সর্বোচ্চ সম্পদ রোহিতের, দুইয়ে সাকিব



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সর্বোচ্চ সম্পদ রোহিতের, দুইয়ে সাকিব

সর্বোচ্চ সম্পদ রোহিতের, দুইয়ে সাকিব

  • Font increase
  • Font Decrease

ক্যানবেরা, ২৩ সেপ্টেম্বর – অস্ট্রেলিয়ায় আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে শুরু হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এর আগে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া শীর্ষ আট দলের অধিনায়কের সম্পদের হিসাব প্রকাশ করেছে সিএ নলেজ এবং ক্রিকফ্যান। তাদের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, আয়ের তালিকায় শীর্ষে আছেন ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দুই নম্বরে রয়েছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান।

আসছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় ইভেন্ট টি-টোয়েন্টি বিশ্‌বকাপ। ২০২২ সালের এই আসরটির আয়োজক দেশ হলো বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। তারই ধারাবাহিকতায় অস্ট্রেলিয়ান ওয়েবসাইট ক্রিকফ্যান সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

তাদের এই প্রতিবেদনটি ছিলো অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোর দলনেতাদের সম্পদের পরিমাণ নিয়ে। তাদের সেই প্রতিবেদন বলছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শীর্ষ আট দলের অধিনায়কের সম্পদের হিসাব করলে সবার ওপরে অবস্থান করবেন বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিকেটার রোহিত শর্মা। তার সম্পদের পরিমাণ ২৪৩ কোটি টাকা। আর দুই নম্বরে থাকা সাকিবের মোট সম্পদ ২২২ কোটি টাকা।

১০১ কোটি টাকা মালিক ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার এই তালিকার তিন নম্বরে অবস্থান করছে। তালিকার চারে রয়েছে বিশ্বকাপের আয়োজক দেশের দলনেতা অ্যারন ফিঞ্চ। তার সম্পদের পরিমাণ ৮১ কোটি টাকা। আর ৬৫ কোটি টাকা নিয়ে এই তালিকার পাঁচ নম্বরে অবস্থান করছেন কেন উইলিয়ামসন। এছাড়া ছয়, সাত ও আট নম্বরে রয়েছেন টেম্বা বাভুমা, বাবর আজম ও মোহাম্মদ নবি।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডি মারিয়ার খেলা অনিশ্চিত

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডি মারিয়ার খেলা অনিশ্চিত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডি মারিয়ার খেলা অনিশ্চিত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে ডি মারিয়াকে নিয়ে শোনা গেল দুঃসংবাদ। চলমান কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ডান পায়ের উরুতে ব্যথা অনুভব করেন ডি মারিয়া। যার কারণে কোচ তাকে দ্বিতীয়ার্ধে তুলে নেন।

এই চোটে শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নকআউট পর্বের ম্যাচে অনিশ্চিত তিনি।

এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ডি মারিয়ার অনুপস্থিতির কারণে ভুগতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।

পোল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছিলেন, সে ভালো আছে সবমিলিয়ে। সে উরুর উপরে কিছুটা ব্যথা অনুভব করে। এটা বাড়ার আগেই তাকে আমরা তুলে নেই। সবাই জানে সে আমাদের জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। এমন খেলোয়াড়কে মাঠে খেলিয়ে ইনজুরিতে পরানোর ঝুঁকি আমরা নিতে পারি না।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডি মারিয়াকে এই ম্যাচে পাওয়া যাবে কি না, এমন প্রশ্নে স্কালোনির উত্তরে পরিষ্কার কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, “গতকাল আমরা পুরোদমে অনুশীলন করিনি। মূলত আমরা অস্ট্রেলিয়া দলটাকে নিয়ে বিশ্লেষণ করেছি। আজ অনুশীলনের পর একটা পরিষ্কার ধারণা পাব। ডি মারিয়া ও অন্য ফুটবলারদের মূল্যায়ন করার পর সিদ্ধান্ত নেব। যদি ফিট থাকে, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে।”

;

কাতার বিশ্বকাপ: দ্বিতীয় রাউন্ডে কে কার মুখোমুখি

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর প্রথম রাউন্ডের খেলা শুক্রবার রাতে শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে নির্ধারণ হয়ে গেছে কোন ১৬টি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবে, আর কার মুখোমুখি হবে।

প্রথম রাউন্ডে বেশ কয়েকটি অঘটন, নাটকীয়তা আর রোমাঞ্চে ভরা ম্যাচ শেষে আজ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। প্রতিটি ম্যাচই একেকটি ফাইনাল, জিতলে পরের ধাপে আর হারলে বিদায়।

নকআউট পর্বে কোন দলের প্রতিপক্ষ কে, কখন তারা মুখোমুখি হবে এবার তা জেনে নিন-

নকআউট পর্বের সূচি

৩ ডিসেম্বর, শনিবার, নেদারল্যান্ডস–যুক্তরাষ্ট্র রাত ৯টা

৩ ডিসেম্বর, শনিবার, আর্জেন্টিনা–অস্ট্রেলিয়া রাত ১টা

৪ ডিসেম্বর, রোববার, ফ্রান্স–পোল্যান্ড রাত ৯টা

৪ ডিসেম্বর, রোববার, ইংল্যান্ড–সেনেগাল রাত ১টা

৫ ডিসেম্বর, সোমবার, জাপান–ক্রোয়েশিয়া রাত ৯টা

৫ ডিসেম্বর, সোমবার, ব্রাজিল–দক্ষিণ কোরিয়া রাত ১টা

৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, মরক্কো–স্পেন রাত ৯টা

৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, পর্তুগাল–সুইজারল্যান্ড রাত ১টা

এদের মধ্যে যে ৮ দল জিতবে তারা খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে।

;

সার্বিয়াকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ড

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পুরো ৯০ মিনিট ধরে টান টান খেলা চলল। প্রথমে এগোল সুইজারল্যান্ড। সেই গোল শোধ করে এগিয়ে গেল সার্বিয়া। আবার ম্যাচে ফিরল সুইজারল্যান্ড। সমতা ফেরানোর পরে দ্বিতীয় বারের জন্য এগিয়ে গেল তারা। সেই গোল আর শোধ করতে পারল না সার্বিয়া। শেষ পর্যন্ত সার্বিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে গ্রুপ জি থেকে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিল সুইজারল্যান্ড।

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার জন্য জিততে হতো সার্বিয়া-সুইজারল্যান্ড দু’দলকেই। তাই শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের খেলা চলতে থাকে। দু’দলই প্রান্ত ব্যবহার করে খেলছিল। ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাদরান শাকিরি। ২০ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে বল পান তিনি। বাঁ পায়ের শটে সার্বিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন।

গোল খেয়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় সার্বিয়া। তার ফলও মেলে। ২৭ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরান সার্বিয়ার স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার মিত্রোভিচ। বক্সের মধ্যে থেকে হেডে গোল করেন তিনি। ৩৫ মিনিটের মাথায় খেলায় এগিয়ে যায় সার্বিয়া। এ বার তাদের হয়ে গোল করেন ভ্লাহোভিচ। বাঁ পায়ের শটে সুইজারল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। কিছুটা চাপে পড়ে যায় সুইজারল্যান্ড।

বিরতির ঠিক আগে সুইসদের রক্ষাকর্তা হয়ে ওঠেন এমবোলো। সার্বিয়ার রক্ষণের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে গোল করে ২-২ করেন তিনি। ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে এমবোলোর গোলেই জিতেছিল সুইজারল্যান্ড। আরও এক বার তাদের হয়ে গোল করলেন ক্যামেরুনে জন্ম হওয়া এই স্ট্রাইকার।

প্রথমার্ধের খেলা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে আরও গোল আসতে চলেছে। সেটাই হল। খেলা শুরুর তিন মিনিটের মাথায় এ বার এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। গোল করেন রেমো ফ্রুয়েলার।

দ্বিতীয় বারের এগিয়ে যাওয়ার পরে রক্ষণ আরও মজবুত করে সুইজারল্যান্ড। সার্বিয়া অনেক চেষ্টা করেও সেই রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না। মাঝেমধ্যে মাথা গরম করে ফেলছিলেন ফুটবলাররা। বেঞ্চে বসে থাকা সার্বিয়ার রিজার্ভ বেঞ্চের ফুটবলারকেও হলুদ কার্ড দেখতে হল। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল করতে পারেনি সার্বিয়া। ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে ব্রাজিলের পরে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ষোলোয় জায়গা করে ন্যায় সুইজারল্যান্ড।

;

অঘটনের বিশ্বকাপে হারল ব্রাজিলও

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বকাপে অঘটনের ধারা অব্যাহত। এ বার গ্রুপের শেষ ম্যাচে হেরে গেল ব্রাজিল। আর্জেন্টিনা, স্পেন, পর্তুগালের মতো গ্রুপে একটি ম্যাচ হেরেই শেষ ষোলোয় যেতে হচ্ছে তাদের। কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপে কোনও দলই নিজেদের সব ম্যাচে জিততে পারল না।

গোটা ম্যাচে প্রচুর সুযোগ পেয়েছিলেন তিতের ছেলেরা। কিন্তু একটাও কাজে লাগাতে পারেননি। গোলের সামনে থেকে অনেক শট বাইরে মেরেছেন। নেইমার না থাকলেও ব্রাজিল দলে গোল করার অনেকে রয়েছেন। সুযোগও তৈরি হয়েছে প্রচুর। কিন্তু জালে বল জড়াতে পারবেন এমন ফুটবলারকে অন্তত শুক্রবার খুঁজে পাওয়া যায়নি। রিজার্ভ দল নামিয়ে এর আগে স্পেন, পর্তুগাল, ফ্রান্স হেরেছে। শুক্রবার সেই তালিকায় যোগ হল ব্রাজিলের নামও। এ দিন হাত মেলানোর দূরত্ব থেকেও গোল নষ্ট হয়েছে। একাই অন্তত দু’টি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন ব্রুনো গিমারায়েস। প্রশংসা করতে হবে ক্যামেরুনের গোলকিপার ডেভিস এপাসিরও। অন্তত তিনটি নিশ্চিত গোল বাঁচিয়ে দিয়েছেন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের মুহুর্মুহু আক্রমণ সামলাতে হয়েছে তাকে। তবু এক মুহূর্তের জন্যেও দলকে চিন্তার মধ্যে পড়তে দেননি।

প্রত্যাশামতোই ক্যামেরুন ম্যাচে ব্রাজিলের প্রথম একাদশ আমূল বদলে ফেলেছিলেন তিতে। নয়টি বদল করেছিলেন। আগের ম্যাচের থেকে শুধু এদের মিলিটাও এবং কাসেমিরোকে রেখেছিলেন। শুরু করেছিলেন আর্সেনালের দুই স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি এবং গ্যাব্রিয়েল জেসুস। ছিলেন ম্যান ইউয়ের অ্যান্টনি। ব্রাজিলের হয়ে এ বারের বিশ্বকাপে প্রথম বার নামেন দানি আলভেস। ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে খেললেন এবং নেতৃত্ব দিলেন তিনি।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিল ব্রাজিল। দ্বিতীয় মিনিটেই সুযোগ পায় তারা। অ্যান্টনি পাস দেন রদ্রিগোকে। তিনি পাস দেন ফ্রেডকে। কিন্তু ফ্রেড পৌঁছতে একটু দেরি করে ফেলায় বলে পা ছোঁয়াতে পারেননি। ব্রাজিলের আক্রমণ সামলাতে শারীরিক ফুটবল খেলার রাস্তা নেয় ক্যামেরুন। সাত মিনিটেই প্রথম হলুদ কার্ড দেখে তারা। কিন্তু ব্রাজিলের আক্রমণ থামানো যায়নি। ১৪ মিনিটের মাথায় ফ্রেডের ক্রস থেকে দারুণ হেড করেছিলেন মার্তিনেল্লি। কিন্তু ক্যামেরুন গোলকিপার এপাসি তা বাঁচিয়ে দেন। প্রথম ১৫ মিনিটে ব্রাজিলের বল পজেশন ছিল প্রায় ৭১ শতাংশ।

২০ মিনিটে প্রথম আক্রমণ দেখা যায় ক্যামেরুনের। টোলোর ক্রস এসেছিল ব্রাজিলের বক্সে। কিন্তু আবুবাকার পৌঁছনোর আগেই বল সেভ করে দেন এদেরসন। পাঁচ মিনিট পরে আবার সুযোগ পায় ব্রাজিল। মার্তিনেল্লির পাস থেকে থেকে জেসুসের শট আটকে যায় ডিফেন্ডার এবসের পায়ে লেগে। দুই উইং দিয়ে আক্রমণ শানাচ্ছিল ব্রাজিল। মাঝমাঠেও ছিল তাদের শাসন। ক্যামেরুন যা-ই আক্রমণ করছিল, তা ছিল মূলত প্রতি আক্রমণ নির্ভর।

৩৮ মিনিটে আবার অ্যান্টনির একটি শট বাঁচান এপাসি। বিরতির সামান্য আগে অল্পের জন্য এগোতে পারেনি ব্রাজিল। তিন জন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মার্তিনেল্লির শট অল্পের জন্য বাঁচিয়ে দেন এপাসি। তার পরেই গোল খেতে খেতে বেঁচে যায় ব্রাজিল। এমবিউমোর হেড বাঁচিয়ে দেন এদেরসন।

দ্বিতীয়ার্ধে পর পর দু’বার অল্পের জন্য গোল পায়নি ব্রাজিল। ৫৭ মিনিটে এদের মিলিটাওয়ের বাঁ পায়ের শট এপাসি ধরতে পারেননি। তা পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়। পরের মিনিটেই দ্রুত ফ্রি-কিক থেকে নেওয়া অ্যান্টনির শট দুর্দান্ত ভাবে বাঁচিয়ে দেন এপাসি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই খেলা হতে থাকে ক্যামেরুনের বক্সে।

এক বার ক্যামেরুনের পাল্টা আক্রমণ দেখা গেল। তাতেই গোল! ম্যাচ তখন গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। ডান দিকের উইং থেকে দৌড়ে ভেতরে ঢুকে আসেন এনগোম এমবেকেলি। ব্রাজিলের বক্সে তার ভাসানো ক্রসে আবুবাকারের মাপা হেড গোলের কোণ দিয়ে জালে জড়িয়ে যায়। দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া আর কিছু করার ছিল না গোলকিপার এদেরসনের। উত্তেজনায় জার্সি খুলে ফেলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড এবং লাল কার্ড দেখলেন আবুবাকার। শেষ পাঁচ মিনিট দশ জনে খেলতে হল ক্যামেরুনকে। ব্রাজিল গোল শোধ দিয়ে দিতেই পারত। কিন্তু দিনটা ছিল ক্যামেরুনেরই।

;