়েছে, সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জে একটু হাতাহাতি হয়েছে, এছাড়া সব কয়টি নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে শেষ হয়েছে।

কে জিতল কে হারলো এটা আমাদের মূল বিষয় নয়, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আবারও গণতন্ত্রের বিজয়, গণতন্ত্র এখানে বিজয়ী। এরা অপপ্রচার করে এই সরকারের আমলে সুষ্ঠু নির্বাচন হয় না। বিদেশিদের কাছে নালিশ করে।

আসন ছেড়ে দিয়ে বিএনপি ভুল করেছে দাবি করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেব ছয়টি সিট আপনাদের ছিল, পার্লামেন্ট থেকে পদত্যাগ করে কত বড় ভুল করেছে তা যতই দিন যাবে ততই অনুধাবন করতে পারবেন।

বিএনপি নেতাদের সমালোচনা করে ওবায়দুল কাদের বলেন, মির্জা আব্বাস বলে সরকার নাকি ভয় পেয়ে গেছে। সরকার ভয় পেয়েছে না আপনারা ভয় পেয়েছেন। সরকার শান্তি সমাবেশ দিয়ে শুরু করেছে, এখনো শান্তি সমাবেশ করে যাচ্ছে, আপনারা সরকারের পতন, গণঅভ্যুত্থান, লাল কার্ড দেখে এখন কেনো অন্তিম পদযাত্রায় নামলেন, জিজ্ঞাসা, ভয় পেলো কে, বিক্ষোভ থেকে নীরব পদযাত্রা, কোথায় বিক্ষোভ, আমরা শান্তিতে ছিলাম, শান্তিতে আছি, শান্তিতেই থাকবো।

কাদের বলেন, খেলা হবে... আগামী নির্বাচনে, সেদিন প্রমাণ হবে কাদের পায়ের তলায় মাটি আছে, কাদের নাই। নির্বাচনে জনপ্রিয়তা যাচাই হবে, জনগণ ভোট দিয়ে যাচাই করবে। কাজেই এখন আপনি দাবি করছেন সরকারের পায়ের তলায় মাটি নেই। আপনাদের পায়ের তলায় মাটি আছে? জনগন আছে?

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবু-উল আলম হানিফ, সাংগঠনি সম্পাদক মির্জা আজম, সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর দক্ষিনের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফি, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন,ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি শান্তি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

কোনো কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
কোনো কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: জিএম কাদের

কোনো কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, দলীয় সরকারের অধীনে স্বাভাবিকভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, তবে কোনো কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার সকল ক্ষেত্রে দলীয়করণ করে কর্তৃত্ববাদী সরকার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

সোমবার (২০ মার্চ ) জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক সফল রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্মদিনে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রতিকৃতিতে ফুল দেন। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জিএম কাদের আরও বলেন, নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট ও প্রশাসনকে সরকার দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করছে। এমন অবস্থায় বা এমন কাঠামোতে কখনোই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচনে অংশ নেয়া বা না নেয়ার বিষয়ে কথা বলার সময় এখনো আসেনি। কারণ, সরকার নির্বাচনের ব্যবস্থা এমনই রাখবে নাকি কিছু পরির্বতন করবে তা আমরা এখনই জানি না। সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে নির্বাচনের আগে আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।

তিনি বলেন, নির্বাচন কেন্দ্রিক সংকট শুরু হয়ে গেছে। দুটি দল নিজের অবস্থানে অটল আছে। এমন অবস্থা থেকে তাদের বেরিয়ে আসার কোন উপায় নেই। দল দুটি মনে করছে, তারা ছাড় দিলে তারা ধংস হয়ে যাবে। তারা ভাবছে, ছাড় দিলে নির্বাচনে তারা টিকবে না এবং তাদের রাজনীতি টিকবে না। তাই, সামনের দিকে বাঁচার জন্য দুটি দল জীবনপণ লড়াই করবে। দেশে সহিংসতা ও রাজনৈতিক অস্থিরতার দিকে দেশ ধাবিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশ চালানো হচ্ছে গোঁজামিল দিয়ে। অগ্রগতির কথা বলে দেশকে পিছিয়ে দেয়া হচ্ছে। অর্থের অভাবে দেশের স্বাভাবিক আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে। প্রবাসীদের আয় এবং রফতানি থেকে যে আয় হয় তার চেয়ে দেশের ব্যয় অনেক বেশি। দেশের রিজার্ভ আশংকাজনকভাবে কমে গেছে। এ কারণেই আমরা আমদানি করতে পারছি না, আমদানি অর্ধেক হয়ে গেছে। নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্য বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না, নিত্যপণের দাম বেড়ে গেছে। ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না। কাঁচামাল ও খুচরা যন্ত্রাংশের অভাবে অনেক শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। একারণে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে। একারণে, সরকার আমদানি কমিয়ে দিয়ে, ধার-কর্য করছে এবং বাকিতে মালামাল কিনছে। এটাকে আমারা গোঁজামিল দিয়ে দেশ চালানো হচ্ছে বলে মনে করছি।

তিনি বলেন, উন্নয়নের নামে আমরা যা দেখছি বিশাল বিশাল অবকাঠামো হচ্ছে, মেগা প্রজেক্ট হচ্ছে। এর সুফল আমরা এখনো দেখিনি। গেলো বাজেটের সময় ঋনের ভার জনপ্রতি ছিলো প্রায় ১ লাখ টাকা। এখন ঋণের বোঝা আরো বাড়বে। সরকারের হাতে টাকা নেই। এমন বাস্তবতায় সরকার নতুন করে ১ লাখ কোটি টাকা ছাপাচ্ছে। এজন্য দ্রব্যমূল্য ঊর্ধ্বগতি ও মুদ্রাস্ফিতি হচ্ছে। ডলার সংকট চলছে। সরকার রিজার্ভের যে হিসাব দিচ্ছে তা আইএমএফ এর হিসেব অনুযায়ী অনেক কম। সরকার বলেছে রির্জাভ আছে ৩১ বিলিয়ন ডলার আছে। আইএমএফ বলছে এখানে অন্তত ৮ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার নেই। এই টাকা বিভিন্ন জায়গায় ঋণ দেয়া হয়েছে এবং লগ্নি করা হয়েছে। সেই হিসেবে রির্জাভের পরিমাণ ২২ দশমিন ৫ বিলিয়ন ডলার থাকার কথা। কিন্তু, এবছর ঋণ ও আসল পরিশোধ করতে হবে ২৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। সরকারি হিসেবে বকেয়া ১৮ বিলিয়ন ডলার বেসরকারি এবং ৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সরকারি খাতে এখনই শোধ করতে হবে। অতিতের বকেয়া ঋণের পরিমাণ ৩৩ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে সরকারের হাতে কোন টাকা থাকার কথা নয়। আইএমএফ ও ওয়ার্ল্ড ব্যাংক সহ বিভিন্ন স্থান থেকে আমরা ঋণ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু, তারা আমাদের ঋণ না দিলে দেশ যে কোন মুহূর্তে দেউলিয়াত্বের মধ্যে চলে যেতে পারে।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংকট থেকে উত্তরোনের জন্য আমাদের সুপারিশমালা আছে আমরা তা সময় মত জানাবো। আমাদের সুপারিশমালা যদি গ্রহণ করার মত পরিবেশ সৃষ্টি হয়, তবেই আমরা সুপারিশমালা দেবো। ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়ার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। অনেক শক্তিশালী এবং গ্রহণযোগ্য মানুষ প্রতিদিন জাতীয় পার্টিতে যোগ দিচ্ছেন।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, এসএম আব্দুল মান্নান, সুনীল শুভ রায়, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, উত্তরের আহ্বায়ক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু , এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আকতার এমপি, মোস্তফা আল মাহমুদ, আতিকুর রহমান আতিক, জহিরুল ইসলাম জহির, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য জহিরুল আলম রুবেল, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাংস্কৃতিক পার্টির সভাপতি শেরিফা কাদের এমপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মধ্যে- জাতীয় যুব সংহতি, জাতীয় মহিলা পার্টি, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টি, জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টি, জাতীয় শ্রমিক পার্টি, জাতীয় তরুণ পার্টি, জাতীয় মৎস্যজীবী পার্টি, জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টি, জাতীয় ছাত্র সমাজ, জাতীয় হকার্স পার্টি, পল্লীবন্ধু পরিষদ , ফ্রান্স শাখা জাতীয় পার্টি।

;

দলে কোনো বিভেদ নেই, পৃথক অনুষ্ঠান দ্বন্দ্ব প্রমাণ করে না: রওশন এরশাদ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
দলে কোনো বিভেদ নেই, পৃথক অনুষ্ঠান দ্বন্দ্ব প্রমাণ করে না: রওশন এরশাদ

দলে কোনো বিভেদ নেই, পৃথক অনুষ্ঠান দ্বন্দ্ব প্রমাণ করে না: রওশন এরশাদ

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম রওশন এরশাদ বলেছেন, পার্টিতে কোনো বিভেদ নেই, পৃথক অনুষ্ঠান দ্বন্দ্ব প্রমাণ করে না। দলীয়ভাবে নেতার জন্মদিন স্মরণ করে কর্মসূচি পালন করেছে, বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে আমিও দোয়ার আয়োজন করেছি।

সোমবার (২০ মার্চ ) রাজধানীর গুলশানে বিরোধী দলীয় নেতার বাসভবনে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত কেক কাটা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি'র বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় পার্টির দলীয় কর্মসূচির বাইরে পৃথকভাবে এরশাদের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজন করেন রওশন এরশাদ।

রওশন এরশাদ আরও বলেন, সাংবিধানিক ধারা মেনেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে তাঁর দল। নির্বাচন হতে এখনো অনেক দেরি আছে। সাংবিধানিকভাবেই নির্বাচন হবে এবং সে নির্বাচনে অংশ নেবে জাতীয় পার্টি।

তিনি বলেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্মৃতি নিয়ে এগিয়ে যাবে তাঁর দল। তাঁর রেখে যাওয়ায় দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চলবে পার্টি। যারা তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী চলবেন না, তাদের চলার সুগম হবে না।

জাতীয় পার্টি এরশাদের নিজস্ব পার্টি। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য তিনি এই পার্টি দাঁড় করিয়েছেন। তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সবাইকে দোয়া করার আহবান জানান জাপার প্রধান পৃষ্ঠপোষক। তিনি বলেন, আপনাদের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি আবার সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পল্লীবন্ধুপুত্র রাহগির আল মাহি সাদ এরশাদ এমপি বলেন, আমরা কাছে আপনারাই পরিবার। সে কারণে দলের নেতাকর্মীরা পরিবারের সদস্য বলেই আপনারা আমার আপনজন। আপনাদের সবাইকে নিয়েই এগিয়ে যাবো আমি।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বিরোধী দলীয় নেতার মূখপাত্র কাজী. মামুনূর রশীদ, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মশিউর রহমান রাঙ্গা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী গোলাম সরোয়ার মিলন, প্রেসিডিয়াম সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু এমপি, সাবেক উপদেষ্টা রফিকুল হক হাফিজ, প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমা আক্তার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য ক্বারী হাবিবুল্লাহ বেলালী, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গহীর, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রওশন আরা মান্নান এমপি, সাবেক উপদেষ্টা অ্যাড. জিয়াউল হক মৃধা ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নূরু।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সাল চিশতি, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইকবাল হোসেন রাজু, সাবেক এমপি অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন, সাবেক ছাত্র নেতা মনিরুজ্জামান টিটু, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার মামুনূর রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার ইকরাম খান, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাকুর রহমান মোস্তাক, সৈয়দ ওয়াহিদুল ইসলাম তরুণ, অ্যাড. অশোক কুমার ঘোষ, নারী নেত্রী মনোয়ার তাহের মানু, শারমিন পারভিন লিজা, কেয়া চৌধুরী, আব্দুল আজিজ, শ্রমিক নেতা সাখাওয়াত হোসেন, এম জাহের, শাহ জামাল রানা, ডা. সেলিনা, হাসনা হেনা, এজাজ আহমেদ খান, মো. কামাল হোসেন, মঞ্জুরুল হক সাচ্চা, কামাল খন্দকার, নজরুল ইসলাম, শেখ রুনা, জহির উদ্দিন জহির, ইসরাফিল মিয়া, আজমল হোসেন জিতু, ইদ্রিস আলী, ইমদাদুল হক, সাজিউল ইসলাম রকি, জাতীয় ছাত্র সমাজের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হাফসা সুলতানা, সদস্য সচিবআবু সাঈদ লিয়ন, জাপা নেতা শফিকুল ইসলাম, মিশু আহমেদ, এবি মাসুম রেজা, জিয়াউল হক জুয়েল প্রমুখ।

;

বিএনপি এখন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাজনৈতিক আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে বিএনপি এখন সড়ক দুর্ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে।

সোমবার (২০ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মাদারীপুরে এক্সপ্রেসওয়ের সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত মনগড়া বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এ কথা বলেন।

মাদারীপুরে শিবচরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিটি মৃত্যুই বেদনার। সরকার সড়কে একটি মৃত্যুও চায় না। শেখ হাসিনা সরকার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ও দুর্ঘটনা রোধে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। এনিয়ে ইতিমধ্যে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ প্রণয়ন ও এর বিধিমালা কার্যকর করেছে সরকার। এছাড়া একটি প্রকল্পের মাধ্যমে দুর্ঘটনাপ্রবণ স্পট ঝুঁকিমুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য স্পটও ঝুঁকিমুক্ত করার কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকৌশলগত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং স্হাপন করা হচ্ছে প্রয়োজনীয় সাইন-সিগন্যাল। এছাড়া চালকদের বিশ্রামের ব্যবস্হা ও চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু, নবায়ন ও প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় আসার পর যোগাযোগ খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে সড়ক যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। দেশব্যাপী জাতীয় মহাসড়কসমূহ পর্যায়ক্রমে ছয় লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকরী সকল পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কে চালক, পরিবহণ শ্রমিক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যও উদ্যােগ গ্রহণ করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এসব পদক্ষেপের জন্য সরকারকে সাধুবাদ না জানিয়ে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে শুধু সমালোচনার জন্য সমালোচনা করে যাচ্ছে বিএনপি। 

;

আ. লীগের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য হলেন ইঞ্জি. মোশাররফ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে দলের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৯ মার্চ) আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়ার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তার ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনকে আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য পদে মনোনয়ন প্রদান করেছেন।

;