দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে: গয়েশ্বর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল আয়োজিত আলোচনা সভা

জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল আয়োজিত আলোচনা সভা

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ধৈর্যের একটা সীমা থাকে। সেই ধৈর্যের সীমা আমার মনে হচ্ছে শেষ পর্যায়ে অর্থাৎ আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে আর পেছনে যাওয়ার জায়গা নেই। তাই আমাদের সতর্ক হতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে মুক্ত করার জন্য, দেশকে মুক্ত করার জন্য, সর্বোপরি দেশনেত্রী ও গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য যেখান থেকেই ডাক আসুক আমাদের চলে যাওয়া দরকার। আমার মনে হয় মানুষ সেই জন্য অপেক্ষা করছে এবং সেই ডাকে মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেবে।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয়তাবাদী তাঁতীদল আয়োজিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আজকের বাস্তবতা ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি কোন পথে?’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

যে চিকিৎসা পাবোনা, যে চিকিৎসায় আমার ক্ষতি হতে পারে এবং সেই ক্ষতি পূরণ হওয়ার ব্যবস্থা যেখানে নেই সেখানে চিকিৎসার জন্য আমি সম্মতি দিব কেন প্রশ্ন রেখে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আজকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা জরুরি। সেই চিকিৎসার জন্য দেশে বিদেশে যেখানেই হোক মুক্ত অবস্থায় দিতে হবে। সুতারাং আজকে আদালত ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় যদি সমভাবে এক বিশ্বাসে একমতে চলে সেখানে সাধারণ মানুষের বিচার পাওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। তিনি বলেন, এসব কথা বললে আদালত অবমাননার মামলা হবে। যেখানে জীবন বাঁচে না সেখানে মামলার ভয় করে লাভ কি?

তিনি বলেন, আজকে ভারতবর্ষে গণতন্ত্র থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ উধাও। আর ভারতে যদি গণতন্ত্র না থাকে বাংলাদেশে গণতন্ত্র থাকার প্রশ্নই আসে না। কারণ এদেশের বর্তমান শাসকরা তাদের সহযোগিতায় টিকে আছেন এবং প্রতিবেশীদের ভালোবাসায় এতটা স্নিগ্ধ সেই স্নিগ্ধ ভালোবাসার কাছে আজকে বাংলাদেশের সকল জনগণের অধিকার ভূলণ্ঠিত।

তাঁতীদলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হাজী মজিবুর রহমানের সঞ্চলনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, ঐক্যফ্রন্টের দফতর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, কৃষকদল আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মিয়া মোঃ আনোয়ার, কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।