অধিনায়কত্বের জন্য ২২ নয়, ২৮ বছরই ঠিক- সাকিব



স্পোর্টস এডিটর, বার্তা২৪.কম
সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসান

  • Font increase
  • Font Decrease

১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে সাকিব এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকবার অধিনায়কত্ব পেয়েছেন। মূলত ২০০৯ সালের জুনে সহ-অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পান। ওয়েস্ট ইন্ডিজে সেই সফরে মূল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ইনজুরিতে পড়ায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবারের মতো টস করতে নামেন সাকিব। সেদিন তার বয়স ছিল ২২ বছর ১১৫ দিন।

অধিনায়ক হিসেবে সেই সিরিজটা তার ভালো কাটলেও অধিনায়কত্বের প্রথম ধাপটা সুখকর কিছু হয়নি। মাশরাফি লম্বা সময় ইনজুরিতে থাকায় ২০১১ সালের বিশ্বকাপেও সাকিবকেই অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড দেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ তিনটি ম্যাচ জিতলেও কোয়ার্টার ফাইনালের আগেই বিদায় নেয়। সাকিবের নেতৃত্বে সেই বছরের আগস্টে বাংলাদেশ এক ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে যায়। শক্তির বিচারে সেই টেস্ট সিরিজ বাংলাদেশের জেতা উচিত ছিল। কিন্তু পাঁচ বছর পরে টেস্ট অঙ্গনে ফেরা জিম্বাবুয়ে সেই টেস্ট ম্যাচ জিতে নেয়। সাকিবের নেতৃত্বে ওয়ানডে সিরিজও হারে বাংলাদেশ ২-৩ ব্যবধানে। সেই সফরে অধিনায়ক সাকিব ও সহ-অধিনায়ক তামিম ইকবালের নেতৃত্বগুণ নিয়ে বিসিবি প্রশ্ন তোলে। দেশে ফেরার পর দুজনকেই নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয় ক্রিকেট বোর্ড।

সেই সময়ের অধিনায়কত্ব প্রসঙ্গে সাকিব আল হাসান ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের সঙ্গে অনলাইন আড্ডায় বলছিলেন- ‘আমার তখন অনেক কম বয়স ছিল। অত কম বয়সে অধিনায়কত্বটা ঠিক হয়নি। তখন মাঠের অনেক সিদ্ধান্ত মাথা থেকে না নিয়ে হয়তো আবেগের জোস থেকে নিতাম। মনে হতো আমি যা জানি তা আর কেউ জানে না। ক্রিকেট শুধু আমিই জানি। আমার সবকিছুই ঠিক। আমাকে যদি অপসন দেওয়া হয় তাহলে আমি বলব ২৮ বছরের আগে অধিনায়কত্ব নয়। ২২ বছরে অধিনায়কত্ব পেয়েছিলাম, তখন আমার একজন গাইডের প্রয়োজন ছিল। সত্যি বলতে কি অধিনায়কত্বটা আমি অনেক আগেভাগে পেয়েছিলাম। আমি সেসময় চেষ্টা করেছিলাম। তবে সেই সময়ের দিকে তাকালে আমার মনে হয় এখন আমি আরো ভালো করতে পারতাম। এখন খেলাটার প্রতি আমার বুঝ ও বোধশক্তি আরো ভালো হয়েছে।’

অথচ সাকিব সেই সময়টায় ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ভুল করে এখন বছরখানেক নিষিদ্ধ!