শেষ মুহূর্তের গোলে ধরাশায়ী বেলের ওয়েলস

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শেষ মুহূর্তের গোলে ইরানের কাছে ২-০ গোলে হেরে গেছে গ্যারেথ বেলের ওয়েলস। গোল করেন রুজবে চেশমি এবং রামিন রেজিয়ান। দু’টি গোলই হয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। ওয়েলসের গোলকিপার লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যাওয়ার পর।

ম্যাচের আগেই নজির গড়ে ফেলেন গ্যারেথ বেল। ক্রিস গুন্টারকে টপকে ওয়েলসের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচে খেলার নজির গড়লেন তিনি (১১০)। তবে ম্যাচে তাকে সেভাবে দেখা গেল। শুরুটা ভাল করে ওয়েলস। ১২ মিনিটের মাথায় কিফার মুর ইরানের গোল লক্ষ্য করে শট নেন। ডান দিক দিয়ে পাস বাড়িয়েছিলেন রবার্টস। তবে মুরের শট সরাসরি হোসেন হোসেইনির হাতে যায়।

ম্যাচের গতির বিপরীতে আক্রমণ করে হঠাৎই গোল করে দেয় ইরান। নিজেদের অর্ধে বল ক্লিয়ার করে সতীর্থকে পাস বাড়িয়েছিলেন রবার্টস। তার থেকে বল কেড়ে নেন গোলিজাদেহ। সর্দার আজমুনের সঙ্গে পাস খেলে আক্রমণে উঠতে থাকেন। এক দম শেষে পাস বাড়ান আজমুনকে। আজমুনের সামনে সুযোগ ছিল নিজেই শট নেওয়ার। কিন্তু তিনি গোলিজাদেহকে পাস দিতে যান। গোলিজাদেহ বল জালে জড়ালেও সাদা চোখেই বোঝা গিয়েছিল তিনি অফসাইড। রেফারি ভার-এর সঙ্গে কথা বলে গোল বাতিল করে দেন।

এর পর দু’দলই একে অপরকে আক্রমণ করতে থাকে। কিন্তু কেউই গোলের মুখ খুলতে পারছিল না। শেষ দিকে নুরুল্লাহির পাস থেকে আজমুন আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে কাজে লাগাতে পারেননি। তবে আজমুনকে নামানোয় এ দিন ইরানের আক্রমণ ভাগ অনেক শক্তিশালী লেগেছে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় পর্তুগাল

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত পর্তুগাল। সোমবার লুসাইল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোরা। জোড়া গোল ব্রুনো ফের্নান্দেসের। দু’বারের বিশ্বকাপজয়ী উরুগুয়ে গ্রুপ থেকেই ছিটকে যাওয়ার মুখে। নকআউটে যেতে গেলে পরের ম্যাচে ঘানাকে হারাতেই হবে তাদের।

আগের ম্যাচে কোনও মতে জেতার পর এ দিন প্রথম একাদশে একাধিক বদল করেন পর্তুগালের কোচ ফের্নান্দো স্যান্টোস। প্রথমে রক্ষণ জমাট রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করতে থাকে পর্তুগাল। রোনাল্ডো গোল করার জন্যে মাঝে মাঝেই উঠে যাচ্ছিলেন। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারছিলেন না। ১৮ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে নিজের জায়গায় ফ্রিকিক পান রোনাল্ডো। কিন্তু ওয়ালে লেগে তার শট কর্নার হয়ে যায়। এর পর দু’দলেরই মাঝমাঠের লড়াই দেখা যায়।

পর্তুগাল চাইছিল বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে। অন্য দিকে উরুগুয়ে অপেক্ষা করছিল প্রতি আক্রমণের। এমন করেই বিরতিতে গোলশূন্য থাকে ম্যাচের ফল। সুযোগ তৈরি করার নিরিখে এগিয়েছিল উরুগুয়ে। তবে কোনওটিই তারা কাজে লাগাতে পারেনি। পর্তুগালের দখলে বল বেশি থাকলেও ফাইনাল থার্ডে গিয়ে ভুগছিল তারা।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পর আক্রমণ বজায় রাখার ফল কিছু ক্ষণের মধ্যেই পায় পর্তুগাল। ৫৪ মিনিটের মাথায় এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে ক্রস তুলেছিলেন ব্রুনো। হেড করার জন্যে লাফিয়ে ওঠেন রোনাল্ডো। বল জড়িয়ে যায় জালে।

গোল খেয়ে মরিয়া চেষ্টা দেখা যাচ্ছিল উরুগুয়ের মধ্যে। খেলা শেষের ১৭ মিনিট আগে গোল পাওয়ার লক্ষ্যে সুয়ারেসকে নামিয়ে দেয় উরুগুয়ে। তার পরেই তাদের খেলায় আরও ঝাঁজ লক্ষ্য করা যায়। দূর থেকে গোমেজের শট লাগে পোস্টে। ফ্রিকিক থেকে সুয়ারেসের বাঁ পায়ের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

কিন্তু শেষ দিকে আবার গোল খেয়ে যায় উরুগুয়ে। বক্সের মধ্যে পর্তুগালের এক ফুটবলারকে শুয়ে পড়ে ট্যাকল করতে গিয়ে হাতে বল লাগান জিমেনেজ। পেনাল্টি থেকে দলের এবং নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ব্রুনো।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

কাসেমিরোর গোলে নক আউট পর্বে ব্রাজিল

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জিতলেই বিশ্বকাপের দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত। হারলে বাড়বে অপেক্ষা। এমন সমীকরণের ম্যাচে নেইমারবিহীন ব্রাজিল সুযোগ হাতছাড়া করল না। আক্রমণ আর গতি দিয়ে সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ ভেঙে দিলেন কাসেমিরো। তার একমাত্র গোলে সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নক আউট পর্বের টিকেট নিশ্চিত করল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

কাতার বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেইমার না থাকায় আক্রমণের ছন্দ কিছুটা হলেও হারিয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারল না সুইজারল্যান্ড। কাসেমিরোর ডান পায়ের দুরন্ত শটে গোল করে দলকে মূল্যবান ৩ পয়েন্ট এনে দিলেন। এই জয়ে দু’ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ জি-র শীর্ষে ব্রাজিল। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেলেন তিতের ছেলেরা।

খেলার প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণ শুরু করে ব্রাজিল। বাঁ প্রান্তে ভিনিসিয়াসকে ব্যবহার করে আক্রমণ তুলে আনার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ায় সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ। ফলে আক্রমণ করলেও তা কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাজিল। অন্য দিকে প্রতি-আক্রমণে খেলার পরিকল্পনা করে নেমেছিলেন সুইস কোচ মুরাত ইয়াকিন।

বিরতিতে দলে বদল করেন ব্রাজিলের কোচ তিতে। পাকুয়েতাকে তুলে নিয়ে রদ্রিগোকে নামান তিনি। আক্রমণে আরও গতি বাড়ানোর চেষ্টা করে ব্রাজিল। কিন্তু সজাগ ছিল সুইজারল্যান্ডের রক্ষণ।

কিন্তু প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা শুরু করে সুইজারল্যান্ড। ব্রাজিলের বক্সের কাছে মাঝেমধ্যেই পৌঁছে যাচ্ছিল তারা। চাপ কিছুটা বেড়ে যায় অ্যালিসন বেকারের উপর। কিন্তু সব আক্রমণ আটকে যায়।

৬৪ মিনিটের মাথায় সুইজারল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে দেন ভিনিসিয়াস। রদ্রিগোর পাস থেকে ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের শটে গোল করেন তিনি। প্রথমে রেফারি গোল দিলেও পরে ভার প্রযুক্তির সাহায্যে বাতিল হয় সেই গোল। আক্রমণ তৈরি করার সময় অফসাইডে ছিলেন রিচার্লিসন। সেই কারণে গোল বাতিল হল। ভিনিসিয়াস অফসাইডে না থাকলেও সতীর্থের ভুলের খেসারত দিতে হয় তাকে।

গোল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল। অ্যান্টনি ও গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে নামিয়ে আক্রমণের গতি আরও বাড়ানোর চেষ্টা করেন তিতে। কিন্তু মরিয়া খেলছিল সুইজারল্যান্ডের রক্ষণও। কোনও ভাবেই তাতে ফাটল ধরানো যাচ্ছিল না। অবশেষে গোল করে ব্রাজিল। বাঁ প্রান্ত ধরে ভিনিসিয়াস-রদ্রিগো যুগলবন্দিতে বক্সের মধ্যে বল পান কাসেমিরো। ডান পায়ে জোরালো শট মারেন তিনি। সুইজারল্যান্ডের ডিফেন্ডারের শরীরে লেগে সেই বল জালে জড়িয়ে যায়।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

ইংলিশ ফুটবলারদের টিম হোটেলে স্ত্রী-প্রেমিকারা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইংলিশ ফুটবলারদের স্ত্রী প্রেমিকারা

ইংলিশ ফুটবলারদের স্ত্রী প্রেমিকারা

  • Font increase
  • Font Decrease

নিজেদের প্রথম ম্যাচে রীতিমতো গোল উৎসব করে ইংল্যান্ড। রোমাঞ্চকর ম্যাচে ৬-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ইরানকে। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে গিয়ে সেই ইংলিশরাই খেয়েছে হোঁচট। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করেছে গোল শূন্য (০-০) ড্র।

মার্কিন ফুটবলারদের বিরুদ্ধে জিততে না পেরে বেকায়দায় আছে ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠতে হলে আগামীকাল মঙ্গলবার ওয়েলসকে হারাতেই হবে তাদের। 

সেই ম্যাচের আগে ফুটবলারদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে অবাক করা এক উদ্যোগ নিয়েছেন কোচ গ্যারেথ সাউথগেট।ফুটবলারদের স্ত্রী-বান্ধবীদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ দিয়েছেন তিনি। 

দলের হোটেলে শনিবার ফুটবলারদের স্ত্রী, বান্ধবীদের আমন্ত্রণ জানান সাউথগেট। এজন্য সন্ধ্যায় কোনো অনুশীলন ছিল তাদের। নিজেদের মতো সময় কাটিয়ে খুশি ফুটবলার এবং তাদের স্ত্রী, বান্ধবীরা।

অধিনায়ক হ্যারি কেনের স্ত্রী কেট, জর্ডান পিকফোর্ডের স্ত্রী মেগান, জ্যাক গ্রিলিশের বান্ধবী অ্যাটউডরা দলবেঁধে যান ইংল্যান্ডের টিম হোটেলে। 

বিকেলে সাড়ে ৫টা নাগাদ বিশেষ বাসযোগে টিম হোটেলে আসে স্ত্রী-প্রেমিকাররা। স্বামী, প্রেমিকদের সঙ্গে রাত কাটিয়ে সকালে তারা ফিরে গেছেন প্রমোদ তরীতে। আর ফুটবলাররা যোগ দেন অনুশীলনে।

এবার মাঠের পারফরম্যান্সে বোঝা যাবে- স্ত্রী, বান্ধবীরা কত উজ্জীবিত করে গেছেন ফুটবলারদের।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

ঘানার কাছে হেরে গেল দক্ষিণ কোরিয়া

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কাতার বিশ্বকাপে এশিয়ার দেশগুলো চমক দেখাচ্ছে। সেই দলে নাম লেখানোর সুযোগ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ারও। সোমবার (২৮ নভেম্বর) ঘানার বিরুদ্ধে দু’গোলে পিছিয়ে পড়েও সমতা ফিরিয়েছিল তারা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারতে হল ২-৩ গোলে।

প্রথম থেকে বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছিল দক্ষিণ কোরিয়া। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলছিল দেশটি। সে তুলনায় রক্ষণত্মাক ছিল ঘানা। দক্ষিণ কোরিয়ার গতির সঙ্গে পেরে উঠছিল না তারা। তবু খেলার বিপরীতে এগিয়ে যায় ঘানাই। ২৪ মিনিটে গোল করেন মহম্মদ সালিসু। বক্সে ক্রস ভাসিয়েছিলেন জর্ডান আয়িউ। দক্ষিণ কোরিয়া বল ক্লিয়ার করতে পারেননি। সালিসু বাঁ পায়ের শটে গোল করেন। তবু একটি হ্যান্ডবলের জন্য ভার-এর সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করা হয়েছিল। তবে রেফারি শেষ মেশ গোলের সিদ্ধান্তই দেন।

১০ মিনিট পরে আবার এগিয়ে যায় ঘানা। এ বার গোল মহম্মদ কুদুসের। এ বারও সেই ক্রস করেন আয়িউ। সিউং-গুকে টপকে গোল করেন কুদুস। কোরিয়া রক্ষণের তখন দিশেহারা অবস্থা। কীভাবে ঘানাকে আটকানো যাবে বুঝতেই পারছিল না তারা। প্রথমার্ধে আর গোল দিতে পারেনি ঘানা।

দ্বিতীয়ার্ধে অন্য কোরিয়াকে দেখা গেল। এ বার তারা অনেক বেশি পরিণত। অনেক বেশি গতিশীল। ঘানা বরং একটু হালকাভাবে নিয়েছিল প্রতিপক্ষকে। তার দাম চোকাতে হল পর পর দু’টি গোলে। ৫৩ মিনিটে চোয়ের হেড বাঁচিয়ে দেন ঘানার গোলকিপার আতি-জিগি। পাঁচ মিনিট পরেই গোল। বাঁ দিক থেকে দারুণ ক্রস ভাসিয়েছিলেন লি কাং ইন। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থেকে গোল করেন চো গুয়ে সুং।

তবে ম্যাচে ফিরতে সময় নেয়নি ঘানা। সাত মিনিট পরেই তাদের এগিয়ে দেন সেই কুদুস। সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে মরিয়া হয়ে লড়তে থাকে কোরিয়া। তবে শেষ রক্ষা আর হয়নি।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;