গোল করেই ম্যারাডোনাকে মেসির শ্রদ্ধাঞ্জলি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ম্যারাডোনার নিওয়েলস ওল্ড জার্সি গায়ে মেসি

ম্যারাডোনার নিওয়েলস ওল্ড জার্সি গায়ে মেসি

  • Font increase
  • Font Decrease

অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হারের ক্ষতটা বেশ ভালোভাবেই শুকিয়ে নিয়েছে বার্সেলোনা। স্প্যানিশ লিগে ফিরেছে জয়ের ধারায়। নিজেদের মাঠে প্রতিপক্ষ ওসাসুনাকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে কোচ রোনাল্ড কোম্যানের দল।

ন্যু ক্যাম্পের এই দুরন্ত জয়ের ম্যাচে ফুটবল অনুরাগীদের দৃষ্টি কেড়েছেন লিওনেল মেসি। তবে সেটা প্রিয় ক্লাবকে গোল উপহার দিয়ে নয়। রোববার রাতে মাঠের লড়াইয়ে গোল করে প্রয়াত ফুটবল মহানায়ক ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন আর্জেন্টাইন এ ফুটবল যাদুকর। সেটাই যেন ছিল ম্যাচের মূল আকর্ষণ।

৩৩ বছরের সুপারস্টার মেসি ম্যাচের চতুর্থ গোল করেই আর দেরি করেননি। গায়ে থেকে বার্সার জার্সি খুলে ফেলেন। বার্সার জার্সির নিচেই পরে ছিলেন নিওয়েলস ওল্ড বয়েজ ক্লাবের জার্সি। আর্জেন্টাইন ফুটবল ঈশ্বর ম্যারাডোনার সাবেক ক্লাবের সেই জার্সি গায়েই ফুটবল কিংবদন্তিকে স্মরণ করেন মেসি।

মেসির গায়ে তখন নিজের জন্মশহরের ক্লাব নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের ১০ নম্বর লাল-কালো রেপ্লিকা জার্সি। ১৯৯৩ সালে রোজারিও’র ক্লাবটিতে এই জার্সিতে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য দাপিয়ে বেড়িয়েছেন ম্যারাডোনা।

ন্যু ক্যাম্পের জায়ান্ট স্ক্রিনে শোভিত ম্যারাডোনার ছবির দিকে তাকিয়ে আর্জেন্টাইন গোল মেশিন মেসি দুই হাত ওপরে তুলে সম্মান জানান সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে।

বার্সেলোনায় যোগ দানের আগে শৈশবে আর্জেন্টাইন ক্লাব নিওয়েলস ওল্ড বয়েজের হয়ে খেলেছেন মেসি। অন্য দিকে বর্ণিল ফুটবল ক্যারিয়ারে ম্যারাডোনা গায়ে তুলে ছিলেন বার্সার জার্সি।

ম্যাচ শুরুর আগে ম্যারাডোনাকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনাও। যে ক্লাবে ম্যারাডোনা খেলেছেন ১৯৮২-১৯৮৪ সাল পর্যন্ত। কাতালান ক্লাবটির প্রেসিডেন্সিয়াল বক্সের ওপরে টাঙানো ছিল অটোগ্রাফ সম্বলিত ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ী ম্যারাডোনার একটি জার্সি। খেলোয়াড়রা এক মিনিট নীরবতা পালন করেন বার্সার পুরনো একটি ১০ নম্বর জার্সির সামনে।

হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৬০ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল গ্রেট ডিয়েগো ম্যারাডোনা।

মেসির আগে কাতালানদের হয়ে গোল করেন মার্টিন ব্রাথওয়েট, অ্যান্তোনিও গ্রিজম্যান ও ফিলিপ্পে কুতিনহো। লা লিগায় গত ছয় ম্যাচে মাত্র এক জয়ের সুখস্মৃতি নিয়ে ঘরের মাঠে ফুটবল লড়াইয়ে নেমেছিলেন কোচ কোম্যানের শিষ্যরা।