ইনফিনিক্সের 'হট ইলেভেনএস' বাংলাদেশের গেমারদের কাছে সমাদৃত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সাম্প্রতিক সময়ে উন্নত মানের ভিডিও গেম খেলা একটি জনপ্রিয় বৈশ্বিক প্রবণতা হয়ে উঠেছে। এই প্রবণতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশি গেমাররাও এখন নিজেদের মোবাইল ফোনে উন্নত মানের ভিডিও গেম খেলছেন। কিন্তু কখনও কখনও স্বাচ্ছন্দ্যে গেম খেলার মতো ডিভাইস, অর্থাৎ মোবাইল ফোনের দাম তাঁদের সামর্থ্যের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে। তাই বাংলাদেশি গেমারদের প্রত্যাশা পূরণে ইনফিনিক্স 'হট ইলেভেনএস' (Hot 11S) ডিভাইসে উন্নত মানের গেম খেলার সুযোগ নিয়ে এসেছে। এখন তাঁরা নিজেদের ফোনে ডার-লিঙ্ক আলটিমেট গেম বুস্টার (Dar-Link Ultimate Game Booster) ব্যবহার করে গেম খেলতে পারবেন। শুধু তাই নয়, একজন গেমার সেই সেটিংস ও গেমগুলো গেম জোনে সেভ করেও রাখতে পারবেন।

যাঁরা গেম খেলতে পছন্দ করেন তাঁদের কাছ থেকে নতুন এই ডিভাইসটি ব্যাপকভাবে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে এবং এটি এখন বাজারে এ ধরনের পণ্যের মধ্যে হটকেকের মতো সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। উপরন্তু বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি পর্যালোচনাকারী ও ইউটিউবাররা এই ফোনের চমৎকার গেমিং বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে ভীষণ সন্তুষ্ট। মজার বিষয় হল, বাংলাদেশের প্রযুক্তি এই খাতের তরুণ নেতৃত্বও ‘ইনফিনিক্স হট ইলেভেন এস’কে বাজেট গেমিং স্মার্টফোন বা সাশ্রয়ী দামে গেম খেলার সেরা মোবাইল ফোন বলে মতামত দিয়েছেন এবং এটির পক্ষে সুপারিশ করেছেন।

সৌন্দর্য, শক্তি ও উদ্ভাবন মিলিয়ে ইনফিনিক্স মোবাইলের হট ইলেভেন এস (Infinix Hot11S) এখন বাংলাদেশি গেমারদের কাছে একটি অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন ও আকর্ষণীয় স্মার্টফোন হিসেবে ভীষণ সমাদৃত হয়ে উঠেছে। কারণ এটি গেমারদের জীবনে কল্পনাশক্তিকে জাগিয়ে তোলে। সম্প্রতি ইনফিনিক্স হট ইলেভেন এস (Infinix Hot11S) বাংলাদেশের বাজেট-গেমিং কমিউনিটি বা সাশ্রয়ী খরচে গেম খেলায় প্রত্যাশী গেমার সম্প্রদায়ের মধ্যে জাগরণের সৃষ্টি করেছে। ইনফিনিক্স হট সিরিজের "গেম অন" স্লোগানটি স্ফুলিঙ্গের মতো জ্বলে উঠেছে। বিশেষ করে হাই-এন্ড কনফিগারেশন বা উচ্চ প্রযুক্তি মানসম্পন্ন কনফিগারেশন সমৃদ্ধ এই ফোন তরুন গেমারদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। এই পাওয়ার-প্যাকড ডিভাইসটিতে গেমিং প্রসেসর হেলিও জি৮৮ (Helio G88), নাইনটি হার্টজ এফএইচডি+ (90Hz FHD+) ডিসপ্লে এবং বিশাল স্টোরেজ সুবিধা, ছয় জিবি র্যাম (6GB RAM) এবং আরো পাঁচ জিবি বর্ধিত র্যামের (5GB extended RAM) সুবিধা রয়েছে। সব মিলিয়ে একটি সাশ্রয়ী বাজেট সীমার মধ্যেই রয়েছে উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন এই মোবাইল ফোনের দাম।

আগে বাংলাদেশের বাজারে ইনফিনিক্স হট ইলেভেন এস (Infinix Hot11S) মোবাইল ফোনসেটের দাম ছিল ১৫,৯৯০ টাকা। মূল্যছাড়ে এখন তা সারা দেশে ১৫,১৯০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

বাংলাদেশে এওভি চ্যাম্পিয়নশিপের কো-স্পন্সর হল ইনফিনিক্স

আজকাল বাংলাদেশের গেমিং সম্প্রদায় জনপ্রিয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মোবাইল ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে থাকে। সে অনুযায়ী বাংলাদেশের গেমাররা এখন অ্যারেনা অব ভ্যালর ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২২-এ দক্ষিণ এশিয়া থেকে কোয়ালিফাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রতিযোগিতাটিতে এই অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও মিয়ানমার, কম্বোডিয়া ও পাকিস্তানের প্রতিযোগীরা অংশ নিচ্ছেন। এই প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আর্থিক পুরস্কার বেশ আকর্ষণীয়, যা পরিমাণে বাংলাদেশের ৭৫ লাখ টাকা। এছাড়া ইনফিনিক্স তার হট ইলেভেন এসসহ (Infinix Hot 11S) আরো কিছু লোভনীয় লোভনীয় পুরস্কার রয়েছে। ইনফিনিক্স মোবাইল বাংলাদেশ তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ইনফিনিক্স হট ইলেভেন এস-এর (Infinix Hot 11S) মাধ্যমে বৃহত্তম এই ই-স্পোর্টস অফলাইন গেমিংয়ের স্পন্সর বা পৃষ্ঠপোষক হয়েছে।

এই টুর্নামেন্ট বা প্রতিযোগিতাটি প্রথমে গত ১১ মার্চ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত আঞ্চলিকভাবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, কম্বোডিয়া ও মিয়ানমার-এই চার দেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চার দেশ থেকে বিজয়ী ৮টি দল এবারে একটি ল্যান (লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক) ইভেন্টে ফাইনাল প্লে অফে অংশ নেবে, যা আয়োজন করবে বাংলাদেশ। এই টুর্নামেন্টের গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী মার্চ থেকে ১ এপ্রিল পর্যন্ত। প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি জয়ের জন্য বাংলাদেশের বিজয়ী দলগুলো এশিয়ার অন্যান্য দেশের প্রতিযোগীদের সাথে লড়াই করবে। গ্র্যান্ড ফাইনালে বিজয়ী অর্থাৎ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দলটি এরপর গ্লোবাল স্টেজ তথা বৈশ্বিক পর্যায়ের অ্যারেনা অব ভ্যালর ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার টিকিট পাবে। একটি সুখবর হল, চলতি ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে চীনে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ান গেমসে একটি পদক ইভেন্ট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে অ্যারেনা অব ভ্যালর।

অ্যারেনা অব ভ্যালর হল একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় মাল্টি-প্লেয়ার ই-স্পোর্টস গেম (5vs5), যা স্মার্টফোনে নির্বিঘ্নে খেলা যায়। এই গেমে ব্যাটারির দীর্ঘস্থায়িত্ব ও কার্যক্ষমতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ে না।

অ্যারেনা অব ভ্যালরের (এওভি) সাথে ইনফিনিক্স মোবাইল বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগ এদেশের গেমারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি করেছে। কারণ এওভি হল এমন একটি মাল্টিপ্লেয়ার অনলাইন ব্যাটল বা লড়াই, যা গভীর দলগত কৌশলে খেলতে হয়। আর ইনফিনিক্স হট ইলেভেন এস হল (Hot11S) একটি অলরাউন্ডার ডিভাইস, যেটি অত্যন্ত উন্নতমানের প্রযুক্তিতে অত্যাধুনিক ও ছিমছাম ডিজাইনে তৈরি। এটি কার্যক্ষমতায়ও বেশ শক্তিশালী, যা এওভির মতো ‌'ভার্চুয়াল ব্যাটলফিল্ড' তথা অনলাইনভিত্তিক প্রতিযোগিতায় বিজয় অর্জনের জন্য প্রয়োজন। অ্যারেনা অব ভ্যালরের গেমপ্লে এমনভাবে তৈরি, যেটি একাধিক মানে বেশ ক'জন খেলোয়াড় দলবদ্ধ হয়ে খেলতে হয়। গড়ে ১২-১৮ মিনিট খেলার পর এই গেমের প্রতিযোগীদের মান বা অবস্থান (standard or rank) নির্ধারিত হয়ে থাকে।

এসব কিছুর কেন্দ্রে রয়েছে গেমটির বিস্তৃতি ও বলিষ্ঠ চরিত্র নির্বাচন, যাকে বলা হয় নায়ক (game’s expansive and robust cast of characters called heroes)। এই খেলায় জেতাটা কয়েকটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। বিষয়গুলো হচ্ছে- টিম সিনার্জি বা দলগত সমন্বয় ও প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে লড়ে যাওয়া (matchups against opposing teams)। এ ধরনের মহাকাব্যিক গেম লড়াই থেকে অনেক বিখ্যাত সুপারহিরো কারেক্টার বা চরিত্র সৃষ্টি হয়ে থাকে। যেমন- সুপারম্যান, ওয়ান্ডার ওম্যান, লাভিল ইত্যাদি। যারা গেম খেলতে ভালবাসেন তাঁদের বেশিরভাগের কাছেই এ ধরনের সুপারহিরো কারেক্টার বা চরিত্রগুলো খুবই আকাঙ্ক্ষিত। অ্যারেনা অব ভ্যালর ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ (এআইসি) ২০২২-এর দক্ষিণ এশীয় (AIC 2022 SA) টুর্নামেন্টের ফাইনালকে সামনে রেখে গেমাররা দুই হিরো মানে নায়কের দাবি করতে পারেন। যেমন, তাঁরা এওভির ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্দেশাবলী মেনে এওভিতে নিবন্ধন করে বিনামূল্যে জোকার ও ব্যাটম্যানের মতো হিরো কারেক্টার বা নায়ক চরিত্র দাবি করতে পারেন। তবে তা পেতে হলে ৩০ মার্চ থেকে ১ এপ্রিলের মধ্যে এওভিতে নিবন্ধন করতে হবে।    

হোয়াটসঅ্যাপে শিগগিরই আসছে নতুন ফিচার



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইউজারদের সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ শিগগিরই নতুন ফিচার লঞ্চ করতে যাচ্ছে। এবার তারা এমন একটি ফিচার নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করেছে যার সাহায্যে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ভয়েস নোট শেয়ার করতে পারবেন।

বর্তমানে ইউজাররা হোয়াটসঅ্যাপে ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে পারেন। তবে নতুন ফিচার চালু হলে আগামী দিনে ইজাররা হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ভয়েস নোটও শেয়ার করতে পারবেন।

আপাতত হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ এই ফিচারের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করেছে আইওএস বিটা ভার্সনে। হোয়াটসঅ্যাপ ট্র্যাকার এই তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড ভার্সানের ক্ষেত্রেও এই ফিচার নিয়ে কাজ চলছে। হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভয়েস নোট শেয়ারের সুযোগ পাবেন ইউজাররা। তার সঙ্গে আবার যোগ করা যাবে টেক্সটও। হোয়াটসঅ্যাপের চ্যাটবক্সে যেখানে মেসেজ লেখা হয়, সেখানে মাইক্রোফোন চিহ্নে ট্যাপ করে ভয়েস নোট রেকর্ড করা যাবে।

হোয়াটসঅ্যাপের অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস ভার্সানে সমস্ত ইউজারদের জন্য কবে এই ফিচার চালু হবে তা এখনও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে শিগগিরই এই ফিচার চালু হতে যাচ্ছে।

হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে স্ক্রিন লক ফিচার

স্মার্টফোনে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ইউজারদের অ্যাকাউন্ট অনেক বেশি সুরক্ষিত থাকে, কারণ স্ক্রিন লক করার সুবিধা রয়েছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সানে এই ফিচার নেই। যার ফলে যদি কখনও ইউজার ডেস্কটপ বা ল্যাপটপে হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সান চালু করে কিছু সময়ের জন্য নিজের ডিভাইস থেকে দূরে থাকেন, তাহলে সেই সময় অন্য কেউ চাইলে আপনার অ্যাকাউন্টে উঁকিঝুঁকি মারতে পারবেন। তবে এই সমস্যাও খুব তাড়াতাড়ি দূর হতে চলেছে। কারণ এবার হোয়াটসঅ্যাপের ওয়েব ভার্সানেও চালু হতে চলেছে স্ক্রিন লকের সুবিধা।

;

জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট

জিপি গ্রাহকরা সহজেই খুলতে পারবেন উপায় একাউন্ট

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর ও শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন ব্যবহারকারীরা এখন থেকে খুব সহজেই মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) উপায় একাউন্ট খুলতে পারবেন।

সোমবার রাজধানীর হোটেল শেরাটনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন এই সেবা উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আরিফ কাদরী এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।

সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় এই গ্রাহক রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে গ্রামীণফোনের ব্যবহারকারীদের *২৬৮# ডায়াল করতে হবে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাদের নির্দিষ্ট কিছু তথ্য, যেমন – জাতীয় পরিচয় পত্র নম্বর এবং জন্ম তারিখ, উপায়-কে ব্যবহারের জন্য গ্রামীণফোনকে অনুমতি দেবেন। প্রাথমিক

রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর উপায় গ্রাহক তার একাউন্টে সর্বচ্চ ৫০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ ইন করতে এবং এবং উক্ত টাকা ব্যবহার করে শধু রিচার্জ করতে পারবেন। রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ করতে, ব্যবহারকারীদের নিকটস্থ উপায় এজেন্ট পয়েন্ট কিংবা ফোনের অ্যাপের মাধ্যমে নিজেদের ছবি সংযুক্ত করতে হবে।

ইউসিবি’র ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও আরিফ কাদরী বলেন, ‘আমরা মনে করি, নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ম মেনে ইউএসএসডি-ভিত্তিক দ্রুত এমএফএস অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়া, আর্থিক সেবাদানের ক্ষেত্রে উপায়সহ সামগ্রিকভাবে এমএফএস খাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। যারা এখনও আর্থিক সেবার বাইরে আছেন, তাদেরকে খুব সহজেই সেবা প্রদান করা যাবে। আর্থিক অন্তুরভুক্তিও বেগবান হবে।’

গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী, ইয়াসির আজমান বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন আমাদের প্রচেষ্টা মানুষের ক্ষমতায়নে ও ডিজিটাল বৈষম্য দূর করতে ভূমিকা রাখে। প্রথমবারের মতো এ উদ্ভাবনী সল্যুশন ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের এমএফএস অ্যাকাউন্ট খুলতে এবং তাদের ফোন রিচার্জে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এ উদ্যোগ আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ত্বরাণ্বিত করবে; পাশাপাশি, বর্তমান অর্থনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে আইনসম্মত ও দ্রুতগতিতে লেনদেন সহজ করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।
উপায় ও গ্রামীণফোন একসাথে উন্মোচন করেছে উদ্ভাবনী মোবাইল রিচার্জ সেবা।

গ্রাহকরা *১২১# ইউএসএসডি কোড ডায়াল করলে ‘রিচার্জ মেনু’ পাবেন। এর মাধ্যমে উপায় অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা তাদের নাম্বার, রিচার্জ অ্যামাউন্ট ও উপায় অ্যাকাউন্টের পিন নাম্বার লিখে সহজেই যেকোনো গ্রামীণফোন নাম্বার রিচার্জ করতে পারবেন।

;

বিশ্বব্যাংকের ‌‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় বাংলাদেশ



টেক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রদান এবং এসব সেবা গ্রহণে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করার ইকোসিস্টেম তৈরিতে নতুন নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নে করে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের ‘গভটেক লিডারস’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) অনলাইনে বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত গভটেক ম্যাচ্যুরিটি ইনডেক্স (জিটিএমআই)-২০২২ এ এই অবস্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

বিশ্বব্যাংকের জিটিএমআই-২০২২ তথ্য অনুসারে, মোট ০.৮৪ স্কোর (১.০০ -এর মধ্যে) নিয়ে জিটিএমআই এর ‘ক্যাটাগরি এ: ভেরি হাই গভর্নমেন্ট ম্যাচুরিটি’তে স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই গ্রুপে থাকা প্রতিটি দেশকে ‘গভটেক লিডারস’ হিসেবে বিবেচনা করে বিশ্বব্যাংক। নতুন স্কোরের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৯৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ২৯তম অবস্থানে রয়েছে।

উল্লেখ্য, জিটিএমআই-২০২০ -এ বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৭২ এবং অবস্থান ছিল ‘ক্যাটেগরি বি: হাই গভটেক ম্যাচুরিটি’ গ্রুপে।

জিটিএমআই-২০২২ এ সরকারি খাতের বিভিন্ন সেবা প্রদানের ডিজিটাল রূপান্তরের চারটি প্রধান দিককে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এগুলো হলো-কোর গভর্নমেন্ট সিস্টেমস, পাবলিক সার্ভিস ডেলিভারি, সিটিজেন এনগেজমেন্ট এবং গভটেক এনাবলার্স।

বিশ্বব্যাংকের ফ্ল্যাগশিপ এই প্রতিবেদনে বিশ্ব অর্থনীতির ১৯৮টি দেশের গভটেক ম্যাচ্যুরিটির একটি চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। জিটিএমআই-২০২২ -এ গভটেক এর নতুন নতুন প্রবণতা, অনুশীলন ও সেগুলো বাস্তবায়নে গুরুত্ব প্রদান করেছে।

;

বর্তমান অর্থ বছরের ১৭ অনুষ্ঠান বাতিল করল আইসিটি বিভাগ



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বর্তমান অর্থ বছরের ১৭ অনুষ্ঠান বাতিল করল আইসিটি বিভাগ

বর্তমান অর্থ বছরের ১৭ অনুষ্ঠান বাতিল করল আইসিটি বিভাগ

  • Font increase
  • Font Decrease

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ও অনুষ্ঠেয় বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি বিষয়ক একটি সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) অনলাইনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। এ সময় অনলাইনে উপস্থিত ছিলেন উক্ত বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম পিএএ সহ প্রমুখ।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, যে বাংলাদেশ প্রযুক্তিগত দিক থেকে উন্নতি লাভ করছে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন অর্জনে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে আইসিটি বিভাগ। করোনাকালীন সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশ ও একটি অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়। একই সাথে ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের ফলে সারা বিশ্বে একটি অর্থনৈতিক সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। এর ফলে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি-সহ নানারকম অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয় বিভিন্ন দেশ। এমতাবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এঁর সুপরামর্শে বাংলাদেশও তার রাষ্ট্র পরিচালনায় নতুন কৌশল অবলম্বন করে। এরই আলোকে দেশের প্রতিটি মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব পরিচালনা কৌশলে পরিবর্তন আনতে শুরু করে।

তিনি আরো বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরিতে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান, ইভেন্ট অংশগ্রহণ করাসহ আয়োজন করে থাকে। ২০২১-২২ অর্থবছরেও বিভিন্ন রকম আয়োজন অন্তর্ভুক্ত থাকে। কিন্তু বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এবং রাষ্ট্র পরিচালনার বিশেষ কৌশল এর আলোকে উক্ত বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমে যথেষ্ট ব্যয় সংকোচনসহ নিয়মিত ক্যাম্পেইন, ইভেন্ট বা অনুষ্ঠান আয়োজনে কিছুটা পরিবর্তন আনে।

প্রতিমন্ত্রী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ফ্ল্যাগশীপ অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য আয়োজনগুলোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০২২, ডিজিটাল ডিভাইস এন্ড ইনোভেশন এক্সপো, বিপিও সামিট, ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড বাংলাদেশ, ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা, ১৬তম ইন্টারন্যাশনল চিল্ড্রেনস ফিল্ম ফেসটিভাল, ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন আইটি (ডব্লিউসিআইটি), বাংলাদেশ ইন্ডিয়া স্টার্টআপ এক্সচেঞ্জ, জাপান আইটি উইক, চ্যানেল আই ডিজিটাল বাংলাদেশ মিডিয়া এওয়ার্ড, রোডসো দুবাই/লন্ডন ব্রান্ডিং, ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো (জাপান, ইন্ডিয়া, ইউকে, আমেরিকা, ইউরোপ অন আইসিটি), কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (সিআইসিএ) অন বাংলাদেশ, টেক কার্নিভাল, বিজয় দিবসের যান্ত্রিক বহরে ব্রান্ডিং, বুয়েট সিএসই ফেস্ট এবং আইসিটি জাম্বুরী (বাংলাদেশ স্কাউট) আয়োজনগুলোর মধ্য থেকে উল্লেখিত কয়েকটি ইভেন্টের জন্য ইতোমধ্যে ইওআই ও ওটিএম আহবান করা হয়েছিল। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইভেন্টসমূহ এ বছর বাতিল করা হয়েছে। তবে জাতীয় দিবস বিবেচনায় “ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস” সীমিত পরিসরে আয়োজন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভুল বশত বা উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে গত ১৫ নভেম্বর ২০২২ তারিখে একটি দৈনিক পত্রিকা প্রথমআলো-তে “চলতি অর্থবছরে অনুষ্ঠানের জন্য ৭৫ কোটি টাকা চেয়েছে আইসিটি বিভাগ” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয় যা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের নজরে আসে। উক্ত সংবাদটির শিরোনাম ও ভেতরে বর্ণনা অর্থাৎ উল্লেখিত তথ্যাদি পাঠক কিংবা জনসাধারণের নিকট ভুলভাবে উপস্থাপিত হতে পারে বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বিধায় সংবাদ মাধ্যমকে সম্পূর্ণ বিষয়টি ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন বোধ করায় উক্ত প্রেস ব্রিফিংটি আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী পলক আরো জানান যে, উল্লেখিত অনুষ্ঠানগুলোর জন্য মোট বাজেট ছিল ৭৫ কোটি টাকা। দেশের স্বার্থে ও জনগণের স্বার্থে ১৭টি অনুষ্ঠান বাতিল করার ফলে উক্ত বাজেটের মধ্য থেকে প্রায় ৪০ কোটি টাকা ফেরৎ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে আইসিপিসি ওয়ার্ল্ড ফাইনালস ঢাকা আয়োজন না করা হলে উক্ত আয়োজনের প্রায় ৩০ কোটি টাকাই ফেরৎ দেওয়া সম্ভব হত। কিন্তু ২০১৭ সালে আইসিপিসি আয়োজনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয় যার ফলে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ দায়বদ্ধ বিধায় বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের সম্মান অটুট রাখার জন্য প্রোগ্রামিংয়ের বিশ্বকাপ নামে খ্যাত উক্ত আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে আইসিটি বিভাগ। বর্তমান বৈশ্বিক মন্দার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সামগ্রিকভাবে ব্যয়ের পরিমাণ হ্রাসকরণে সচেষ্ট।

;