বসুন্ধরায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছে জেসিএক্স



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বসুন্ধরায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছে জেসিএক্স

বসুন্ধরায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করছে জেসিএক্স

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানী বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নান্দনিক বাণিজ্যিক ভবনের ’’জেসিএক্স আইকন-১০০’’ অগ্রযাত্রা শুরু হয়েছে।

জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেড ৩৮ দশমিক ৬০ কাঠা জমির উপর এই ভবন নির্মাণ করছে। ৩টি বেইজমেন্ট ও ১টি গ্রাউন্ড ফ্লোর ছাড়াও ভবনটিতে ৬ হাজার ৯০০ বর্গফুট থেকে শুরু করে ১৫ হাজার ৩০০ বর্গফুট পর্যন্ত আয়তনের ২১টি ফ্লোর রয়েছে।

বসুন্ধরা আই এক্সটেনশনের মাদানী এভিনিউ সংলগ্ন নর্থ-সাউথ এভিনিউ ১৩০ ফুট ও ৫০ ফুট রাস্তা সংলগ্ন আইকন-১০০ ভবনের খুব কাছেই গলফ ক্লাব, বসুন্ধরা টগি ফান ওয়ার্ল্ড রয়েছে। প্রকল্পটি আমেরিকান এ্যাম্বাসি (মাদানী এভিনিউ) থেকে মাত্র ৫ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত। এখানে সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সত্যিকার অর্থেই নতুন দিগন্ত সূচনা করবে বলে আশা জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের।

প্রকল্পটিতে রয়েছে অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি। ব্যবসায়িক কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য রয়েছে হ্যালিপ্যাড। এছাড়াও প্রকল্পটিতে রয়েছে পরিবেশ বান্ধব সর্বাধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট। লিফট হিসাবে বিল্ডিংটিতে থাকছে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির লিফট। সার্বক্ষণিক জেনারেটর ব্যাক-আপ।

এ প্রকল্পটি সম্পন্ন করতে কাজ করছে সুদক্ষ দেশি-বিদেশী জনবল। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই জেসিএক্স বসুন্ধরা বাসীকে উপহার দিতে যাচ্ছে একটি পরিপূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের বিজনেস হাবর

আজ শনিবার (১৮ মে) প্রকল্প এলাকায় আয়োজিত গ্রাউন্ড ব্রেকিং সিরিমনিতে যোগ দেন জেসিএক্স ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: ইকবাল হোসেন চৌধুরী।

তিনি বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের সম্মানিত চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের একক প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে দেশের সব চেয়ে অভিজাত বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। আমরা সব সময় চেষ্টা করি গ্রাহকের আস্থা ও গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প হস্তান্তর করার। তারই ধারাবাহিকতায় আইকন ১০০ প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই প্রকল্পে প্রায় ৩৩ শতাংশ স্পেস বুকিং হয়েছে।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন, জাপানের ক্রিড সিএফও অ্যান্ড ম্যানেজিং ডিরেক্টর মাসানোবু কামিয়ামা, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের ফাইন্যান্স ডিরেক্টর এম মুহিত হাসান, জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস লিমিটেডের পার্টনার ডিরেক্টর সিদ্দিকুর রহমান, ডিরেক্টর আসিফ মাহমুদ চৌধুরী ও সাপ্লাইচেইন ডিরেক্টর মির্জা গোলাম রহমান। উপস্থিত ছিলেন এ প্রকল্পের সম্মানিত ক্রেতাগন, বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান সমূহ এবং শুভাকাঙ্খীগণ। 

   

মোদির জোটের লোকজন যোগাযোগ করছেন: রাহুল



আন্তর্জাতিক ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের নেতারা বিরোধীদল কংগ্রেসের সাথে যোগাযোগ রাখছেন বলে দাবি করেছেন দলটির নেতা রাহুল গান্ধী।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ দাবি করেন।

কংগ্রেসের এই নেতা বলেছেন, একটি ছোটখাটো ঝামেলাও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটকে (এনডিএ)। যে জোট আঞ্চলিক দলগুলোর ওপর নির্ভর করে সরকার গঠন করেছে।

নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার শিবিরে ‘‘ব্যাপক অসন্তোষ’’ রয়েছে দাবি করে রাহুল গান্ধী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরকার টিকিয়ে রাখার জন্য ‘‘লড়াই’’ করতে হবে। সাক্ষাৎকারে রাহুল গান্ধী বলেছেন, এনডিএ শিবিরে থাকা অনেক লোকজনই কংগ্রেসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। ফলে সামান্য এদিক-ওদিক হলেই মোদি সরকারের পতন ঘটতে পারে।

রাহুল গান্ধী বলেছেন, গত লোকসভা নির্বাচনের ফল দেশের রাজনৈতিক গতিপ্রবাহের খাতই বদলে দিয়েছে। ভারতীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সবার জন্য সুযোগ সামনে চলে এসেছে। উল্লেখযোগ্য পট পরিবর্তন হয়েছে। যে সংখ্যার ওপর সরকার দাঁড়িয়ে রয়েছে, তা অত্যন্ত ভঙ্গুর। ফলে সামান্য এদিক-ওদিক হলেই সরকারের পতন ঘটবে।

গত ৪ জুন ভারতের ৫৪৩ আসনের লোকসভার নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়। এতে নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। দেশটিতে সরকার গঠনের জন্য ২৭২ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হলেও বিজেপি এককভাবে ২৪০ আসন পায়।

পরে সরকার গঠনের জন্য এনডিএ জোটের শরিকদের ৫৩ আসনের ওপর নির্ভর করতে হয় বিজেপিকে। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ২৯৩ আসনে জয় পেয়েছে। নির্বাচনে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট ইনডিয়া ২৩৩ আসন পায়। এর মধ্যে কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছে ৯৯ আসন।

;

জার্মানিতে ২.৮ বিলিয়ন ডলারের কোকেন উদ্ধার



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জার্মানিতে ৩৫.৫ টন কোকেন উদ্ধার করেছেন দেশটির তদন্তকারীরা। এই জব্দকৃত কোকেনের মূল্য প্রায় ২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জার্মান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এর মধ্যে হামবুর্গে ২৪.৫ টন ও ডাচ বন্দর রটারডামে আরো আট টন এবং ইকুয়েডরের গুয়াকিলে তিন টন কোকেন জব্দ করা হয়েছে।

সোমবার (১৭ জুন) জার্মাম পুলিশ ও প্রসিকিউটরদের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি।

গত বছরের এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরে ৯টি শিপিং কনটেইনারের বৈধ পণ্যের মধ্যে এই মাদক পাওয়া গেছে। এই অবৈধ বাণিজ্যের বিষয়ে জার্মান তদন্তকারীদের সতর্ক করেছিল কলম্বিয়ান কর্তৃপক্ষ।

ইউরোপোলের সঙ্গে কাজ করা ওপি প্লেক্সাস নামে পরিচিত একটি দল আটজন প্রধান সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে। তাদের মধ্যে দুইজন জার্মান, দুইজন তুর্কি এবং অন্যরা আজারবাইজান, বুলগেরিয়া, মরক্কো ও ইউক্রেনের।

জার্মানির ডুসেলডর্ফ শহরের শুল্ক তদন্ত কর্তৃপক্ষের প্রধান টিনো ইঙ্গেলম্যান বলেছেন, জার্মানিতে জব্দ করা কোকেনের পরিমাণ প্রতিবছরই বাড়ছে। ২০২৩ সালে মোট প্রায় ৪৩ টন কোকেন জব্দ করা হয়েছিল।

;

চীনে বন্যা-ভূমিধসে নিহত ৫



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ গুয়াংডংয়ের মেইঝৌ শহরে ব্যাপক বর্ষণ, বন্যা ও ভূমিধসে ৫ জন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৫ জন।
সোমবার (১৭ জুন) চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এছাড়া বন্যা-ভূমিধসের ফলে জঞ্জাল ও ধংস্তূপের তলায় আটকা পড়েছেন অন্তত ১৩ জন মানুষ। তাদের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘনবসতিপূর্ণ গুয়াংডং প্রদেশে রোববার থেকে শুরু হয় বর্ষণ।

জঞ্জাল সরানো, নিখোঁজদের সন্ধান ও আটকে পড়াদের উদ্ধারে চীনের দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তর মেইঝৌ শহরে ১০ হাজার উদ্ধারকর্মী পাঠিয়েছে।

গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চরম প্রতিকূল আবহাওয়া সহ্য করছেন চীনের লোকজন। ব্যাপক তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো, অন্যদিকে টানা বর্ষণ ও তার জেরে সৃষ্ট বন্যা-ভূমিধসে নাকাল হচ্ছে দক্ষিণাঞ্চলীয় বিভিন্ন প্রদেশ।

;

ভূমধ্যসাগরে নৌকা ডুবে নিহত ১১



আন্তর্জাতিক ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ ইতালি উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুই ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ এখনো নিখোঁজ।

জার্মান দাতব্য সংস্থা রিসকিউশিপ জানিয়েছে, সোমবার (১৭ জুন) ল্যাম্পেডুসা দ্বীপের কাছে তারা একটি ডুবন্ত কাঠের নৌকা থেকে ৫১ জনকে উদ্ধার করেছেন। এ সময় নৌকার নিচের ডেকে ১০ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

সংস্থাটি বলছে, বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সোমবার সকালে ইতালীয় কোস্টগার্ডের কাছে হস্তান্তরের পর তাদের তীরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে মৃতদের ল্যাম্পেডুসা দ্বীপে নেয়া হয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর, ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, নৌকাটি লিবিয়া থেকে যাত্রা করেছিল। এতে সিরিয়া, মিসর, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অভিবাসীরা ছিলেন। তবে কোন দেশের কত যাত্রী ছিলেন, তা জানানো হয়নি।

একই দিনে পৃথক আরেক নৌকাডুবির ঘটনায় ৬০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬ জনের মতো শিশু রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ ইতালির ক্যালাব্রিয়ার উপকূল থেকে প্রায় ১২৫ মাইল দূরে এই ঘটনা ঘটে। মেডেসিনস সানস ফ্রন্টিয়েরস (এমএসএফ) নামে একটি সংগঠন এই তথ্য জানিয়েছে।

এই ঘটনায় ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে তাদের সবাইকে তীরে নেয়ার পর একজন মারা যান বলে জানিয়েছে ইতালীয় কোস্টগার্ড।

ভূমধ্যসাগর বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী মাইগ্রেশন রুট হিসেবে পরিচিত। জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ২০১৪ সাল থেকে এই রুটে ২৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি অভিবাসী মারা গেছে বা নিখোঁজ হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি

;