নদী বাঁচানোর সুপারিশ যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে



সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বুড়িগঙ্গা নদী | ছবি: মেহেদী হাসান

বুড়িগঙ্গা নদী | ছবি: মেহেদী হাসান

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী ঢাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত তুরাগ নদসহ দেশের সব নদ-নদী ও উন্মুক্ত জলাধার অবৈধ দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকারের নানান পদক্ষেপ থাকলেও তার বাস্তবায়ন নগণ্য। বিভিন্ন সময়ে উচ্চ আদালতের দেওয়া এ সংক্রান্ত আদেশ ও নির্দেশনারও অবমূল্যায়ন হচ্ছে।

তাই নদ-নদীকে জীবন্ত সত্তা বিবেচনা করে সম্প্রতি উচ্চ আদালত যে রায় ও সুপারিশমালা দিয়েছেন তার পূর্ণাঙ্গ কপি এবার পাঠানো হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে।

ঢাকার চতুর্দিকে চক্রাকার চারটি নদ-নদী তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, বালু ও শীতলক্ষ্যা প্রতিনিয়ত দূষণ ও অবৈধ দখলের শিকার। বিশেষ করে দূষণ, দখল আর পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে নতুন নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনের কারণে তুরাগ নদটি মৃতপ্রায়। পরিবেশবাদী সংগঠন ও ব্যক্তিদের বিভিন্ন সময়ে করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত বার বার সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নানা আদেশ ও নির্দেশনা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে সব নদ-নদী ও উন্মুক্ত জলাধারকে দূষণ ও দখলমুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে আইনজীবী অ্যাডভোকেট মনজিল মোরশেদ বার্তা২৪.কমকে বলেন, রাজধানী ঢাকার চারদিকে বেদখল হওয়া নদ-নদী যে অবৈধ দখলমুক্ত হচ্ছে না সেটি পুরোপুরি ঠিক নয়। আমরা বিভিন্ন সময় মামলা করেছি। নদীগুলো দখলমুক্ত হচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ হতে কিছুটা সময় লাগবে।

আরো অন্তত দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক কাজ হয়েছে। সরকারও এ ব্যাপারে আন্তরিক। প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গি আগের চেয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (একনেক) সম্প্রতি কয়েকটি নদীর উন্নয়নে ৯০০ কোটি টাকার বাজেট বাড়িয়ে ২২০০ কোটি টাকা করেছে। এটি ইতিবাচক দিক।

উচ্চ আদালত ও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে তুরাগ, বুড়িগঙ্গা, বালু ও শীতলক্ষ্যাসহ অন্যান্য উন্মুক্ত জলভাগ রক্ষায় নৌ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-কর্তৃপক্ষ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ ঢাকা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে প্রতিনিয়ত অভিযান চালানো হচ্ছে। কিন্তু একদিক দিয়ে উচ্ছেদ হয় আবার অন্যদিক দিয়ে দখল হয়ে যায়।

বুড়িগঙ্গা নদীকে দূষণমুক্ত করতে ও এর নাব্যতা বাড়াতে ২০১৬ সালের নভেম্বরে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন ২ হাজার কোটি টাকার এক বাজেট ঘোষণা করেন। এ বাজেট ঘোষণাকালে খোকন বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে বুড়িগঙ্গার দৃশ্যও হাতিরঝিলের মতো বদলে যাবে। তবে আড়াই বছর পার হয়ে গেলও লক্ষণীয় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি বুড়িগঙ্গায়।

নদ-নদীকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে অবিহিত করে ১ জুলাই ২৮৩ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেন উচ্চ আদালত। বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি মো. আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত রায় ঘোষণা করা হয়। এ রায়ের মধ্য দিয়ে তুরাগ নদকে লিগ্যাল ও জ্যুরিসটিক পারসন বিবেচনা করে রায়ে আরো বলা হয় দেশের সকল নন-নদী এ মর্যাদা পাবে। মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) দায়ের করা এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ রায় দেন।

এ বিষয়ে রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, নদী জীবন্ত সত্তা সংক্রান্ত রায়ের পূর্ণাঙ্গ যে কপি প্রকাশ হয়েছে তাতে উল্লেখ আছে যে, এর কপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হবে। আদালত সম্প্রতি যে নির্দেশনা দিয়েছেন তার মধ্যে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ১৭ দফা নির্দেশনা রয়েছে। রাষ্ট্রের প্রধান যারা থাকেন তাদের আইন প্রণয়ন করতে হয়। আইন প্রণয়নের সময় যেন আদালতের সুপারিশগুলো থাকে সেজন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কবে পূর্ণাঙ্গ কপিটি পাঠানো হবে সে ব্যাপারে তিনি বলেন, সবেমাত্র রায় হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠাতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে।

নদ-নদী ও উন্মুক্ত জলাশয়কে জীবন্ত সত্তা ঘোষণার বিষয়ে আইনজীবী মোরশেদ বলেন, প্রবাহকে সচল রাখতে প্রতিটি নদ-নদী আইনি অধিকার পেতে পারে, যেমনটি পায় মানুষ ও প্রাণী। নদী তো আর মামলা করতে পারবে না। কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা সংস্থা পিটিশন করবে নদীর পক্ষে। যেমন কোনো কোম্পানি যখন পিটিশন করে তখন ওই কোম্পানি পিটিশনার। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামলা পরিচালনা করে থাকেন। নদ-নদী ও উন্মুক্ত জলাধারের ক্ষেত্রেও এমনটি প্রযোজ্য হবে। যেমন কোনো পিটিশনার বুড়িগঙ্গার পক্ষে পিটিশন করতে পারবেন। নদীটির কোথায় কী হানি হচ্ছে অর্থাৎ তার জীবন রক্ষা হচ্ছে না—এভাবে বুড়িগঙ্গার পক্ষে যে কেউ পিটিশন করে প্রতিকার চাইতে পারবেন।

এর আগে চলতি বছর জানুয়ারি মাসে নদ-নদী ও উন্মুক্ত জলাধার বাঁচাতে এসব জলরাশিকে জীবন্ত সত্তা হিসেবে স্বীকৃতির দাবি তোলেন জলাধার নিয়ে কাজ করা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংগঠনের গবেষক এবং সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি দুই দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এ দাবি উত্থাপন করা হয়। সেখানে বক্তারা বলেন, নদ-নদীর অধিকার রক্ষায় এবং এসব জলরাশিকে তাদের মতো থাকতে দিয়ে তাদের অনুভূতিকে আমলে নিয়ে তাদের সত্তার স্বীকৃতি দিতে হবে।

   

১৯৭১ স্মরণে 'রোড টু বালুরঘাট'

১৯৭১-এর শরণার্থীদের ক্লান্তি, দুর্ভোগ ও দুর্দশার চিত্র নওগাঁয়



শহিদুল ইসলাম, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নওগাঁ
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

নওগাঁর সামাজিক সংগঠন ‘একুশে পরিষদ নওগাঁ’র উদ্যোগে ১৯৭১ সালের অসহায় শরণার্থীদের দুর্ভোগ স্মরণে 'রোড টু বালুরঘাট' প্রতীকী পদযাত্রায় ফুটে উঠেছে, নওগাঁর রোড ধরে ভারতে পাড়ি দেওয়া শরণার্থীদের দুর্দশার চিত্র!

১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ২০ এপ্রিল স্মরণে ‘রোড টু বালুরঘাট'-এর চিত্র তুলে ধরলেন নওগাঁবাসী। প্রায় ৬০ মিনিটে ৩ কিলোমিটার পদযাত্রায় যুদ্ধকালীন নওগাঁ রোডের শরণার্থীদের যুদ্ধের বিভীষিকা ও অবর্ণনীয় দুর্দশা তুলে ধরা হয়, এই প্রতীকী পদযাত্রার মাধ্যমে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল ১১টায় মুক্তিযুদ্ধের ৫৩ বছর পর প্রতীকী পদযাত্রায় পাঁচ শতাধিক বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নওগাঁ রোডে শরণার্থীদের অবর্ণনীয় দুর্দশা ও যুদ্ধচিত্র ঘটনাপ্রবাহ ফুটিয়ে তোলেন।

শহরের তাজের মোড় শহিদ মিনার পাদদেশ থেকে এই পদযাত্রা শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল মুক্তমঞ্চ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।

একমাত্র সন্তানের অনাহারী চিত্র নিয়ে হেঁটে চলার দৃশ্যসহ নানান দিক ফুটিয়ে তোলা হয় এই আয়োজনে।

একুশে পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট ডিএম আব্দুল বারীর সভাপতিত্বে শরণার্থীদের প্রতীকী পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন উপদেষ্টা ডাক্তার মইনুল হক দুলদুল, সাবেক অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম খান, সিদ্দিকুর রহমান, অধ্যক্ষ বিন আলী পিন্টু, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, সাইমা ফেরদৌসী, নাইস পারভীন, গুলশানারা প্রমুখ।

এসময় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসরদের বর্বরোচিত অত্যাচার-নিপীড়ন ও গণহত্যা থেকে বাঁচতে যুদ্ধের শুরু থেকে বিশেষ করে ২০ এপ্রিলের এই দিনে পায়ে হেঁটে নওগাঁর সড়ক পথে হাজার হাজার মানুষ শরণার্থী হিসেবে ভারতের বালুরঘাটে আশ্রয় নেন।

চলার পথে সেই সময় পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশের দোসরদের হামলায় অনেকেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সেই সব শরণার্থীদের ক্লান্তি ও দুর্ভোগ স্মরণে একুশে পরিষদ নওগাঁ 'রোড টু বালুরঘাট' প্রতীকী পদযাত্রার আয়োজন করা হয়।

একুশে পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট ডি এম আব্দুল বারী, সভাপতি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসের ২২ তারিখে পাকিস্তানি বাহিনীর দস্যুরা নওগাঁ আক্রমণ শুরু করে এবং নওগাঁতে আক্রমণ শুরু করে দুইভাবে। এক- সান্তাহার হয়ে, আরেকটি হচ্ছে, রাজশাহী থেকে। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মানুষেরা প্রিয় বাড়িঘর সংসার ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন জীবন রক্ষার কারনে এবং যাওয়ার সময় অত্যাচার, হেঁটে গিয়েছেন মাইলের পর মাইল, এই যে দুর্ভোগ, সেটি তরুণ প্রজন্মের কাছে জানাতে চাই। আমরা চাই, তারা জানুক ১৯৭১ সালে কী হয়েছিল, এটাই আমাদের মূল বার্তা’।

সংগঠনের উপদেষ্টা শরিফুল ইসলাম খান বলেন, ‘যুদ্ধচলাকালীন যে কষ্ট, আজকের এই প্রজন্মের কেউ জানেন না। এই প্রজন্মকে জানানোর জন্য আজকের এই প্রতীকী আয়োজন। আমাদের একটি জিনিস বুঝতে হবে, জানতে হবে যে, বাংলার মানুষ কত সহ্য করতে পারে! কত নিপীড়ন সহ্য করে তারা ভারতে ওই পাড়ে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাদের নিজেদের মা-বোনকে শিবিরে রেখে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই যে একটা আদর্শ কাজ করেছিল দেশের প্রতি, সেটি একটি গর্বের বিষয় এবং এগুলো এই প্রজন্মের জানা উচিত’!

ডা. মঈনুল হক দুলদুল বলেন, ‘এ আয়োজন পুরোটাই তরুণ প্রজন্মের জন্য! কারণ, আমরা ১৯৭১ সালের অনেক কিছুই ভুলে যাচ্ছি। সে ভুলে যাওয়া বিষয়গুলি নাটকের মাধ্যমে, পথযাত্রার মাধ্যমে, অভিনয়ের মাধ্যমে আগামী প্রজন্মের কাছে যদি তুলে ধরতে পারি, তাহলে তারা প্রকৃত জিনিসটাকে মনের মধ্যে ধরে রাখতে পারবেন এবং পরবর্তী প্রজন্মের কাছে ফের তুলে ধরতে পারবেন। যুগ যুগ ধরে আমাদের কিছু কিছু পোগ্রাম নিতেই হবে’।

;

সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য বন্ধে নীতিমালা হবে: প্রতিমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য বন্ধে একটি নীতিমালা তৈরি করার চিন্তা করছে সরকার বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোর্টার্স’ অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব অনুমোদনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল রয়েছে, সেগুলো শিগগিরই বন্ধ করা হবে। পরবর্তীতে আবেদনের মাধ্যমে অনুমোদন পেলে তা পরিচালনা করতে পারবে।

গণমাধ্যমে অবাধ তথ্য নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে সব মন্ত্রণালয় ও মহলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে গণমাধ্যমকর্মীরা সঠিক নিয়মে কোন তথ্য চাইলে তা দ্রুত সময়ের মধ্যে সরবারাহ করতে। কারণ সঠিক তথ্য নিশ্চিত না হলে মিথ্যা তথ্য প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

;

পাটগ্রামে ট্রেনের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লালমনিরহাট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় আব্দুর রাজ্জাক (৪০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার ঘুন্টি বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আব্দুর রাজ্জাক রংপুরের মিঠাপুকুর থেকে ট্রেনে করে লালমনিরহাটে আসেন বন্ধুর বাড়িতে বিয়ের দাওয়াত খেতে। তিনি দওয়াত খেয়ে পাটগ্রাম উপজেলার ঘুন্টি বাজার এলাকায় রেল লাইনের পাশে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলার সময় লালমনিরহাটগামী একটি কম্পিউটার ট্রেন তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাট রেলওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল-মমিন বার্তা২৪ কমকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

;

তিনদিন বন্ধের পর চালু বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, পঞ্চগড়
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি আসনের লোকসভা নির্বাচনের কারণে টানা তিনদিন বন্ধ থাকার পর বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের কার্যক্রম পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে।

শনিবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকেই উভয় দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রী ও বিভিন্ন পণ্য বহনকারী গাড়ি উভয় দেশে প্রবেশ করেছে।

দুপুরে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের ম্যানেজার আবুল কালাম আজাদ ও পঞ্চগড় পুলিশ সুপার এসএম সিরাজুল হুদা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে, ভারতের লোকসভা নির্বাচনের কারণে গত বুধবার থেকে শুক্রবার (১৭ থেকে ১৯ এপ্রিল) পর্যন্ত টানা তিন দিন পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে ইমিগ্রেশন যাত্রী পারাপার কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ম্যাজিস্ট্রেট শামা পারভীন।

;