রোগের নাম বর্ণবাদ-লড়ছি সবাই

স্পোর্টস এডিটর, বার্তা২৪.কম
ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার রাহিম স্টার্লিং

ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার রাহিম স্টার্লিং

  • Font increase
  • Font Decrease

জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ চলছেই। আমেরিকায় তো বটেই, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও এই হত্যাকান্ড এবং বর্ণবাদের বিরুদ্ধে জোর প্রতিবাদ-বিক্ষোভ হয়েছে। বৃটেনে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের দুতাবাসের সামনে বিশাল প্রতিবাদ মিছিল করেছেন বর্ণবাদ বিরোধীরা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রীড়া ব্যক্তিত্বরাও এই প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। যে যার অবস্থান থেকে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন। ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার রাহিম স্টার্লিং এই প্রতিবাদের সামনে কাতারে দাঁড়িয়ে বলেছেন-‘বর্ণবাদই এখন একমাত্র রোগ, যার বিরুদ্ধে আমরা লড়ছি!’

করোনাভাইরাসের এই সময়টায় সামাজিক দূরত্বের বিধি-নিষেধ সত্বেও ইংল্যান্ডে এই প্রতিবাদ মিছিলে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় ব্রিটিশ সরকার এই মিছিলের ব্যাপারে সতর্কতার জারি করলেও সেটা কেউ মানেনি। লন্ডন, ব্রিষ্টল, ম্যানচেষ্টার, ওলভারহ্যাম্পটন, নটিংহ্যাম, গ্লাসগো এবং এডিনবরায় বর্ণবাদ বিরোধী মিছিলে প্রতিবাদী মানুষের ঢল নামে।

ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড রাহিম স্টার্লিং বলছিলেন-‘বছরের পর বছর ধরে দুনিয়া জুড়ে বর্ণবাদ চলে আসছে। এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামতেই হবে। এটাই এখন এই সময়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহামারিকে দূর করার মতো এখন বর্ণবাদ নিমূর্লেরও সমাধান আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। এই প্রতিবাদকারীরা এখন সেই চেষ্টাই করছে।’

খেলার মাঠেও কৃষ্ণাঙ্গ খেলোয়াড়রা প্রায় সময়ে বর্ণবাদের শিকার হয়েছেন। ক্রিকেটার ড্যারেন স্যামিও সেই অভিযোগ করেছেন। সর্বস্তর থেকে বর্ণবাদকে দূর করার সময় এখন।

গত ২৫ মে আমেরিকার মিনিয়াপোলিসে পুলিশের হাতে আটক হন জর্জ ফ্লয়েড। রাস্তার ওপরই তার গলায় হাঁটুচাপা দিয়ে রাখে পুলিশ। ‘আমি নিঃশ্বাস নিতে পারছি না’-, বারবার এমন অনুনয় করেও রক্ষা পাননি জর্জ ফ্লয়েড। আট মিনিটের বেশি সময় ধরে তার গলায় হাঁটুচাপা দিয়ে রাখে সেই পুলিশ। একপর্যায়ে শ্বাসরোধ হয়ে মারা যান জর্জ। তার এমন হত্যাকান্ডে পুরো আমেরিকা ফুঁসে উঠে। জর্জ ফ্লয়েড হত্যার সঙ্গে জড়িত সেই চার আমেরিকান পুলিশকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। সেই বিচার চলছে এখন মার্কিন আদালতে।