টেস্টের নেতৃত্বও ছাড়লেন কোহলি



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিরাট কোহলি

বিরাট কোহলি

  • Font increase
  • Font Decrease

টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেটের নেতৃত্ব আগেই ছেড়ে দিয়েছেন। তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এবার টেস্টের নেতৃত্বও ছাড়লেন বিরাট কোহলি। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হারের পরেরই দিনই লাল-বলের অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা এ ব্যাটসম্যান।

ভারতের সর্বকালের সেরা টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে নেতৃত্ব থেকে পদত্যাগ করলেন কোহলি। তার সুনিপুণ নেতৃত্বে ৬৮টি টেস্ট খেলে ৪০টিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ভারতীয়রা। তার নেতৃত্বে দেশটির জয়ের হার ৫৮.৮২ শতাংশ। দশের অধিক টেস্টে নেতৃত্ব দেয়া ভারতের যে কোনো অধিনায়কের চেয়ে এটা সেরা সাফল্য। মহেন্দ্র সিং ধোনি, সৌরভ গাঙ্গুলি ও মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন যথাক্রমে ৬০, ৪৯ ও ৪৭ টেস্টে।

টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের অসাধারণ এক অভিযাত্রার সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন কোহলি। যেখানে দেশটির অনেক কিছুর প্রথমের শুরু। তার অধীনেই টেস্টে ভারত হয়ে উঠে অপ্রতিরোধ্য। বিদেশের মাটিতে জিততে শুরু করে তারা। পাঁচ বছর ভারত বছর শেষ করেছে র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থেকে। কোহলি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ফাইনালেও পৌঁছে দেন প্রিয় মাতৃভূমিকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে ক্রিকেটের বনেদি সংস্করণে ভারতকে আর নেতৃত্ব না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কোহলি। এক দীর্ঘ টুইট বার্তায় টেস্ট নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর খবর জানিয়ে দিতে সদ্য বিদায়ী এ অধিনায়ক লিখেছেন, ‘সাত বছরের কঠোর পরিশ্রম, দলকে সঠিক পথে চালাতে নিরলস প্রচেষ্টা। আমি এই কাজটা অত্যন্ত সততার সঙ্গে ও কোনো কিছুই বাকি না রেখে করেছি। সবকিছুরই শেষ আছে। ভারতের টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে আমার জন্য সেই সময়টা এখনই।’

নেতৃত্ব ছাড়ার কারণ কি? কোহলি ব্যাখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, দলপতি হিসেবে নিজেকে নিগড়ে দিয়েছেন সব সময়। শতভাগের চেয়েও বেশি দেয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সেটা এখন আর পারছেন না, ‘এখানে অনেক উত্থান-পতন ছিল। কিন্তু কখনওই এখানে প্রচেষ্টা বা বিশ্বাসের কমতি ছিল না। আমি সবসময়ই যা কিছুই করেছি নিজের ১২০ শতাংশ দিয়ে চেষ্টা করেছি। তবে এখন আমার মনে হয়েছে সেটা আমি পারছি না। দলের প্রতি আমি এমন অসৎ হতে পারি না।’

সতীর্থ ও বিসিসিআই’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কোহলি লিখেন, ‘আমি বিসিসিআই’কে ধন্যবাদ দিতে চাই লম্বা সময় ধরে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ করে দেয়ায়। তার চেয়েও গুরুত্বপপূর্ণ আমার সতীর্থরা, যারা প্রথম দিন থেকে আমার স্বপ্নের অংশ আর কোনো পরিস্থিতিতেই ভেঙে পড়েনি। তোমরা আমার যাত্রাকে অনেক বেশি সুন্দর করেছো।’

টাইগার যুবাদের জয়ের লক্ষ্য ১৪৯



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
জুনিয়র টাইগাররা

জুনিয়র টাইগাররা

  • Font increase
  • Font Decrease

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৪৮.১ ওভারে ১৪৮ রানের পুঁজি গড়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছেন পুনিয়া মেহরা। খেলেন ৪৩ রানের দুরন্ত এক ইনিংস। ধ্রুব পরাশরের ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান। ক্যাপ্টেন আলিশান শারাফু এনে দেন ২৩ রান।

বাংলাদেশের হয়ে তিন উইকেট শিকার করেন রিপন মন্ডল। দুটি করে উইকেট নেন আশিকুর জামান ও তানজিম হাসান সাকিব।

তার আগে সেন্ট কিটসের ওয়ার্নার পার্কে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেয় জুনিয়র টাইগাররা।

;

মিরাজের প্রথম জয়, রিয়াদের টানা দ্বিতীয় হার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ

৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ

  • Font increase
  • Font Decrease

লক্ষ্যটা ছিল প্রথম জয় ছিনিয়ে নেওয়ার। স্বপ্নটা সত্যি হওয়ার আভাসও মিলেছিল। তামিম ইকবাল হাঁকালেন দারুণ এক ফিফটি। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানটা লিখলেন ব্যর্থতার গল্প। ফলে ফল যা হওয়ার তাই হলো। ম্যাচসেরা নাসুম আহমেদের কিপ্টেমি বোলিংয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে ৩০ রানে হার মানল মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। এনিয়ে টানা দুই ম্যাচে ধরাশায়ী হলো ক্যাপ্টেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল। আর অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের দল পেল প্রথম জয়।

এবারের বিপিএলে এই প্রথম পরে ব্যাটিং করা দল হারের তেতো স্বাদ হজম করল। এর আগে টস জিতে বোলিং বেছে নেয়া তিন দলই জয়ের দেখা পেয়েছে। দ্বিতীয় দিনে এসে পেল না শুধু ঢাকা।

দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে টানা দুই ম্যাচে অর্ধ-শতকের দেখা পেলেন তামিম। দেশসেরা এ ওপেনার ৪৫ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় পেলেন ৫২ রানের দারুণ এক ক্রিকেটীয় ইনিংস। কিন্তু বাকি ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় ঢাকা ১৯.৫ ওভারেই গুটিয়ে ১৩১ রানে।

শেষ দিকে ইসুরু উদানা (১৬) ও শুভাগত হোম (১৩) চেষ্টা করেও দলকে লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। আর আন্দ্রে রাসেল তো হতাশ করেন ১২ রান নিয়ে সাজঘরে ফিরে। চট্টগ্রামের জার্সি গায়ে কিপ্টেমি বোলিংয়ে ৯ রানে ৩ উইকেট নেন নাসুম আহমেদ। শরিফুল ইসলাম ৩৪ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট।

একটি অলিখিত নিয়ম যেন হয়ে যাচ্ছে এবারের বিপিএলে। দিনের প্রথম ম্যাচে রান হবে না। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ছুটবে রানের ফোয়ারা। আসরের আজ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স গুটিয়ে গেল ৯৬ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই ব্যাটিংয়ের চিত্রনাট্যটা পাল্টে যায়। জয়ের জন্য মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার সামনে ১৬২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুরন্ত ব্যাটিং করলেন উইল জ্যাক। তবে ৯ রানের জন্য অর্ধ-শতক মিস করেন এ ইংলিশ ওপেনার। ২৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন ৪১ রানের দারুণ এক ইনিংস।

শেষ দিকে ৩৭ রান যোগ করেন বেনি হাওয়েল। সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ এনে যথাক্রমে ২৯ ও ২৫ রান। এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গড়ে ১৬১ রানের লড়াকু স্কোর। ঢাকার জার্সি গায়ে একাই তিন উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। একটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, শুভাগত হোম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

;

জয়ের জন্য ঢাকার দরকার ১৬২



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উইল জ্যাকস

উইল জ্যাকস

  • Font increase
  • Font Decrease

একটি অলিখিত নিয়ম যেন হয়ে যাচ্ছে এবারের বিপিএলে। দিনের প্রথম ম্যাচে রান হবে না। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ছুটবে রানের ফোয়ারা। আসরের আজ দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্স গুটিয়ে গেল ৯৬ রানে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে এসেই ব্যাটিংয়ের চিত্রনাট্যটা পাল্টে গেল। জয়ের জন্য মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকার সামনে ১৬২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর ছুঁড়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুরন্ত ব্যাটিং করলেন উইল জ্যাক। তবে ৯ রানের জন্য অর্ধ-শতক মিস করেন এ ইংলিশ ওপেনার। ২৪ বলে ৬ বাউন্ডারি ও ২ ছক্কায় খেলেন ৪১ রানের দারুণ এক ইনিংস।

শেষ দিকে ৩৭ রান যোগ করেন বেনি হাওয়েল। সাব্বির রহমান ও মেহেদী হাসান মিরাজ এনে যথাক্রমে ২৯ ও ২৫ রান। এতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স গড়ে ১৬১ রানের লড়াকু স্কোর।

ঢাকার জার্সি গায়ে একাই তিন উইকেট শিকার করেন রুবেল হোসেন। একটি করে উইকেট নেন আরাফাত সানি, ইসুরু উদানা, শুভাগত হোম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

;

টস হেরে ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রাম, বোলিংয়ে ঢাকা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স-মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে টস জিতে বোলিং বেছে নিয়েছে মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা। টস হেরে শুরুতে ব্যাট হাতে মাঠে নেমেছে ক্যাপ্টেন মেহেদী হাসান মিরাজের দল।

মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম জয়ের দেখা পেতে ঢাকা ও চট্টগ্রামে নেমেছে অপরিবর্তিত দল নিয়ে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে কেননা দুদলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে হার মেনেছে। প্রথম দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকা পরাজিত হয়েছে খুলনা টাইগার্সের কাছে। আর প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম ধরাশায়ী হয়েছে ফরচুন বরিশালের কাছে।

মিনিস্টার গ্রুপ ঢাকা একাদশ: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (ক্যাপ্টেন), তামিম ইকবাল, নাঈম শেখ, জহুরুল ইসলাম, শুভাগত হোম চৌধুরী, আরাফাত সানি, রুবেল হোসেন, এবাদত হোসেন চৌধুরী, ইসুরু উদানা, মোহাম্মদ শাহজাদ ও আন্দ্রে রাসেল।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স একাদশকেনার লুইস, শামীম হোসেন, সাব্বির রহমান, আফিফ হোসেন, বেনি হাওয়েল, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নাঈম ইসলাম, উইল জ্যাকসন, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম ও নাসুম আহমেদ।

;