চট্টগ্রামে প্রথম টেস্টে খেলবেন সাকিব



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসান

  • Font increase
  • Font Decrease

সকল অনিশ্চয়তা দূর করে চট্রগ্রাম টেস্টে খেলবেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডারকে রেখেই আগামীকাল রোববার প্রথম টেস্টের একাদশ গড়বে টাইগাররা। আজ শনিবার খবরটি নিশ্চিত করেছেন টাইগারদের টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। এ বিষয়ে মুমিনুল বলেন, ‘সাকিব ভাই খেলবে ইনশাআল্লাহ।’

বোর্ড আগেই জানিয়ে রেখেছিল শারীরিকভাবে টেস্ট খেলার মতো ফিট থাকলে ১৫ মে প্রথম টেস্টে মাঠে পাওয়া যাবে সাকিবকে। শুক্রবার দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে আজ ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন বাঁহাতি এ স্পিনার। তার ব্যাটিং ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

সাকিবের ব্যাটিং নিয়ে মুমিনুল বলেন, ‘ব্যাটিং তো ভালোই করলো। আমার কাছে দেখে মনে হলো। খেলবে ইনশাআল্লাহ্‌।'

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ঢাকায় ফিরেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন সাকিব। কোভিড পজিটিভ হওয়ায় চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিলেন বাঁহাতি এ স্পিনার।

তবে সর্বশেষ পরীক্ষায় করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট পেয়েছেন। যে কারণে প্রথম টেস্টে সাকিবের খেলার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি ।

ম্যাথুসের শতক, অস্বস্তিতে টাইগাররা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসান

  • Font increase
  • Font Decrease

দিনের শুরুতে বোলিং আক্রমণে তেজ দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। নাঈম হাসান ব্রেকথ্রু এনে দিলে চাপে পড়ে গিয়েছিল অতিথি শ্রীলঙ্কা। এ অফ স্পিনারের সঙ্গে উইকেট শিকারে তাইজুল ইসলাম ও সাকিব আল হাসান যোগ দিলে ১৮৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। 

কিন্তু কুসল মেন্ডিসের ফিফটির পর দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস। দলের সংগ্রহটাও বাড়িয়ে নিয়েছেন দুজনে। আর কোনো উইকেট না পড়লেও রান বেড়েছে সফরকারীদের। ৪ উইকেট হারিয়ে ২৫৮ রান নিয়ে চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন শেষ করেছে লঙ্কানরা। ফলে পুরো ৯০ ওভারের খেলা শেষে খানিকটা অস্বস্তি নিয়েই মাঠ ছেড়েছে টাইগাররা।

দলীয় স্কোর তখন ২৩। প্রথম আঘাতটা হানেন নাঈম। এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন ওপেনার দিমুথ করুনারত্নেকে। লঙ্কান ক্যাপ্টেন সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত মাত্র ৯ রান নিয়ে। দ্বিতীয় উইকেটটিও পান স্পিনার নাঈম। অন্য উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ওশাদা ফার্নান্দোও খুব বেশি দূর আগাতে পারেননি। ৩৬ রানেই নাঈমের বলে উইকেটের পিছনে লিটন দাসের গ্লাভসে ধরা পড়েন। শ্রীলঙ্কার স্কোর তখন ৬৬।

তবে বিপদ কাটিয়ে উঠে কুসল মেন্ডিস ও অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস জুটি। তৃতীয় উইকেট জুটিতে তারা ২০৯ বলে গড়েন ৯২ রানের পার্টনারশিপ। তাদের জুটি ভাঙে দলীয় ১৫৮ রানে। ১৩১ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ৫৪ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলে তাইজুল ইসলামের বলে নাঈম হাসানের তালুবন্দি হন কুসল মেন্ডিস। পরে স্পিন জাদু দেখান সাকিব আল হাসান। ধনাঞ্জয়া ডি সিলভাকে ফেরান করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট পেয়েই মাঠে নামা বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

পঞ্চম উইকেটে দাঁড়িয়ে যান অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ও দিনেশ চান্দিমাল। ১৪৮ বলে ৭৫* অপরাজিত এক পার্টনারশিপ গড়ে প্রথম দিন শেষ করেন তারা। ২১৩ বলে ১৪ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ১১৪* রানে অজেয় রয়ে গেছেন ম্যাথুস। ৭৭ বলে ২ ছক্কায় ৩৪* রানে অপরাজিত থেকে তাকে সঙ্গ দিয়ে যাচ্ছেন চান্দিমাল।

বাংলাদেশের হয়ে দুই উইকেট নিয়ে নাঈম হাসান দিয়েছেন ৭১ রান। তাইজুল ইসলাম ৭৩ রানে পেয়েছেন এক উইকেট। আর সাকিব আল হাসান এক উইকেটের বিনিময়ে খরচ করেছেন

;

এফএ কাপ চ্যাম্পিয়ন ক্লপের লিভারপুল



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
লিভারপুলের ফুটবলারদের শিরোপা উৎসব

লিভারপুলের ফুটবলারদের শিরোপা উৎসব

  • Font increase
  • Font Decrease

আরও একটি শিরোপা জিতল লিভারপুল। টাইব্রেকারে চেলসিকে ৬-৫ গোলে হারিয়ে এফএ কাপের ট্রফি ঘরে তুলেছে দ্য রেড শিবির।

ফেব্রুয়ারিতে কারাবাও কাপ জিতে নিয়েছিল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপের শিষ্যরা। এবার পেল এফএ কাপের শ্রেষ্ঠত্ব। 

ফলে চলতি মৌসুমে ঐতিহাসিক কোয়াড্রাপল শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে টিকে রইল লিভারপুল। কেননা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সঙ্গে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের সম্ভাবনা এখনো জিইয়ে আছে তাদের। 

নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ থেকে যায় গোলশূন্য। পরে লন্ডনের ওয়েম্বলিতে ফাইনালের ভাগ্য গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে। 

লিভারপুলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার চেলসি তারকা ম্যাসন মাউন্টের স্পট কিক ফিরিয়ে দিয়ে জয়ের সম্ভাবনা জোরালো করেন। শেষে কসতাস সিমিকাস লক্ষ্যভেদ করে লিভারপুলকে মৌসুমের দ্বিতীয় ট্রফি এনে দেন।

;

সাকিবকে নিয়ে বোলিংয়ে বাংলাদেশ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট লড়াই

বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট লড়াই

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিততে পারেননি টাইগার ক্যাপ্টেন মুমিনুল হক। টস জিতে নিয়েছেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে। আর শুরুতেই ব্যাটিং বেছে নিয়েছেন অতিথিরা।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে টস হেরে বল হাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসানকে রেখেই একাদশ সাজিয়েছে স্বাগতিকরা। সাকিবের সঙ্গে একাদশে ফিরেছেন শরিফুল ইসলাম আর নাঈম হাসান।

পারিবারিক ঝামেলার কারণে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে টেস্ট খেলতে পারেননি সাকিব। সব মিলিয়ে পাঁচ মাস বিরতি দিয়ে সাদা পোশাক গায়ে লাল বলের লড়াইয়ে নেমেছেন। আর অফ স্পিনার নাঈম ফিরলেন ১৫ মাস পর। চোট নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে না খেললেও পেসার শরিফুল ইসলাম রয়েছেন চট্টগ্রাম টেস্টের একাদশে।

সাকিবকে নিয়ে স্বাগতিকদের দলে বোলার পাঁচ জন। বাঁহাতি সাকিবের সঙ্গী বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম ও অফ স্পিনার নাঈম। পেস আক্রমণে রয়েছেন খালেদ আহমেদ আর শরিফুল ইসলাম। তবে একাদশ থেকে ছিটকে গেছেন পেসার এবাদত হোসেন।

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস শনিবার রাতে অস্ট্রেলিয়ায় মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে গেছেন। ম্যাচ শুরুর আগে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা দল।

বাংলাদেশ একাদশ: তামিম ইকবাল, মাহমুদুল হাসান জয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), সাকিব আল হাসান, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, শরিফুল ইসলাম ও খালেদ আহমেদ।

শ্রীলঙ্কা একাদশ: দিমুথ করুনারত্নে (অধিনায়ক), ওশাদা ফার্নান্দো, কুসল মেন্ডিস, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, দিনেশ চান্দিমাল, নিরোশান ডিকভেলা (উইকেটরক্ষক), রমেশ মেন্ডিস, লাসিথ এমবুলদেনিয়া, আসিথা ফার্নান্দো ও বিশ্ব ফার্নান্দো।

;

গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের জন্য আরেকটি ধাক্কা। দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস মারা গেছেন। খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৪ মে) রাতে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের টাউনসভিলে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস।

অলরাউন্ডার অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস ১৯৯৮ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ২৬টি টেস্ট, ১৯৮টি ওয়ানডে এবং ১৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।

অস্ট্রেলিয়ার বার্মিংহামে জন্মগ্রহণকারী সাইমন্ডস যুক্তরাজ্যের কেন্ট, গ্লুচেস্টারশায়ার, ল্যাঙ্কাশায়ার এবং সারের হয়ে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছেন।

কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারার যৌথ রেকর্ডটি তার দখলে।

চলতি বছরের শুরুতে সাবেক উইকেটরক্ষক রড মার্শ এবং কিংবদন্তি স্পিনার শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর পর সাইমন্ডসের মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের জন্য আরেকটি উল্লেখযোগ্য ক্ষতি।

;