দেরিতে কিন্তু সহজেই জিতল ঢাকা



স্পোর্টস এডিটর, বার্তা২৪.কম
ইয়াসির আলী: অপরাজিত ৪৪

ইয়াসির আলী: অপরাজিত ৪৪

  • Font increase
  • Font Decrease

১০৯ রানের মামুলি টার্গেট স্পর্শ করতে বেক্সিমকো ঢাকাকে ১৯ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে হলো কেন?

এই প্রশ্নের সহজ উত্তর হলো, স্পিন বান্ধব উইকেটে রান তাড়ায় ঢাকার অধিনায়ক মুশফিক কোন ঝুঁকি নিতেই চাননি, তাই এই সাবধানতা। সতর্ক সেই ভঙ্গিতে ব্যাট করে ঢাকা ম্যাচ জিতলো ৭ উইকেটে। মুশফিক করলেন ৩৪ বলে অপরাজিত ২৩ রান। আর মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান ইয়াসির আলী ৩০ বলে হার না মানা ৪৪ রান করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখলেন।

ম্যাচ শেষে বরিশাল ফরচুনের অধিনায়ক তামিম ইকবাল তার হতাশা গোপনের কোন চেষ্টা করলেন না-‘ পুরো দলের ব্যাটিংয়ে আমি সত্যিই হতাশ। এই ম্যাচের সবকিছুই আমরা খুঁইয়ে আসি ব্যাটিংয়ে। শুরুটা আমাদের ভালই হয়েছিল। কিন্তু মাঝে একনাগাড়ে উইকেট পতনটাই আমাদের সর্বনাশ করে ছাড়ে। এমন নয় যে ঢাকার বোলাররা খুব ভাল বোলিং করছিল। আসলে আমরাই চরম বাজে ব্যাটিং করেছি।’

১০৮ রানের সঞ্চয় নিয়ে টি- টোয়েন্টিতে ম্যাচ জেতার সাহস যোগানো যায় না। তারপরও বরিশালের বোলাররা মামুলি পুঁজিতেই বল হাতে লড়াই জমিয়ে তোলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তামিম বোলারদের প্রশংসা করতেও ভুললেন না-‘ এত কম রান নিয়েও বোলাররা কিন্তু ঠিকই লড়েছে। তবে এই রান নিয়ে ম্যাচ জেতা যায় না।’

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ব্যাট করতে নামা ঢাকা অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম ১৯ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করার সুযোগ পেয়েও করলেন মাত্র অপরাজিত ২৩ রান! তাও মাত্র ১ বাউন্ডারিতে। পুরো ইনিংসে কখনোই মুশফিক হাত খুলে খেলার চেষ্টা করেননি। একপাশ আঁকড়ে রেখে শুধু খেলে গেছেন।

মুশফিকের এই ধাঁচের ব্যাটিং প্রসঙ্গে তামিম ইকবাল বলছিলেন-‘ কম টার্গেট দেখে মুশফিক এমন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমি নিশ্চিত স্কোর যদি ১৫০ এর মতো হতো, তাহলে মুশফিক এমন স্টাইলের ব্যাটিং করতো না। দলের জয় নিশ্চিত করতেই মুশফিক নিজের ব্যাটিং বদলে ফেলেছিল।’

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ফরচুন বরিশাল: ১০৮/৮ (২০ ওভারে, তামিম ৩১, তৌহিদ হৃদয় ৩৪, রবিউল ইসলাম ৪/২০, শফিউল ১০/২, নাঈম ১/৮)।

বেক্সিমকো ঢাকা: ১০৯/৩ (১৮.৫ ওভারে, মুশফিক ২৩*, তানজিদ ২২, ইয়াসির ৪৪*, মিরাজ ১/১৩)।

ফল: বেক্সিমকো ঢাকা ৭ উইকেটে জয়ী।

ম্যাচ সেরা: রবিউল ইসলাম রবি।