ডিজিটাল বাংলাদেশ, গ্রহীতার সঙ্গে সেবা দাতাও স্বস্তিতে



সেরাজুল ইসলাম সিরাজ, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল বাংলাদেশ শুধু সেবা গ্রহীতাকে প্রশান্তি দেয় নি, সেবা দাতাকেও স্বস্তি এনে দিয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে একজন কর্মী এখন ৮ জনের সমান সেবা দিতে পারছেন।

এমনটাই দাবি করেছেন রাজশাহীর পবা উপজেলার হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব গোলাম সাকলায়েন।

দীর্ঘদিন ধরে সচিব পদে থাকা গোলাম সাকলায়েন বার্তা২৪.কমকে বলেন, আমি এখন যে কাজগুলো করছি, যদি আগের মতো এনালগ সিস্টেম থাকতো তাহলে এই সেবা দিতে ৮ জন স্টাফ প্রয়োজন হতো। সেই কাজটি আমি একাই স্বস্তির সঙ্গে করতে পারছি।

এইতো ১০ বছর আগেও মধ্যরাত পর‌্যন্ত কাজ করতে হতো, তারপরও কাজ শেষ করার কঠিন হতো। এখন যখন কার কাজ তখনেই শেষ করে ফেলতে পারছি। আগে দেখা যেতো অনেক সময় ফাইল খুঁজে পেতে হয়রান হতে হতো। এতে সেবা গ্রহীতা দুর্ভোগের শিকার হতেন, আবার সেবা দাতাকেও পেরেশান হতে হতো। এখন ফাইল খোঁজার কোনো বালাই নেই, পিন কোর্ড দিয়ে ঢুকে ঝটপট সব সমাধা করে দিতে পারছি।

২০০৬ সালের দিকের একটি ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, তৎকালীন ডিসি এসেছিলেন আমার ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে। আমাকে খাতাপত্র আনতে বললেন, তখন টেবিলের উপর সবগুলো খাতার জায়গা হচ্ছিল না। ডিসি স্যার তখন বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এতো খাতা তুমি একা সামলাও কি করে। পাশে বসা ইউএনওকে বললেন, তোমার অফিসেওতো এতো খাতা টানতে হয় না।

ইউনিয়ন পরিষদে আরেকটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করে গোলাম সাকলায়েন। তা হচ্ছে, ডিজিটালাইজড হওয়ার আগে ইউনিয়ন পরিষদ ছিল চেয়ারম্যানদের পকেটে। হিসেব-পাতি সবই চলতো চেয়ারম্যানের খেয়াল খুশির উপর, বছর শেষে গোজামিল দিয়ে হিসেব মেলানো হতো। এরপর খাতা আবার চেয়ারম্যানের ড্রয়ারে চলে যেতো।

কিন্তু এখন সবকিছু হচ্ছে স্বচ্ছতার সঙ্গে, আয় বেড়েছে কয়েকগুণ। গোজামিল দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আগে প্রায় শুনতে হতো গ্রাম পুলিশদের বেতন বছরের পর বছর বকেয়া পড়ে রয়েছে। এখন কিন্তু সে সব খবর আর কানে আসে না। আয়ে স্বচ্ছতার কারণে এই পরিবর্তনটি এসেছে বলে মনে করেন গোলাম সাকলায়েন। যার পুরো ক্রেডিট বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

বয়সগত কারণে প্রযুক্তির সঙ্গে মানিয়ে নিতে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার কাছে তা মনে হয় না। ২০০৬ সালে ৯ দিনের একটি ট্রেনিং নিয়েছিলাম, এরপর আর পেছনে ফিলে তাকাতে হয় নি।

তিনি বলেন, আগে অনেক ছোটো খাটো কাজের জন্য জেলা সদর রাজশাহীতে যেতে হতো। এখনই ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে। সরকার এখানে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড নেট সংযোগ দিয়েছে। উদ্যোক্তাকে জায়গা করে দেওয়া হয়েছে পরিষদ কমপ্লেক্সে। এখানে সাশ্রয়ী মাসুলে সেবা নিতে পারছেন গ্রামীন জনপদের লোকজন। সারাদেশে ৮ হাজারটি এমন ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে সর্বোচ্চ ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে গেছে। ২০২৫ সালের মধ্যে এই দুরত্ব কমিয়ে ২ কিলোমিটার করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। অর্থাৎ ২০২৫ সালে প্রত্যেক নাগরিক তার বাড়ি থেকে ২ কিলোমিটারের মধ্যে ডিজিটাল সেবার উৎস পেয়ে যাবেন।

অনলাইনে পাসপোর্টের আবেদন ও ফি জমাদান, জমির পর্চা উত্তোলন, অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, ই-নামজারি আবেদন ও ফি প্রদান, অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, যাচাই ও জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি প্রদান, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন, চাকুরীর আবেদন, অনলাইনে বাস, ট্রেন ও বিমানের টিকেট ক্রয় সেবা, এজেন্ট ব্যাংকিং-গ্রাহকের একাউন্ট খোলা, টাকা জমাদান ও উত্তোলন, বিদেশ হতে প্রেরিত রেমিট্যান্স উত্তোলন, অনলাইনে পুলিশ কিলিয়ারেন্স আবেদন ও ফি জমাদান বিদ্যুত বিল জমাদান, অনলাইনে বিদ্যুৎ সংযোগ/মিটারের জন্য অনলাইন আবেদন, অনলাইনে পণ্য ক্রয় সেবা, বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফল প্রদান, ভিসা আবেদন, ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ও চিকিৎসা পরামর্শ প্রদান, জন্ম ও মৃত্যু সনদ,অনলাইনে ড্রাইভিং লাইসেন্স লার্নার আবেদন ও অনলাইনে টেলিমেডিসিন সেবাসহ বেশ কিছু সেবা প্রদান করা হচ্ছে এসব সেন্টার থেকে।

এক সময় এসব সেবা পেতে হলে জেলা সদরে ধর্না দিতে হতো। একদিকে যেমন সময় সাপেক্ষ ছিল, অন্যদিকে পয়সাও গুণতে হতো বেশি। সেই সেবাগুলো এখন মানুষ দোর গোড়ায় পেয়ে যাচ্ছেন। নাগরিক সেবা যেমন বেড়েছে তেমনি সেবা দাতারাও আছেন মহা আনন্দে।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ যখন নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ করার প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। তখন অনেকে একে নির্বাচনী স্ট্যান্ডবাজি বলে মন্তব্য করেছিলেন। আবার কেউ কেউ নানা রকম টিপ্পনী কেটেছিলেন। ১৩ বছর পরে ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবতার নাম। যা ছাড়া জীবন অচল বলা চলে। ইউনিয়ন পর্যায়ে উচ্চগতির নেটের কারণে গ্রামের ছেলে-মেয়েরাও এখন একেকজন বিশ্ব পরিমন্ডলের গর্বিত অংশীদার। অনেকে ঘরে বসেই কাড়ি কাড়ি ডলার আয় করছেন। যা চাকরি করে কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। অনেকে চাকরি না খুজে ফ্রিল্যান্সারের খাতার নাম লেখাচ্ছেন। তাদের অনেকেই প্রথম ধাপ পেরিয়ে সফল উদ্যোক্তার কাতারে পৌঁছে গেছেন। যাদের আয়ের অংক চমকে যাওয়ার মতোই। প্রথম চোটে বিশ্বাস করার মতো তো নয়ই।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বার্তা২৪.কমকে বলেন, একজন ফ্রিল্যান্সারের অ্যাকাউন্টে হঠাৎ ৩ কোটি এলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও নড়চড়ে বসে। বিষয়টি আমার কাছে চলে আসে, আমরা যাচাই করে দেখেছি ছেলেটি গেমস ডেভেলপ করে এই টাকা আয় করেছে। এ রকম হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার রয়েছে সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে।

যশোর আইটির সিইও রাকিব হাসান ফ্রিল্যান্সার থেকে এখন সফল উদ্যোক্তা। ৩১ বছর বয়সী এই উদ্যোক্তা ৩৬ বছর বয়সে ব্যবসা থেকে অবসর নিতে চান। যে জমিয়েছেন, আর যা চেইন তৈরি করে রেখেছেন অবশিষ্ট জীবন বসে খেলেও তার সংকট হবে না বলে মনে করছেন। রাজশাহীর মতো জায়গায় তৈরি হয়েছে খাইরুল আলমের মতো মাল্টি-মিলিয়নিয়ার। রাজশাহীতে হয়তো কারখানার গমগম আওয়াজ নেই। কিন্তু নিরব বিপ্লব শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন উদ্যোক্তারা। পরিবেশ দূষণ ছাড়াই ভিন্নরূপে আর্বিভূত হতে চলেছে প্রমত্তা পদ্মার পাড়ের ঐতিহ্যবাহী এই নগরটি।

ভারতী এয়ারটেলে গুগলের শত কোটি ডলার বিনিয়োগ



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার সেবাদানকারী বহুজাতিক কোম্পানি গুগল ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানি এয়ারটেলে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে।

ভারতের বিপুল জনসংখ্যার বিশাল বাজার ধরতেই এই উদ্দ্যেগ  অর্থ ঢালছে গুগল। এমনই তথ্য দিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

গুগল বিনিয়োগ করার খবর ছড়ানোর পরপরই ভারতী এয়ারটেলের শেয়ারের দর বেড়েছে অন্তত ৬ দশমিক ৬ শতাংশ। নয়া দিল্লিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার ৭৩৪ রুপিতে কিনছে গুগল।

চুক্তি অনুসারে, গুগলের মূল কোম্পানি অ্যালফাবেট ৭০ কোটি ডলারে ভারতী এয়ারটেলের ১ দশমিক ২৮ শতাংশ শেয়ার কিনবে। যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য খরচ বাবদ পরের কয়েক বছরে আরও ৩০ কোটি ডলার দেবে গুগল।

গুগল ও অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমাদের ‘গুগল ফর ইন্ডিয়া ডিজিটাইজেশন ফান্ড’র অধীনে স্মার্টফোন সহজলভ্য করা, নতুন ব্যবসায়িক মডেলের সমর্থনে জনসংযোগ বাড়ানো ও কোম্পানিগুলোর ডিজিটালাইজেশন যাত্রায় সহযোগিতার ধারাবাহিকতায় এ বিনিয়োগ করা হচ্ছে।

গুগলের বিনিয়োগ সুনীল মেহতার নেতৃত্বাধীন ভারতী এয়ারটেলকে ৫জি পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে রিলায়েন্স জিওর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ানোর সুযোগ করে দেবে। টানা কয়েক বছর ধরে ভারতে এক নম্বর টেলিকম কোম্পানির মুকুট ধরে রেখেছে আম্বানির টেলিকম কোম্পানিটি।

;

অনলাইন আয়ের নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখতে যাচ্ছে আউটসোর্সিং বা অনলাইন আয়। ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে টাকা উপার্জন করাই হচ্ছে আউটসোর্সিং। অনলাইনে আয় করতে তেমন কিছুই লাগেনা, লাগে শুধু ধৈর্য আর ইচ্ছা। বর্তমান সময়ে অনলাইন আয়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজ মাধ্যম হচ্ছে ইউটিউব। শুধু সহজ বা জনপ্রিয়ই নয়, ইউটিউব অনলাইন আয়ের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।

ইউটিউব হচ্ছে বর্তমান সময়ের ইন্টারনেট জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান গুগলের মালিকানাধীন ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। গুগলের মালিকানাধীন হলেও সাধারণ ইউজারই এখানে ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করে থাকে। বর্তমানে ইউটিউবে কি পরিমাণ ও কত ক্যাটাগরির ভিডিও রয়েছে তা বলা বেশ মুশকিল। যেখানে ২০১৯ সালের মে মাসের হিসাব অনুযায়ী প্রতি মিনিটে ৫০০ ঘণ্টারও বেশি ভিডিও কন্টেন আপলোড করা হয়ে থাকে তার পরিমাণ কিভাবে বলা যায়।

বর্তমান সময়ে ইউটিউবে দুই ধরনের ইউজার রয়েছে। প্রথমটা হচ্ছে সাধারণ ইউজার, দ্বিতীয়টা প্রিমিয়ার বা টাকা দিয়ে ভিডিও দেখা। সাধারণ ইউজাররা ভিডিও দেখার সময় এ্যাড বা বিজ্ঞাপন দেখানো হয় কিন্তু প্রিমিয়ার ইউজারের ক্ষেত্রে কোনো এ্যাড বা বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয় না। যে ধরনের ইউজারই হোক না কেন এই প্ল্যাটফর্মে ভিডিও দেখলে কন্টেন্ট তৈরির জন্য একটা অর্থ পেয়ে থাকেন। তবে তার জন্য কন্টেন্ট ক্রেটারকে কিছু নির্দিষ্ট যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, যা খুবই সহজ।

শুধু বিজ্ঞাপন বা প্রিমিয়ার ইউজার দিয়েই নয়, ইউটিউব থেকে ইনকাম করার আরও অনেক গুলো উপায় রয়েছে। উপায় যেটাই হোক, ইউটিউব থেকে যে বিশাল অংকের টাকা ইনকাম করা যায় বা অনেকেই করছে এটা কিন্তু প্রমানিত। চলুন জেনে আসি বাংলাদেশী কিছু জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেলের ইনকাম সম্পর্কে।

জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ট্র্যাকার আমেরিকান ওয়েবসাইট ‘সোশাল ব্লেড’ এর তথ্য অনুযায়ী শুধু ভিডিও মনিটাইজ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিক্ষামূলক ইউটিউব চ্যানেল ‘১০ মিনিট স্কুল’ এর আনুমানিক মাসিক উপার্জন ৯০০ থেকে ১৫ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশী টাকায় বর্তমান সময়ে দাড়ায় ৮০ হাজার থেকে ১২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। বাংলাদেশের শীর্ষ স্থানে থাকা ইউটিউবার তৌহিদ আফ্রিদির আনুমানিক মাসিক উপার্জন ৯০০ থেকে ১৪ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশী টাকায় ৮০ হাজার থেকে ১২ লাখ টাকা। এছাড়ও যাকে বাংলাদেশের প্রথম ইউটিউবার বলা হয়। সেই সালমান মুক্তাদিরের ‘সালমান দ্য ব্রাউন ফিশ’, ফ্রিল্যান্সার নাসিম, সোহাগ ৩৬০ সহ অন্যান্য জনপ্রিয় চ্যানেলের কথা নাই বললাম।

আপনি যদি চান ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আগে আপনাকে জানতে হবে ইউটিউব থেকে কি কি উপয়ে ইনকাম করা যায়। ইউটিউব থেকে ইনকাম করা খুব বেশি কঠিন কাজ নয় আবার খুব সহজও নয়। ইচ্ছামত ভিডিও আপলোড দিলেই যে ইনকাম হবে বিষয়টা এমন নয় তবে ধৈর্য আর ইচ্ছা থাকলে আপনি পারবেন।

;

মাইক্রোসফটের এক ঘোষণায় সনির রেকর্ড দরপতন



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নতুন বছরের শুরুতেই বিশাল ক্ষতির মুখ দেখলো জাপানের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান সনি। বুধবার (১৯ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের এক ঘোষণায় সনির শেয়ারের দাম কমেছে ১৩ শতাংশ।

সনির প্লেস্টেশন প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক্রোসফটের গেম কোম্পানি অ্যাকশন ব্লিজার্ড কেনার জন্য ছয় হাজার ৮৭০ কোটি ডলারের চুক্তি ঘোষণা করে। এর পরপরই সনির শেয়ারের দাম টোকিও ট্রেডে হু হু করে কমতে শুরু করেছে। ২০০৮ সালে অক্টোবরের পর এটাই তাদের সবচেয়ে বড় পতন বলে ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

জানা গেছে, অ্যাক্টিভিশন ব্লিজার্ডের ওয়ারক্রাফ্ট, ওভারওয়াচ, কল অব ডিউটির মতো জনপ্রিয় গেম থাকায় সনির প্লেস্টেশনের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছে মাইক্রোসফটের এক্সবক্স গেমিং। যার কারণেই সনির বাজার মূল্য একদিনে দুই হাজার কোটি ডলার কমেছে।

সনির ৩০ শতাংশ আয় আসে গেমস ও নেটওয়ার্ক পরিষেবা থেকে। বুধবার মাইক্রোসফট জানায়, আড়াই কোটির বেশি গেম পাস গ্রাহক রয়েছে তাদের। নতুন চুক্তির ফলে ব্লিজার্ডের জনপ্রিয় গেমগুলো তাদের গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করতে পারবে। বর্তমানে গেমের বাজারে সনির একচেটিয়া দখল রয়েছে। তবে এবার কোম্পানিটির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে পারে মাইক্রোসফট।

;

‘যুক্তরাষ্ট্রের কথা অনুযায়ী হুয়াওয়েকে নিষিদ্ধ করে যুক্তরাজ্য’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

হুয়াওয়ের ফাইভজি সরঞ্জাম এবং সেবা নিষিদ্ধ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত ‘জাতীয় সুরক্ষার সাথে সম্পর্কিত নয়,’ বরং এর পেছনে আমেরিকার চাপ দায়ী বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন ব্যবসা ও শিল্পমন্ত্রী।

পাঁচ বছর ধরে ডেভিড ক্যামেরনের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের ব্যবসা ও শিল্পমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভিন্স কেবল সোমবার এক অনুষ্ঠানে তার বক্তৃতায় বলেন যে, চীনা প্রযুক্তি জায়ান্টের বিরুদ্ধে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ‘কারণ আমেরিকানরা আমাদের বলেছিলো আমাদের এটি করা উচিত।’

২০২০ সালের জুলাইয়ে বরিস জনসন সরকার ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (এনসিএসসি) এর দেওয়া নতুন পরামর্শের উদ্ধৃতি দিয়ে ঘোষণা করেন যে, ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ হুয়াওয়ের পণ্য যুক্তরাজ্যের ফাইভজি নেটওয়ার্ক থেকে সম্পূর্ণরূপে সরিয়ে দেওয়া হবে।

মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা বা পররাষ্ট্র নীতির স্বার্থের পরিপন্থী হিসেবে কাজ করছে, এমন ভিত্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে এবং এর কয়েক মাস পরে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হুয়াওয়েকে মাইক্রোচিপের মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস ক্রয়ে বাঁধা দেয় এবং প্রতিষ্ঠানটিকে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে বাধ্য করে।

যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ কর্মকর্তার চেয়ে চীনের প্রতি অধিক সহানুভূতিশীল বলে পরিচিত কেবল আরও জানিয়েছেন যে, মন্ত্রী হিসেবে তার মেয়াদকালে গোয়েন্দা এবং নিরাপত্তা সেবাদাতারা বারবার আশ্বাস দিয়েছিলো যে হুয়াওয়ের সেবা ব্যবহার করে কোনোরূপ ঝুঁকি তৈরি হয়নি।

কেবল বলেন, “ব্রিটেন যদি ফাইভজি’র এ সুবিধা গ্রহণ করতো, তাহলে আমরা এখন সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে থাকতাম। কিন্তু এখন আমরা সে অবস্থানে নেই।”

;