৭ এপ্রিল ডিজিটাল কমার্স দিবস পালন করবে সরকার: মোস্তাফা জব্বার

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতি বছর ৭ এপ্রিলকে জাতীয় ডিজিটাল কমার্স দিবস হিসেবে পালনের জন্যে সরকার উদ্যোগ নেবে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বা ই-ক্যাব আয়োজিত এক অনলাইন আলোচনায় সংগঠনের নেতারা দিনটিকে জাতীয় ই-কমার্স দিবস হিসেবে পালনের দাবি করলেও জব্বার বলেন, এখন আর ই-কমার্স দিবস পালনের কোনো প্রয়োজন নেই। বরং ডিজিটাল কমার্স দিবস পালনের বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিতে পারে।

“ডিজিটাল কমার্স দিবস পালনের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ আসা উচিৎ। তারপরেও আমরা টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে,” বলেন তিনি।

গত কয়েক বছর ধরে ই-ক্যাব নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করে আসছে। এই সময় তারা ঢাকায় দুই দিনের ই-কমার্স মেলারও আয়োজন করেছে আগের কয়েক বছর। পাশাপাশি বিভাগীয় পর্যায়েও এক দিনের মেলার আয়োজন করেছে।

এ বছর আয়োজনের কর্মসূচী দিয়েও শুধু মাত্র যশোরে একটি মেলা আয়োজনের পর করোনার কারণে তাদের আয়োজন স্থগিত করতে হয়েছে।

একবার ই-ক্যাবের ই-কমার্স দিবস পালনের অংশ হিসেবে তারা আয়োজন করেন 'মানবতার সেবায় ই-কমার্সের ডাক' আলোচনার।

দিবসটি পালনের জন্যে তারা মানব সেবা নামের একটি ওয়েব সাইট খুলে (http://manobsheba.com/) অনুদান চাইবে যেটি দিয়ে তারা করোনা মোকাবিলায় মানব সেবার কাজে যুক্ত হতে পারে।

এর আগে আলোচনায় অংশ নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, করোনার কারণে ব্যবসা বাণিজ্য কেন্দ্রিক যে ঝুঁকির মধ্যে দেশ পড়েছে সেখান থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ ই-কমার্স।

অনেক সাধারণ মানুষও নিজেদের চাহিদার কারণেই এখন এই ধরনের বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত হবে বলে মনে করেন তিনি। সেক্ষেত্রে ই-কমার্স খাতকে যে কোনো সহযোগিতা দেওয়ার জন্যে তার মন্ত্রণালয় স্ট্যান্ডবাই থাকবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশান (এটুআই) এর সিনিয়র পলিসি ফেলো আনির চৌধুরী বলেন, করোনা আর সব খাতের জন্যে যেমন তেমন ই-কমার্সের জন্যে আশীর্বাদ হয়ে হাজির হয়েছে।

‘যে মানুষ এর আগে অনলাইনে কিছু কেনার কথা চিন্তাও করতে পারতো না এখন তিনি তার প্রয়োজনীয় সব কিছুর জন্যে অনলাইনেই আগে খোঁজ করছেন। এই সম্ভাবনাকে সরকারের কাজে লাগতে হবে। ‘

ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সার জানান, দেশে এখন বছরে আট হাজার কোটি টাকার কেনাকাটা অনলাইনের মাধ্যমে হয়।

তার মতে, যদিও ডেলিভারিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে তারপরেও করোনা পরিস্থিতিতে ই-কমার্স খাতই কেবল পারে সহজে এবং নিরাপদে ঘরে ঘরে প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছে দিতে।

আলোচনায় অংশ নিয়ে ই-কমার্স উদ্যোক্তা এবং লজিস্টিক ব্যবসার সঙ্গে থাকা উদ্যোক্তারা জানান, সরকারের অনুমোদন থাকার পরেও স্থানীয় পর্যায়ে পুলিশ এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকা সদস্যদের দ্বারা হরহামেশাই নাজেহাল হচ্ছেন তাদের কর্মীরা।

আপনার মতামত লিখুন :