ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১২৭



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইন্দোনেশিয়ায় একটি স্টেডিয়ামে ফুটবল দর্শকদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে এবং পদদলিত হয়ে অন্তত ১২৭ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুজন পুলিশ কর্মকর্তা বলে জানা গেছে।

দেশটির একজন পুলিশ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে স্কাই নিউজ এই তথ্য জানিয়েছে। 

শনিবার (১ অক্টোবর) আরেমা এবং পার্সেবায়া সুরাবায়ার মধ্যকার খেলা চলাকালীন পূর্ব জাভার একটি স্টেডিয়ামে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৮০ জন। তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়, আরেমা ম্যাচটি ২-৩ ব্যবধানে হেরে যায়। দল হেরে যাওয়ায় হাজার হাজার আরেমা ভক্তরা মাঠে নেমে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।সেই সময় মাঠে থাকা বেশ কয়েকজন আরেমার খেলোয়াড়ের ওপর হামলা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, কয়েক হাজার দর্শক একসঙ্গে স্টেডিয়ামে জোর করে ঢুকে পড়ে এবং পরস্পরের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ভিড় লক্ষ্য করে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এর ফলে ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়ে অনেকে মারা যায়। সংঘর্ষ থামার পর ঘটনাস্থলে হতাহতদের আশপাশে হাজার হাজার পরিত্যক্ত জুতা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল।

এ ঘটনায় ইন্দোনেশিয়ার ফুটবল লিগ এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এবং আরেমাকে বাকি মৌসুমের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিশ্বকাপে এত বাজে আগে খেলেনি কোন স্বাগতিক

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

‘এ’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ২-০ গোলে পরাজয়ের মাধ্যমে স্বাগতিক কাতার শেষ করেছে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা।

বিশ্বকাপে ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করা উপসাগরীয় দেশটির অর্জনের খাতায় কেবলই শূন্য। ফুটবল বিশ্বকাপের ৯২ বছরের ইতিহাসে এরআগে এমন বাজে খেলেনি কোন স্বাগতিক।

গ্রুপ পর্যায়ের তিন ম্যাচে অংশ নিয়ে ৭টি গোল হজমের বিপরীতে করতে পেরেছে মাত্র ১টি গোল। তিন ম্যাচের প্রতিটিই হেরেছে তারা। গড়তে পারেনি ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাও।

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শেষ ম্যাচে কাতার গোলের জন্যে শট নিয়েছিল ৫টি, তার ৩টি ছিল লক্ষ্যে। সেনেগালের বিপক্ষে গোলের জন্যে শট নিয়েছিল ১০টি, তার ৩টি ছিল লক্ষ্যে। ইকুয়েডরের বিপক্ষে গোলের জন্যে শট নিয়েছিল ৫টি, যার একটিও ছিল না লক্ষ্যে।

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ২-০ গোলে পরাজিত হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে সেনেগালের কাছে হার মানে তারা ৩-১ গোলে। প্রথম দুই ম্যাচ শেষেই নিশ্চিত হয়ে যায় বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব থেকে বাদ পড়া। নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচে পরাজয়ের মাধ্যমে ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে তারা কোন পয়েন্ট অর্জন না করেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল।

২০১০ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকার পর কাতার হচ্ছে দ্বিতীয় আয়োজক দেশ যারা গ্রুপ পর্যায় থেকে বাদ পড়ল। দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে তারা উরুগুয়ের বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারলেও শেষ ম্যাচে ফ্রান্সকে হারিয়ে দিয়েছিল ২-১ গোলে। ওই বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা তিন ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট সংগ্রহ করে, কিন্তু গোল পার্থক্যে যেতে পারেনি শেষ ষোলোতে।

এ পর্যন্ত আটটি দল বিশ্বকাপ জিতেছে। ব্রাজিল ও স্পেন ছাড়া ছয়টি আয়োজক দেশ নিজেদের দেশে আয়োজিত বিশ্বকাপে অন্তত একবার করে জিতেছে। এরবাইরে বাকি আয়োজকেরাও করেছিল ভালো ফলাফল।

২০১৮ বিশ্বকাপের আয়োজক রাশিয়া কোয়ার্টার ফাইনাল; ২০১৪ সালের আয়োজক ব্রাজিল চতুর্থ; ২০১০ বিশ্বকাপের আয়োজক দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম পর্ব; ২০০৬ বিশ্বকাপের আয়োজক জার্মানি তৃতীয়; ২০০২ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক দক্ষিণ কোরিয়া চতুর্থ এবং জাপান নকআউট পর্ব; ১৯৯৮ সালের আয়োজক ফ্রান্স চ্যাম্পিয়ন; ১৯৯৪ সালের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র নকআউট পর্ব; ১৯৯০ সালের আয়োজক ইতালি তৃতীয়; ১৯৮৬ সালের আয়োজক মেক্সিকো কোয়ার্টার ফাইনাল; ১৯৮২ সালের আয়োজক স্পেন নকআউট পর্ব; ১৯৭৮ সালের আয়োজক আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন; ১৯৭৪ সালের আয়োজক পশ্চিম জার্মানি চ্যাম্পিয়ন; ১৯৭০ সালের আয়োজক মেক্সিকো কোয়ার্টার ফাইনাল; ১৯৬৬ সালের আয়োজক ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন; ১৯৬২ সালের আয়োজক চিলি তৃতীয়; ১৯৫৮ সালের আয়োজক সুইডেন রানার্সআপ; ১৯৫৪ সালের আয়োজক সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনাল; ১৯৫০ সালের আয়োজক ব্রাজিল রানার্সআপ; ১৯৩৮ সালের আয়োজক ফ্রান্স কোয়ার্টার ফাইনাল; ১৯৩৪ সালের আয়োজক ইতালি চ্যাম্পিয়ন, এবং ১৯৩০ সালের আয়োজক উরুগুয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

;

আলিউ সিসে খেলোয়াড় ও কোচ হিসেবে নকআউট পর্বে

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
সেনেগালের কোচ আলিউ সিসে

সেনেগালের কোচ আলিউ সিসে

  • Font increase
  • Font Decrease

আলিউ সিসে। সেনেগাল বিশ্বকাপ দলের কোচ। তার কোচিংয়ে এবারের বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উন্নীত হয়েছে আফ্রিকার দেশটি।

কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড যেখানে আছে একাধিকজনের, সেখানে কেবল নকআউট পর্বে যাওয়া বড় কোন ঘটনা নয়। তবু আফ্রিকার মতো ফুটবলে অনেকটাই পিছিয়ে থাকা মহাদেশের জন্যে এটা বড় অর্জনই বলতে হয়।

ব্রাজিলের মারিও জাগালো, জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার ও ফ্রান্সের দিদিয়ের দেশম কোচ ও খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন।

সেনেগাল বিশ্বকাপ জয়ের ফেবারিট নয়। তার ওপর দলের তারকা ফুটবলার সাদিও মানেকে ছাড়াই খেলতে হচ্ছে তাদের। বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে ইনজুরিতে দল থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। তবু মানের মতো তারকা ফুটবলার ছাড়াই বিশ্বকাপে সাফল্য পেয়েছে সিসের দল। কাতার বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপে কাতার ও ইকুয়েডরকে টপকে তার সেনেগাল উঠেছে শেষ ষোলোতে। তিন ম্যাচের মধ্যে দুই জয় আর এক পরাজয় গ্রুপ পর্যায়ে। গ্রুপের দ্বিতীয় হয়েছে সেনেগাল, গ্রুপসেরা নেদারল্যান্ডস।

কাতারের এবারের আসরসহ এনিয়ে তিনবার বিশ্বকাপ খেলছে সেনেগাল। প্রথমবার ২০০২ সালে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান বিশ্বকাপে। সেবার কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত উঠেছিল আফ্রিকার দেশটি। আলিউ সিসে ছিলেন সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এরপর তিন বিশ্বকাপ বিরতি দিয়ে রাশিয়া বিশ্বকাপে জায়গা করে নিলেও গ্রুপ পর্যায় পেরুতে পারেনি সেনেগাল।

এবার সিসের কোচিংয়ে খর্বশক্তির দল নিয়েও বিশ্বকাপে দারুণ খেলছে আফ্রিকান নেশনস কাপ জয়ী দলটি। সেনেগালের প্রথম মেজর কোনো শিরোপাও এসেছে আলিউ সিসের হাত ধরে। ২০২২ আফ্রিকান নেশনস কাপ জয়ে দলটির কোচ হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি। ২০১৯ সালে কোচ হিসেবে ও ২০০২ সালে খেলোয়াড় হিসেবে আফ্রিকান নেশনস কাপে ছিলেন সেনেগাল দলের সঙ্গে।

খেলোয়াড় হিসেবে মহাদেশীয় শিরোপা জিততে না পারলেও কোচ হিসেবে জিতেছেন সিসে। তবে খেলোয়াড় হিসেবে তিনি যেমন বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিয়েছিলেন দেশকে, এবার কোচ হিসেবেও নিয়েছেন একই পর্যায়ে।

২০০২ সালের বিশ্বকাপে চার ম্যাচ খেলেছিলেন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার। বিশ্বকাপে এবার তার কোচিংয়ে কয়টি ম্যাচ খেলতে পারে সেনেগাল; এটাই দেখার বিষয়!

;

গ্রুপসেরা হয়ে নকআউট পর্বে ইংল্যান্ড

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

অনুমিতভাবে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে উঠেছে ইংল্যান্ড। এক পয়েন্ট হলেই যেখানে নকআউট পর্বে যাওয়া হতো তাদের সেখানে তারা প্রতিপক্ষকে হারিয়েছে বড় ব্যবধানেই।

মঙ্গলবার রাতে আল রাইয়ানের আহমেদ বিন আলি স্টেডিয়ামে ‘বি’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডের ম্যাচে ওয়েলসকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে গ্যারেথ সাউথগেটের দল।

ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন মার্কাস র‍্যাশফোর্ড; অন্য গোলটি ফিল ফোডেনের।

প্রথম ম্যাচে ইরানকে ৬-২ গোলে পরাজিত করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল ইংল্যান্ড।

অপরদিকে, ৬৪ বছরের দীর্ঘ বিরতি শেষে এবার বিশ্বকাপে এসেছিল ওয়েলস। বিশ্বকাপে এবারের অর্জনের খাতায় কোনো জয় যোগ হয়নি। প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র, দ্বিতীয় ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের পর আজ হারল তারা ইংল্যান্ডের কাছে ৩-০ গোলে। বিশ্বকাপে মোট ৬ গোল খেয়ে করতে পেরেছে মাত্র একটি গোল। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোলটি করেছিলেন দলের অধিনায়ক ও সেরা তারকা গ্যারেথ বেল।

শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া ইংল্যান্ড দল এগিয়ে যেতে পারত ম্যাচের দশম মিনিটেই। হ্যারি কেইনের থ্রু বল ধরে ডি–বক্সে ঢুকে পড়া র‍্যাশফোর্ড ওয়েলস গোলরক্ষক ড্যানি ওয়ার্ডকে পরাস্ত করতে পারেননি।

ম্যাচের ৩৮তম সুযোগ এসেছিল ফিল ফোডেনের সামনে। ম্যানচেস্টার সিটি এই ফরোয়ার্ড বল উড়িয়ে মারেন পোস্টের উপর দিয়ে।

ম্যাচের ৫০তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় ইংল্যান্ড। গোলদাতা মার্কাস র‍্যাশফোর্ড। ফ্রি–কিক থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এই তারকা।

পরের মিনিটেই ওয়েলস ডিফেন্সের ভুলে বল পান হ্যারি কেইন। তার পাস থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে ইংলিশদের লিড বাড়ান ফোডেন।

৬৮তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন র‍্যাশফোর্ড। এই গোলের মাধ্যমে ক্যারিয়ারে আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথমবারের মত জোড়া গোল করলেন এই ফরোয়ার্ড।

এই জয়ে গ্রুপসেরা হয়ে শেষ ষোলোতে গেল ইংল্যান্ড। গ্রুপের অপর ম্যাচে ইরানকে হারিয়ে নকআউট পর্বে উন্নীত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।

নকআউট পর্বে আগামী ৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ইংল্যান্ড মুখোমুখি হবে সেনেগালের।

;

ইরানের স্বপ্নভঙ্গ, শেষ ষোলোয় যুক্তরাষ্ট্র

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

স্বপ্নভঙ্গ হল ইরানের। অথচ কাতার বিশ্বকাপে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে শেষ ষোলোয় যাওয়ার সুযোগ ছিল তাদেরেই। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলারদের পায়ে ভেঙে গেল ইরানের স্বপ্ন। ১-০ গোলে ইরানকে হারিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে গেল যুক্তরাষ্ট্র।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ড্র করলেই হত ইরানকে। সেই কারণেই হয়তো প্রথম থেকে একটু রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলছিল ইরান। তারই ফায়দা তুলল যুক্তরাষ্ট্র। প্রথম দু’ম্যাচের তুলনায় এই ম্যাচে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে তারা। বার বার ইরানের বক্সে প়ৌঁছে যাচ্ছিলেন ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ, জশ সার্জেন্টরা। ৩৪ মিনিটের মাথায় ভাঙল ইরানের রক্ষণ। গোল করলেন পুলিসিচ।

গোল খাওয়ার পরে কিছুটা আক্রমণাত্মক খেলা শুরু করে ইরান। দলের বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন ইরানের কোচ কার্লোস কুইরোজ়। গোটা দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে চলে আক্রমণ প্রতি-আক্রমণের খেলা।

শেষ দিকে গোল করার অনেক চেষ্টা করে ইরান। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের গোলের মুখ খুলতে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ০-১ গোলে হেরে মাঠ ছাড়তে হল ইরানকে। ৩ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ষোলোয় গেল আমেরিকা।

;