লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ১৩ ও ১৬ জুন মহানগরে বিএনপির রোডমার্চ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চলমান লোডশেডিংয়ের বিরুদ্ধে সারাদেশে দলের প্রতিবাদ জানানোর পর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে রাজধানীসহ দেশের মহানগরগুলোতে রোডমার্চ করবে বিএনপি।

শুক্রবার (৯ জুন) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি বলেন, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটিসহ বিএনপির সব মহানগর ইউনিট ১৩ জুন মিছিল করবে এবং ১৬ জুন দলের ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর ইউনিট একই কর্মসূচি পালন করবে।

রাজধানীতে দলের ঢাকা উত্তর সিটি ইউনিটগুলো মহাখালী বাসস্টেশন থেকে সোনারগাঁও মোড়ের সার্ক ফাউন্টেন অভিমুখে মিছিল করবে এবং ১৩ জুন দুপুর আড়াইটায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি ইউনিট গোপীবাগের সাদেক হোসেন খোকা রোড থেকে রায় সাহেব বাজার মোড়ের দিকে মিছিল করবে।

এছাড়া ১৬ জুন দুপুর আড়াইটায় বিএনপির ঢাকা উত্তর মহানগর শাখা পল্লবী সিটি ক্লাব থেকে আগারগাঁও তালতলা এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি ইউনিট আজিমপুরের স্যার সলিমুল্লাহ এতিমখানা থেকে আরমানি টোলা মাঠের দিকে যাত্রা করবে ১৬ জুন দুপুর আড়াইটায়।

রিজভী বলেন, ছয়-সাত ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছে। গ্রামাঞ্চলের অবস্থা আরও খারাপ। তাই বিদ্যুৎ খাতে অসহনীয় লোডশেডিং ও ব্যাপক দুর্নীতির প্রতিবাদে আমরা শান্তিপূর্ণ পদযাত্রার কর্মসূচি নিয়েছি।

তিনি বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে কর্মসূচি সফল করার আহ্বান জানান।

পাবনা, ফেনী ও ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলায় বৃহস্পতিবারের অবস্থান কর্মসূচি ও স্মারকলিপি জমা দিতে পুলিশ ও ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা বাধা দেয় বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা । আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

গত বৃহস্পতিবার সারাদেশে বিদ্যুৎ বিভাগের সব জেলা কার্যালয়ের সামনে ঘণ্টাব্যাপী অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এবং বিদ্যুৎ খাতে চলমান লোডশেডিং ও 'দুর্নীতির' প্রতিবাদে স্মারকলিপি পেশ করে বিএনপি।

   

খালেদা জিয়াকে আবারও সিসিইউতে নেওয়া হলো



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়া

  • Font increase
  • Font Decrease

শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যার কারণে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে আবারও কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৫৫ মিনিটে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে, গত ১৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে অবস্থার উন্নতি হলে ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে তাকে কেবিনে নেওয়া হয়।

৭৮ বছর বয়সী খালেদা জিয়া হার্টের সমস্যা, লিভারসিরোসিস ছাড়াও নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। বহু বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, দাঁত ও চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতা রয়েছে তার। কারাগার থেকে বেরোনোর পর চিকিৎসার জন্য কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন তিনি। গত বছরের জুনে খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃদযন্ত্রে তিনটি ব্লক ধরা পড়ে। এর একটিতে রিং পরানো হয়।

সর্বশেষ গত ৯ আগস্ট শারীরিক অসুস্থতার কারণে আবারও রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। এরপর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

;

শনিবার দেশে ফিরবেন ওবায়দুল কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে শনিবার সন্ধ্যায় দেশে ফিরবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে (বিজি ০৫৮৫) সন্ধ্যা ৬টায় তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে, গত ১৬ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে যান ওবায়দুল কাদের।

২০১৯ সালের ২ মার্চ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন কাদের। হৃদপিণ্ডের রক্তনালিতে ধরা পড়ে তিনটি ব্লক। পরে ৪ মার্চ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর বাইপাস সার্জারি হয়। এরপর থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে যান ওবায়দুল কাদের।

;

ঢাকার দুই প্রবেশমুখে বিএনপির সমাবেশ বিকেলে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় সরকারের এক দফা দাবিতে আজ শুক্রবার বিকেলে ঢাকার দুই প্রবেশমুখে সমাবেশ করবে বিএনপি।

শুক্রবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল তিনটায় উত্তরার আবদুল্লাহপুর পলওয়ে মার্কেট সংলগ্ন মাঠে ও অন্যটি যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সড়কে। উত্তরার সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধান অতিথি থাকবেন। যাত্রাবাড়ীর সমাবেশে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস প্রধান অতিথি ও আবদুল মঈন খান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এদিকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বাদ জুমা সারা দেশে জেলা, মহানগর, থানা-উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন ওয়ার্ড পর্যায়ে দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের কর্মসূচি পালন করবে দলটি।

সমমনা দল ও জোটের সমাবেশ

বিএনপির পাশাপাশি যুগপৎ আন্দোলনে শরিক সমমনা বিভিন্ন দল ও জোটও পৃথক সমাবেশ করবে। এর মধ্যে ১২ দলীয় জোট বিকেল চারটায় রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংক সংলগ্ন এলাকায়, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট বেলা তিনটায় পুরানা পল্টন আলরাজী কমপ্লেক্সের সামনে, একই সময়ে এলডিপি কারওয়ান বাজার এফডিসি-দলীয় কার্যালয়ের সামনে, গণ অধিকার পরিষদ (নুরুল হক) উত্তর বাড্ডা ওভার ব্রিজ–সংলগ্ন এলাকায় সমাবেশ শেষে রামপুরা অভিমুখে পদযাত্রা করবে এবং গণ অধিকার পরিষদ (রেজা কিবরিয়া) বিকেল ৪টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করবে।

১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ঘোষিত কর্মসূচিতে পরিবর্তন এনেছে বিএনপি। এর মধ্যে ৩ অক্টোবরের কুমিল্লা-চট্টগ্রাম বিভাগের রোডমার্চের তারিখ পরিবর্তন করে ৫ অক্টোবর করা হয়েছে। একই সঙ্গে খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার দাবিতে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকাসহ সব মহানগর ও জেলায় সমাবেশের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ পরিবর্তনের কথা জানান।

;

ক্ষমতায় আসার জন্য আন্দোলন করছি না: গয়েশ্বর রায়



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় আসার জন্য আন্দোলন করছি না। আমরা আন্দোলন করছি গণতন্ত্রের জন্য, ভোটাধিকারের জন্য। শেখ হাসিনার অধীনে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না, দেশের মানুষ হতে দেবে না। দেশে গণতন্ত্র নেই, মানুষ ভোট দিতে পারে না, দিনের ভোট রাতে হয়ে যায়, দেশের টাকা বিদেশে পাচার করা হচ্ছে। তাই মানুষ শেখ হাসিনাকে আর এক মুহুর্তও ক্ষমতায় দেখতে চায় না।

বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট নগরীর সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ভৈরব থেকে সিলেট অভিমূখে শুরু হওয়া তারণ্যের রোডমার্চের সর্বশেষ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, গোটা বিশ্ব অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছি যা শেখ হাসিনা বুঝতে পারছে না। এখন শক্ত কর্মসূচি দিতে হবে, আর তা হচ্ছে হরতাল। আমরা আওয়ামী লীগের মতো লগি বৈঠা দিয়ে মানুষ মারি নাই, লাশের উপর নৃত্য করি নাই। আমরা ৭১ সালে জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সাম্য ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য যুদ্ধ করেছিলাম। এখন গণতন্ত্রের জন্য, বাক স্বাধীনতার জন্য এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করে রেখেছে। তারা সাংবাদিক সাগর ও রুনী হত্যাকাণ্ডের বিচার করে নাই। 

বৃহষ্পতিবার সকালে ভৈরর শুরু হওয়া রোডমার্চ রাত পৌনে ৮টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে এসে পৌঁছে। 

সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সূচিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন।

সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খছরু মাহমুদ চৌধুরী।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন-বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী ও ড. এনামুল হক চৌধুরী, বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব হাবিবুন্নবী খান সোহেল ও খায়রুল কবির খোকন প্রমুখ।

 

;