বোমা হামলা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি সিপিবির

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সিপিবির লোগো

সিপিবির লোগো

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম রাজধানীর পল্টন ময়দানে সিপিবির মহাসমাবেশে বোমা হামলা মামলার রায়ের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, সুদীর্ঘ ১৯ বছর পর হলেও, বিচার হওয়াটা সন্তোষের বিষয়। তবে বিচারের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই দাবি জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সিপিবির মহাসমাবেশে বোমা-হামলা বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো রাজনৈতিক দলের সমাবেশে প্রথম হামলা। এই জঘন্যতম বোমা হামলার বিচারের জন্য দেশবাসীকে সুদীর্ঘ ১৯ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় পর্যালোচনা করেই সিপিবি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবে।

বিবৃতিতে সিপিবির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সিপিবির মহাসমাবেশে বোমা-হামলা মামলার রায় যদি দ্রুত হতো, তাহলে পরবর্তী বোমা-হামলাগুলো নাও হতে পারত। আলোচিত এই বোমা-হামলার বিচারের জন্য শুধু দীর্ঘ সময় ক্ষেপনই করা হয়নি, উপরন্তু নানা অন্তর্ঘাতমূলক ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। শুধু দায়িত্বহীনতা, অবহেলাই নয়, সরকারের পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। জনমতকে বিভ্রান্ত করার জন্য নানা কল্পকাহিনী সাজানো হয়েছে। বোমা-হামলাকে সিপিবির অভ্যন্তরীণ কোন্দল বলে চালিয়ে দেওয়া, পার্টির আহত কমরেডকে বোমা বহনকারী সাজানোর অপচেষ্টাসহ সরকারের পক্ষ থেকে বিচারে নানাভাবে বাধা-বিঘ্ন ও বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। এক সময় চূড়ান্ত প্রতিবেদনের নামে মামলা শেষ করে দেওয়ারও চেষ্টা হয়েছিল। বিচারকে বাধাগ্রস্থ করার এসব প্রচেষ্টারও বিচার হওয়া প্রয়োজন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সিপিবির মহাসমাবেশে বোমা-হামলায় জড়িত হরকাতুল জিহাদের কিলিং স্কোয়াড চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু এই হামলার পেছনে বিভিন্ন শক্তির যোগসাজশ ছিল। শুধু আইনগতভাবে নয়, বোমা-হামলার পেছনের অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সামাজিক বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক শক্তির উপযুক্ত শিক্ষা গ্রহণ করা জরুরি কর্তব্য। এজন্য উচ্চ পর্যায়ের ট্রুথ কমিশন গঠন করতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বোমা-হামলায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা দুঃসহ জীবনযাপন করছেন। সিপিবি সাধ্যমতো সাহায্য-সহযোগিতা করছে। এসব পরিবারকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে।