পরিবহন ধর্মঘট আর নেই: কাদের

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ঢাকা
সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সভায় বক্তব্য দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘পরিবহন ধর্মঘট আর নেই। যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কোনো কারণ নাই। কথাবার্তা হয়ে গেছে। আইন প্রয়োগে অহেতুক বাড়াবাড়িও হবে না। আর বাড়াবাড়িটা না হলে সমস্যাও হবে না।’

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সভায় তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে যদি কোন কিছু অসঙ্গত হয় তাহলে বাস্তব পরিস্থিতির আলোকে আমরা বিধিমালা প্রণয়ন করছি। সেটা আমরা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখব। পরিস্থিতি এখন আর অস্বাভাবিক হওয়ার কোনো কারণ নেই। সব কিছুই আলাপ আলোচনার মধ্য দিয়ে সমাধান হয়েছে। কাভার্ডভ্যান অলরেডি চলাচল শুরু হয়ে গেছে।’

‘সরকার দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ’-বিএনপির এমন সমালোচনার জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, ‘নেতিবাচক রাজনীতির কারণে বিএনপি নাজুক অবস্থায় নিপতিত হয়েছে। নেতা-কর্মীদেরকে চাঙ্গা রাখার জন্য তাদের এখন অনেক মিথ্যাচার করতে হয়, সরকারবিরোধী কথাবার্তা বলতে হয়। বিএনপি বলার জন্যই বলছে, বিরোধীতার জন্যই বিরোধীতা করছে।’

তিনি বলেন, ‘যে নেত্রীর কথা বলে আজকে আমাদের উপদেশ দিচ্ছে তার সঙ্গে আলাপ করার জন্য, সে নেত্রীর জন্য তারা কী কোথাও রাজপথে উত্তাপ সঞ্চার করতে পেরেছে। একটা আন্দোলনও করতে পেরেছে। তাদেরতো কোথাও কোনো সাফল্য নাই। তারা আজকে বেপরোয়া চালকের মতো বেপরোয়া রাজনীতি করছে। বেপরোয়া রাজনীতি করে তারা দুর্ঘটনা ঘটাতে চাচ্ছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বলতে যা বোঝায় তার চর্চা আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোন দল করে এটা আমার জানা নেই। বড় দলগুলো তো করেই না। দুটি বড় দলেই দেখা যায় সেক্রেটারি সকালে আছে তো বিকেলে নাই। কোনো পদে যে কাউকে যেকোনো সময়েই তারা নিয়ে আসতে পারেন। এটা আমাদের দলে সম্ভব না।

আমাদের সভাপতির কাছে কিছু দায়িত্ব দেওয়া আছে। তিনি যেটা করেন সেটাও নির্বাহী কমিটিতে পাস করান। আমাদের যে নির্বাহী কমটি আছে, সেটা ছাড়া তিনি পাস করাতে পারেন না। গঠনতন্ত্রে যদি কোন পরিবর্তন আনতে চান সেটা কাউন্সিল ছাড়া সম্ভব না। আমাদের এখানে বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ইউনিয়ন ওয়ার্ডের নির্বাচনও একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়।’

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিলে সংস্কৃতি আয়োজন বেশি সময়ের জন্য করা হবে না বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সম্মেলনের চেয়ে দল মুজিববর্ষ আয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।

দলের সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান আতাউর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসীম কুমার উকিল, সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক আকবর হোসেন খাঁন পাঠান ফারুক, সাংস্কৃতিক উপ কমিটির সদস্য সাইফুল আজম বাশার, লিয়াকত আলী লাকী, আহকামুল্লাহ, আশরাফুল আলম খোকন, চিত্র নায়ক জায়েদ খান, অভিনেত্রী ও পরিচালক মেহের আফরোজ শাওন, অভিনেতা আজিজুল হাকিম, কণ্ঠশিল্পী  শুভ্রদেব, সুব্রত চন্দ, আশরাফ সিদ্দিকী বিটু, জিনাত হাকিম, আঞ্জাম মাসুদ, কবি আসলাম সানি, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, অভিনেত্রী মুনিরা ইউসুফ মেমী ছাড়াও নুরুল আলম পাঠান মিলন, জয়দেব নন্দী, আশিক রণো প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।