দেশের প্রথম ৫.৫ স্টার রেটিং ওয়ালটন এসি এখন বাজারে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
৫.৫ স্টার রেটিংয়ের আল্ট্রা এনার্জি সেভিং এসি উন্মোচন করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র উদ্যোক্তা-পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম

৫.৫ স্টার রেটিংয়ের আল্ট্রা এনার্জি সেভিং এসি উন্মোচন করছেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র উদ্যোক্তা-পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউটশন (বিএসটিআই) কর্তৃক ৫.৫ স্টার এনার্জি রেটিং প্রাপ্ত বিশ্বের অন্যতম বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এসি বাজারে ছাড়লো বাংলাদেশি ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য জায়ান্ট ওয়ালটন।

সোমবার (২১ মার্চ, ২০২২) রাজধানীতে ওয়ালটন করপোরেট অফিসে ৫.৫ স্টার রেটিংয়ের আল্ট্রা এনার্জি সেভিং এসি উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র উদ্যোক্তা-পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম।

‘ইনভার্না’ সিরিজের ওয়ালটনের এই এসি শুধু বাংলাদেশই নয়, বরং উপমহাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র। ১ টনের এই এসি ব্যবহারে ঘন্টায় বিদ্যুৎ খরচ হয় মাত্র ২.১৯ টাকা।

উল্লেখ্য, স্টার রেটিং দ্বারা এসিসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সক্ষমতা বোঝায়। যে পণ্যের স্টার রেটিং যতো বেশি, সে পণ্য ততো বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। বাংলাদেশে একমাত্র ওয়ালটন এসিতেই বিএসটিআই কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত ৩ বা ততোধিক স্টার রেটিং রয়েছে।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, এমদাদুল হক সরকার ও হুমায়ূন কবীর, প্লাজা ট্রেডের সিইও মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন এসির চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) মোহাম্মদ তানভীর রহমান, চিফ মার্কেটিং অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ আলম, চিফ রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (আরঅ্যান্ডআই) অফিসার তাপস কুমার মজুমদার, চিফ প্রোডাকশন অফিসার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এস এম জাহিদ হাসান, ড. সাখাওয়াত হোসেন, আমিন খান, চিফ কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট অফিসার তাহসিনুল হক, এসির ডেপুটি সিবিও সন্দীপ বিশ্বাস, এসি আরঅ্যান্ডআই বিভাগের প্রধান আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য উৎপাদনে দক্ষ ও মেধাবী প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে ওয়ালটনের রয়েছে শক্তিশালী রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন টিম। তাদের নিয়মিত গবেষণা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ওয়ালটন এসি নিজের রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

ওয়ালটন এসির সিবিও তানভীর রহমান বলেন, আমরা গত বছরের আগস্টেই বিএসটিআই থেকে ৫.৫ স্টার এনার্জি রেটিংয়ের স্বীকৃতি পেয়েছি। কিন্তু দীর্ঘ সময় নিয়ে সাসটেইনেবেলিটি পরীক্ষা করে এ প্রযুক্তির এসি বাজারে ছাড়লাম। এমন একটি দিনে আমরা ক্রেতাদেরকে বিশ্বের অন্যতম বিদ্যুৎসাশ্রয়ী এসি দিলাম, যেদিন পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে শতভাগ বিদ্যুতায়ন ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পণ্য দিয়ে দেশের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো এবং পরিবেশের সুরক্ষায় ওয়ালটন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

জানা গেছে, ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন ১৪-এর আওতায় ওয়ালটন এসি কিনে গ্রাহকরা পেতে পারেন ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নিশ্চিত ক্যাশব্যাক। রয়েছে কোটি কোটি টাকার ওয়ালটন পণ্য ফ্রি। নগদ মূল্যের পাশাপাশি ওয়ালটন এসি কিস্তি এবং ইএমআই সুবিধায় কেনার সুযোগ রয়েছে। যে কোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসির বদলে আছে ২৫ শতাংশ ছাড়। এছাড়াও ওয়ালটন এসিতে ফ্রি ইন্সটলেশন সুবিধা পাচ্ছেন গ্রাহকরা। 

এসিতে এক বছরের রিপ্লেসমেন্টের পাশাপাশি ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ১০ বছর পর্যন্ত গ্যারান্টি সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন।

হোয়াটসঅ্যাপে শিগগিরই আসছে নতুন ফিচার



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউজারদের সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ শিগগিরই নতুন ফিচার লঞ্চ করতে যাচ্ছে। এবার তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছে যার সাহায্যে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ভয়েস নোট শেয়ার করতে পারবেন।

বর্তমানে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপে ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। তবে নতুন ফিচার চালু হলে আগামী দিনে ইজাররা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ভয়েস নোটও শেয়ার করতে পারবেন।

আপাতত হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ এই ফিচারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে আইওএস বিটা ভার্সনে। হোয়াটসঅ্যাপ ট্র্যাকার এই তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সানের ক্ষেত্রেও এই ফিচার নিয়ে কাজ চলছে। হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভয়েস নোট শেয়ারের সুযোগ পাবেন ইউজাররা। তার সঙ্গে আবার যোগ করা যাবে টেক্সটও। হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাটবক্সে যেখানে মেসেজ লেখা হয়, সেখানে মাইক্রোফোন চিহ্নে ট্যাপ করে ভয়েস নোট রেকর্ড করা যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস ভার্সানে সমস্ত ইউজারদের জন্য কবে এই ফিচার চালু হবে তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে শিগগিরই এই ফিচার চালু হতে যাচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে স্ক্রিন লক ফিচার

স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকে, কারণ স্ক্রিন লক করার সুবিধা রয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সানে এই ফিচার নেই। যার ফলে যদি কখনও ইউজার ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সান চালু করে কিছু সময়ের জন্য নিজের ডিভাইস থেকে দূরে থাকেন, তাহলে সেই সময় অন্য কেউ চাইলে আপনার অ্যাকাউন্টে উঁকিঝুঁকি মারতে পারবেন। তবে এই সমস্যাও খুব তাড়াতাড়ি দূর হতে চলেছে। কারণ এবার হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সানেও চালু হতে চলেছে স্ক্রিন লকের সুবিধা।

;

জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট

জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর ও শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা এখন থেকে খুব সহজেই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) উপায় একাউন্ট খুলতে পারবেন।

সোমবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এই সেবা উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আরিফ কাদরী এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।

সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় এই গ্রাহক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গ্রামীণফোনের ব্যবহারকারীদের *২৬৮# ডায়াল করতে হবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের নির্দিষ্ট কিছু তথ্য, যেমন – জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর এবং জন্ম তারিখ, উপায়-কে ব্যবহারের জন্য গ্রামীণফোনকে অনুমতি দেবেন। প্রাথমিক

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর উপায় গ্রাহক তার একাউন্টে সর্বচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ইন করতে এবং এবং উক্ত টাকা ব্যবহার করে শধু রিচার্জ করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে, ব্যবহারকারীদের নিকটস্থ উপায় এজেন্ট পয়েন্ট কিংবা ফোনের অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের ছবি সংযুক্ত করতে হবে।

ইউসিবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আরিফ কাদরী বলেন, ‘আমরা মনে করি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম মেনে ইউএসএসডি-ভিত্তিক দ্রুত এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া, আর্থিক সেবাদানের ক্ষেত্রে উপায়সহ সামগ্রিকভাবে এমএফএস খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। যারা এখনও আর্থিক সেবার বাইরে আছেন, তাদেরকে খুব সহজেই সেবা প্রদান করা যাবে। আর্থিক অন্তুরভুক্তিও বেগবান হবে।’

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী, ইয়াসির আজমান বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন আমাদের প্রচেষ্টা মানুষের ক্ষমতায়নে ও ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে ভূমিকা রাখে। প্রথমবারের মতো এ উদ্ভাবনী সল্যুশন ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের এমএফএস অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং তাদের ফোন রিচার্জে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরাণ্বিত করবে; পাশাপাশি, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে আইনসম্মত ও দ্রুতগতিতে লেনদেন সহজ করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
উপায় ও গ্রামীণফোন একসাথে উন্মোচন করেছে উদ্ভাবনী মোবাইল রিচার্জ সেবা।

গ্রাহকরা *১২১# ইউএসএসডি কোড ডায়াল করলে ‘রিচার্জ মেনু’ পাবেন। এর মাধ্যমে উপায় অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা তাদের নাম্বার, রিচার্জ অ্যামাউন্ট ও উপায় অ্যাকাউন্টের পিন নাম্বার লিখে সহজেই যেকোনো গ্রামীণফোন নাম্বার রিচার্জ করতে পারবেন।

;

বিশ্বব্যাংকের ‌‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় বাংলাদেশ



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রদান এবং এসব সেবা গ্রহণে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার ইকোসিস্টেম তৈরিতে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে করে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের ‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) অনলাইনে বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত গভটেক ম্যাচ্যুরিটি ইনডেক্স (জিটিএমআই)-২০২২ এ এই অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাংকের জিটিএমআই-২০২২ তথ্য অনুসারে, মোট ০.৮৪ স্কোর (১.০০ -এর মধ্যে) নিয়ে জিটিএমআই এর ‘ক্যাটাগরি এ: ভেরি হাই গভর্নমেন্ট ম্যাচুরিটি’তে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে থাকা প্রতিটি দেশকে ‘গভটেক লিডারস’ হিসেবে বিবেচনা করে বিশ্বব্যাংক। নতুন স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৯৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৯তম অবস্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, জিটিএমআই-২০২০ -এ বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৭২ এবং অবস্থান ছিল ‘ক্যাটেগরি বি: হাই গভটেক ম্যাচুরিটি’ গ্রুপে।

জিটিএমআই-২০২২ এ সরকারি খাতের বিভিন্ন সেবা প্রদানের ডিজিটাল রূপান্তরের চারটি প্রধান দিককে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এগুলো হলো-কোর গভর্নমেন্ট সিস্টেমস, পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি, সিটিজেন এনগেজমেন্ট এবং গভটেক এনাবলার্স।

বিশ্বব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির ১৯৮টি দেশের গভটেক ম্যাচ্যুরিটির একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। জিটিএমআই-২০২২ -এ গভটেক এর নতুন নতুন প্রবণতা, অনুশীলন ও সেগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব প্রদান করেছে।

;

বর্তমান অর্থ বছরের ১৭ অনুষ্ঠান বাতিল করল আইসিটি বিভাগ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বর্তমান অর্থ বছরের ১৭ অনুষ্ঠান বাতিল করল আইসিটি বিভাগ

বর্তমান অর্থ বছরের ১৭ অনুষ্ঠান বাতিল করল আইসিটি বিভাগ

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ও অনুষ্ঠেয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি বিষয়ক একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) অনলাইনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। এ সময় অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন উক্ত বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ সহ প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, যে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নতি লাভ করছে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন অর্জনে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে আইসিটি বিভাগ। করোনাকালীন সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশ ও একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। একই সাথে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে সারা বিশ্বে একটি অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। এর ফলে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি-সহ নানারকম অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় বিভিন্ন দেশ। এমতাবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এঁর সুপরামর্শে বাংলাদেশও তার রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন কৌশল অবলম্বন করে। এরই আলোকে দেশের প্রতিটি মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব পরিচালনা কৌশলে পরিবর্তন আনতে শুরু করে।

তিনি আরো বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরিতে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান, ইভেন্ট অংশগ্রহণ করাসহ আয়োজন করে থাকে। ২০২১-২২ অর্থবছরেও বিভিন্ন রকম আয়োজন অন্তর্ভুক্ত থাকে। কিন্তু বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিশেষ কৌশল এর আলোকে উক্ত বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় সংকোচনসহ নিয়মিত ক্যাম্পেইন, ইভেন্ট বা অনুষ্ঠান আয়োজনে কিছুটা পরিবর্তন আনে।

প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ফ্ল্যাগশীপ অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য আয়োজনগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০২২, ডিজিটাল ডিভাইস এন্ড ইনোভেশন এক্সপো, বিপিও সামিট, ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ, ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, ১৬তম ইন্টারন্যাশনল চিল্ড্রেনস ফিল্ম ফেসটিভাল, ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন আইটি (ডব্লিউসিআইটি), বাংলাদেশ ইন্ডিয়া স্টার্টআপ এক্সচেঞ্জ, জাপান আইটি উইক, চ্যানেল আই ডিজিটাল বাংলাদেশ মিডিয়া এওয়ার্ড, রোডসো দুবাই/লন্ডন ব্রান্ডিং, ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো (জাপান, ইন্ডিয়া, ইউকে, আমেরিকা, ইউরোপ অন আইসিটি), কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (সিআইসিএ) অন বাংলাদেশ, টেক কার্নিভাল, বিজয় দিবসের যান্ত্রিক বহরে ব্রান্ডিং, বুয়েট সিএসই ফেস্ট এবং আইসিটি জাম্বুরী (বাংলাদেশ স্কাউট) আয়োজনগুলোর মধ্য থেকে উল্লেখিত কয়েকটি ইভেন্টের জন্য ইতোমধ্যে ইওআই ও ওটিএম আহবান করা হয়েছিল। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইভেন্টসমূহ এ বছর বাতিল করা হয়েছে। তবে জাতীয় দিবস বিবেচনায় “ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস” সীমিত পরিসরে আয়োজন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভুল বশত বা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে গত ১৫ নভেম্বর ২০২২ তারিখে একটি দৈনিক পত্রিকা প্রথমআলো-তে “চলতি অর্থবছরে অনুষ্ঠানের জন্য ৭৫ কোটি টাকা চেয়েছে আইসিটি বিভাগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয় যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের নজরে আসে। উক্ত সংবাদটির শিরোনাম ও ভেতরে বর্ণনা অর্থাৎ উল্লেখিত তথ্যাদি পাঠক কিংবা জনসাধারণের নিকট ভুলভাবে উপস্থাপিত হতে পারে বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বিধায় সংবাদ মাধ্যমকে সম্পূর্ণ বিষয়টি ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন বোধ করায় উক্ত প্রেস ব্রিফিংটি আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী পলক আরো জানান যে, উল্লেখিত অনুষ্ঠানগুলোর জন্য মোট বাজেট ছিল ৭৫ কোটি টাকা। দেশের স্বার্থে ও জনগণের স্বার্থে ১৭টি অনুষ্ঠান বাতিল করার ফলে উক্ত বাজেটের মধ্য থেকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ফেরৎ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালস ঢাকা আয়োজন না করা হলে উক্ত আয়োজনের প্রায় ৩০ কোটি টাকাই ফেরৎ দেওয়া সম্ভব হত। কিন্তু ২০১৭ সালে আইসিপিসি আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয় যার ফলে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ দায়বদ্ধ বিধায় বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সম্মান অটুট রাখার জন্য প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্বকাপ নামে খ্যাত উক্ত আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আইসিটি বিভাগ। বর্তমান বৈশ্বিক মন্দার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সামগ্রিকভাবে ব্যয়ের পরিমাণ হ্রাসকরণে সচেষ্ট।

;