ভাষা জাদুঘর তৈরি করছে আইসিটি বিভাগ



তরিকুল ইসলাম সুমন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ভাষা গুলোকে একত্রিত করে সংরক্ষণ ও গবেষণার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ। এ জন্য ‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ (ইবিএলআইসিটি)’ প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের ৪০টি ভাষার এনোটেটেড নমুনা সংরক্ষিত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রকল্প পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মো. মাহবুব কবির।

তিনি বার্তা২৪.কমকে জানান, ভাষা সংরক্ষণে আইসিটি বিভাগের উদ্যোগ জাতীয় পর্যায়ে  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষাসহ দেশের সবগুলো ভাষা সংরক্ষণে তৈরি হচ্ছে ভাষা বিষয়ক ডিজিটাল রিসোর্স রিপোজিটোরি বা জাদুঘর। যেখানে সব ভাষা সংরক্ষিত থাকবে।

ইবিএলআইসিটির প্রকল্প পরিচালক আরো বলেন, সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে বাংলাসহ ৪১টি জীবিত ভাষা আছে। এর মধ্যে ১৪টি ভাষা বিপন্নপ্রায়। এই ধারা অব্যাহত থাকলে অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই এই ভাষাগুলো হারিয়ে যাবে। এমতাবস্থায়, ভাষাগুলোর বৈজ্ঞানিক ডকুমেন্টেশন ও সংরক্ষণের জন্য এই উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ভাষা সম্পর্কে নতুন ও প্রামাণ্য জ্ঞান তৈরি করে দেবে। সংশ্লিষ্ট ভাষাভাষী মানুষেরা তাদের ভাষা সংরক্ষণ করতে পারবেন এবং ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে ভাষার নমুনা হাজির করে ভাষা পুনরুজ্জীবনের উপায় বের করবেন। ভাষা গবেষকরা পাবেন তাদের গবেষণার রিসোর্স ও রিপোর্ট। একইসঙ্গে বিপন্ন ভাষাগুলো প্রযুক্তিতে ব্যবহার উপযোগী হয়ে উঠার রূপরেখা পাবে।

তিনি বলেন, ইবিএলআইসিটি প্রকল্পে ১৬টি কম্পোনেন্ট রয়েছে। এরিএকটি হলো ভাষা সংরক্ষণ । এটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ৪০টি ভাষার প্রতিটির জন্য অন্তত ১২০০০ মিনিট স্পিচের আইপিএ উচ্চারণসহ অনুবাদ, প্রতিটি ভাষার জন্য সংক্ষিপ্ত ত্রৈভাষিক শব্দকোষ, নিজস্ব লিপি থাকা ভাষাগুলোর জন্য ইউনিভার্সাল কিবোর্ড, ইউনিকোড ফন্ট, উচ্চারণ সহ ফনোলজিক্যাল চার্ট, ওরাল লিটারেচারের একটি সুবিন্যস্ত সংগ্রহশালা তৈরি  করা হবে।


এ বিষয়ে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ড্রিম৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বেসিসের পরিচালক রাশাদ কবির বার্তা২৪.কমকে বলেন, ইতিপূর্বে সরকারি বেসরকারি অনেক ধরণের প্রজেক্টে কাজ করলেও এই প্রকল্পটির মাধ্যমে নতুন ধরণের কাজের অভিজ্ঞতা হচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভাষা নিয়ে কাজ করার সুযোগ হচ্ছে এই কাজের মাধ্যমে। ৪০টি ভাষার উপর প্রতিটির জন্য ১২ হাজার মিনিটের ওডিও এবং ভিডিও ভয়েস করা হবে। এর মধ্যে ৮০০০ মিনিট পূর্বনির্ধারিত (আমাদের গল্প তাদের ভাষায়) এবং ৪০০০ মিনিট স্বতঃস্ফূর্ত (তাদের গল্প তাদের ভষায়) যার অডিও এবং ভিডিও স্পিচ সংগ্রহ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট কর্তৃক বলা হয়েছে ক্ষদ্র নৃগোষ্ঠির  টি ভাষার আক্ষরিত (লিখন পদ্ধতি) রয়েছে। এ জন্য ৬টি ভাষার জন্যে তৈরি হবে ৬টি কিবোর্ড। এছাড়াও যদি নতুন কোনো ভাষার আক্ষরিক বা লিখন পদ্ধতি পাওয়া যায় তার ওকিবোর্ড তৈরি করা হবে।

তিনি বার্তা২৪.কমকে আমরা ইতোমধ্যে আমদের টিমকে মাঠ পর্যায়ে পাঠিয়েছি। কাজ শুরু হয়েছে। আশা করছি  দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা ভালো একটি কাজ দেশবাসীকে উপহার দিতে পারবো।

কর্মপদ্ধতি প্রসঙ্গে ড্রিম৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, পুরো কার্যক্রম বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভাষাভাষী কমিউনিটি ও অংশীজনদের মতামত নিয়ে পরিচালিত হবে। ডেটা সংগ্রহ করা হবে নিজেদের তৈরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে। তৈরিকৃত সফটওয়্যারটি পৃথিবীর যেকোনো ভাষা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা যাবে। এথনোগ্রাফি বাংলাদেশের ৪০টি ভাষার অডিও ও টেক্সুয়াল ডেটা সংগ্রহের জন্য নৃতাত্ত্বিক-ভাষা বিশেষজ্ঞ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক, নেটিভ ভেলিডেটর বা সংশ্লিষ্ট ভাষার যাচাইকারী , সফটওয়্যার প্রকৌশলী, এনকোডিং এক্সপার্ট, টেস্টার বা পরীক্ষক, ডকুমেন্টেশন এক্সপার্ট প্রমুখের সমন্বয়ে গঠিত টিম কাজ করবে।

 


যেসব ভাষার উপভাষার রয়েছে এবং ভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘদিন যাবত স্বতন্ত্র ভাবে ব্যবহৃত সেসব ভাষার পৃথক নমুনা গ্রহণ করা হবে। ভাষা-সম্প্রদায়সমূহের অবস্থান নিরিখে সারাদেশকে ভাষা-জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। ভাষা-সম্প্রদায়সমূহের অবস্থান নিরিখে সারাদেশকে ৮ টি ভাষা-জোনে বিভক্ত করা হয়েছে।

ডেটা সংগ্রহের আগে প্রতিটি জোন ধরে সংশ্লিষ্ট ভাষাসমূহের নির্ধারিত প্রতিনিধিবর্গের অংশগ্রহণে কমিউনিটি অ্যাওয়ারনেস সভা করা হবে। যেখানে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি ছাড়াও তাদের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিবৃন্দ থাকবেন। যথাযথ ব্যালেন্সড ও রিপ্রেজেন্টনেস বিবেচনা করে নির্ধারিত স্থান থেকে ডেটা সংগ্রহ করা হবে। যাতে এই সংগৃহীত ডেটা ভাষাটির ঠিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। সংগৃহীত ডাটা অ্যানোটেশন করে শুদ্ধাশুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য ওই স্থানেই সংশ্লিষ্ট ভাষার ব্যক্তিবর্গের মাধ্যমে ভ্যালিডেট করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সর্বশেষ জরিপে ১৪ টি ভাষাকে বিপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে; যথা কন্দ, খারিয়া, কোডা, সাওরিয়া, মুন্ডা, কোল, মালতো, খুমি, পাংখোয়া, রেংমিটচা, চাক, খিয়াং, লুসাই, লালেং। এগুলোর মধ্যে রেংমিটচার মতো এমন ভাষাও আছে যার মাত্র ৬ জন ব্যবহারকারী বেঁচে আছে।

২৬ টি ভাষা বিভিন্ন লিপিতে লেখা হয় । সেগুলো হচ্ছে আবেং, আত্তং, মিগাম, বম, লুসাই, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি, ককবরক, ম্রো, মারমা, রাখাইন, চাক, বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরী, মৈতৈ মনিপুরী, হাজং, চাকমা, তঞ্চঙ্গা, সাদরি, উর্দু, মাহালি, কোল, কোডা, খাসিয়া, লিংগাম। লিখিত রূপ থাকা ভাষাগুলোর মধ্যে বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করে ৪টি। এগুলো হলো- হাজং, সাদরি, কোডা, বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি।৮টি ভাষা নিজস্ব লিপি ব্যবহার করে । এগুলো হলো-মৈতৈ মণিপুরি, চাক, চাকমা, তঞ্চঙ্গা, মারমা, রাখাইন, উর্দু, ও মো।

এবং ১৪ টি ভাষা রোমান লিপি ব্যবহার করে। এগুলো হলো-বম, কোল, ককবরক, খাসিয়া, গারো, লুসাই, মাহালি, পাংখোয়া, আবেং, আত্তং, মিগাম, কোচ, খিয়াং, খুমি।

হিসাবমতে, ২৬ টি ভাষার লিখিত রূপ আছে , অর্থাৎ ১৪ টি ভাষা এখনও লিখিত রূপহীন মৌখিক পর্যায়েই রয়ে গেছে। লিখিতরূপ থাকা চাক, কোডা, কোল ও পাংখোয়ার মতো কিছু ভাষাও হারিয়ে যাওয়ার মুখে রয়েছে।

বিআইজেএফ নির্বাচন: সভাপতি নাজনীন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বিআইজেএফ নির্বাচন: সভাপতি নাজনীন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন

বিআইজেএফ নির্বাচন: সভাপতি নাজনীন, সাধারণ সম্পাদক সাব্বিন

  • Font increase
  • Font Decrease

তথ্যপ্রযুক্তি সাংবাদিকদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচনে বিআইজেএফ কাযনির্বাহী কমিটির (২০২২-২৪) মেয়াদের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টেক ওয়ার্ল্ডের নাজনীন নাহার। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন বার্তা২৪ ডটকম’র কনসালটেন্ট এডিটর (আইসিটি) সাব্বিন হাসান।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারের জনতা টাওয়ারে শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা অবধি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের সূত্রে জানা যায়, কার্যনির্বাহী পরিষদে সভাপতি পদে টেক ওয়ার্ল্ডের নাজনীন নাহার, সহসভাপতি পদে কম্পিউটার বিচিত্রার ভূঁইয়া ইনাম লেলিন, সাধারণ সম্পাদক পদে বার্তা২৪.কম’র সাব্বিন হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নতুন সময়ের সাজেদুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ পদে বিজ টেকের সাইফুল ইসলাম শান্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ঢাকা পোস্টের আরিফুল ইসলাম আরমান, প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক পদে ঢাকা মেইলের আসাদুজ্জামান লিমন এবং নির্বাহী সদস্য পদে ডিজিটাল সময়ের এনামুল করিম ও ডিজি বাংলার ইমদাদুল হক চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২৩ সেপ্টেম্বর চারটি পদে ভোটগ্রহণ করা হয়। কিন্তু সভাপতি পদে নাজনীন নাহার বেগম (টেক ওয়ার্ল্ড) এবং জাকির হাসান (সমকাল) সমানসংখ্যক ২৫টি করে ভোট পেয়েছিলেন। ফলে সভাপতি পদ ছাড়াই বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে ‘বিআইজেএফ’ নির্বাচন কমিশন। সমান ভোট পাওয়া সভাপতি পদে আবারও ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানায় নির্বাচন কমিশন।

বিআইজেএফের নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি। কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ আর এম মাহমুদ হোসেন ও পল্লব মোহাইমেন। আপিল বোর্ডে ছিলেন সুমন ইসলাম ও আরিফুল হাসান।

;

হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজের একমাত্র এইসি প্ল্যাটিনাম পার্টনার হল স্মার্ট



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিশ্বখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এর প্ল্যাটিনাম পার্টনার ২০২২-২৩ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। এইচপিই'র ১২ টি এশিয়ান ইমার্জিং কান্ট্রির (এইসি) মধ্যে বাংলাদেশে একমাত্র স্মার্টকেই প্ল্যাটিনাম পার্টনারের মর্যাদা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ। তাছাড়াও নিজেদের পেশাদারিত্বে গুরুত্বপূর্ন অবদান রাখায় স্মার্ট এর ৭ জন প্রকৌশলী এবং ৬ জন বিক্রয় প্রতিনিধিকে বিশেষ সনদ প্রদান করে হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ। এ উপলক্ষ্যে ২৬ সেপ্টেম্বর স্মার্ট টেকনোলজিস এর নিজস্ব কনফারেন্স হলে প্লাটিনাম পার্টনারশীপ পাওয়া উপলক্ষ্যে একটি উৎযাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে স্মার্ট।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, পরিচালক শাহেদ কামাল, জাফর আহমেদ এবং মুজাহিদ আল বেরুনী সুজন, সনদপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ও বিক্রয় প্রতিনিধিবৃন্দ ছাড়াও প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, আমরা স্মার্ট টেকনোলজিস সব সময়ই কাস্টমারদের সেবা দেয়ার বিষয়ে সর্বোচ্চ চেষ্ঠা করে থাকি। হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এর এই স্বীকৃতি কাস্টমার সেবায় আমাদের সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমেরই স্বীকৃতি। আমরা আশা করছি, ভবিষ্যতেও আমাদের দেশের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন কর্মে হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এবং স্মার্ট একসাথে মিলে কাজ করবে।

তাছাড়াও অনুষ্ঠানে লন্ডন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়েছেন স্মার্ট টেকনোলজিস এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এসএম মহিবুল হাসান।

উল্লেখ্য, গত ২১ তারিখে হিউলেট প্যাকার্ড এন্টারপ্রাইজ এর পক্ষ থেকে এক ইমেইল বার্তার মাধ্যমে স্মার্ট এর ২০২২-২৩ সালের জন্য প্ল্যাটিনাম পার্টনার হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

;

বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত



আইসিটি ডেস্ক
বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত

বিআইজেএফ নির্বাচন সভাপতি পদ অমীমাংসিত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে সভাপতি পদে নাজনীন নাহার বেগম (টেকওয়ার্ল্ড) এবং মো. জাকির হাসান (সমকাল) সমানসংখ্যক ২৫টি করে ভোট পেয়েছেন। সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় সভাপতি পদ ছাড়াই বিজয়ী প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিআইজেএফ নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫০টি। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ৫৪ জন।

সভাপতি পদে অমীমাংসিত বিষয়ে বিআইজেএফ নির্বাচন কমিশনের চেয়ারম্যান এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক সভাপতি আবদুল্লাহ এইচ কাফি বার্তা২৪ ডটকমকে জানান, দুজন প্রার্থীই সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় আলোচনার ভিত্তিতে এক বছর মেয়াদে সভাপতি পদে দায়িত্ব পালনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরে এই সংক্রান্ত নীতিমালা দেখে আমরা এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাব।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন বার্তা২৪ ডটকম’র কনসালটেন্ট এডিটর (আইসিটি) সাব্বিন হাসান।

নির্বাহী কমিটির পাঁচটি পদে (সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও দুটি নির্বাহী সদস্য) একাধিক প্রার্থী না থাকায় চারটি পদে ভোট গ্রহণ করা হয়। চারটি পদে লড়েছেন ১০ জন প্রার্থী। নির্বাচিত অন্যরা হলেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান (নতুন সময়), কোষাধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম (বিজটেক ২৪ ডটকম) এবং প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক আসাদুজ্জামান (ঢাকামেইল ডটকম)।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও বিজয়ী হয়েছেন সহসভাপতি ভূঁইয়া মোহাম্মদ ইনাম (কম্পিউটার বিচিত্রা), সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম (ঢাকাপোস্ট) এবং নির্বাহী সদস্য এস এম ইমদাদুল হক (ডিজিবাংলা) ও মো. এনামুল করিম (ডিজিটাল সময়)।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের সম্মেলনকক্ষে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা অবধি ভোট গ্রহণ করা হয়।

বিআইজেএফের নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এ আর এম মাহমুদ হোসেন ও পল্লব মোহাইমেন। আপিল বোর্ডে আছেন সুমন ইসলাম ও আরিফুল হাসান।

;

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন বাংলাদেশের মাহিন



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছে বাংলাদেশের মাহিন

  • Font increase
  • Font Decrease

ক’দিন আগে উন্মোচন করা হয়েছে মার্কিন টেকনোজায়ান্ট এপলের যুগান্তকারি সৃষ্টি আইফোন ১৪ সিরিজ। সারা বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটি পিস সেলফোন বিক্রি করা এই প্রতিষ্ঠানটির ধারের কাছেও নেই বিশ্বের কোন মোবাইল ফোন তৈরি করা প্রতিষ্ঠান।

আইফোনের চমকপ্রদ নকশা, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা এটিকে দিয়েছে সেলফোনের জগতে সম্রাটের স্থান। বিশ্বখ্যাত এই আইফোনের ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং টিমের সাথে কাজ করছেন বাংলাদেশের সন্তান মাহিন মাশরুর। যতটুকু জানা যায় মাহিনই একমাত্র বাংলাদেশি যে প্রোডাক্ট ডিজাইনার হিসেবে কাজ করছেন।

মাহিনের জন্ম ঢাকার উত্তরায়, ১৯৯৯ সালে। উত্তরার ‘ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবা মা’র সাথে চলে যায় কানাডায়। ২০১৮ সালে ভর্তি হন কানাডার মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টে।


ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তির প্রতি অসম্ভব আকর্ষণ মাহিনের। ওয়াটারলু ইউনিভার্সিটির নতুন নতুন প্রযুক্তির সাথে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তার যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। চলতি বছরের প্রথম দিকে যখন সে তার ফাইনাল পরীক্ষা নিয়ে ব্যস্ত তখন আবেদন করেছিলেন চাকরি। ইলনমাস্কের টেসলা, স্পেসএক্স, এ্যাপল এবং অনেক কানাডিয়ান নামকরা প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ইন্টারভিউ এর ডাক পান। মাহিন তার শেষবর্ষের পরীক্ষা শেষ করার আগেই ইন্টারভিউ এর চারটি ধাপ অতিক্রম করে এ্যাপলের আইফোন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেয়ার সুযোগ পান।

গত ১৫ জুলাই সে যোগ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার কুপার্টিনোর স্টিভ জবস এর সেই বিখ্যাত ভবন অ্যাপল পার্কে। আইফোনের পরবর্তি সংস্করণের নকশায় বাংলাদেশের এই তরুণ মেধাবীর সম্পৃক্ততা থাকবে।

মেধাবী মাহিনের বাবা মা দুজনেই কৃষিবিদ। তাদের পৈত্রিক নিবাস উত্তরের জেলা গাইবান্ধা সদরের পলাশপাড়ায়। দেশে তার বাবা মোমিনুল আজম চাকরি করতেন বিসিএস (ডাক) ক্যাডারে আর মা মাহমুদা আনোয়ার ছিলেন বিসিএস (কৃষি) ক্যাডার। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১০ সালে পাড়ি জমান কানাডায়। মাহিনের বড় ভাই মুহিবও কানাডায় মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

;