ফাইনালে মাহমুদউল্লাহ'র মূলমন্ত্র- ভালো ক্রিকেট



স্পোর্টস এডিটর, বার্তা২৪.কম
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিশোধ!

ফাইনালের আগে নিশ্চয়ই এই শব্দটাই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে। ফাইনালের আগে বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে দু’পর্বেই নাজমুল হোসেন শান্ত’র একাদশের কাছে হেরেছে মাহমুদউল্লাহ একাদশ। রোববার, ২৫ অক্টোবরের ফাইনালে সেই হারের বদলা নিতে পারলে এক সঙ্গে দুই মিশন সম্পন্ন; আগের দুই হারের প্রতিশোধ নেওয়া হবে, সেই সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে উল্লাস। তবে পেছনের পুরো টুর্নামেন্টে নাজমুল হোসেন একাদশ যে মানের ক্রিকেট খেলেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই রোববারের দিনরাতের ফাইনালে তারাই ফেভারিট!

নাজমুল একাদশের বিরুদ্ধে আগের দুই ম্যাচে তার দল যে ভুল করেছিল ফাইনালে সেই ভুলের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তিনি জানাচ্ছিলেন- ‘অনেক দিন পরে আমরা একটা টুর্নামেন্টে খেলছি। আর সেই টুর্নামেন্টে আমার দল ফাইনাল খেলছে-এটা তো অবশ্যই আনন্দের বিষয়। এখন একটাই আশা যেন ফাইনাল ম্যাচে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারি।’

-ভালো ক্রিকেট?

ফাইনাল জেতার জন্য সেটাই মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মূলমন্ত্র।

করোনার এই কঠিন সময়টায় বিসিবি এমন টুর্নামেন্টের আয়োজন করায় কৃতজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ। এই টুর্নামেন্টের গুরুত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলছিলেন- ‘এটা প্রস্তুতিমূলক একটা টুর্নামেন্ট। তবে এই টুর্নামেন্টকে সব খেলোয়াড়ই খুব সিরিয়াসলি নিয়েছে। সবাই ভালো পারফরমেন্স দেখানোর চেষ্টা করেছে। সবার মধ্যেই এই প্রতিযোগিতায় লড়াই প্রর্দশনের মনোভাব ছিল। দল হিসেবেও যাতে ভালো করা যায়- সেই ইচ্ছেও ছিল। সেই দৃষ্টিকোন থেকে বলা যায় তিন দলের এই প্রতিযোগিতা এবং টুর্নামেন্টের উদ্দেশ্যটা বেশ সফলই হয়েছে।’

করোনার কারণে এখন পুরো বিশ্বের যে পরিস্থিতি, তাতে সামনের সময়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটও হয়তো বাংলাদেশকে বায়ো বাবল এর ঘেরাটোপেই খেলতে হবে। বিসিবি প্রেসিডেন্টস কাপের সাত ম্যাচের এই টুর্নামেন্টে ক্রিকেট লড়াইয়ের পাশাপাশি বায়ো সিকিউর বাবলে থাকা এবং খেলার একটা ভাল অভিজ্ঞতাও হয়ে গেল বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। মাহমুদউল্লাহও তাই জানালেন- ‘বায়ো বাবলের বিষয়টায় একটা অভিজ্ঞতা হলো আমাদের। এমন পরিস্থিতিতে কখন কিভাবে কাটাতে হবে- সেটা সবার জানা হয়ে গেল।’

বিসিবির এই টুর্নামেন্টে কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারের পাশাপাশি তরুণ খেলোয়াড়রা নিজেদের মেলে ধরেছেন। সেই প্রসঙ্গে মাহমুউল্লাহ বলছিলেন- ‘তরুণ খেলোয়াড়দের মধ্যে আমার দলের জয় শেষ ম্যাচে খুব ভালো পারফরমেন্স করেছে। তাছাড়া অন্য দলের তৌহিদ হৃদয়, আফিফ হোসেন ধ্রুব ভালো খেলেছে। তাছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় এই টুর্নামেন্ট কাজে লাগিয়েছে।’