সার্বিয়ার বিপক্ষে সতর্ক ব্রাজিল

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
সার্বিয়ার বিপক্ষে সতর্ক ব্রাজিল

সার্বিয়ার বিপক্ষে সতর্ক ব্রাজিল

  • Font increase
  • Font Decrease

সৌদি আরবের কাছে আর্জেন্টিনার হার বড় দলগুলোর প্রতি একটা সতর্ক বার্তা। ফেভারিট দলগুলো এখন বাড়তি হিসাব-নিকাশ কষছে। আজ লুসাইল স্টেডিয়াম সার্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। মঙ্গলবার এ মাঠেই আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে সৌদি আরব। এশিয়ান দলটির তুলনায় সার্বিয়া আরও গোছানো আর শক্তিশালী দল। ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে ২১ নম্বরে সার্বিয়া। র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকা ব্রাজিল তাদের সমীহ করছে। কাতারের দোহার লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের এই ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১টায়।

ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল ব্রাজিল এবারের কাতার বিশ্বকাপের হট ফেভারিট। ২০ বছর পর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে মুখিয়ে আছে ফুটবলপাগল দেশটি। মুকুট ফিরে পাওয়ার মিশন শুরু হচ্ছে ইউরোপের সমীহ জাগানিয়া দল সার্বিয়ার বিরুদ্ধে। শক্তির তারতম্যে সার্বিয়ানদের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও সতর্ক থেকেই তাদের মোকাবিলা করবে ব্রাজিল। এমনই জানিয়েছেন সেলেসাও কোচ তিতে।

ইতোমধ্যে বিশ্বকাপের আরেক হট ফেভারিট আর্জেন্টিনা অপ্রত্যাশিতভাবে সৌদি আরবের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে। লিওনেল মেসিদের এই অবিশ্বাস্য পতনের পর অন্য ফেভারিটরা সতর্ক পদক্ষেপে পথ চলতে চায়। সার্বিয়ানদের বিরুদ্ধে নিজেদের শুরুর ম্যাচে ফেভারিট হলেও তাই অতি আবেগে ভেসে যাচ্ছে না টিম ব্রাজিল।

মিশন শুরুর আগে কোচ তিতে বলেন, ‘বিশ্বকাপে কোনো প্রতিপক্ষই সহজ নয়। এই মঞ্চে সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে আসে। আমরা তাই কোনো প্রতিপক্ষকেই হালকাভাবে নিচ্ছি না। ওরাও (সার্বিয়া) ধারাবাহিকভাবে দারুণ খেলে চলেছে। ভালো ফর্মে আছে। তবে আমরা আমাদের সেরাটা খেলে জয় দিয়ে শুরু করতে চাই।’ বিশ্বকাপ বাছাই ও উয়েফা নেশন্স লিগে ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলেছে সার্বিয়া। বিশ্বকাপেও এ ধারা ধরে রাখার প্রত্যয় ‘দ্য ঈগলস’দের।

দলটির কোচ ড্রাগান স্টোকোভিচ বলেন, ‘ব্রাজিল অনেক বড় দল। কিন্তু আমরা তাদের সহজে ছেড়ে দেব না। ছেলেরা সেরাটা দিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। পয়েন্টের জন্যই খেলবে আমার দল।’ আশাবাদী সার্বিয়ান অধিনায়ক ডুসান টাডিচও, ‘আমরা আমাদের খেলাটা খেলার চেষ্টা করব। ব্রাজিল সম্পর্কে সবাই জানি। তাদের বিরুদ্ধে খেলা সহজ নয়। কিন্তু আমরা হাল ছেড়ে দেব না।’

চার বছর আগে রাশিয়া বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল ও সার্বিয়া। ২০১৮ সালের ২৭ জুন মস্কোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মিডফিল্ডার পাউলিনহো ও সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভার লক্ষ্যভেদে ২-০ গোলে জয় পেয়েছিল ব্রাজিল। বিশ্বকাপ ছাড়া আর একবারই একে অন্যের বিরুদ্ধে খেলেছে দুদল। ২০১৪ সালে সেই প্রীতি ম্যাচেও ১-০ গোলে জিতেছিল সেলেসাওরা।

এবারের বিশ্বকাপে ঐতিহ্যের সাম্বা ছন্দ দেখাতে চায় ব্রাজিল। ২০০২ সালের পর ‘হেক্সা’ অর্থাৎ ষষ্ঠবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য তাদের। এই মিশনে ব্রাজিলের প্রাণভোমরা তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার। তবে পিএসজি তারকা আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও সেলেসাওদের এবারের দলটাতে সব পজিশনে আছে চৌকস সব খেলোয়াড়।

গোলপোস্টে অ্যালিসন বেকার থেকে শুরু করে রক্ষণভাগে থিয়াগো সিলভা, ডানিলো, মারকুইনহোস, ডানি আলভেজ, অ্যালেক্স সান্দ্রো, মাঝমাঠে ফ্যাবিনহো, কাসেমিরো, পাকুয়েটা, রিবেইরো, আক্রমণভাগে নেইমারের সঙ্গে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রিচার্লিসন, রাফিনহা, রডরিগোরা আছেন ফর্মের তুঙ্গে। ইতিহাস জানান দিচ্ছে, ব্রাজিলের শেষ চারটি বিশ্বকাপই এসেছে ইউরোপের বাইরে থেকে।

১৯৫৮ সালে তারা নিজেদের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ জয় করে ইউরোপের দেশ সুইডেন থেকে। এরপর ১৯৬২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার চিলি, ১৯৭০ সালে উত্তর আমেরিকার মেক্সিকো ও ১৯৯৪ সালে একই মহাদেশের যুক্তরাষ্ট্র থেকে শিরোপা জয় করে। অর্থাৎ প্রথমবার বাদে আর কোনোবারই ব্রাজিল ইউরোপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি।

পেলের দেশ সবশেষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০২ সালে এশিয়ার দেশ জাপান-কোরিয়ায়। এবার আবারও এশিয়াতে ফিরেছে বিশ্বকাপ। যে কারণে অতীত ইতিহাসের ধারা অনুযায়ী এবার ব্রাজিলের বিশ্বকাপ জয়ের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে। একমাত্র এই লক্ষ্য নিয়ে সার্বিয়ানদের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে মিশন শুরু করতে মুখিয়ে আছে টিম ব্রাজিল। আজ রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করছে সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোর পর্তুগালও। দোহার স্টেডিয়াম ৯৭৪ এ ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে পর্তুগিজদের প্রতিপক্ষ আফ্রিকান দেশ ঘানা। এই ম্যাচটি মাঠে গড়াবে রাত ১০টায়।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

এক ফ্রেমে বিশ্বজয়ী চার মহাতারকা

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
এক ফ্রেমে বিশ্বজয়ী চার মহাতারকা

এক ফ্রেমে বিশ্বজয়ী চার মহাতারকা

  • Font increase
  • Font Decrease

দ্য ফেনোমেনন খ্যাত রোনাল্ডো, রবার্তো কার্লোস, কাফু ও কাকা; বিশ্বকাপ উপভোগ করতে এসেছেন কাতারে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ব্রাজিলের ম্যাচে ক্যামেরার ফ্রেমে আটকা পড়ছিলেন চার কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান।

গতকাল সোমবার সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ভিআইপি বক্সে বসেছিলেন তারা। উপভোগ করেছেন ম্যাচ। বিশ্বকাপে ইউরোপীয় দেশটির বিপক্ষে রেকর্ড জয়ের ম্যাচের স্বাক্ষী হয়েছেন তারাও।

২০০২ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন চারজনই। রোনাল্ডো-কাফু-কার্লোস খেলেছেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও। সেবার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরেছিল ব্রাজিল। ফাইনালের আগের দিন হঠাৎ অসুস্থতায় পড়া রোনাল্ডোর দল ফ্রান্সের জিনদিনে জিদানের অতিমানবীয় পারফরম্যান্সে জিততে না পারলেও, পরের বিশ্বকাপে রোনাল্ডো জিতিয়েছেন দলকে। ব্রাজিলকে দিয়েছিলেন পঞ্চমবারের মত শিরোপার স্বাদ।

২০০২ সালে এশিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে জোড়া গোল করেছিলেন রোনাল্ডো। এটাই এখন পর্যন্ত ব্রাজিলের সবশেষ বিশ্বকাপ জয়।

গতকাল সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই ম্যাচে জমাট রক্ষণের দেখা মিলেছে ব্রাজিলের। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা প্রতিপক্ষকে একবার গোলমুখে শট নিতে দেননি।

৯২ বছরের বিশ্বকাপের ইতিহাসে এনিয়ে এমন ঘটনা দুবারই ঘটল। যার একটা ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের বিপক্ষে। সেবারও ফ্রান্সের প্রথম দুই ম্যাচে প্রতিপক্ষ তাদের গোলমুখে শট নিতে পারেনি একটাও। এবার ব্রাজিল ফ্রান্সের সেই রেকর্ডে ভাগ বসাল।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে খেলেছেন কাফু-কার্লোস, রোনাল্ডো। পরের বিশ্বকাপে তাদের সঙ্গে দিয়েছিলেন কাকাও।

কাফু চারটা বিশ্বকাপে টানা তিনটি ফাইনাল খেলেছেন। দুইবার হয়েছেন বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। বিশ্বকাপে ২০টি ম্যাচ খেলেছেন এই ডিফেন্ডার।

দুইটি ফাইনালসহ তিনটি বিশ্বকাপ খেলা রবার্তো কার্লোস বিশ্বকাপে ১৭ ম্যাচে অংশ নিয়ে করেছেন একটি গোল।

কাকা ২০০২ সালের ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। বিশ্বকাপে ১০টি ম্যাচ খেলেছেন ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার, ব্যালন ডি'অর জয়ী এই মিডফিল্ডার।

দ্য ফেনোমেনন খ্যাত রোনাল্ডো লিমা দুইবারের ব্যালন ডি'অর ও তিনবারের ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার জয়ী। বিশ্বকাপের ইতিহাসে তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। তিনবার বিশ্বকাপ খেলা এ ব্রাজিলিয়ান ১৯ ম্যাচ খেলে করেছেন ১৫ গোল। জাতীয় দলের হয়ে ৯৮ ম্যাচে করেছেন ৬২ গোল।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বাংলাদেশের পতাকা হাতে গোল উদযাপনে মেসি!

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
মেসি

মেসি

  • Font increase
  • Font Decrease

গোল করার পর বাংলাদেশের পতাকা হাতে মাঠে ছুটছেন লিওনেল মেসি। অবাক হচ্ছেন তো, হ্যাঁ- হওয়ারই কথা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ছবিই ভাইরাল হয়েছে।

বাংলাদেশি সমর্থকদের জন্য এমন ভার্চুয়াল উপহারের আয়োজন করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন।

মেসির হাতে বাংলাদেশের পতাকা হাতের এই ছবি বাংলাদেশি সমর্থকদের মন কেড়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও তা ভাইরাল হয়েছে।

এমন ছবি পোস্ট করে আর্জেন্টিনা ফুটবল এসোসিয়েশন ক্যাপশনে লিখেছে যে, ”লিওনেল মেসি বাংলাদেশ।

সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে যে, প্রায় সাড়ে চার কোটি জনসংখ্যার দেশ আর্জেন্টিনার চেয়েও তাদের বেশি সমর্থক রয়েছে বাংলাদেশে।

গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে মেক্সিকোর বিপক্ষে দুই গোলের জয় পেয়েছে মেসি-ডি মারিয়ারা। বাংলাদেশে মেসির গোল উদযাপনের ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

ব্রুনো ফার্নান্দেজও বলছেন গোলটি রোনালদোর

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ব্রুনো ফার্নান্দেজও বলছেন গোলটি রোনালদোর

ব্রুনো ফার্নান্দেজও বলছেন গোলটি রোনালদোর

  • Font increase
  • Font Decrease
কাতার বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ শেষে তিনটি দল শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে। ফ্রান্সের পর গতরাতের শেষ দুই ম্যাচ থেকে নকআউট পর্বে গেছে ব্রাজিল ও পর্তুগাল।

ব্রাজিল ১-০ গোলে সুইজারল্যান্ডকে এবং পর্তুগাল ২-০ গোলে হারিয়েছে উরুগুয়েকে।

এদিকে পর্তুগালের ম্যাচে একটি গোল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। গোলটি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নাকি ব্রুনো ফার্নান্দেজের বিতর্ক এনিয়েই। এনিয়ে খেলার সময়ে নানা কথা হয়েছে। 

ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে গোলটি করেন বিশ্বফুটবলের এই মহাতারকা। গোল হওয়ার পরেই তার স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে উল্লাস করেন রোনালদো। দুহাত তুলে সমর্থকদের অভিবাদন জানান। ব্রুনো ফার্নান্দেজসহ দলের অন্যরাও এই উদযাপনে অংশ নেন। প্রথমে তার নামেই গোলটি দেওয়া হয়।

সেই সময়ে ফিফার স্কোর শিটেও গোলটি ছিল রোনালদো নামে। ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে রোনালদোর নামে গোলটি দেখায়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সিদ্ধান্ত বদলায় তারা। ফিফা জানায়, ব্রুনোর ক্রসটি রোনালদো মাথা স্পর্শ করেনি, সরাসরি চলে যায় উরুগুয়ের জালে। ফলে এই গোল ব্রুনোর।

রোনালদো নিজেও তার অভিব্যক্তিতে ব্যাপারটি নিয়ে কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করেন, মাথা দেখিয়ে বারবার বলার চেষ্টা করেছিলেন ফার্নান্দেজের ক্রসে তিনি হেড করেছেন।

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কে রোনালদো-ব্রুনোর দূরত্ব তৈরি হয়েছে এমন এক আলোচনার সময়ে ব্রুনো ফার্নান্দেজও মনে করছেন গোলটি রোনালদো করেছেন। 

ব্রুনো বলেছেন, আমার মনে হচ্ছে, বলটা ক্রিশ্চিয়ানোর মাথা স্পর্শ করেছিল। গোলটা সে-ই করেছে। তবে আসল ব্যাপার হচ্ছে, আমরা ম্যাচটা জিতেছি এবং আমরা শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছি।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত পর্তুগাল। সোমবার লুসাইল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা। জোড়া গোল ব্রুনো ফের্নান্দেসের। দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ে গ্রুপ থেকেই ছিটকে যাওয়ার মুখে। নকআউটে যেতে গেলে পরের ম্যাচে ঘানাকে হারাতেই হবে তাদের।

আগের ম্যাচে কোনও মতে জেতার পর এ দিন প্রথম একাদশে একাধিক বদল করেন পর্তুগালের কোচ ফের্নান্দো স্যান্টোস। প্রথমে রক্ষণ জমাট রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করতে থাকে পর্তুগাল। রোনাল্ডো গোল করার জন্যে মাঝে মাঝেই উঠে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারছিলেন না। ১৮ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে নিজের জায়গায় ফ্রিকিক পান রোনাল্ডো। কিন্তু ওয়ালে লেগে তার শট কর্নার হয়ে যায়। এর পর দু’দলেরই মাঝমাঠের লড়াই দেখা যায়।

পর্তুগাল চাইছিল বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে। অন্য দিকে উরুগুয়ে অপেক্ষা করছিল প্রতি আক্রমণের। এমন করেই বিরতিতে গোলশূন্য থাকে ম্যাচের ফল। সুযোগ তৈরি করার নিরিখে এগিয়েছিল উরুগুয়ে। তবে কোনওটিই তারা কাজে লাগাতে পারেনি। পর্তুগালের দখলে বল বেশি থাকলেও ফাইনাল থার্ডে গিয়ে ভুগছিল তারা।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পর আক্রমণ বজায় রাখার ফল কিছু ক্ষণের মধ্যেই পায় পর্তুগাল। ৫৪ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে ক্রস তুলেছিলেন ব্রুনো। হেড করার জন্যে লাফিয়ে ওঠেন রোনাল্ডো। বল জড়িয়ে যায় জালে।

গোল খেয়ে মরিয়া চেষ্টা দেখা যাচ্ছিল উরুগুয়ের মধ্যে। খেলা শেষের ১৭ মিনিট আগে গোল পাওয়ার লক্ষ্যে সুয়ারেসকে নামিয়ে দেয় উরুগুয়ে। তার পরেই তাদের খেলায় আরও ঝাঁজ লক্ষ্য করা যায়। দূর থেকে গোমেজের শট লাগে পোস্টে। ফ্রিকিক থেকে সুয়ারেসের বাঁ পায়ের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

কিন্তু শেষ দিকে আবার গোল খেয়ে যায় উরুগুয়ে। বক্সের মধ্যে পর্তুগালের এক ফুটবলারকে শুয়ে পড়ে ট্যাকল করতে গিয়ে হাতে বল লাগান জিমেনেজ। পেনাল্টি থেকে দলের এবং নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ব্রুনো।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;