সাংসদ বুবলীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা টোয়েন্টিফোর.কম, নরসিংদী
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলী

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলী

  • Font increase
  • Font Decrease

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিএ পরীক্ষায় নরসিংদী সরকারী কলেজের কেন্দ্রে বিকল্প পরীক্ষার্থীর মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগে নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলীকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদর আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু (বীর প্রতীক) বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-কে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএ পরীক্ষায় নরসিংদীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলীর হয়ে এশা নামে এক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পরীক্ষা চলাকালীন নারী আসনের এমপি বুবলী ঢাকায় অবস্থান করেছিলেন। এ খবর দেশের গণমাধ্যমসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রচারিত হওয়ায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে তার সকল পরীক্ষাসহ ছাত্রত্ব বাতিল করে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সংসদ সদস্য হয়ে এমন জালিয়াতির ঘটনায় অংশ নেয়ায় দেশ, দল এবং সংসদের মান ক্ষুণ্ণ হওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কারের নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম হিরু (বীর প্রতীক)। বহিষ্কারের এ নীতিগত সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কাছে লিখিত আকারে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন, নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খান (দীলিপ), নরসিংদী-৩ আসনের সংসদ সদস্য জহিরুল হক ভূঁইয়া (মোহন), জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মতিন ভূঁইয়া, নরসিংদী পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান কামরুল ও মাধবদী পৌরসভার মেয়র মোশাররফ হোসেন প্রধান মানিকসহ আরো অনেকে।

মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করা হলে জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তামান্না নুসরাত বুবলী সাংবাদিকদের জানান, আজকে জেলা আওয়ামী লীগের কোন সভা হয়েছে কি না সেটা জানা নাই। কমিটির পদে থাকার পরও আমাকে সভার কোন চিঠি বা টেলিফোন দিয়া জানানো হয়নি। সভায় কী সিদ্ধান্ত হয়েছে সেটাও জানি না। আমি যতদূর জানি কাউকে বহিষ্কার করার আগে নোটিশ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়। আর সভাও নাকি জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে না হয়ে একটি উপজেলায় বসে করা হয়েছে বলে শুনেছি। এসব আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ বলেই মনে করছি।

আপনার মতামত লিখুন :