বন্ধ হওয়ার পথে বালিকা বিদ্যালয়



ইমরান হোসেন, ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বরগুনা, বার্তা২৪.কম
তালতলীর বেগম নূরজাহান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ ছবি: বার্তা২৪.কম

তালতলীর বেগম নূরজাহান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বরগুনার তালতলী উপজেলা সদরে বেগম নুরজাহান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি দীর্ঘ ১৬ বছরেও এমপিও ভুক্ত না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১২ জন শিক্ষক-কর্মচারী মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা জেএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত অংশ নিয়ে ভালো ফলাফলও করে আসছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক কর্মচারীরা সকল প্রকার সরকারি সুযোগ-সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, তালতলী উপজেলা সদরে একমাত্র বালিকা বিদ্যালয় বেগম নুরজাহান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ২০০৩ সালে স্থাপিত এই স্কুলটি ২০০৫ সালে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় হিসেবে পাঠদানের অনুমতি পায়। গত জেএসসি পরিক্ষায় স্কুলের পাসের হার ছিল ১০০ শতাংশ। বর্তমানে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ২২০ জন। দুই জন চতুর্থ শ্রেণীর, এক জন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীসহ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা ১২ জন।

শিক্ষকরা বলছেন, বিদ্যালয়টি এক একর ২৩ শতাংশ জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এই প্রতিষ্ঠানটিকে এমপিওভুক্তকরণের মত জমি, অবকাঠামো, আসবাবপত্র, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক সবই আছে। এমন কি উপজেলার এইচএসসি ও ডিগ্রী পরিক্ষার কেন্দ্রও এটি। তারপরও ১৬ বছর যাবৎ প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকলেই পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোঃ আনিসুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ এমপিওভুক্ত না হওয়ায় চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করলেও এখন দুবেলা খাবারের যোগারও হচ্ছে না। এখনো যদি সরকার সু-দৃষ্টি না দেয় তবে বিদ্যালয় বন্ধ না করে উপায় থাকবে না।’

তালতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা লুৎফুর কবির মো. কামরুল হাসান বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘উপজেলা শহরে এমপিওভুক্ত একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি সরকারি হওয়ায় শিক্ষার্থীর আসন সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। তাই অনেকেই ভর্তি হতে পারছেন না ঐ বিদ্যালয়ে। তাই শিক্ষার্থীদের চাপ সামলানোর জন্য শহরের নন-এমপিও বেগম নূরজাহান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত করা খুবই জরুরি।’

   

গড়াই নদীতে ডুবে যুবকের মৃত্যু



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুষ্টিয়া
ছবি প্রতীকী

ছবি প্রতীকী

  • Font increase
  • Font Decrease

কুষ্টিয়ার খোকসায় গড়াই নদীতে ডুবে সুমন (২০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে খোকসা উপজেলার গনেশপুর অংশে গড়াই নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত সুমন কুমারখালী উপজেলার রাজাপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে।

খোকসা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, সকালের দিকে গড়াই নদীতে মাছ ধরতে যান সুমন। মাছ ধরার এক পর্যায়ে নদীতে ডুবে যান তিনি। বিকেলের দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

;

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, কুমিল্লা
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে সাফায়েত হোসেন (১৯) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সালাউদ্দিন (২২) নামের আরেক যুবক গুরুতর আহত হন।

রোববার (৫ এপ্রিল) এই বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। তাদের উদ্ধার করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে লাকসামের একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই কিশোরকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার আদ্রা দক্ষিণ ইউনিয়নের আটিয়াবাড়ি দক্ষিণপাড়া স্কুল বাড়ির আবদুল আউয়ালের ছেলে সাফায়াত হোসেন এদিন বিকেলে সহপাঠীদের সাথে পার্শ্ববর্তী ঘোড়াময়দান গ্রামের একটি মাঠে ফুটবল খেলতে যায়। বিকাল ৫টার দিকে খেলা চলা অবস্থায় আকস্মিক বজ্রপাতে সাফায়েতের পুরো শরীর ঝলসে যায়। তাৎক্ষনিকভাবে তাকে উদ্ধার করে লাকসামের একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে সন্ধ্যায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এছাড়া বজ্রপাতে ওই ঘোড়াময়দান গ্রামের নুরুল হকের ছেলে সালাউদ্দিন (২২) গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল ওহাব ঘটনার এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

;

লক্ষ্মী ভাইয়েরা বাসায় যান, নিজেসহ দেশকে বাঁচান



নাহিদ রেজা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঠাকুরগাঁও
ওসি তানভিরুল ইসলাম।

ওসি তানভিরুল ইসলাম।

  • Font increase
  • Font Decrease

আমার লক্ষ্মী ভাইয়েরা দয়া করে বাইরে ঘোরাঘুরি না করে বাসায় যান। নিজে বাঁচেন, পরিবারকে বাঁচান, দেশকে বাঁচান। সচেতন হোন।

ঠিক এসব কথা বলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন করছেন ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে এভাবে সচেতন করায় সাধুবাদ জানিয়েছে সাধারণ মানুষ।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমি ওষুধ কেনার জন্য স্থানীয় বাজারে এসেছিলাম। কিছুক্ষণ পর থানার একটি গাড়ি বাজারের সামনে এসে দাঁড়ায় এবং ওসি তানভিরুল সবাইকে বাসায় থাকার জন্য অনুরোধ করেন। এর আগে কখনো জনগণের সঙ্গে পুলিশের এমন ভালো আচরণ দেখি নাই।’

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চৌড়াস্তা মোড়ে কথা হয় জয়নাল নামে এক পথচারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমাদের জেলার পুলিশ সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করছে। তাদের ভাই বলে বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করছে। ওসিসহ পুলিশের সদস্যরা নিজেদের কথা চিন্তা না করে আমাদের জন্য এ কাজটি করে যাচ্ছেন। তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

স্থানীয় সাহাদত হোসেন নামে একজন বলেন,‘তানভিরুল ভাই একজন মানবিক পুলিশ অফিসার। তার জন্য শুভকামনা ও দোয়া রইল।’

ঠাকুরগাঁও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভিরুল ইসলাম বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এ ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। সরকার যেসব দিক নির্দেশনা দিয়েছে সেগুলো মেনে চলতে হবে। জনগণের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার না করে তাদের সচেতন করা হচ্ছে। এতে কাজও হচ্ছে।’

;

ডিবি পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই, যুবক গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
গ্রেফতার আবেদ আলী।

গ্রেফতার আবেদ আলী।

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই করার অপরাধে আবেদ আলী (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদ আলী সৈয়দপুর উপজেলার কাশিরাম বেলপুকুর ইউনিয়নের চওড়া গ্রামের খয়রাত হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামে মোকছেদুল ইসলামসহ কয়েক যুবক মোবাইলে ভিডিও গেম খেলছিলেন। এ সময় আবেদ আলী নিজেকে সৈয়দপুর থানার ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক পরিচয় দিয়ে ওই যুবকদের কাছ থেকে মোবাইলটি নিয়ে যান। পরে এ বিষয়ে মোবাইলের মালিক মোকছেদুল ইসলাম সদর থানায় অভিযোগ করেন।

এরপর রোববার ভোরে আবেদ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি খেলনা পিস্তল ও ওয়্যারলেস সেট, একাধিক মোবাইল সিম এবং দুটি পরিচয়পত্র জব্দ করে পুলিশ।

নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি পুলিশের ভুয়া পরিচয়ে মোবাইল ছিনতাই করার সত্যতা স্বীকার করেছেন আবেদ আলী। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করার পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

;