রাজশাহীতেই অপরিচিত ‘শখের হাঁড়ি’!



হাসান আদিব, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, রাজশাহী, বার্তা২৪.কম
শখের হাড়ি তৈরি করছেন গুণী কারুশিল্পী সুশান্ত পাল। ছবিটি পুরোনো / ছবি: বার্তা২৪

শখের হাড়ি তৈরি করছেন গুণী কারুশিল্পী সুশান্ত পাল। ছবিটি পুরোনো / ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

প্রায় তিন যুগ ধরে রাজধানীসহ সারাদেশ মাতাচ্ছে রাজশাহীর বসন্তপুরের ‘শখের হাঁড়ি’। রাজশাহীর পালবাড়ির ৫৮ বছর বয়সী সুশান্ত কুমার পাল এই হাঁড়ি তৈরির প্রধান কারিগর। হাঁড়িগুলো মূলত বৈশাখী মেলাসহ বিভিন্ন মেলায় বিক্রি হতে দেখা যায়। কিন্তু রাজশাহীতেই অনেকেই চেনেন না এই শখের হাঁড়ি!

জানা গেছে, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাপানেও জনপ্রিয় এই শখের হাঁড়ি। দেশের প্রতিনিধি হিসেবে সেখানে গিয়ে বড় অনুষ্ঠানে নিজের অভিজ্ঞতাও জানিয়ে এসেছেন সুশান্ত পাল। সেখানকার মানুষ ও গণমাধ্যমের কাছে পেয়েছেন সেরা উপাধি। এছাড়াও শখের হাঁড়ির গল্প যুক্ত হয়েছে চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বইয়ে। আরকারুশিল্পে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ কারুশিল্প পরিষদ, লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, জাতীয় জাদুঘর, কারিকা বাংলাদেশ, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনসহ(বিসিক) সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩২টি সনদ রয়েছে সুশান্ত পালের।

এক কথায় প্রাপ্তির কমতি নেই রাজশাহীর এই কারুশিল্পীর। তবে রাজশাহীতেই বেশ অপরিচিত এই শখের হাঁড়ি! বৈশাখেও রাজশাহীর বড় কোনো মেলায় দেখা মেলে না দেশ-বিদেশ মাতানো শখের হাঁড়ির। এ নিয়ে মনোকষ্ট রয়েছে সুশান্ত কুমার পালের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555167027833.jpg

গত শুক্রবার (১২ এপ্রিল) রাজশাহীর বসন্তপুরে সুশান্ত পালের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছে রঙ করা হাঁড়িগুলো। তবে এখন আর হাঁড়ি বানানোর কাজ করা হচ্ছে না। চলছে রঙ তুলির শেষ আঁচড়।

সুশান্ত পালের স্ত্রী বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘দুই ছেলেকে নিয়ে সুশান্ত পাল এখন ঢাকায় অবস্থান করছেন। সেখানে মেলায় অংশ নিতে দু’চালানে অসংখ্য শখের হাঁড়ি ও তৈজসপত্র নিয়ে চলে গেছেন। বাড়িতে যেগুলোর কাজ চলছে, সেগুলো স্থানীয়ভাবে বিক্রি করা হবে।’

এ ব্যাপারে শনিবার (১৩ এপ্রিল) মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে সুশান্ত পাল বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, রাজশাহীর মানুষই শখের হাঁড়ি চেনেন না। অনেক আগে রাজশাহী বিসিক-এর নকশাবিদ আলাউদ্দিন সাহেব আমার শখের হাঁড়ি পছন্দ করেন। ওই সময় তিনি আমাকে বলেছিলন, আপনি ঢাকার বিজয়সরণীতে আসেন শখেরহাঁড়ি নিয়ে। বিক্রি না হলে আমি (আলাউদ্দিন) কিনে নেবে। সেই সময় একটা মেলা চলছিল। মেলায় সব শখের হাঁড়িগুলো বিক্রি হয়ে গিয়েছিল। সেই থেকে শুরু হলো গ্রামবাংলা থেকে ঢাকায় উঠে আসা শখের হাঁড়ির সুদিন।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555167049725.jpg

তিনি আরও বলেন, ‘যদিও যুগ যুগ ধরে শখের হাঁড়ির স্থান করতে পারেনি রাজশাহীতে। রাজশাহীতে বিভিন্ন মেলা হয়। কিছু মেলায় কর্তৃপক্ষ অংশগ্রহণের বিষয়ে জানালেও পরে ডাকে না। তবে এই হাঁড়ি যে রাজশাহীতে চলবে না, এমনটি নয়।’

শখের হাঁড়ির এই কারিগর বলেন, ‘ঢাকায় আশার আগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা, নগরীর উপকণ্ঠ খরখড়ি, নগরীর সাগরপাড়া রথের মেলায় অংশগ্রহণ করি। সেগুলোতে ব্যাপক সাড়া মেলেছে। কিন্তু জায়গার অভাবসহ বিভিন্ন কারণে বিস্তার ঘটানো সম্ভব হয়নি। গতবছর রাজশাহীর নিউ মার্কেট এলাকার থিম ওমর প্লাজায় বৈশাখী মেলায় অংশগ্রহণের কথা ছিল। কিন্তু আয়োজকরা আর ডাকেনি।’

তিনি বলেন, ‘রাজশাহী দেশের মধ্যে শিক্ষানগরী হিসেবে খ্যাত। এই রাজশাহীতে আমার বাবা ভোলানাথ মাটির জিনিসপত্র বিক্রি করে আমাদের বড় করেছেন। এখানে শখের হাঁড়ি পরিচিতি ঘটানো এখন আমার স্বপ্ন। রাজশাহী জেলা প্রশাসকসহ সব মহল যদি এ নিয়ে উদ্যোগ নেন, তবে সহজেই আমরা রাজশাহীর মানুষের কাছেও ভালো জিনিস পৌঁছে দিতে পারব।’

পরবর্তী প্রজন্মের কে বা কারা তার শখের হাঁড়ি কিংবা মৃৎশিল্পের এই কারুকাজ ভালোভাবে রপ্ত করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে সুশান্ত বলেন, ‘ছায়ে-পায়ে কুমার, বাপ-ব্যাটায় কামার, এর মানে হলো- দু’জন না হলে কামারের লোহা পিটিয়ে সোজা করা সম্ভব হয় না। আর ছেলে-মেয়ে-বউ, সবাই কাজে না লাগলে কুমারের কাজ করা যায় না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/13/1555167078483.jpg

তিনি বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে আমার বড় ছেলে সঞ্জয় এবং ছোট ছেলে মৃত্যুঞ্জয়কে কাজটি শেখানোর চেষ্টা করছি। মেয়ে সুচিত্রা এবং দুই ছেলের বউও কাজ শিখেছে। ওরাও এখন মনোযোগ দিয়ে কাজ করছে। আশা করি, যুগ যুগ ধরে বাপ-দাদার এই শিল্প বাঁচিয়ে রাখবে ওরাই।’

রাজশাহী জেলা প্রশাসক এসএম আব্দুল কাদের বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘আমি সুশান্ত পালের বিষয়টি শুনেছি। কিন্তু তাকে কখনো দেখা হয়নি। তবে সরকার মৃৎশিল্প এবং কারুশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর। আগামীতে সুশান্ত পালের তৈরি বিভিন্ন মাটির তৈজসপত্রের একক প্রদর্শনী করার মধ্য দিয়ে রাজশাহীর মানুষকেও এ বিষয়ে অবহিত করার চেষ্টা করব।’

   

দেশের জলবায়ু মোকাবিলায় প্রয়োজন ৫৩৪ বিলিয়ন ডলার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের ৫৩৪ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। জলবায়ু পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা অপরিহার্য।

বাংলাদেশ জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জলবায়ু অভিযোজন প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়া এবং সকল নাগরিকের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করার জন্য সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশের জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনার অগ্রগতির ওপর গুরুত্বারোপ করে ন্যাশনাল অ্যাডাপ্টেশন প্ল্যান এক্সপো ২০২৪’র একটি সেশনে দেওয়া বক্তব্যে সাবের হোসেন চৌধুরী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় পদক্ষেপ, সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টা এবং উদ্ভাবনী সমাধানের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। জাতীয় জলবায়ু পরিকল্পনা উন্নয়ন ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি তুলে ধরে তিনি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু অভিযোজনে দেশের নেতৃত্ব প্রদানের কথা উল্লেখ করেন।

এতে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ। এসময় বক্তব্য দেন সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা এ খান, ইআরডির অতিরিক্ত সচিব এ কে এম সোহেল।

জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. এম. আসাদুজ্জামান বাংলাদেশে ন্যাপ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ, সুযোগ এবং শিক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ধরিত্রী কুমার সরকার এবং পরিবেশ অধিদফতরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী বাংলাদেশের জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২৩-২০৫০ উপস্থাপন করেন।

;

মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রথম ধাপে যশোরের মণিরামপুর ও কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) জেলা নির্বাচন অফিসের হলরুমে প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিছুর রহমান।

নির্বাচনে কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সাতজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে দুইজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

অন্যদিকে, মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে তিনজন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে চারজন এবং নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আব্দুল্লাহ-নূর-আল আহসান (দোয়াত-কলম), এসএম মাহবুবুর রহমান (মোটরসাইকেল), কাজী মুজাহীদুল ইসলাম (হেলিকপ্টার), নাসিমা আকতার সাদেক (শালিক), ইমদাদুল হক (আনারস), ওবায়দুর রহমান (জোড়া ফুল), মফিজুর রহমান (ঘোড়া)।

এ উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আব্দুল্লাহ আল মামুন (তালা), পলাশ কুমার মল্লিক (উড়োজাহাজ), আব্দুল লফিত রানা (মাইক), মনিরুল ইসলাম (টিউবওয়েল) ও সুমন সাহা (চশমা)।

নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনিরা খানম (কলস) ও রাবেয়া খাতুন (ফুটবল) প্রতীক পেয়েছেন।

এদিকে, মণিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আমজাদ হোসেন লাভলু (আনারস), ফারুক হোসেন (মোটরসাইকেল) এবং মিকাইল হোসেন (ঘোড়া) প্রতীক পেয়েছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে এসএম আব্দুল হক (তালা), মুনজুর আক্তার (চশমা), শরিফুল ইসলাম (টিয়া পাখি), সন্দীপ কুমার ঘোষ (টিউবওয়েল)। নারী ভাইস চেয়ারম্যান পদে আমেনা বেগম (হাঁস), কাজী মোছা. জলি আক্তার (কলস), মাহবুবা ফেরদৌস পাপিয়া (বৈদ্যুতিক পাখা), জেসমিন (প্রজাপতি), মাজেদা খাতুন (পদ্মফুল) ও সুরাইয়া আক্তার (ফুটবল) প্রতীক পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রথম ধাপের মনোনয়নপত্র বাছাই ১৭ এপ্রিল। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল ১৮ থেকে ২০ এপ্রিল। আপিল নিষ্পত্তি ২১ এপ্রিল, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২২ এপ্রিল। প্রতীক বরাদ্দ ২৩ এপ্রিল আর ১৫০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ হবে ৮ মে।

এই ধাপের নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল আবেদন নিষ্পত্তি করবেন আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে জেলা প্রশাসক।

;

চানখাঁরপুলে ফুটপাতে পড়ে ছিল যুবকের মরদেহ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর চানখাঁরপুলের ফুটপাত থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার বয়স আনুমানিক ৩২ বছর।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ( ঢামেক)হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সেলিম। তিনি জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক জানান, সে আর বেঁচে নেই।

তিনি আরও জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় তার নামপরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

;

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে মৃত হাতি, যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাজীপুর
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে মৃত হাতি, যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে মৃত হাতি, যা বলছেন সংশ্লিষ্টরা

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এলাকায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশ থেকে একটি হাতির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। তবে হাতিটি দাঁতবিহীন ছিল।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সকালে জেলার রাজেন্দ্রপুর ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের দ্বিতীয় গেটে হাতিটির মরদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বন বিভাগের কর্মকর্তারা। খবর পেয়ে বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ অধিদফতরের একটি দল সেখানে আসেন।

বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা রুবিয়া ইসলাম বলেন, গাজীপুরের ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান এলাকায় মৃত হাতি পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খবর দেন। বিষয়টি দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে পুলিশকে খবর দেই। খবর পেয়ে গাজীপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের সদর থানা পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে যায়।

এদিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতির মাথায় ক্ষতচিহ্ন দেখা যায়। হাতির দাঁতগুলো কেটে নেয়া হয়েছে। পরে পুলিশের একটি ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। এছাড়াও ভেটেনারি সার্জন ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ভেটেনারি সার্জন একত্রে মৃত হাতি ময়নাতদন্ত করবেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্য কোথাও হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। পরে রাতের আধারে হাতিটি এই স্থানে ফেলা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

;