Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

হলি আর্টিজান মামলায় তিন পুলিশ সদস্যের সাক্ষ্যগ্রহণ

হলি আর্টিজান মামলায় তিন পুলিশ সদস্যের সাক্ষ্যগ্রহণ
হলি আর্টিজানে হামলা, ছবি: সংগৃহীত
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঢাকা


  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজানে সন্ত্রাসী হামলা মামলায় তিন পুলিশ সদস্যের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

সাক্ষীরা হলেন, পুলিশ পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর, এসআই জয়নুল আবেদীন ও কনস্টেবল আশরাফুল আলম। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ৮৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।

মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) ঢাকার সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দেন তারা। ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমানের আদালত সাক্ষ্য রেকর্ড করে আগামী ২০ আগস্ট পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেছেন।

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে (স্প্যানিশ রেস্তোরাঁ) হামলা চালায় জঙ্গিরা। ওই হামলায় ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

এর আগে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর গ্রেনেড হামলা চালায় জঙ্গিরা। গ্রেনেড হামলায় ডিবি পুলিশের সহকারী কমিশনার (এসি) রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ নিহত হন।

পরদিন সকালে যৌথ বাহিনী কমান্ডো অভিযান চালায়। এতে ছয় হামলাকারী নিহত হয়।

২০১৬ সালের ৪ জুলাই নিহত ৫ জঙ্গিসহ অজ্ঞাতদের আসামি করে গুলশান থানায় সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়।

ঘটনায় জড়িত ২১ জনকে চিহ্নিত করে জীবিত আটজনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাউন্টার টেররিজম বিভাগের পরিদর্শক হুমায়ূন কবির ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

মামলায় কারাগারে থাকা ছয় আসামি হলেন, রাজীব গান্ধী, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, রাকিবুল হাসান রিগ্যান, হাতকাটা সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ইসলাম ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ ও মামুনুর রশীদ। আরেক আসামি শরিফুল ইসলাম পলাতক আছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করা আমাদের দায়িত্ব: প্রধান বিচারপতি

জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করা আমাদের দায়িত্ব: প্রধান বিচারপতি
শোক দিবসের উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, ছবি: সংগৃহীত

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ইতিহাসের এক বেদনাবিধুর ও বিভীষিকাময় দিন। যে সোনার বাংলার স্বপ্ন তিনি দেখেছিলেন, আমাদের দায়িত্ব জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করা ৷ তাহলেই তার বিদেহী আত্মা শান্তি পাবে।'

বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্ট আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শোক দিবসের কর্মসূচিতে ছিল- কোরআন খতম, মোনাজাত এবং স্বেচ্ছায় রক্তদান কার্যক্রম।

এ সময় সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্টার জেনারেল ড. জাকির হোসেনসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের অনেকে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নেন।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, '১৯৭৫ সালের এ দিনে পরিবার-পরিজনসহ নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি৷ এটা ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে অশ্রু ভেজা কলঙ্কময় রাত। বাঙালি জাতি আজ গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় তার শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করছে।'

সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সফিউশন মেডিসিন বিভাগ।

নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন বিষয়ে শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে 

নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন বিষয়ে শুনানি নিয়মিত বেঞ্চে 
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

সংবাদপত্রের সাংবাদিক ও কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণে গঠিত নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি হবে ১৯ আগস্ট (সোমবার)। ওইদিন আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে এ শুনানি হবে।  

হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি মো. নূরুজ্জামান এ দিন ধার্য করেন।

তথ্যসচিব, শ্রমসচিব, নবম ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান, মন্ত্রিসভা কমিটির আহ্বায়ক হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে গত ৮ আগস্ট আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় আবেদন করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। নোয়াবের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এ এফ হাসান আরিফ ও মো. উজ্জল হোসেন।

গত ৬ আগস্ট নবম ওয়েজ বোর্ডের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ওপর দুই মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের অবকাশকালীন দ্বৈত বেঞ্চ।

একই সঙ্গে অংশীজনদের (নোয়াব) আপত্তি ও সুপারিশ প্রজ্ঞাপনে বিবেচনায় না নেওয়া কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তথ্য সচিব, শ্রম সচিব ও ওয়েজ বোর্ডের চেয়ারম্যান নিজামুল হককে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

আগেরদিন ৫ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করেন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি ও দৈনিক প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। এ রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন হাইকোর্ট। 

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গত ২৫ জুলাই জানিয়েছিলেন, নবম ওয়েজ বোর্ডের সুপারিশ চূড়ান্ত হয়েছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদন করলে তা প্রজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করা হবে।

কিন্তু হাইকোর্টের আদেশে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ আটকে যায়।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র