চুলে নতুন ছাঁট, সেরা ফর্ম নিয়ে মাঠে নামছেন নেইমার

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিটি টুর্নামেন্টে চুলের নতুন ছাঁট নিয়ে হাজির হওয়া যেন স্বাভাবিক। ঘরের মাঠে আয়োজিত ২০১৪ বিশ্বকাপে চুলের ছাঁট নিয়ে ব্রাজিলের পোস্টার বয় হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। ২০১৮-তে রাশিয়া বিশ্বকাপে তো দুই সপ্তাহের মধ্যে চারবার চুলে ভিন্ন ছাঁট দিয়ে তো শোরগোলই ফেলে দিয়েছিলেন।

ব্যতিক্রম হলো না কাতার বিশ্বকাপেও। বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময়ে দিবাগত রাত ১টায় সার্বিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে চুলে নতুন ছাঁট দিয়েছেন। সার্বিয়ানদের বিপক্ষে এই নতুন চুলের স্টাইল নিয়েই মাঠে নামবেন ৩০ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।

নেইমারের চুলে সেই নতুন ছাঁটের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন তার ব্যক্তিগত হেয়ার স্টাইলিস্ট নারিকো। নারিকো নামে পরিচিত হলেও তার আসল নাম দেইলসন দস রেইস। ২০১৫ সাল থেকেই নেইমারের ব্যাক্তিগত হেয়ার স্টাইলিস্ট হিসেবে নারিকো দায়িত্ব পালন করছেন।


ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা সেই ছবির ক্যাপশনে নারিকো লেখেন, “আস্থা রাখার জন্য ধন্যবাদ নেইমার। এ মুহূর্তের সঙ্গী হতে পেরে গর্ববোধ করছি। বিশ্বকাপে প্রথম দিনে ঈশ্বর তোমার ও ব্রাজিল দলের সহায় হোক।”

এদিকে, কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিল সম্ভাব্য সেরা অবস্থায় নেইমারকে পেতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন থিয়াগো সিলভা। ৩৭ বছর বয়সী এই সেন্টারব্যাক বলেন, “আমার ধারণা, নেইমার নিজের সেরা ফর্ম নিয়ে এবারের বিশ্বকাপে এসেছে। ওর এবারের প্রস্তুতি একেবারেই ভিন্ন। ২০১৪ বিশ্বকাপে খুব ভালো ছন্দে থাকা অবস্থায় ও চোটে পড়ে। মারাত্মক চোট থেকে ফিরে আসায় ২০১৮ বিশ্বকাপেও সে ভালো করতে পারেনি।”

থিয়াগো সিলভা আরও বলেন, “এবার তার (নেইমার) প্রস্তুতি ভিন্নরকম। কোনো প্রকার চোট ও ব্যথা ছাড়াই মাঠে নামছে। আমরা সেরা অবস্থার নেইমারকে দেখছি।”

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

যে লাল কার্ডেও আনন্দ ভিনসেন্ট আবুবাকারের

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
যে লাল কার্ডেও আনন্দ ভিনসেন্ট আবুবাকারের

যে লাল কার্ডেও আনন্দ ভিনসেন্ট আবুবাকারের

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাজিলকে হারিয়ে বিশ্বকাপে আরেক অঘটনের জন্ম দিয়েছে ক্যামেরুন। ক্যামেরুনের এই জয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে কোন আফ্রিকান দেশের প্রথম। ক্যামেরুন ম্যাচ জিতেছে ১-০ গোলে। গোলদাতা ভিনসেন্ট আবুবাকার।

এই হার যেমন ব্রাজিলের নকআউট পর্বের প্রথম ধাপে উত্তরণ বাধাগ্রস্ত করতে পারেনি, তেমনি ক্যামেরুনও যেতে পারেনি নকআউট পর্বে। তবে এটা ঐতিহাসিক অর্জন তাদের নিঃসন্দেহে।

আফ্রিকার দেশ ক্যামেরুন বিশ্বকাপে এবার নিয়ে ৮ বার অংশগ্রহণ করেছে। সর্বোচ্চ অর্জন কোয়ার্টার ফাইনালে। ১৯৯০ বিশ্বকাপে তারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে ফ্রঁসোয়া ওমাম-বিয়িকের গোলে দিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনাকে হারিয়েছিল ১-০ গোলে। হারিয়েছিল তারা রোমানিয়া এবং পরের পর্বে কলম্বিয়াকে। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে তারা হার মানে ইংল্যান্ডের কাছে।

এই আটবারের মধ্যে আগের সাতবারের অংশগ্রহণে মাত্র ৪টি ম্যাচ জিতেছিল ক্যামেরুন। আর্জেন্টিনা, রোমানিয়া, কলম্বিয়া ও সৌদি আরব ছিল কেবল এই তালিকায়। এবারের কাতার বিশ্বকাপে এবার যুক্ত হয়েছে ব্রাজিল।

শুক্রবার (২ ডিসেম্বর) কাতারের লুসাইল স্টেডিয়াম সাক্ষী হয়েছে এই ইতিহাসের। ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে দুর্দান্ত এক প্রতি-আক্রমণে ডান দিক থেকে বক্সে ক্রস বাড়ান জেরোম এনগুম। ডি-বক্সে ভেসে আসা বলে দুরন্ত হেডে বল জালে পাঠান ভিনসেন্ট আবুবাকার।

ইতিহাস সৃষ্টি করা এই গোলের পর উল্লাসে ভাসেন আবুবাকার। উচ্ছ্বাস প্রকাশে জার্সি খুলে উদযাপন করেন। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী জার্সি খুলে উদযাপন নিয়মবিরুদ্ধ বলে হলুদ কার্ড দেখতে হয়। ম্যাচে আগে আরেকটা হলুদ কার্ড পাওয়ায় দুই হলুদ কার্ড মিলিয়ে এরপর লাল কার্ড দেখতে হয় তাকে। রেফারি কার্ড দেখাতে এসে প্রথমে পিঠ চাপড়ে দেন আবুবাকারের, এরপর হাত মেলান তার সঙ্গে। তারপর লাল কার্ড দেখালে হাসিমুখে সেই লাল কার্ডও উদযাপন করেন এই ফুটবলার।

এই ম্যাচের আগে ফিফা বিশ্বকাপে মাত্র দুইবার মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল ও ক্যামেরুন। দুটি ম্যাচেই জয় ছিল ব্রাজিলের। ১৯৯৪ সালে ৩-০ ব্যবধানে এবং ২০১৪ সালে ৪-১ ব্যবধানে জয় পায় সেলেসাওরা। তবে সবমিলিয়ে ছয়বার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ব্রাজিল জিতেছে পাঁচবার। ২০০৩ সালে ফিফা কনফেডারেশন কাপে একমাত্র জয়টি আসে ক্যামেরুনের।

এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিল প্রথম হারের মুখ দেখল তখন যখন আগের দুই ম্যাচ জিতেই নিশ্চিত করেছিল শেষ ষোলো। সার্বিয়া ও সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে পাওয়া সেই জয়ের পর ক্যামেরুনের বিপক্ষে আগের ম্যাচের মাত্র দুইজনকে রেখে নয়জনকে বদল করে দল নামিয়েছিলেন কোচ তিতে। কিন্তু আফ্রিকান অদম্য সিংহ ক্যামেরুন বিশেষ করে ভিনসেন্ট আবুবাকারের গোলে এবারের একমাত্র হার দেখতে হয় তাদের। ক্যামেরুনের বিপক্ষে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচের আগে এবারের বিশ্বকাপে কোনো শট অন টার্গেটের মুখোমুখি হয়নি ব্রাজিল।

সেলেসাওদের এই হারে গত বছরের কোপা আমেরিকার ফাইনালে হারের পর যে অপরাজেয় যাত্রার শুরু হয়েছিল তাতে ছেদ পড়ল ১৭ ম্যাচ পর।

ক্যামেরুনের গোলদাতা ভিনসেন্ট আবুবাকার কাতারে তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলছেন। সৌদি প্রো-লিগের দল আল নাসেরের এই স্ট্রাইকার এরআগে খেলেছেন বেসিকতাস ও পোর্তোর মতো ক্লাবে। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে জাতীয় দলের হয়ে ৯৩ ম্যাচে ৩৭ গোল করেছেন এই স্ট্রাইকার।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডি মারিয়ার খেলা অনিশ্চিত

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডি মারিয়ার খেলা অনিশ্চিত

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ডি মারিয়ার খেলা অনিশ্চিত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা। এর মধ্যে ডি মারিয়াকে নিয়ে শোনা গেল দুঃসংবাদ। চলমান কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পোল্যান্ডের বিপক্ষে ডান পায়ের উরুতে ব্যথা অনুভব করেন ডি মারিয়া। যার কারণে কোচ তাকে দ্বিতীয়ার্ধে তুলে নেন।

এই চোটে শনিবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নকআউট পর্বের ম্যাচে অনিশ্চিত তিনি।

এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে ডি মারিয়ার অনুপস্থিতির কারণে ভুগতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে।

পোল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে কোচ লিওনেল স্কালোনি বলেছিলেন, সে ভালো আছে সবমিলিয়ে। সে উরুর উপরে কিছুটা ব্যথা অনুভব করে। এটা বাড়ার আগেই তাকে আমরা তুলে নেই। সবাই জানে সে আমাদের জন্য কত গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। এমন খেলোয়াড়কে মাঠে খেলিয়ে ইনজুরিতে পরানোর ঝুঁকি আমরা নিতে পারি না।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডি মারিয়াকে এই ম্যাচে পাওয়া যাবে কি না, এমন প্রশ্নে স্কালোনির উত্তরে পরিষ্কার কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, “গতকাল আমরা পুরোদমে অনুশীলন করিনি। মূলত আমরা অস্ট্রেলিয়া দলটাকে নিয়ে বিশ্লেষণ করেছি। আজ অনুশীলনের পর একটা পরিষ্কার ধারণা পাব। ডি মারিয়া ও অন্য ফুটবলারদের মূল্যায়ন করার পর সিদ্ধান্ত নেব। যদি ফিট থাকে, তাহলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলবে।”

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

কাতার বিশ্বকাপ: দ্বিতীয় রাউন্ডে কে কার মুখোমুখি

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর প্রথম রাউন্ডের খেলা শুক্রবার রাতে শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে নির্ধারণ হয়ে গেছে কোন ১৬টি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলবে, আর কার মুখোমুখি হবে।

প্রথম রাউন্ডে বেশ কয়েকটি অঘটন, নাটকীয়তা আর রোমাঞ্চে ভরা ম্যাচ শেষে আজ শনিবার (৩ ডিসেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। প্রতিটি ম্যাচই একেকটি ফাইনাল, জিতলে পরের ধাপে আর হারলে বিদায়।

নকআউট পর্বে কোন দলের প্রতিপক্ষ কে, কখন তারা মুখোমুখি হবে এবার তা জেনে নিন-

নকআউট পর্বের সূচি

৩ ডিসেম্বর, শনিবার, নেদারল্যান্ডস–যুক্তরাষ্ট্র রাত ৯টা

৩ ডিসেম্বর, শনিবার, আর্জেন্টিনা–অস্ট্রেলিয়া রাত ১টা

৪ ডিসেম্বর, রোববার, ফ্রান্স–পোল্যান্ড রাত ৯টা

৪ ডিসেম্বর, রোববার, ইংল্যান্ড–সেনেগাল রাত ১টা

৫ ডিসেম্বর, সোমবার, জাপান–ক্রোয়েশিয়া রাত ৯টা

৫ ডিসেম্বর, সোমবার, ব্রাজিল–দক্ষিণ কোরিয়া রাত ১টা

৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, মরক্কো–স্পেন রাত ৯টা

৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার, পর্তুগাল–সুইজারল্যান্ড রাত ১টা

এদের মধ্যে যে ৮ দল জিতবে তারা খেলবে কোয়ার্টার ফাইনালে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

সার্বিয়াকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় সুইজারল্যান্ড

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পুরো ৯০ মিনিট ধরে টান টান খেলা চলল। প্রথমে এগোল সুইজারল্যান্ড। সেই গোল শোধ করে এগিয়ে গেল সার্বিয়া। আবার ম্যাচে ফিরল সুইজারল্যান্ড। সমতা ফেরানোর পরে দ্বিতীয় বারের জন্য এগিয়ে গেল তারা। সেই গোল আর শোধ করতে পারল না সার্বিয়া। শেষ পর্যন্ত সার্বিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়ে গ্রুপ জি থেকে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিল সুইজারল্যান্ড।

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার জন্য জিততে হতো সার্বিয়া-সুইজারল্যান্ড দু’দলকেই। তাই শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতি আক্রমণের খেলা চলতে থাকে। দু’দলই প্রান্ত ব্যবহার করে খেলছিল। ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। দলের হয়ে প্রথম গোল করেন জাদরান শাকিরি। ২০ মিনিটের মাথায় বক্সের মধ্যে বল পান তিনি। বাঁ পায়ের শটে সার্বিয়ার গোলরক্ষককে পরাস্ত করে বল জালে জড়িয়ে দেন।

গোল খেয়ে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় সার্বিয়া। তার ফলও মেলে। ২৭ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরান সার্বিয়ার স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার মিত্রোভিচ। বক্সের মধ্যে থেকে হেডে গোল করেন তিনি। ৩৫ মিনিটের মাথায় খেলায় এগিয়ে যায় সার্বিয়া। এ বার তাদের হয়ে গোল করেন ভ্লাহোভিচ। বাঁ পায়ের শটে সুইজারল্যান্ডের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। কিছুটা চাপে পড়ে যায় সুইজারল্যান্ড।

বিরতির ঠিক আগে সুইসদের রক্ষাকর্তা হয়ে ওঠেন এমবোলো। সার্বিয়ার রক্ষণের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে গোল করে ২-২ করেন তিনি। ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে এমবোলোর গোলেই জিতেছিল সুইজারল্যান্ড। আরও এক বার তাদের হয়ে গোল করলেন ক্যামেরুনে জন্ম হওয়া এই স্ট্রাইকার।

প্রথমার্ধের খেলা দেখে বোঝা যাচ্ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে আরও গোল আসতে চলেছে। সেটাই হল। খেলা শুরুর তিন মিনিটের মাথায় এ বার এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। গোল করেন রেমো ফ্রুয়েলার।

দ্বিতীয় বারের এগিয়ে যাওয়ার পরে রক্ষণ আরও মজবুত করে সুইজারল্যান্ড। সার্বিয়া অনেক চেষ্টা করেও সেই রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না। মাঝেমধ্যে মাথা গরম করে ফেলছিলেন ফুটবলাররা। বেঞ্চে বসে থাকা সার্বিয়ার রিজার্ভ বেঞ্চের ফুটবলারকেও হলুদ কার্ড দেখতে হল। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল করতে পারেনি সার্বিয়া। ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে ব্রাজিলের পরে দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ষোলোয় জায়গা করে ন্যায় সুইজারল্যান্ড।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;