সেমিফাইনাল হারের দায় নিজের কাঁধে নিলেন বিয়েলসা



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শুরুতে গোল হজম করলেও তার জবাব দেওয়ার যথেষ্ট সময় এবং সুযোগ এসেছিল উরুগুয়ের হাতে। আরেকটা সুবিধা ছিল যে কলম্বিয়া খেলোয়াড় সংখ্যা হয়ে গিয়েছিল দশ জন। সব মিলিয়ে উরুগুয়ের সামনে সুযোগ ছিল ম্যাচে ফেরার, এমনকি ম্যাচটা নিজেদের নামে করে নেওয়ার। কিন্তু সে সুযোগটা ২০১১ সালের কোপা চ্যাম্পিয়নরা কাজে লাগাতে পারেনি। এই হারের দায় মাথা পেতে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা।

দুই দলের প্রতিভার দিকে তাকালে নিজের দলকেই শ্রেয়তর মনে হতো বিয়েলসার। তিনি বলেন, ‘আপনি যদি দুটো দলের ব্যক্তিগত প্রতিভাগুলোর দিকে তাকান, তাহলে উরুগুয়ের সামনে ম্যাচটা জেতার সুযোগ ছিল বেশি। কিন্তু আমরা পার্থক্য গড়ে দিতে পারিনি। যদিও একটা সময় আমি মনে করেছিলাম, আমরা বুঝি কাজটা করে ফেলতে পারব। আপনি যদি দুই দলের খেলার দিকে তাকান, তাহলেই বুঝতে পারবেন।’

এমন একটা দল নিয়েও ফল বের করে আনতে পারেননি, তাই হতাশায় পুড়ছেন আর্জেন্টাইন এই কোচ। তিনি বলেন, ‘‘আমার কাছে খেলোয়াড় ছিল যারা প্রতিপক্ষের চেয়ে ভালো। এ দল নিয়েও আমি ফল আনতে পারিনি, এর দায় আমার একারই।’

এমন হারের পর কলম্বিয়া কোচকে তার নিজের চেয়ে ভালো বলতেও দ্বিধা নেই বিয়েলসার। তিনি বলেন, ‘আমরা বাড়তি খেলোয়াড় নিয়ে খেলার সুযোগটা কাজে লাগাতে পারিনি। যখন একটা দল কম প্রতিভাবান খেলোয়াড় নিয়ে জেতে, তখন যুক্তি দিয়ে দেখলে বলা যায় যে কোনটা তাদের দলকে জিতিয়েছেন, তিনি প্রতিপক্ষ দলে থাকা সেরা খেলোয়াড়গুলোর কোচের চেয়ে ভালো।’

বিয়েলসা আফসোসে পুড়ছেন বটে, কিন্তু তার আফসোসের পুরোটা প্রথমার্ধ নিয়ে। ডারউইন নুনিয়েজ যে এই সময় দুটি সুযোগ নষ্ট করেছেন! এছাড়াও সুযোগ এসেছিল। তবে কলম্বিয়ার ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের খেলা নিয়ে অভিযোগই করলেন বিয়েলসা।

তিনি বলেন, ‘প্রথমার্ধে আমাদের বলের দখল কম থাকলেও আমাদের সামনে সুযোগ এসেছিল, আমাদের গোল করা উচিত ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে যখন কলম্বিয়া দশ জন নিয়ে খেলল, তখন ম্যাচটা বারবার বন্ধ হচ্ছিল। খেলা একবার চালু হচ্ছিল, আরেক বার বন্ধ হচ্ছিল। আমাদের আরও বেশি সুযোগ তৈরি করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করা উচিত ছিল। তারাও গোল করতে পারত, কারণ তাদের সামনে পরিষ্কার সুযোগ ছিল।’

সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার কাছে এই হারের পর উরুগুয়ে এখন খেলবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে। কানাডার বিপক্ষে এই ম্যাচ হবে আগামী রোববার সকাল ৬টায়।

ইউরোর সেরা একাদশে নেই রোনালদো-এমবাপে



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কিলিয়ান এমবাপে-ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

কিলিয়ান এমবাপে-ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরো-২০২৪ এর সেরা একাদশে জায়গা হলো না ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে ও পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর। মজার ব্যাপার হলো এই একাদশে জায়গা হয়নি সোনার বুট জয়ী ইংল্যান্ডের হ্যারি কেনেরও।

এবারের ইউরোতে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে বাছাই করে সেরা একাদশ ঘোষণা করল আয়োজক উয়েফা। যে একাদশে আছেন ইউরো জয়ী স্পেনের ছয় খেলোয়াড়। ফাইনালে খেলা ইংল্যান্ডের আছেন মাত্র একজন ফুটবলার। ফ্রান্সের দু’জন ফুটবলার এবং জার্মানি ও সুইজারল্যান্ডের আছেন একজন করে।

এবারের আসরে সোনার বুট জিতেছেন ছয় খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের হ্যারি ইউরোর সেরা একাদশে জায়গা না পেলেও জায়গা পেয়েছেন সোনার বুট জয়ী অলমো ও মুসিয়ালা। এবারের ইউরো কাপে সেরা তরুণ ফুটবলারের পুরস্কার পেয়েছেন ইয়ামাল এবং সোনার বল জিতেছেন রদ্রি।

উয়েফার বেছে নেওয়া সেরা একাদশ-

গোলরক্ষক: মাইক মেইগনান (ফ্রান্স)
ডিফেন্ডার: মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন), উইলিয়াম সালিবা (ফ্রান্স), মানুয়েল আকাঞ্জি (সুইজারল্যান্ড), কাইল ওয়াকার (ইংল্যান্ড)
মিডফিল্ডার: ফ্যাবিয়ান রুইজ (স্পেন), দানি অলমো (স্পেন), রদ্রি (স্পেন), নিকো উইলিয়ামস (স্পেন)
ফরোয়ার্ড: জামাল মুসিয়ালা (জার্মানি), লামিনে ইয়ামাল (স্পেন)।

;

কোন আপত্তি নেই এমবাপের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
কিলিয়ান এমবাপে

কিলিয়ান এমবাপে

  • Font increase
  • Font Decrease

একদিন আগেই কিলিয়ান এমবাপেকে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গ্যালারি ভর্তি সমর্থকদের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয় রিয়াল মাদ্রিদ। রিয়ালের জার্সি গায়ে জড়ানোর পর প্রথম বারের মতো সংবাদ সম্মেলন করলেন এমবাপে। মাঠে কোন পজিশনে খেলবেন তিনি এই প্রশ্নের জবাবে বললেন, ‘কোচ যেখানে খেলাতে চান আমি সেখানেই খেলব।’

রিয়ালে যেন বসন্ত-কাল চলছে। বিশ্বের সেরা আক্রমণভাগ তাদের দখলে। কারণ ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, জুড বেলিংহাম, রদ্রিগোদের সঙ্গে এবার নুতন মুখ কিলিয়ান এমবাপে।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও নাকি বার্তা পাঠালেন এমবাপেকে! সংবাদ সম্মেলনে এই ফরাসি খেলোয়াড় জানিয়েছেন, ‘ভিনি আমাকে খুদে বার্তা পাঠিয়ে বললো- চলে আসো, আমরা আক্রমণভাগে একসঙ্গে খেলব। রিয়াল মাদ্রিদ যে বিশ্বের সেরা ক্লাব, সেটি আমার বলে দিতে হবে না। খেলোয়াড়রা আমাকে চায়, এটা জেনেই ভালো লেগেছে।’

পিএসজিতে গেল মৌসুমে বাঁ উইংয়ে খেলেছেন এমবাপে। তবে এই পজিশনে রিয়ালের হয়ে দুর্দান্ত খেলেছেন ভিনিসিয়ুস। অপর দিকে ডান উইংয়ে রদ্রিগোকে রেখে তাদের পেছনে বেলিংহামকে খেলান রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তাহলে কোথায় খেলবেন এমবাপে?

এই প্রশ্নের জবাবে এমবাপে বলেছেন, ‘কোচ যেখানে খেলাতে চান আমি সেখানেই খেলব। প্যারিসে আমি আক্রমণভাগে তিনটি পজিশনে খেলেছি, সেটা মোনাকো ও ফ্রান্সের ক্ষেত্রেও। তাই পজিশনটা কোনো বিতর্কের বিষয় নয়।’

;

‘আতিকের মৃত্যু ক্রীড়াঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি’



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
শুটার আতিকুর রহমান

শুটার আতিকুর রহমান

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র শুটার আতিকুর রহমানের মৃত্যুতে শোকাহত গোটা ক্রীড়াঙ্গন। আজ বুধবার রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে শুটার আতিকের বয়স ছিল ৫৯ বছর।

কমনওয়েলথে প্রথম স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান এমপি। শোকবার্তায় মন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় মন্ত্রী নাজমুল হাসান বলেন, ‘কমনওয়েলথ গেমস শুটিংয়ে বাংলাদেশের প্রথম স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকুর রহমান। দেশের শুটিং এর উন্নয়ন তথা গোটা ক্রীড়াঙ্গনে তাঁর অনবদ্য অবদানের জন্য তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর মৃত্যু দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।’

১৯৯০ সালে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড কমনওয়েলথ গেমসে আতিকুর রহমান ১০ মিটার পিস্তল ইভেন্টে আব্দুস সাত্তার নিনির সঙ্গে জুটি গড়ে স্বর্ণ জেতেন। ব্যক্তিগত ইভেন্টে জেতেন ব্রোঞ্জ। কমনওয়েলথের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ান গেমসেও স্বর্ণ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে আতিকুর রহমানের।

এমন অর্জনের স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি। শুটার আতিক পেয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক স্বাধীনতা পুরস্কার।

;

স্পেনের ফুটবল প্রধান দুই বছর নিষিদ্ধ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ইউরো জিতে দেশে ফেরার পর পেদ্রো রোচার (মাঝে)

ইউরো জিতে দেশে ফেরার পর পেদ্রো রোচার (মাঝে)

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউরো ২০২৪-এর ট্রফি ঘরে তুলেছে স্পেন ফুটবল দল। কিন্তু স্পেন ফুটবল নিয়ে সমালোচনাও যেন থামছে না। এবার আলোচনার কেন্দ্রে তাদের ফুটবল প্রধান পেদ্রো রোচা। আচরণবিধি ভেঙে তোপের মুখে তিনি। স্পেনের ফুটবলে পেদ্রো রোচাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করল দেশটির প্রশাসনিক ক্রীড়া আদালত।

মঙ্গলবার আদালত এক রায়ে রোচার নিষিদ্ধের ব্যাপারটি নিশ্চিত করে। এর আগে ‘খুব গুরুতর অসদাচরণের’ জন্য রোচার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল দেশটির প্রশাসনিক ক্রীড়া আদালত। ২ বছর নিষিদ্ধের পাশাপাশি ৩৩ হাজার ইউরো জরিমানাও করা হয় রোচাকে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা চার কোটি টাকারও বেশি।

চুমুকাণ্ডে জড়িত সভাপতি লুইস রুবিয়ালেসের বিদায়ের পর অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন রোচা। তারপর এই এপ্রিলে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন রোচা।

স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে রোচার একমাত্র দায়িত্ব ছিল নতুন সভাপতি নির্বাচন করা। দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায় সাধারণ সম্পাদক আন্দ্রেও কাম্পসসহ বেশ কিছু সিনিয়র সদস্যদের বরখাস্ত করেছিলেন রোচ। যা ক্ষমতার অপব্যাবহার ছাড়া আর কিছুই নয়।

এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে রোচা ও সাবেক সভাপতি রুবিয়ালেসের বিরুদ্ধে স্প্যানিশ বিচার বিভাগ তদন্তও শুরু করেছে।

;