দুঃস্বপ্নের ব্যাটিংয়ের দিনে সান্ত্বনা মিঠুনের হাফসেঞ্চুরি



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
লড়াইয়ের পুঁজিটা বড় করতে পারল না টাইগাররা, ছবি: সংগৃহীত

লড়াইয়ের পুঁজিটা বড় করতে পারল না টাইগাররা, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বাইরে টেস্ট ক্রিকেট মানেই বাংলাদেশের জন্য দুঃস্বপ্নের আরেক নাম! সাফল্য নেই বললেই চলে। টানা আট টেস্টে হার দেখেছে দল। ছয়টিতেই ইনিংস ব্যবধানে পরাজয়। পাকিস্তানেও সেই বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ কোথায়?

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে বাংলাদেশ ১ম ইনিংসে অলআউট ২৩৩ রানে। হাফসেঞ্চুরি করেছেন মোহাম্মদ মিঠুন।

যদিও টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর বাংলাদেশ দুইশ পেরোবে-ভাবা যায়নি। কিন্তু মোহাম্মদ মিঠুনের দৃঢ়তায় দুইশ পেরিয়ে যায় টাইগাররা।

মিঠুন ছাড়া অন্য ব্যাটসম্যানরা লড়াই করতে পারেননি। স্রোতের বিপরীতে উইকেটে লড়াই করতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। এর মধ্যে দুর্দান্ত খেলে মোহাম্মদ মিঠুন ৬৩ রান করলেন। অন্যরা সম্ভাবনা জাগিয়েও বাজে শট খেলে আত্মহত্যা করলেন! দুঃস্বপ্নের ব্যাটিংয়ের দিনে সান্ত্বনা শুধুই মিঠুনের অর্ধশতক।

১৩৭ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলেন মিঠুন। বেশ লড়ছিলেন তিনি। তার ব্যাটে প্রথম দিন শেষ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ৮২.৫ ওভারে এসে অলআউট টাইগাররা। এরপরই যথেষ্ট আলো না থাকায় দিনের খেলার ইতি টানেন দুই আম্পায়ার।

যদিও পাকিস্তানের পেস আক্রমণ সামাল দিয়ে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন অনেকেই। কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না। ষোল মাস পর টেস্ট খেলতে নেমেই বেশ দৃঢ়তা দেখালেন নাজমুল হোসেন শান্ত। কিন্তু প্রত্যাবর্তনটা মনে রাখার মতো হলো না। প্রথম দিনে লাঞ্চ থেকে ফিরেই আউট। মোহাম্মদ আব্বাসের অফ স্টাম্পের বেশ বাইরের বল খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন কিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে।

শান্তর মতোই উইকেটে থিতু হয়ে উইকেট দিয়ে ফেরেন মুমিনুল হক, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও লিটন দাস।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই লড়াইয়ে প্রথম দিনে দাপট পাকিস্তানেরই। সবুজে ছোঁয়া রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামের উইকেটে পেস বোলারদের দিয়েই বাংলাদেশকে কাবু করল পাকিস্তান।

শুক্রবার টেস্টের প্রথম দিন সকালে পথ হারায় বাংলাদেশ। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ২ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে তোলে মাত্র ৩। দ্রুত ফিরেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও সাইফ হাসান। ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারানোর পর বাংলাদেশকে বিপর্যয় থেকে টেনে তুললেন মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

তাদের দৃঢ়তায় রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পথ খুঁজে পায় বাংলাদেশ। প্রথম দিনে প্রথম ঘণ্টায় ১৪ ওভারে ৩২ রান করে দল। জুটি যখন জমে উঠল তখনই মুমিনুলকে ফেরান শাহীন শাহ আফ্রিদি। ৫৯ বলে ৩০ রানে ফেরেন অধিনায়ক। সম্ভাবনা জাগিয়ে ফেরেন মুমিনুল। আফ্রিদির অফ স্টাম্পের বাইরের বলে কাভার ড্রাইভ করেন অধিনায়ক। কিন্তু ব্যাটের কানা ছুঁয়ে বল চলে যায় উইকেটকিপার মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে।

বিদায়ের আগে শান্তর সঙ্গে গড়েন ৫৯ রানের জুটি। অভিষিক্ত শান্তও বেশ কিছুক্ষণ লড়লেন। হাফসেঞ্চুরির পথে ছিলেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে নিয়ে পথ দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু ১১০ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন। মাহমুদউল্লাহও একইভাবে হতাশ করলেন। এই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানকে ফেরালেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ফেরার আগে করেন ৪৮ বলে ২৫।

লিটন দাসও একই পথের পথিক। তার ব্যাটেও রান এসেছে। মনে হচ্ছিল তিনি অন্তত লড়ে যাবেন। কিন্তু তার সম্ভাবনাময় ইনিংসের ইতি টানেন হারিস সোহেল। ৪৬ বলে ৩৩ তুলে ফিরে যান সাজঘরে।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পথ হারায় বাংলাদেশ। প্রথম দুই ওভারেই ফিরে যান দুই ওপেনার। সাইফ হাসানের পর বিদায় নেন তামিম।

বাংলাদেশ দলকে পেস আক্রমণে বিপাকে ফেলার কৌশলে শুরুতেই সফল আজহার আলি। নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি আর মোহাম্মদ আব্বাসের গতি-বাউন্স-সুইংয়ে শুরুতেই হোঁচট বাংলাদেশের। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দলীয় সংগ্রহে ৩ রান যোগ হতেই উইকেট হারায় সফরকারীরা। এরপর একই রানে আরেকটি উইকেটের পতন!

রাওয়ালপিন্ডি স্টেডিয়ামে আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই লড়াইয়ে টেস্ট অভিষিক্ত সাইফ হাসান ফিরলেন শূন্য রানে। তামিম ইকবালের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে দুঃস্বপ্নের অভিষেক হলো সাইফের। ইনিংসের প্রথম ওভারে কোনো রান না করেই শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে কুপোকাত তিনি। এরপর মোহাম্মদ আব্বাস ফেরান তামিমকে। এই ওপেনার করেন মাত্র ৩ রান।

ইনিংসে ৫৩ রানে ৪ উইকেট নেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ আব্বাস ও হারিস সোহেল।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর ফের পাকিস্তানের মাঠে টেস্ট খেলতে নেমে প্রথম দিনটা কিছুতেই মনের মতো হল না! মিঠুন দৃঢ়তা না দেখালে আরও বাজেভাবেই শেষ হতে পারত রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম দিন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর-

বাংলাদেশ ১ম ইনিংস: ৮২.৫ ওভারে ২৩৩/১০ (তামিম ৩, সাইফ ০, শান্ত ৪৪, মুমিনুল ৩০, মাহমুদউল্লাহ ২৫, মিঠুন ৬৩, লিটন ৩৩, তাইজুল ২৪, রুবেল ১, আবু জায়েদ ০, ইবাদত ০*; আফ্রিদি ৪/৫৩, আব্বাস ২/১৯, নাসিম ১/৬১ ও হারিস ২/১১)।

#রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের প্রথম দিন শেষে

   

মাইলফলকের ম্যাচে পাঞ্জাবকে হারিয়ে রোহিতকে উপহার মুম্বাইয়ের



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পাঞ্জাব কিংস আর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স দুই দলই এই ম্যাচে এসেছিল ৬ ম্যাচে ২ জয় নিয়ে, অর্থাৎ ম্যাচটা যেই হারবে, সেই চলে যাবে পয়েন্ট তালিকার তলানির আরও একটু কাছে। ম্যাচটা রোহিত শর্মার জন্য বিশেষ কিছুই ছিল। আইপিএল ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে তিনি যে খেলছিলেন ২৫০তম ম্যাচ। সেই ম্যাচে তার দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাকে হতাশ করেনি। ১৯২ রান করে প্রতিপক্ষের ১৪ রানে ৪ উইকেট তুলে নিয়েও খানিকটা বিপাকে পড়ে গিয়েছিল। তবে শেষমেশ শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচটা জিতল তারাই। পাঞ্জাবকে ৯ রানে হারিয়ে মাইলফলক ছোঁয়ার ম্যাচে রোহিতকে জয় উপহার দিল মুম্বাই।
ঘরের মাঠে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাঞ্জাব। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তৃতীয় ওভারে প্রথম ধাক্কা পায়। ৮ বলে ৮ রান করে আউট হন ঈশান কিষাণ। রোহিত শর্মাও বড় কিছু করতে পারেননি। ২৫ বলে ৩৬ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। হাল ধরেন সূর্যকুমার যাদব। ৫৩ বলে ৭৮ রান করে দলকে দেন বড় রানের দিশা। সেটাকে পূর্ণতা দেন টিম ডেভিড আর তিলক ভার্মা। ডেভিড ১৪ আর তিলক অপরাজিত ৩৪ করে দলকে নিয়ে যান ১৯২ রানে।
জবাব দিতে নেমে পাঞ্জাব কিংস শুরুর ১৩ বলেই উইকেট খুইয়ে বসে ৪টি। যশপ্রীত বুমরাহ আর কাইল কোটজিয়া দুটি করে উইকেট নিয়ে ধসিয়ে দেন স্বাগতিকদের টপ অর্ডার। এরপরে শশাঙ্ক সিং ইনিংসের হাল ধরেন। হরপ্রীত সিংকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। হরপ্রীত ১৩ রান করেন এবং এরপরে জিতেশ শর্মা ৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান।
২৫ বলে ৪১ করে শশাঙ্ক যখন ফিরছেন, তখন লড়াইয়ের ব্যাটনটা যেন দিয়ে যান আশুতোষকে। যশপ্রীত বুমরাহকে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করা আশুতোষ একে একে হাঁকান ৭টি ছক্কা। মাত্র ২৩ বলে করেন ফিফটি। এরপরও থামেননি। দল যে ১১১/৭ থেকে ১৬৮/৮ পর্যন্ত গেল, তা তার ২৮ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভর করেই। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি পাঞ্জাবকে জয় এনে দিতে পারেননি। আশুতোষকে সাজঘরে ফেরান জেরাল্ড কোটজিয়া। এরপরে হরপ্রীত ব্রারও ২০ বলে ২১ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত ৯ রানে এই ম্যাচটি জেতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। সাত ম্যাচে তৃতীয় জয় নিয়ে দলটা চলে এসেছে তালিকার ৭ম স্থানে।

;

ফুটবল-হকি চায় বাংলাদেশ, আর্জেন্টিনার আগ্রহ ক্রিকেট-কাবাডিতে



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মার্সেলো সি সেসা। আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন এই কূটনীতিক।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী নাজমুল হাসান পাপন বলেন, ‘তারা আমাদের কাছে ক্রিকেটের সহযোগিতা চেয়েছে। আমি তাদের নিশ্চয়তা দিয়েছি কিউরেটর থেকে শুরু করে যা প্রয়োজন আমরা দিতে প্রস্তুত। প্রয়োজনে আমাদের ক্রিকেটাররাও সেখানে গিয়ে খেলবে। ক্রিকেটের পাশাপাশি তারা কাবাডি নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের জাতীয় খেলায় তারা একবার অংশ নিয়েছিল। আমরা কাবাডিতেও তাদের সহায়তা করতে পারি।’

বাংলাদেশ ক্রিকেট ও কাবাডিতে সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি ফুটবল এবং হকিতে আর্জেন্টিনার সাহায্য প্রত্যাশী। বিশেষ করে ফুটবলে জোর দিয়েছেন মন্ত্রী পাপন, ‘ফুটবলে তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। অনেক ঐতিহ্য তাদের। আমরা তাদের কাছ থেকে কোচ নিতে পারি আবার আমাদের ছেলে-মেয়েরা ওখানে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারে। হকিতে আমাদের সম্ভাবনা রয়েছে আবার তারাও হকিতে বিশ্ব মানের। হকি নিয়ে তাদেরও আগ্রহ আছে। সব ডিটেইলস একে অন্যকে দেব। এরপর মূলত কাজ শুরু হবে।’

আর্জেন্টিনা রাষ্ট্রদূত মারসেলো সি উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, ‘সমঝোতা স্বাক্ষরের পর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সভা। অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। অবশ্যই ফুটবল সেখানে প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া আমরা ক্রিকেট ও হকিতে এগুতে চাই সেটাও জানিয়েছি।’ এক বছর আগে সমঝোতা স্বাক্ষর হলেও তেমন কার্যকরী পদক্ষেপ না হওয়ার কারণ সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আর্জেন্টিনা ও বাংলাদেশ দুই দিকেই নির্বাচন ছিল। আমরা এখন দুই দেশ ক্রীড়ার মাধ্যমে আরো কাছাকাছি আসতে চাই।’

;

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের তালিকায় শান্ত, ইমরানুর ও রাকিব



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএসপিএ বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ ২০২৩-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিকেটার নাজমুল হোসেন শান্ত, ফুটবলার রাকিব হোসেন ও স্প্রিন্টার ইমরানুর রহমান। এছাড়া পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩-এর সংক্ষিপ্ত তালিকায় নাজমুল হোসেন শান্ত, ইমরানুর রহমান, শেখ মোরসালিনের সঙ্গে আছেন নারী ক্রিকেটার ফারজানা হক পিংকি। এই দুই বিভাগের বিজয়ীর নাম অনুষ্ঠানের দিন ঘোষণা করা হবে। এ বছর ১৬টি বিভাগে সর্বমোট ১৮জন বর্তমান ও সাবেক ক্রীড়াবিদ, সংগঠক এবং সংস্থাকে পুরস্কৃত করা হবে। থাকছে অর্থ পুরস্কারও। 

উল্লেখ্য বাংলাশে স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ) ১৯৬৪ সালে দেশে প্রথম ক্রীড়াক্ষেত্রে পুরস্কারের প্রবর্তন করে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২১শে এপ্রিল ২০২৪, রোববার বেলা সাড়ে ৩টায়, প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে বসতে যাচ্ছে ক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম আকর্ষণীয় আসর “কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৩”। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী নাজমুল হাসান এমপি।

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) ডাচ বাংলা ব্যাংক মিলনায়তনে এ উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়নপ্রাপ্ত নাম ঘোষণা করেন বিএসপিএ-র সভাপতি রেজওয়ান উজ জামান রাজিব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসপিএ সাধারণ সম্পাদক মো. সামন হোসেন, খেলোয়াড় যাচাই-বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান পরাগ আরমান ও সদস্য সচিব মাহবুব সরকার।

মনোনয়ন তালিকা 

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ (মনোনীত)

নাজমুল হোসেন শান্ত (ক্রিকেট)
ইমরানুর রহমান (অ্যাথলেটিক্স)
রাকিব হোসেন (ফুটবল)
পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড

নাজমুল হোসেন শান্ত (ক্রিকেট)
ইমরানুর রহমান (অ্যাথলেটিক্স)
শেখ মোরসালিন (ফুটবল)
ফারজানা হক পিংকি (ক্রিকেট)
বর্ষসেরা পুরুষ ক্রিকেটার : নাজমুল হোসেন শান্ত
বর্ষসেরা নারী ক্রিকেটার : ফারজানা হক পিংকি
বর্ষসেরা ফুটবলার : রাকিব হোসেন
বর্ষসেরা অ্যাথলেট : ইমরানুর রহমান
সেরা বক্সার : সেলিম হোসেন
সেরা শুটার : কামরুন নাহার কলি
সেরা টেবিল টেনিস খেলোয়াড় : রামহিম লিয়ন বম
উদীয়মান ক্রীড়াবিদ : শেখ মোরসালিন (ফুটবল)
বর্ষসেরা দল : অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল
সক্রিয় সংস্থা : প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
বর্ষসেরা কোচ : আলফাজ আহমেদ
বিশেষ সম্মাননা : মনজুর হোসেন মালু
তৃণমূল সংগঠক : মোয়াজ্জেম হোসেন (ভারোত্তোলন)
সেরা সংগঠক : হাবিবুর রহমান (কাবাডি)

;

মুশফিকদের কাছে গাজী টায়ার্সের অসহায় আত্মসমর্পণ



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের নেতৃত্ব ছেড়েছেন তামিম ইকবাল। নতুন অধিনায়ক জাকির হাসানের নেতৃত্ব শেষ রাউন্ডের ম্যাচে গাজী টায়ার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল তারা। এই ম্যাচ ১৪১ রানে জিতে ডিপিএলের প্রথম ধাপ শেষ করেছে প্রাইম ব্যাংক।

ফতুল্লার খানসাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রাইম বাংককে ব্যাটিং পাঠায় গাজী টায়ার্স। নেতৃত্ব ছাড়ার পর প্রথম ম্যাচে অবশ্য ২০ রানের বেশি করতে পারেননি তামিম। তবে প্রাইম ব্যাংকের অন্য অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ছিলেন দারুণ ছন্দে। ব্যাট হাতে দলকে নির্ভরতা জুগিয়ে ৭১ রান করেন তিনি। ৬৯ বলে ৫ চার এবং ১ ছক্কায় ইনিংস সাজান এই উইকেটকিপার-ব্যাটার।

মুশফিকের ফিফটিতে চড়ে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৯ রান পর্যন্ত পৌঁছায় প্রাইম ব্যাংক। গাজী টায়ার্সের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শামিম মিয়া।

জবাব দিতে নেমে শেখ মাহেদীর ঘূর্ণিতে মুখ থুবড়ে পড়েছে গাজী টায়ার্স। ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তাদের ম্যাচ  থেকে ছিটকে দিয়েছেন এই অফব্রেক বোলার। তাতে ৩২.২ ওভারে ১২৮ রানেই অলআউট হয়ে যায় গাজী টায়ার্স।

;