মুস্তাফিজকে ছাড়া একাদশ! ভারতও বিস্মিত



আপন তারিক, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম, ইন্দোর (ভারত) থেকে
মুস্তাফিজুর রহমান, ছবি: সংগৃহীত

মুস্তাফিজুর রহমান, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মুস্তাফিজুর রহমান একাদশে নেই! সকালে ইন্দোর টেস্টের বাংলাদেশ একাদশটা রীতিমতো বিস্ময়ের জন্ম দিল ভারতীয় শিবিরে! বিশেষ করে প্রেসবক্সে ভারতীয় সাংবাদিকরা তো দুলছিলেন বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের দোলায়! তালিকায় ভুল দেখছি না তো?

ঘটনা কি? দ্য ফিজ কেন নেই একাদশে? আগের দিন বিরাট কোহলি তো বড় হুমকি হিসেবে দেখেছিলেন তাকে। প্রতিপক্ষ যাকে আতঙ্ক হিসেবে দেখছে টাইগাররা কীনা তাকে ছাড়াই খেলতে নামল?

বৃহস্পতিবার শুরু ইন্দোর টেস্টে টাইগার ম্যানেজমেন্ট একাদশে রাখেনি পেসার মুস্তাফিজকে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে নখদন্তহীন বোলিংয়ের পর দ্য ফিজে আস্থা রাখতে পারেননি তারা। পেস আক্রমণে আবু জায়েদ চৌধুরির সঙ্গে আছেন এবাদত হোসেন।

মুস্তাফিজের না থাকাটা যারপরনাই বিস্মিত করেছে ভারতীয় সাংবাদিকদের। বার্তাটোয়েন্টিফোরের সঙ্গে সেই বিস্ময়ের কথাই জানাচ্ছিলেন বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়ার (পিটিআই) স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট কুশান সরকার। বলছিলেন, 'আমি তো খুবই অবাক হচ্ছি। এখন এটা দিনের শেষে বাংলাদেশ ক্যাম্প থেকে যেই আসবে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে-আমি জানতে চাইবো যে মুস্তাফিজের ইনজুরি আছে কীনা? যদি ইনজুরি থেকে থাকে তাহলে অন্য ব্যাপার। অবশ্য তখন আরেকটি প্রশ্ন উঠবে ইনজুরি থাকার পরও তাকে কেন দলে রাখা হলো? নেটে তো বল করতে দেখলাম আগের দিন, তখন তো কিছু মনে হলো না!'

কুশান সরকার আরও কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন। পিটিআই-এর এই সাংবাদিক বলছিলেন, 'ফিট যদিই না থেকে থাকে তাহলে নির্বাচকরা কেন ওকে দলে রাখল, তাহলে তো সেটা অন্যায় ব্যাপার হলো। ইন্দোরের পিচে প্রথম দিনই বল যেভাবে সিম করছে, যেভাবে মুভমেন্ট হচ্ছে সেখানে মুস্তাফিজের মতো বোলার দরকার ছিল। তাছাড়া যদি দেখি অভিজ্ঞতা, এবাদত হোসেন ও আবু জায়েদকে আমি ছোট করছি না কিন্তু ওদের থেকে তো মুস্তাফিজের কোয়ালিটি বেটার। অভিজ্ঞতাও বেশি। যেটা বিরাট কোহলি বলেছেন। তিনি রেখে ঢেকে বলেননি। সোজাসুজি কথা বলেছেন। তিনি মুস্তাফিজকে ইন্টারন্যাশনালি খেলেছেন। আইসিসির ইভেন্টে খেলেছেন। আবারও আইপিএলেও দেখা হয়েছে। আমি তো খুবই বিস্মিত! গতকাল চোট লেগেছিল কীনা, নাকি চোট লুকিয়েছেন অনেক প্রশ্ন আমার মনে।'

আইপিএল খেলার সুবাদে ভারতে আলাদা একটা পরিচয় আছে মুস্তাফিজের। একারণেই আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই ম্যাচ শুরুর আগের দিন বুধবার ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি বলেছিলেন, 'অবশ্যই ও খুবই ভালো একজন বোলার। ওর বিপক্ষে আগেও খেলেছি আমরা। ও লাল বলেও বেশ কিছু ম্যাচ খেলেছে। নিশ্চিত করেই ওর দিকে বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে আমাদের। কারণ, আমাদের দলে না থাকায় বাঁহাতি পেসার আমরা তেমন একটা খেলি না। তবে আমরা এই চ্যালেঞ্জ নিতে তৈরি আছি।'

কিন্তু ইন্দোরে বাঁহাতি এই পেসারকে খেলতে হচ্ছে না। টাইগার একাদশে দ্য ফিজকে না দেখে টাইমস অব ইন্ডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিক গৌরব গুপ্তা জানাচ্ছিলেন, 'যৌক্তিকভাবে যদি বিষয়টা দেখি তবে তো মুস্তাফিজের এই টেস্টে থাকার কথা ছিল। কারণ এই উইকেটে সিমাররা বাড়তি সুবিধা পাবে। তবে আগের দিনই অবশ্য আমার সূত্র থেকে বুঝতে পারছিলাম, ওর ফিটনেসে ঘাটতি আছে। হয়তো ওকে ইডেনে পিঙ্ক বলের দিবা-রাত্রির টেস্টে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তারপরও এটা আমার কাছে বিস্ময় লাগছে যে ওর মতো বোলারের ওপর বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট আস্থা রাখতে পারেনি।'

মুস্তাফিজকে দলে না রাখাটা বাংলাদেশ দলের জন্য বড় ক্ষতি হিসেবেই দেখছেন গৌরব গুপ্তা। তবে টি-টোয়েন্টিতে এই পেসারের ব্যর্থতার কথাও মনে করিয়ে দিলেন তিনি। দ্য ফিজ না থাকায় দলের অন্য পেসারদের সুযোগ কাজে লাগানোর প্রেক্ষাপট তৈরি হবে বলে বিশ্বাস এই ভারতীয় সাংবাদিকের।

আরেক ভারতীয় সিনিয়র সাংবাদিক সন্দ্বীপন ব্যানার্জির সঙ্গেও কথা হলো এনিয়ে। যিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের দৃশ্যপটটাও বেশ কয়েক বছর ধরে অনুসরণ করছেন। ফ্রিল্যান্স এই রিপোর্টার ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামের প্রেসবক্সে দাঁড়িয়ে বার্তাটোয়েন্টিফোরকে বলছিলেন, 'বেশ কয়েক বছর ধরে আমি মুস্তাফিজকে ক্লোজলি ফলো করছি। আমার যেটা মনে হয় বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট ওর ফিটনেস নিয়ে নিশ্চিত নয়। ওর ফর্মটা ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে আমরা যেমনটা দেখেছি, ও সেই কাটারের ওপর নির্ভর করছে। এই ধরনের উইকেটে টেস্টে সেই অস্ত্রগুলো তো পুরোপুরি আইডল নয়। আমার মনে হয় বাংলাদেশ ওকে কলকাতায় গোলাপি বলের টেস্টের জন্য রেখে দিচ্ছে। এই টেস্টটা খেলে ওর যাতে ইনজুরি না হয়। ইডেনে বাংলাদেশকে তিনজন মেইন পেসার খেলাতেই হবে। মুস্তাফিজকে ওই ম্যাচের জন্য বাঁচিয়ে রাখতেই হয়তো এখানে বিশ্রামে রাখা হয়েছে।

এই ভারতীয় দলের যদি আপনি পারফরম্যান্স দেখেন ওরা খুবই ভালো। কিন্তু কখনো কখনো বাঁহাতি পেসারদের বিরুদ্ধে একটু স্ট্রাগল করে। এক্ষেত্রে মুস্তাফিজকে না দেখতে পারা কোহলিদের জন্য একটু ভালো।'

সেই ভালোটাই ভারতীয় দলকে উপহার দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। এখন দেখার একটাই আবু জায়েদ চৌধুরির আর ইবাদত হোসেন কতোটা সামাল দিতে পারেন কোহলি-রোহিত শর্মাদের!

   

চেন্নাইয়ের জার্সিতে খেলার স্বপ্ন দেখতেন মুস্তাফিজ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএলে খেলা নিয়ে কম কথা হয়নি। বিশেষ করে আইপিএলের মাঝপথে তাকে জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য দেশে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নে বিসিবি পরিচালকদের মধ্যেও মতদ্বৈধতা দেখা গেছে। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান জালাল ইউনুস এও বলেছিলেন, আইপিএল খেলে মুস্তাফিজের শেখার কিছু নেই। তবে মুস্তাফিজ নিজে কিন্তু সেভাবে ভাবছেন না। বরং আইপিএলে খেলার কিছু উপকারী দিক খুঁজে পেয়েছেন দেশের অন্যতম সেরা এই পেসার।

চেন্নাই সুপার কিংসের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের সঙ্গে আলাপে নিজের ব্যক্তিজীবন এবং ক্রিকেট ক্যারিয়ারের বেশকিছু বিষয় খোলাসা করেছেন মুস্তাফিজ। আইপিএলের মতো টুর্নামেন্টে খেলা নিয়ে তার ভাবনা বর্ণনা করতে গিয়ে মুস্তাফিজ বলেন, ‘আইপিএলে সব দেশের তারকা ক্রিকেটাররা থাকে। এখানে সাফল্য পেলে অন্যত্র সফল হওয়া সহজ হয়ে যায়।’

২০১৬ সালে আইপিএলে অভিষেক হয় মুস্তাফিজের। প্রথম আসরে খেলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে। সেবার অরেঞ্জ আর্মির হয়ে শিরোপাও জিতেছিলেন, হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান ক্রিকেটার। এরপর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স, রাজস্থান রয়্যালস এবং দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতেও দেখা গেছে তাকে।

তবে সবসময়ই তার ভেতর সুপ্ত বাসনা ছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়ের হয়ে খেলার। মুস্তাফিজের ভাষায়, ‘চেন্নাইয়ের হয়ে এবারই প্রথম খেলছি। ২০১৬ সালে আইপিএলে অভিষেকের পর থেকেই চেন্নাইয়ের হয়ে খেলার স্বপ্ন ছিল। যেদিন চেন্নাইয়ের তরফ থেকে ডাক পাই, আমি ওই রাতে ঘুমাতে পারিনি।’

চেন্নাই সুপার কিংস তারকায় ঠাঁসা এক দল। মহেন্দ্র সিং ধোনির মতো বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক দলটির সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ। এছাড়া কোচিং প্যানেলেও রয়েছেন স্টিফেন ফ্লেমিং, মাইক হাসি, ডোয়াইন ব্রাভোর মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটাররা। তাদের সান্নিধ্যে থেকে, দিকনির্দেশনায় খেলে কী শিখতে পেরেছেন সেটাও অকপটেই জানালেন মুস্তাফিজ, ‘মাহি ভাই, ডিজে ব্রাভোরা ডেথ ওভারে ফিল্ডিং সাজানো নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন, এই বিষয়গুলো কাজে লেগেছে। (ধোনির সঙ্গে) বোলিং নিয়ে মূলত কথা হয়। মাঠেই বেশি কথা হয়। মাহি ভাই নিজে এসেই আমাকে বলেন কোনটা কীভাবে করলে ভালো হয়।’

আইপিএলের চলতি আসরে এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচ খেলে ১২ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন মুস্তাফিজ। চেন্নাইয়ের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এখন তিনিই। যদিও শেষ কয়েক ম্যাচে বেশ খরুচে বোলিং করেছেন। তবে বাংলাদেশে ফেরার আগে আরও দুইটি ম্যাচে খেলার সুযোগ পেতে পারেন মুস্তাফিজ। সে দুটি ম্যাচে নিশ্চয়ই নিজের সেরাটা মেলে ধরতে চাইবেন ‘কাটার মাস্টার’খ্যাত এই গতিতারকা।

;

আচমকা অবসরে পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হঠাৎ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাট চুকানোর ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের তারকা নারী ক্রিকেটার বিসমাহ মারুফ। দীর্ঘ ১৭ বছরের খেলোয়াড়ি জীবনে পাকিস্তানের জার্সিতে রেকর্ড ১৩৬ ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়লেও লিগে খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩২ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।

দীর্ঘসময় পাকিস্তানের নারী দলের নেতৃত্ব দেয়া বিসমাহর অধীনে মোট ৯৬টি ম্যাচ খেলেছে দল। ৬২ টি-টোয়েন্টি ও ৩৪টি ওয়ানডেতে পাকিস্তানের অধিনায়কত্ব করেছেন তিনি।

ব্যাট-বল তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়ার মুহূর্তে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি-দুই ফরম্যাটেই পাকিস্তানের জার্সিতে সর্বোচ্চ রান বিসমাহর। ১৩৬ ওয়ানডেতে ২৯.৫৫ গড়ে তার রান ৩ হাজার ৩৬৯। এই ফরম্যাটে ২১ বার ফিফটি করলেও সেঞ্চুরির দেখা পাননি। টি-টোয়েন্টিতে ১৪০ ম্যাচে মারুফের রান ২৮৯৩, ফিফটি ১২টি।

আচমকা অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়া প্রসঙ্গে মারুফ জানান, ‘আমি যে খেলাটিকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি তা থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য যাত্রা, চ্যালেঞ্জ, জয় এবং অবিস্মরণীয় স্মৃতিতে ভরা। আমি আমার পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই, যারা আমার ক্রিকেট যাত্রায় শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আমাকে সমর্থন করেছে।’

;

রনির তাণ্ডবে তামিম-মুশফিকদের হার



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের সুপার লিগ পর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে মোহামেডান। রনি তালুকদারের বিস্ফোরক সেঞ্চুরিতে প্রাইম ব্যাংককে ৩৩ রানে হারিয়েছে সাদাকালোরা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে হয় মোহামেডানকে। রনি তালুকদারের সেঞ্চুরি আর মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন এবং মেহেদী হাসান মিরাজের ফিফটিতে ব্যাটিংটা উপভোগ করে তারা। ৫০ ওভার শেষে তাদের স্কোরবোর্ডে শোভা পায় ৬ উইকেটে ৩১৭ রানের বড় সংগ্রহ।

১৩১ বলে ৮ চার এবং ৯ ছক্কায় ১৪১ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস আসে রনির ব্যাটে। রুবেল হোসেনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ঠিক ৫০ রান করেন ফর্মে থাকা অঙ্কন। মিরাজ ২৯ বলে ৭ চার ও ১ ছয়ে খেলেন  ৫৩ রানের হার না মানা ইনিংস। প্রাইম ব্যাংকের পক্ষে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন শেখ মেহেদী।

জবাব দিতে নেমে মোহামেডানের স্কোর টপকে যাওয়ার চেষ্টা কম করেনি প্রাইম ব্যাংক। ওপেনার তামিম ইকবাল (১৪) ব্যর্থ হলেও লড়াই চালিয়ে যান শাহাদাত দিপু, শেখ মেহেদী, সানজামুলরা। তবে তাদের কেউই তিন অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। সেট হয়েও ফিরেছেন আক্ষেপ সঙ্গী করে।

প্রাইমের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৪ রান আসে শেখ মেহেদীর ব্যাটে। ৫১ রান করেন শাহাদাত দিপু। ১ রানের জন্য ফিফটি মিস হয় সানজামুলের। তাদের প্রচেষ্টার পরও ৪৮.৫ ওভারে ২৮৪ রানে গুটিয়ে যায় প্রাইম ব্যাংক। মোহামেডানের হয়ে সমান দুটি করে উইকেট নেন আবু হায়দার রনি, মুশফিক হাসান এবং নাসুম আহমেদ।

;

শেখ জামালের কাছে হেরে শিরোপা-স্বপ্ন শেষ শাইনপুকুরের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে এবার চমকের পর চমক দেখিয়েছে শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব। প্রথম পর্বে আবাহনীর পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পয়েন্ট নিয়ে সুপার লিগে জায়গা করে নেয় তারা। সুপার লিগেও প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছিল দলটি। তবে সুপার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে এসে হোঁচট খেতে হল তাদের। দলটিকে ৭ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব।

বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নামে শাইনপুকুর। জিসান আলম ও অধিনায়ক আকবর আলির ব্যাটে লড়াকু সংগ্রহ পায় তারা। ৪৬.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে তারা স্কোরবোর্ডে জমা করে ২৬৪ রান।

দুই রানের জন্য সেঞ্চুরি মিসের আক্ষেপে পোড়েন শাইনপুকুর ওপেনার জিসান আলম। তাইবুর রহমানের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে তাকে থামতে হয় ৯৮ রানে। ৬৪ রান আসে আকবর আলির ব্যাটে।

শেখ জামালের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন তাইবুর।

২৬৫ রান তাড়া করতে নেমে ওপেনার সাইফ হাসানের ফিফটি ও তিনে নামা ফজলে মাহমুদ রাব্বির সেঞ্চুরিতে ৪৬.২ ওভারেই লক্ষ্য পৌঁছে যায় শেখ জামাল।

নাহিদ রানার বলে তানজিদ হাসান তামিমের ক্যাচ হওয়ার আগে ৬৭ রান করেন সাইফ। অন্যদিকে সমান ছয়টি করে চার-ছক্কায় ১০১ রানের হার না মানা ইনিংসে দলকে জিতিয়ে তবেই মাঠ ছাড়েন ফজলে মাহমুদ।

এই হারে শিরোপার স্বপ্ন ফিকে হয়ে গেল শাইনপুকুরের। অন্যদিকে শিরোপার দৌড়ে না থাকলেও সুপার লিগে প্রথম জয়ের উৎসব করছে শেখ জামাল।

;