হার থেকে ৯৩ রান দূরে টাইগাররা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
আবিদ আলী

আবিদ আলী

  • Font increase
  • Font Decrease

দুরন্ত বোলিংয়ের পর দ্বিতীয় ইনিংসে দুরন্ত ব্যাটিং করছে পাকিস্তান। বাংলাদেশকে ১৫৭ রানে গুটিয়ে দিয়ে উদ্বোধনে নেমে আবিদ আলী ও আব্দুল্লাহ শফিক জোড়া ফিফটিতে গড়েন শতরানের জুটি। চতুর্থ দিন শেষে ৩৩ ওভারে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ১০৯ রান। এবং সেটা কোনো উইকেট না হারিয়েই। পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ৯৩ রান। আর টাইগারদের প্রয়োজন ১০ উইকেট।

চট্টগ্রাম টেস্টে ১০৫ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৫৬* রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে ক্রিজে টিকে আছেন আবিদ। ৯৩ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৫৩* রানে অপরাজিত থেকে তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন আব্দুল্লাহ শফিক।

প্রথম ইনিংসে হাঁকিয়ে ছিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি। এবার দ্বিতীয় ইনিংসে লিটন দাস পেলেন হাফ-সেঞ্চুরি। ৮৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৫৯ রানের দাপুটে এক ইনিংস তরকা এ ব্যাটসম্যান। কিন্তু তারপরও ৫৬.২ ওভারে মাত্র ১৫৭ রানে গুটিয়ে গেছে টাইগারদের দ্বিতীয় ইনিংস। শাহীন শাহ আফ্রিদি, সাজিদ খান ও হাসান আলীর বোলিং তোপ সামলে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ২০১ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ।

৩৬ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হন ইয়াসির আলী। সঙ্গে নুরুল হাসানের ব্যাট থেকে আসে ১৫ ও মেহেদী হাসান মিরাজ দলীয় স্কোরে যোগ করেন ১১ রান।

ব্যাট হাতে দারুণ লড়াই করে যাচ্ছিলেন ইয়াসির আলী। তৃতীয় দিনের শেষ দিকে মুশফিককে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছিলেন। চতুর্থ দিন সকালে মুশফিক ফিরলেও ব্যাটিং দৃঢ়তা দেখিয়ে চলেছিলেন। এগিয়ে যাচ্ছিলেন ফিফটির দিকে।

কিন্তু দুর্ভাগ্য। অর্ধ-শতকের জন্য অপেক্ষাটা তার বেড়ে গেল। মাথায় বলের আঘাত নিয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরলেন ড্রেসিং রুমে। ফেরার আগে দলীয় স্কোরে ৭২ বলে ৬ বাউন্ডারিতে যোগ করেন ৩৬ রান।

শর্ট বলে খানিকটা দুর্বলতা রয়েছে ইয়াসির আলীর। শাহীন শাহ আফ্রিদি সুযোগ কাজে লাগান ৩০তম ওভারে। পাকিস্তানের এ পেসারের ছোঁড়া শর্ট বল ছেড়ে দিলেও তা আঘাত করে ইয়াসিরের হেলমেটে।

সঙ্গে মেডিকেল টিম নেমে পড়েন মাঠে। তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ইয়াসির। তবে নোমান আলীর পরের ওভার শেষে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পরে স্ক্যানের জন্য তাকে নেয়া হয় হাসপাতালে। ইয়াসিরের বদলে মাঠে নামেন নুরুল হাসান সোহান।

ইয়াসির আলী প্যাভিলিয়নে ফেরার পর আউট হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১১ রান করে সাজিদ খানের এলবিডব্লিউ’র শিকার হন এ তারকা অলরাউন্ডার। শাহীন শাহ আফ্রিদি পাঁচটি ও হাসান আলী শিকার করেছেন ২টি উইকেট। তিনটি উইকেট নেন সাজিদ খান।

চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিনের শুরুতেই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন-আপে আঘাত করেন হাসান আলী। ফিরিয়ে দেন আগের দিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিমকে। হাসান আলীর বল ছেড়ে দিয়ে পরাস্ত হওয়ার আগে দলীয় স্কোরে মুশফিক যোগ করেন মাত্র ১৬ রান।

তার আগে ১৯ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। মুশফিক ১২ ও ইয়াসির আলী ৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠে নামেন।

লিটন দাসের সেঞ্চুরি আর মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে প্রথম ইনিংসে ৩৩০ রানের পুঁজি গড়েছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তাইজুলের স্পিন ভেলকিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১১৫.৪ ওভারে ২৮৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। এতেই প্রথম ইনিংস থেকে ৪৪ রানের লিড পেয়েছে টাইগাররা।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জুনিয়র টাইগাররা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জুনিয়র টাইগাররা

জুনিয়র টাইগাররা

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ায় অজানা এক আশঙ্কাই জেগেছিল। তবে গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে কানাডাকে উড়িয়ে দিয়ে স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখেছিল জুনিয়র টাইগাররা। এবার গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে বৃষ্টি আইনে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৯ উইকেটে গুঁড়িয়ে দিয়ে দেশের যুবারা পূর্ণতা দিল সেই স্বপ্নকে। বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের ছেলেরা পৌঁছে গেল অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সুপার লিগ কোয়ার্টার ফাইনালে। 

টুর্নামেন্টের সুপার লিগ সেমি-ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে ক্যাপ্টেন রাকিবুল হাসানের দল খেলবে ভারতের বিপক্ষে। দুই প্রতিবেশীর লড়াই হবে ২৯ জানুয়ারি। 

বৃষ্টির কারণে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের লক্ষ্য দাঁড়িয়ে ছিল ৩৫ ওভারে ১০৭ রান। ওপেনার মাহফিজুল ইসলামের ফিফটিতে লক্ষ্য টপকে ২৪.৫ ওভারে মাত্র এক উইকেট হারিয়ে ১১০ রান তুলে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় দেশের ক্রিকেটাররা। দাপুটে এই জয়টা এসেছে ৬১ বল হাতে রেখেই।

মাহফিজুল ইসলাম ও ইফতেখার হোসেন উদ্বোধনী জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে দেন। দুজনে মিলে সংগ্রহ করে ফেলেন ৮৬ রান। ৩৭ রান করে ইফতেখার ফিরলেও ৬৯ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় ৬৪* রানের হার না মানা দুরন্ত ইনিংস খেলেন মাহফিজুল। দলকে জয় উপহার দিয়ে তবেই মাঠ ছাড়েন। 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের হয়ে বাংলাদেশের একমাত্র উইকেটটি নেন জাশ গিয়ানানি। সাজঘরে ফিরিয়ে দেন তিনি ওপেনার ইফতেখারকে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৮.১ ওভারে ১৪৮ রানের পুঁজি গড়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত। ব্যাট হাতে দাপট দেখান পুনিয়া মেহরা। খেলেন ৪৩ রানের দুরন্ত এক ইনিংস। ধ্রুব পরাশরের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। ক্যাপ্টেন আলিশান শারাফু এনে দেন ২৩ রান।

বাংলাদেশের হয়ে তিন উইকেট শিকার করেন রিপন মন্ডল। দুটি করে উইকেট নেন আশিকুর জামান ও তানজিম হাসান সাকিব। তার আগে সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় জুনিয়র টাইগাররা।

;

দেশের হয়ে টি-টোয়েন্টিতে খেলতে চায় না তামিম: পাপন



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
তামিম ইকবাল

তামিম ইকবাল

  • Font increase
  • Font Decrease

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে লাল-সবুজের জার্সি গায়ে আর খেলতে চান না তামিম ইকবাল। এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে ফেরার জন্য জোর না করতেও বোর্ড প্রধানের কাছে অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশের সেরা এ ওপেনার।

তামিমের সঙ্গে কথোপকথন নিয়ে বিসিবি'র বোর্ড সভাপতি বলেন, 'ওর সাথে আমি কথা বলেছি। বলতে গেলে... ওকে বলেছিলামও, তুমি আবার টি-টোয়েন্টিতে ফিরে আসো। এটা ছাড়বে কেন? তুমি আমাদের সেরা ওপেনার। অবশ্যই তোমার থাকা উচিত।'

পাপন একটু জোর দিয়ে বললেই টি-টোয়েন্টিতে ফিরবেন তামিম। তেমন আভাস দিয়েছেন দেশের অন্যতম সেরা এ ক্রিকেটার। তবে এমনটা হোক চান না তামিম। আর কখনো টাইগার টিমের হয়ে খেলতে চান না সাদা বলের ক্রিকেটের ছোট্ট সংস্করণে, "টেলিফোনে কথা হয়েছিল। ও আমাকে একটা কথা বলেছে, ‘আপনি আমাকে জোর করবেন না। আপনি বললে তো আমাকে আসতেই হবে। কিন্তু আমি আসলে এই ফরম্যাটে খেলতে চাই না'।" 

টি-টোয়েন্টিতে খেলতে তামিমকে আর জোর করতে চান না বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রধান কর্তা, 'এটা বলার পর আমার মনে হয়েছে, ওকে আর কিছু বলা উচিত না। কেউ যদি খেলতেই না চায়, তাকে জোর করে একটা ফরম্যাটে খেলানো ঠিক না।' 

;

টাইগার যুবাদের জয়ের লক্ষ্য ১৪৯



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জুনিয়র টাইগাররা

জুনিয়র টাইগাররা

  • Font increase
  • Font Decrease

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৮.১ ওভারে ১৪৮ রানের পুঁজি গড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছেন পুনিয়া মেহরা। খেলেন ৪৩ রানের দুরন্ত এক ইনিংস। ধ্রুব পরাশরের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। ক্যাপ্টেন আলিশান শারাফু এনে দেন ২৩ রান।

বাংলাদেশের হয়ে তিন উইকেট শিকার করেন রিপন মন্ডল। দুটি করে উইকেট নেন আশিকুর জামান ও তানজিম হাসান সাকিব।

তার আগে সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় জুনিয়র টাইগাররা।

;

মিরাজের প্রথম জয়, রিয়াদের টানা দ্বিতীয় হার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ

৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্যটা ছিল প্রথম জয় ছিনিয়ে নেওয়ার। স্বপ্নটা সত্যি হওয়ার আভাসও মিলেছিল। তামিম ইকবাল হাঁকালেন দারুণ এক ফিফটি। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানটা লিখলেন ব্যর্থতার গল্প। ফলে ফল যা হওয়ার তাই হলো। ম্যাচসেরা নাসুম আহমেদের কিপ্টেমি বোলিংয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ৩০ রানে হার মানল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচে ধরাশায়ী হলো ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। আর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের দল পেল প্রথম জয়।

এবারের বিপিএলে এই প্রথম পরে ব্যাটিং করা দল হারের তেতো স্বাদ হজম করল। এর আগে টস জিতে বোলিং বেছে নেয়া তিন দলই জয়ের দেখা পেয়েছে। দ্বিতীয় দিনে এসে পেল না শুধু ঢাকা।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে টানা দুই ম্যাচে অর্ধ-শতকের দেখা পেলেন তামিম। দেশসেরা এ ওপেনার ৪৫ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় পেলেন ৫২ রানের দারুণ এক ক্রিকেটীয় ইনিংস। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ঢাকা ১৯.৫ ওভারেই গুটিয়ে ১৩১ রানে।

শেষ দিকে ইসুরু উদানা (১৬) ও শুভাগত হোম (১৩) চেষ্টা করেও দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। আর আন্দ্রে রাসেল তো হতাশ করেন ১২ রান নিয়ে সাজঘরে ফিরে। চট্টগ্রামের জার্সি গায়ে কিপ্টেমি বোলিংয়ে ৯ রানে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। শরিফুল ইসলাম ৩৪ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট।

একটি অলিখিত নিয়ম যেন হয়ে যাচ্ছে এবারের বিপিএলে। দিনের প্রথম ম্যাচে রান হবে না। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ছুটবে রানের ফোয়ারা। আসরের আজ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স গুটিয়ে গেল ৯৬ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই ব্যাটিংয়ের চিত্রনাট্যটা পাল্টে যায়। জয়ের জন্য মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার সামনে ১৬২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুরন্ত ব্যাটিং করলেন উইল জ্যাক। তবে ৯ রানের জন্য অর্ধ-শতক মিস করেন এ ইংলিশ ওপেনার। ২৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন ৪১ রানের দারুণ এক ইনিংস।

শেষ দিকে ৩৭ রান যোগ করেন বেনি হাওয়েল। সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ এনে যথাক্রমে ২৯ ও ২৫ রান। এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গড়ে ১৬১ রানের লড়াকু স্কোর। ঢাকার জার্সি গায়ে একাই তিন উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। একটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, শুভাগত হোম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

;