প্রথম লাল কার্ড দেখলো কাতার বিশ্বকাপ

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
প্রথম লাল কার্ড দেখলো কাতার বিশ্বকাপ

প্রথম লাল কার্ড দেখলো কাতার বিশ্বকাপ

  • Font increase
  • Font Decrease

ইরানের স্ট্রাইকার মেহদি তারেমিকে মারাত্মকভাবে ফাউল করায় লাল কার্ড পেয়েছেন ওয়েলসের গোলকিপার ওয়েন হেনেসি। কাতার বিশ্বকাপে এই প্রথম লাল কার্ড পেলেন কোনো খেলোয়াড়।

প্রথমে তাকে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও পরে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সাহায্যে লাল কার্ড দেখানো হয়।

প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড্র করা ওয়েলসের জন্য টিকে থাকার ম্যাচে হেনেসির লাল কার্ড তাদের কাজটি কঠিন করে দিল। ম্যাচটি নির্ধারিত ৯০ মিনিট পর্যন্ত গোলশূন্য ড্র ছিল।

 

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

মেসির গোলে বিশ্বকাপে টিকে রইল বাংলাদেশও!

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



কবির য়াহমদ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

লিওনেল মেসির চমৎকার গোল ও একটা গোলে সহায়তায় বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথম ম্যাচ জিতেছে। মেক্সিকোর বিপক্ষে দলটির এই জয় তাদেরকে টিকিয়ে রেখেছে বিশ্বকাপে।

কেবল কি আর্জেন্টিনাকে টিকিয়ে রাখল এই গোল? না, আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের পাশাপাশি বাংলাদেশের অগণন ফুটবলপ্রেমিকেও বিশ্বকাপে টিকিয়ে রেখেছে এই গোল। আর্জেন্টিনার এই জয় না এলে বাংলাদেশের প্রায় অর্ধেকের বিশ্বকাপই শেষ হয়ে যেত অঘ্রাণের এই মধ্যরাতে। বাংলাদেশের অর্ধেক কিংবা তর্কসাপেক্ষে তারচেয়ে বেশি মানুষকে বিশ্বকাপে টিকিয়ে রাখতে লিওনেল মেসি ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

এ ম্যাচের মাধ্যমে মেসি আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার বিশ্বকাপ রেকর্ডের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত করেছেন। ম্যারাডোনা বিশ্বকাপে খেলেছেন দেশটির পক্ষে সর্বোচ্চ ম্যাচ, ২১টি; মেসিও একই। এই ম্যাচগুলো থেকে ম্যারাডোনা গোল করেছেন ৮টি, মেসিরও গোল সংখ্যা একই। তাকে অভিনন্দন।

আর্জেন্টিনার জয়ে বাংলাদেশের জায়গায়-জায়গায় দলটির সমর্থকেরা মিছিল করেছে। তাদের এই মিছিলে আবেগ আছে, নিবেদন আছে এবং আছে নির্মোহ ভালোবাসা। তাদের এই আবেগকে সম্মান। এই আবেগের কারণে বিশ্বকাপ এলে থমকে যায় সবকিছু। কোটি চোখের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় টেলিভিশনে। এই খেলাপাগল মানুষেরা কোনো প্রাপ্তির আশা করে না। হৃদয়ের ডাকে তারা একেকটা দল সমর্থন করে। হৃদয় নিংড়ানো সেই ভালোবাসার কাছে বাকি সব তুচ্ছ। আর্জেন্টিনা সমর্থকেরাই কেবল নয়, একইভাবে আবেগী ব্রাজিল সমর্থকেরাও। তারাও প্রতি জয় উদযাপন করে।

কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত হারে বিশ্বকাপ শুরু হয়েছিল আর্জেন্টিনার। সে হারে মনোবল ঠেকেছিল তলানিতে। মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই সেটা ছিল স্পষ্ট। এলোমেলো আর অনেকটাই উদ্দেশ্যহীন প্রথমার্ধ যেন বুঝিয়ে দিচ্ছিল চাপ সামলে নেওয়ার অক্ষমতার বিষয়টি। যদিও দ্বিতীয়ার্ধে ছিল অন্য ইঙ্গিত, অন্য পরিকল্পনা, এবং ফলাফল। তবু নির্বিষ প্রথমার্ধ অন্তত আর্জেন্টিনার নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি।

ফুটবল গোলের খেলা। শেষ পর্যন্ত গোলই সাফল্য-ব্যর্থতার নির্ণায়ক। দুই গোলে জিতেছে আর্জেন্টিনা। এটাই স্বস্তির, এটাই আনন্দের। এখানে যেখানে পরিকল্পিত এবং শৈল্পিক ফুটবলের আকাঙ্ক্ষা দর্শকের সেখানে কতটা তার বাস্তবায়ন সে হিসেব গৌণ হয়ে যায়।

বিশ্বকাপ জয়ের আকাঙ্ক্ষায় কাতারে এসে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচ শেষের আগেই আর্জেন্টিনা পড়ে গেছে খাদের কিনারে। মেক্সিকোর বিপক্ষে এই জয় তাদেরকে দিয়েছে অক্সিজেন। এখন আশা আছে নকআউট পর্বে উন্নীত হওয়ার। শেষ ম্যাচটা ইউরোপের দেশ পোল্যান্ডের বিপক্ষে জিতলেই রাউন্ড অব সিক্সটিন।

ব্যক্তিগতভাবে আমি ব্রাজিল ফুটবল ভক্ত। ফুটবলে আর্জেন্টিনা আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। যদিও ঐতিহ্যে-অর্জনে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার অনেক তফাৎ, তবু ফুটবল-বাণিজ্য আর তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা আমাদেরকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। আমরা মুখোমুখি হই, একে অন্যের ব্যর্থতা কামনা করে নিজেদের সাফল্যের ছক কষি। এই ছক যদিও কার্যকর কিছু নয়, তবু আনন্দের জন্যে; নিজের সঙ্গে নিজের খেলার জন্যে। বিশ্বকাপ ফুটবলে বিনোদনের যে সকল উপকরণ সেগুলো থেকে কীভাবে নিজেদের বিযুক্ত রাখি; তাই এত আয়োজন!

মাঠের খেলায় যেখানে আমাদের কোন যোগ নেই, সেখানে আমরা খেলি সামাজিক মাধ্যমে। প্রতিপক্ষকে হাসিঠাট্টায় পরাস্ত করতে চাই, প্রতিপক্ষও একইভাবে। এখানে যেখানে নেই কোন রেফারি সেখানে আমরা নিজেরাই প্রতিযোগী, নিজেরাই রেফারি। এটা আনন্দের জন্যে, স্রেফ বিনোদনের জন্যে। এই বিনোদনই আমাদের প্রাপ্তি।

চার বছর অপেক্ষার পর আসে বিশ্বকাপ ফুটবল। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে আমরা দল-উপদলে বিভক্ত হলেও প্রকৃত অর্থে দূরে যাই না। খেলার সৌন্দর্য এখানেই। জয়ে আনন্দিত হই, পরাজয়ে হই ব্যথিত। আমাদের এই আনন্দ-বেদনার কাব্য ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা পর্যন্ত পৌঁছায় না, পৌঁছাবে না জেনে আমরা নিজেদের ব্যস্ত রাখি। ফুটবলের বৈশ্বিক আসরে নানা ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্য আছে জেনেও আমরা নিজেদের যুক্ত করি। বিনোদনের জন্যে, স্রেফ বিনোদনের জন্যে।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা নাকি অন্য কেউ, কার হাতে উঠবে শিরোপা; এটা আমরা জানি না। তবে জানি এই বিশ্বকাপ আমাদের অনেককে হাসাবে, অনেককে কাঁদাবে। সচরাচর এমনই হয়। ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা আমাদের প্রতিবেশী নয়, তবে তাদের ফুটবল প্রতিবেশীর চাইতে বেশি কিছু বানিয়েছে। স্বজন বানিয়েছে, বানিয়েছে শুভাকাঙ্ক্ষী।

বিশ্বকাপের প্রতি মুহূর্তই হোক উপভোগের। আমরা ফুটবলকে উপভোগ করতে শিখেছি, উপভোগ করে যেতে চাই; আমৃত্যু।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বিশ্বকাপের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিশ্বকাপের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের স্বপ্ন জিইয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

বাচা-মরার লড়াইয়ে মেক্সিকোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টিকে থাকলো টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট আর্জেন্টিনা। লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে মেক্সিকোর বিপক্ষে অগ্নিপরীক্ষায় নামে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধ শেষে গোল করতে ব্যর্থ হয় মেসি-ডি মারিয়ারা। তবে বিরতি থেকে ফিরে জোড়া গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা।

লুসাইল স্টেডিয়ামে শনিবার ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচের ২-০ গোলে জিতেছে লিওনেল স্কালোনির দল।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্নক ফুটবল খেলতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই অ্যাটাকে যায় তারা। তবে সেখান থেকে কোন বিপদ ঘটে না। অন্যদিকে কাউন্টার অ্যাটাক নির্ভর খেলতে থাকে মেক্সিকো।

ম্যাচের ৩১ মিনিটে কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা। সেই কর্নার কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনা। ডান প্রান্তে ডি পলকে ফাউল করলে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্টিনা। মেসির নেওয়া সেই ফ্রি কিক থেকে ঠেকিয়ে দেন মেক্সিকোর গোলরক্ষক গুইলের্মো ওচোয়া। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে আক্রমণে গেলেও তার পূর্ণতা দিতে পারেনি আর্জেন্টিনা।


এরপর কিছু আক্রমণ চালালেও তা থেকে গোল বের করতে ব্যর্থ হয় দু'দল। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য থেকে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকো।

বিরতি থেকে ফিরে গোলের আশায় মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে দু'দল। ম্যাচের ৫০ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে মেসিকে ফাউল করার কারণে হলুদ কার্ড দেখেন গুতেরেজ। মেসির নেওয়া ফ্রি কিক চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। ম্যাচের ৫০ মিনিট পেরিয়ে গেলেও গোলশূন্য থাকে দু'দল। ম্যাচের ৫৫ মিনিটে ডান দিক থেকে ডি মারিয়ার বাড়ানো বলে পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হয় আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকাররা।

এরপর থেকে আক্রমণে ধার বাড়ায় আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৫৯ মিনিটে ফ্রি কিক পায় মেক্সিকো। সেই ফ্রি কিক থেকে বিপদের সম্ভাবনা তৈরী হলেও তা ক্লিয়ার করে দেয় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডাররা।


ম্যাচের ৬৪ মিনিটে গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে বল জালে জড়ান লিওনেল মেসি। তার গোলে ম্যাচে লিড পায় আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়ে গোল শোধে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে মেক্সিকো। অন্যদিকে সমান তালে আক্রমণ করতে থাকে আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৮৭ মিনিটে কর্নার আদায় করে আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে ম্যাচের ৮৭ মিনিটে আবারও গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা। ডি বক্সের সামান্য ভেতর থেকে অসাধারণ শটে বল জালে জড়ান এন্দ্রো ফার্নান্দেজ। এই গোলের সুবাদে দুই গোলের লিড পায় আর্জেন্টিনা। সেইসঙ্গে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় মেক্সিকো।

এরপর বেশ কিছু আক্রমণ করলেও গোল পেতে ব্যর্থ হয় দু'দল। শেষ পর্যন্ত আর কোন গোল না হলে ২-০ গোলের ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলো আর্জেন্টিনা। 

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

এমবাপ্পের জোড়া গোলে প্রথম দল হিসেবে নকআউট পর্বে ফ্রান্স



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

কিলিয়ান এমবাপ্পের জোড়া গোলে ফ্রান্সের দারুণ  জয়। এই জয়ে কাতার বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করলো ফরাসিরা। প্রথমার্ধে বারবার আক্রমণ করেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ৬১ মিনিটে ড্যানিশ দুর্গ ভেঙে প্রথমবার জালে জড়ান। বেশিক্ষণ উল্লাস করতে পারেনি ফরাসিরা। ৭ মিনিট না যেতেই ক্রিসটেনসেনের গোলে সমতা আনে ডেনমার্ক।

এরপর ফ্রান্সদের ত্রাতা হয়ে আবার আসেন এমবাপ্পে। মাত্র ২ গজ দূর থেকে থাইয়ের মাধ্যমে গোল করে এগিয়ে দেন ফ্রান্সকে। এই গোলের আর সমতা আনতে পারেনি ডেনমার্ক। ২ ম্যাচে ফ্রান্সের ২টিতেই জয়। অন্যদিকে ড্যানিশদের সমান ১টি করে ড্র ও হার। শেষ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জিততে পারেলি ফ্রান্সের পর শেষ ষোলোতে যেতে পারবে তারা।

এমবাপ্পের জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ফ্রান্স। ৮৬ মিনিটে ডান দিকে একটি দারুণ ক্রস করেন গ্রিজম্যান। গোলের দুই গজ দূরে থাকা এমবাপ্পে লাফিয়ে উঠে থাইয়ের টোকায় বল পাঠিয়ে দেন জালে। ড্যানিশ গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না বাঁচানোর। ফ্রান্সের হয়ে শেষ ১২ ম্যাচে তিনি ১৪ গোল করেন।

এমবাপ্পের গোলের ৭ মিনিট পরেই ডেনমার্কের গোল। এরিকসেন একটি দারুণ কর্নার কিক নেন। ডান দিকে বল এলে সেখানে থাকা অ্যান্ডারসেন গোলমুখে পাঠান ক্রিসটেনসেনের কাছে। ক্রিসটেনসেন লরিসকে ফাঁকি দিয়ে জড়ান ফরাসিদের জালে। ১-১ গোলে সমতা। 

অবশেষে এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে ফ্রান্স। ৬১ মিনিটে লক্ষ্যভেদ করেন ফরাসি স্ট্রাইকার। ডি বক্সের বাঁ পাশ দিয়ে হার্নান্দেজ ঢুকেন বল নিয়ে। ওয়ান টু ওয়ান পাসে আবার যায় এমবাপ্পের কাছে। নিখুঁত শটে ড্যানিশদের জালে বল পাঠিয়ে দেন এমবাপ্পে। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েও রুখতে পারেননি ড্যানিশ গোলরক্ষক।

ফ্রান্স ও ডেনমার্কের মধ্যকার ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হয়েছে। অবশ্য ফ্রান্স বেশ কিছু সুযোগ পেয়েও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেনি। তারা ১৩টি শট নিয়েছিল। তার মধ্যে তিনটি ছিল অন টার্গেটে। অন্যদিকে ডেনমার্ক অন টার্গেটে একটিও শট নিতে পারেনি।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

বিশ্বকাপে ‘গোলমেশিন’ লেভার প্রথম গোল

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
বিশ্বকাপে ‘গোলমেশিন’ লেভার প্রথম গোল

বিশ্বকাপে ‘গোলমেশিন’ লেভার প্রথম গোল

  • Font increase
  • Font Decrease

পোল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক গোল তার সর্বোচ্চ, ক্লাব ফুটবলে করে থাকেন একের পর এক গোল। তাকে বলা হয় ‘গোলমেশিন’ও। কিন্তু বিশ্বকাপের বিশ্বমঞ্চে যেন অন্য এক রবের্ত লেভানডফস্কি। নামের প্রতি সুবিচার করা হয়নি তার এতদিন, পাওয়া হয়নি গোল।

অবশেষে সেই অপেক্ষা ফুরোল। কাতার বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে এসে গোল করলেন এই সময়ের অন্যতম সেরা এই স্ট্রাইকার।

প্রথম ম্যাচে অবশ্য মেক্সিকোর বিপক্ষে গোলের খুব কাছাকাছি গিয়েও পাননি গোল। মেক্সিকোর গোলরক্ষক গিয়ের্মো ওচোয়া ঠেকিয়ে দেন লেভার পেনাল্টি শট।

এই বিশ্বকাপের আলোচিত দল সৌদি আরবের বিপক্ষে আজ শনিবার (২৬ নভেম্বর) খেলতে নেমে অবশেষে সেই আরাধ্য গোলের দেখা পেলেন লেভানডফস্কি। আগের ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারানো সৌদি আরবের জাল কাঁপান তিনি ম্যাচের ৮২ মিনিটে।

এটাই বিশ্বকাপে এবারের বিশ্বকাপে তার প্রথম গোল। এবারের বিশ্বকাপেই কেবল নয়, ক্যারিয়ারের প্রথম বিশ্বকাপ গোলও। এই ম্যাচসহ বিশ্বফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে ম্যাচ খেলেছেন তিনি ৫টি, গোলের জন্যে শট নিয়েছেন ১৫টি।  

এরআগে অবশ্য প্রথম গোলের অ্যাসিস্ট করেছিলেন এই স্ট্রাইকার। ১৯৮২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্টের পোলিশ রেকর্ডের ভাগ বসালেন লেভা।

সৌদি আরবের বিপক্ষে পোল্যান্ড ম্যাচ জিতেছে ২-০ গোলে। এই জয়ে রাউন্ড অব সিক্সটিনের আশা বাঁচিয়ে রেখেছে ইউরোপের দেশটি। প্রথম ম্যাচে তারা মেক্সিকোর বিপক্ষে ড্র করেছিল।

৩৪ বছর বয়েসি রবের্ত লেভানডফস্কি এনিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ৭৭ গোল করলেন। জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখ থেকে এবার স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনায় আসা লেভানডফস্কি এ মৌসুমে ১৯ ম্যাচে করেছেন ১৮ গোল। এরআগে বায়ার্ন মিউনিখে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে করেছেন ৩৪৪ গোল।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;