ডাকসুর ছয় মাস

সফলতা গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয় নিশ্চিতকরণ: এজিএস



ইমরান হোসাইন, ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডাকসু এজিএস সাদ্দাম হোসাইন, ছবি: সংগৃহীত

ডাকসু এজিএস সাদ্দাম হোসাইন, ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ও ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন বলেছেন, 'ছয় মাসে ডাকসুর সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে, গণতান্ত্রিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিশ্চিত করতে পারা'।

বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ছয়মাসে নির্বাচিত ডাকসু শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার কতটুকু পূরণ করতে পেরেছে এবং নির্বাচনের সময় দেওয়া ইশতেহার কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে এসব নিয়ে কথা হয় এজিএস সাদ্দামের সঙ্গে।

ছয় মাসে ডাকসুর সবচেয়ে বড় সফলতা কী জানতে চাইলে সাদ্দাম হোসেন বলেন, 'ছয় মাসে ডাকসুর সবচেয়ে বড় সফলতা হচ্ছে এটির মাধ্যমে আমরা গণতান্ত্রিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিশ্চিত করতে পেরেছি। এখানে সকল ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান আছে। সবাই যে যার মতো করে কর্মসূচি পালন করতে পারছে। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, গত তিন দশকের মধ্যে (নব্বই পরবর্তী সময়ের পরে) সবচেয়ে বেশি গণতান্ত্রিক সময় আমরা গত ছয় মাসে কাটিয়েছি।'

অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু ঘটনার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, 'হয়তো কিছু দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমি মনে করি, গণতন্ত্রের জয় সবচেয়ে বেশি ডাকসু নির্বাচনের মধ্যে দিয়েই প্রতিফলিত হয়েছে।'

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ডাকসু তাদের মৌলিক সমস্যাগুলোর কোনো দৃশ্যমান সমাধান করতে পারেনি- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, 'এসব কিছুর স্থায়ী সমাধান সময়সাপেক্ষ বিষয়। তবে অনেক কাজের অগ্রগতি হয়েছে। জো বাইকের (চক্কর) কাজ এগিয়েছে। পরীক্ষামূলক চালানোর প্রক্রিয়া চলছে। শিক্ষার্থীদের ফি দেওয়ার পক্রিয়াটি আগামী মাসেই ডিজিটাইলাইজেশনের আওতায় আসবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়কে অটোমেশনের আওতায় আনতে আরও চার-পাঁচ বছর সময় লাগতে পারে। কারণ এটা অনেক ধরনের প্রক্রিয়ার বিষয়। লাইব্রেরি সমস্যা নিয়ে ইতোমধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে আমরা বলেছি, তিনি আশ্বাস দিয়েছেন আগামী বাজেটে লাইব্রেরির জন্য আলাদা বিল উত্থাপন করবেন। এছাড়া পরিবহন সমস্যা নিয়ে আমরা যোগাযোগ মন্ত্রীকে বলেছি। আশা করি, এর একটা সুফল শিক্ষার্থীরা পাবেন। তবে পরিবহন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আত্মনির্ভরশীল হয়ে নিজেদের মান অক্ষুণ্ণ রেখে দরকষাকষি করে উন্নয়ন বরাদ্দ আরও বাড়ানোর জন্য আমরা আহ্বান জানায়। তাহলেই পরিবহন সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।'

ক্যান্টিনের খাবারের বিষয়ে তিনি বলেন, 'ক্যান্টিনের খাবারের মান তুলনামূলক আগের চেয়ে অনেক ভালো হয়েছে। খাবারের মধ্যে বৈচিত্রতা আসছে। খাবারের মূল্য অনেক কমিয়ে আনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মূল্য তালিকা দেওয়া হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ক্যান্টিন মালিকদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। স্বল্পমূল্যে কীভাবে খাবার নিশ্চিত করা যায় সেটা নিয়ে মতবিনিময় হয়েছে।'

হলগুলোতে ছাত্রলীগের চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, 'এগুলো অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে প্রচারণা চালানো হয়। তারপরও যদি এমন কোনো কিছু ঘটে থাকে তাহলে আমরা ব্যবস্থা নেব। আমাদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত আছে।'

গেস্টরুম গণরুম নিয়ে তিনি বলেন, 'আমরা ইশতেহার দিয়েছি, পূর্ণাঙ্গ আবাসিক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়কে গড়ে তোলা। সেক্ষেত্রে আমাদের দীর্ঘমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী এবং স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা সেখানে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হিসেবে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কথা বলেছি। প্রধানমন্ত্রীকেও বলেছি, নতুন ভবন নির্মাণ করতে।'

সাদ্দাম বলেন, 'গণরুম আসলে একটা বাস্তবতা। এই মুহূর্তে এটি পুরোপুরি তুলে দেওয়া সম্ভব না। গণরুম তুলে দিলে প্রায় পনের হাজার শিক্ষার্থীর থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। সেজন্য আমরা আপাতকালীন সমাধান হিসেবে কীভাবে গণরুমের পরিবেশ উন্নত করা যায়, যেমন ফ্যান, ইন্টারনেট সুবিধাগুলো বৃদ্ধি করতে পেরেছি। ব্লাংক বেড নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চিন্তাভাবনা করছে সেটা কতটুকু তাদের মাস্টার প্লানের সঙ্গে যায়। টিনশেড নির্মাণ করা যায় কিনা সেটা নিয়েও কথা চলছে।'

ডাকসু অনেকটা সমন্বয়হীন এমন অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, 'ডাকসু একটা পার্লামেন্টের মতোই কাজ করছে। সমন্বয়হীনতার যে অভিযোগটি আনা হচ্ছে, এটা আমার মনে হয় শুধুমাত্র ডাকসুকে অকার্যকর, ব্যর্থ বলে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা। সমন্বয়হীনতা থেকে থাকলে ভিপির দিক থেকে সমন্বয়হীনতা আছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সমস্যার দিকে মনোযোগ না দিয়ে সাংগঠনিক বিস্তৃতির দিকে মনোযোগ দেন। শিক্ষার্থীদের সমস্যার জন্য কাজ না করে গণফোরামের প্রোগ্রামে যান।'

গত ১১ মার্চ দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলায়তন ভেঙে অনুষ্ঠিত হয়েছে ডাকসু নির্বাচন। ১১ সেপ্টেম্বর ছয় মাস পূর্ণ হয়েছে। বাংলাদেশের মিনি পার্লামেন্ট নামে খ্যাত এই ডাকসু বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে।

   

ঢাবির ভূতত্ত্ব বিভাগের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপন



ঢাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ভূতত্ত্ব বিভাগের ৭৫ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) এ উপলক্ষ্যে বিভাগের উদ্যোগে র‍্যালি, বেলুন উড্ডয়ন, কেক কাটা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ঢাবি ভূতত্ত্ব অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম প্রধান অতিথি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সুব্রত কুমার সাহা'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার এবং আর্থ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম স্মৃতিচারণ করে বলেন, জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি ভূতত্ত্বের বিষয়গুলো অনেক উপভোগ্য। ভূতত্ত্ববিদদের সমতলে, পাহাড়ে, ভূ-অভ্যন্তরে এমনকি মহাকাশে সমভাবে কাজ করতে হয় এবং সকল বিষয়ে পারদর্শী হতে হয়। সকল ধরণের সক্ষমতা অর্জন করে ভূতত্ত্ববিদরা দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ভূতত্ত্ব শুধু অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত নয়, এটি মানুষের জীবনের সাথে গভীরভাবে মিশে আছে। সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভূতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও অ্যালামনাইরা প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্ব দিয়ে চলেছেন। ভূতত্ত্বের পরিধি ও কার্যক্রম বৃদ্ধির লক্ষ্যে শিক্ষা ও গবেষণার পাশাপাশি এর প্রায়োগিক দিক আরও জোরদার করার জন্য শিক্ষক, গবেষক ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি উপাচার্য আহ্বান জানান।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. সীতেশ চন্দ্র বাছার ৭৫ বছরের পথচলায় বিভাগের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে দেশের উন্নয়নে এই বিভাগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও জ্ঞানের মাধ্যমে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, এ অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং অ্যালামনাইবৃন্দ অংশ নেন।

;

জবির প্রথম বহিরাঙ্গন কার্যক্রম পরিচালক ড. আব্দুল মালেক



জবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ড. মো. আব্দুল মালেক

ড. মো. আব্দুল মালেক

  • Font increase
  • Font Decrease

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো বহিরাঙ্গন কার্যক্রম পরিচালক নিযুক্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মালেক নতুন এই পদের পরিচালক নিযুক্ত হয়েছেন।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০৫ এর ৮ (ণ) ধারা অনুযায়ী ড. মো. আব্দুল মালেককে বহিরাঙ্গন কার্যক্রম পরিচালক নিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি পরবর্তী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবেন এবং বিধি মোতাবেক ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। আদেশটি পহেলা মে থেকে কার্যকর হবে।

জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মত সংযোজিত এই পদের পরিচালক হিসেবে ড. মালেক বিদেশী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাথে সমঝোতা স্মারক চুক্তি ও কোলাবোরেশান, বিদেশী শিক্ষার্থীদের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়াবলি তদারকি, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‍্যাংকিংয়ে অংশগ্রহণ সহ যাবতীয় বৈদেশিক বিষয়াদি দেখবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে।

এ বিষয়ে ড. মো. আব্দুল মালেক বলেন, আমি আশা করি মাননীয় উপাচার্য আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেটি ভালোভাবে পালন করতে পারবো। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই দপ্তরটি একেবারেই নতুন। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে দাপ্তরিক কাজ শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমি প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিংয়ে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণ করার ব্যবস্থা, বিদেশী শিক্ষার্থীদের ভর্তি সংক্রান্ত নীতিমালা এবং আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশানের নীতিমালা তৈরীর কাজ করবো। 

 

;

ঢাবিতে দু’দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু



ঢাবি করেস্পন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস (CARASS)- এর উদ্যোগে 'ভাষা আন্দোলন এবং বিশ্বে বাংলাভাষী স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রের আবির্ভাব' শীর্ষক দু'দিন ব্যাপী এক আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে এ সম্মেলন হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ভাষা আন্দোলনের হীরক জয়ন্তী উপলক্ষে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। লন্ডন কিংস কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. জন উইলসন মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আশফাক হোসেন। অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তুজা অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি বাংলাদেশকে একটি অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভাষা বিষয়ে সমন্বিত গবেষণা পরিচালনার জন্য গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন বাঙালির আত্ম-পরিচয় ও স্বাধিকারের প্রতীক। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও বহুত্ববাদের আদর্শকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বিকৃত ইতিহাস রচনা করে এবং বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার অপচেষ্টা চালায়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র এবং বহুত্ববাদের চেতনাকে জাগ্রত করে। এটি বাঙালির আত্ম-পরিচয়, আত্মমর্যাদা ও জাতীয় আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে আমাদের মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান সম্পর্কে সঠিকভাবে জানার জন্য তিনি নতুন প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানান। নতুন জ্ঞান বিতরণ এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নতুন প্রজন্যের মাঝে উদ্দীপনা জাগাতে এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

;

আনন্দমুখর পরিবেশে সিআইইউতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম ব্যুরো
ছবি: বার্তা২৪

ছবি: বার্তা২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

আনন্দমুখর পরিবেশে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (সিআইইউতে) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৪-এর সামার সেমিস্টারের ভর্তি পরীক্ষা।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) সকালে নগরের জামাল খানের সিআইইউ ক্যাম্পাসে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা চট্টগ্রামের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

সোমবার সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে চলে ১১টা পর্যন্ত। প্রথমে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর পরে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণরা অংশ নেন মৌখিক পরীক্ষায়।

এর আগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান সিআইইউর উপাচার্য ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী। তিনি এসময় গবেষণা, দক্ষতা ও নিত্য-নতুন জ্ঞান সৃষ্টির মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনে তাঁর প্রতিষ্ঠান বদ্ধপরিকর বলে অভিভাবকদের জানান।

সকালে পরীক্ষার হলগুলো ঘুরে দেখেন সিআইইউ বিজনেস স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মনজুর কাদের, স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন ড. রুবেল সেনগুপ্ত, স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেসের সহকারী ডিন সার্মেন রড্রিক্স, স্কুল অব ল’র সহকারী ডিন নাজনীন আকতার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক সরকার কামরুল মামুন, রেজিস্ট্রার আনজুমান বানু লিমা প্রমুখ।

কর্তৃপক্ষ জানায়, যেসব শিক্ষার্থী এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের দুই পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করেছেন কিংবা যারা ভর্তির পর সেমিস্টারগুলোতে ভালো ফলাফল করবেন, তাদের জন্য এখানে রয়েছে স্কলারশিপের নানান সুযোগ।

তাসনিয়া দোহা চৌধুরী নামের একজন শিক্ষার্থী বলেন,ভালো উচ্চশিক্ষার জন্য সবাই এখন চিন্তিত। আর তার জন্য চাই ভালোমানের প্রতিষ্ঠান। চট্টগ্রামে যে ধরনের প্রতিষ্ঠান আছে, তার ভেতর সিআইইউ আমার বরাবরই পছন্দের। আশা করছি, বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যেতে পারবো।

 

;