জাতিসংঘের শুভেচ্ছা দূত তামিম

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,বার্তা২৪.কম
নতুন দ্বায়িত্বে তামিম ইকবাল

নতুন দ্বায়িত্বে তামিম ইকবাল

  • Font increase
  • Font Decrease

তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক। করোনাভাইরাসের এই দুঃসময়ে আলোচিত এক নাম। লাইভ টকশো করে ছিলেন আলোচনায়। সঙ্গে মানবতার ডাকে সাড়া দিয়ে পাশে থেকেছেন আর্ত মানুষের। সেই তারকা ক্রিকেটার তামিম ইকবাল এবার বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করতে লড়বেন।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) শুভেচ্ছা দূত নিযুক্ত হয়েছেন তামিম ইকবাল।

তামিম জানালেন, 'আমি জাতিসংঘের সংস্থা ডব্লিউএফপির জাতীয় গুডউইল অ্যামবাসাডর হিসেবে নিযুক্ত হতে পেরে সম্মানিত বোধ করছি। এই সংস্থাটি বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করার জন্য কাজ করে চলেছে।'

প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১০ হাজার রান অর্জনকারী তামিম জাতীয় গুডউইল অ্যামবাসাডর হিসেবে কাজ করবেন। তিনি দেখার সুযোগ পাবেন কিভাবে ডব্লিউএফপি সরকারের সহযোগিতায় ক্ষুধাশুন্যতা অর্জনের জন্য কাজ করে চলেছে। তামিম সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের কাছে তুলে ধরবেন বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির বিভিন্ন কর্মকাণ্ড যা দেশব্যাপী ৬৪ টি জেলায় স্কুলে খাদ্যপ্রদান, পুষ্টি ও জীবিকার পাশাপাশি কক্সবাজারে শরণার্থীদের নিয়ে অনেক ধরনের কাজ করে থাকে।

বাংলাদেশে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর ও ডিরেক্টর রিচার্ড রাগান জানালেন, 'তামিম একজন সফল ক্রিকেটার যে দেশে এবং বিদেশে অনেকের কাছেই সমানভাবে প্রিয়। জনপ্রিয়তা ও নাগালের পাশাপাশি তামিমের রয়েছে কর্মক্ষেত্রে অবিশ্বাস্য রকমের নৈতিকতা, মানুষের প্রতি সমবেদনা ও জনহিতকর কাজের স্পৃহা। ডব্লিউএফপি পরিবারে তাকে পেয়ে আমরা ভীষণভাবে উচ্ছ্বসিত।'

অন্যদিকে এমন কাজে যুক্ত হয়ে তামিম আরও বলছিলেন, 'সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় মাত্রায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, তবুও দারিদ্র্যের হার এখনও প্রকট, বিশেষ করে গ্রামীণ অঞ্চলগুলোতে। চলমান কোভিড-১৯ মহামারী অনেকের জীবনকেই আরও বেশী সংকটময় করে তুলেছে। আমি সাধ্যমত চেষ্টা করার আশা রাখি যাতে ডব্লিউএফপি ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই করে সহযোগিতা প্রয়োজন এমনসব পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারে।'

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশে ১৯৭৪ সাল থেকে কাজ করছে। এ পর্যন্ত ১৫৫ মিলিয়ন অরক্ষিত ও খাদ্য নিরাপত্তাহীন মানুষকে সহযোগিতা প্রদান করেছে।