চুরি করতে গিয়ে চোখ-মুখে সুপারগ্লু দিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ

, জাতীয়

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, খুলনা | 2024-02-12 13:59:12

খুলনার পাইকগাছা উপজেলায় বাড়িতে চুরি করতে এসে চোখ-মুখে সুপারগ্লু দিয়ে এক গৃহবধূকে (৪৫) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভুক্তভোগীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে ।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে কে বা কারা মই দিয়ে ছাদে উঠে সিড়ির দরজা শাবল দিয়ে ভেঙে গৃহবধূর বেডরুমে প্রবেশ করে। ওই গৃহবধূর স্বামী ব্যবসার কাজে বাইরে থাকায় তিনি একা বাড়িতে ছিলেন। গৃহবধূকে হাত পা বেঁধে চোখে সুপারগ্লু আঠা লাগিয়ে মুখে টেপ লাগিয়ে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত করে।

এ সময় ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দুল এবং আনুমানিক ২ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় চোর। পরে গৃহবধূর চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে তার স্বামীকে খবর দেয় এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গৃহবধূর স্বামী বলেন, একতলা ছাদের উপরের সিড়ি ঘর খোলা ছিল। আমার স্ত্রীর চোখ ও মুখ সুপারগ্লু আঠা দিয়ে আটকে দেয় ধর্ষক। আমার স্ত্রী কথা বলতে পারছে না তাই কয়জন চোর ছিল এখনই বলা যাচ্ছে না।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান বলেন, গৃহবধূকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় পাওয়া যায়। ধর্ষণ হয়েছেন কিনা বা সুপারগ্লু দিয়েছে কিনা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি, বিষয়টি নিয়ে উচ্চ পর্যায় তদন্ত শুরু হয়েছে।


খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারী বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মো. কনক হোসেন বলেন, সকালে ভুক্তভোগী নারী যখন আসেন তখন তার দুই চোখের পাতা আঠা দিয়ে লাগানো ছিলো। রোগীর স্বজনদের অভিযোগ যৌন নির্যাতন করা হয়েছে। গাইনি ও চক্ষু বিভাগে তার চিকিৎসা করিয়েছে। বর্তমানে রোগীর জ্ঞান ফিরেছে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি সুস্থ নন। তবে আশা করছি দ্রুত তিনি স্বাভাবিক হতে পারবেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর