Barta24

বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯, ৯ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি

মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের ট্র্যাজেডি
মেক্সিকো সীমান্তে বাবা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, ছবি: সংগৃহীত
আন্তজার্তিক ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ছবিটি হৃদয়বিদারক। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো সীমান্ত পারাপারের ঝুঁকি ও নিদারুণ পরিণতিকে এই ছবিটি ইঙ্গিত দেয়। বুধবার (২৬ জুন) বাবা ও দুই বছরের কন্যা শিশুর মরদেহের ছবিটি উঠে আসে আন্তর্জাতিক মাধ্যমে।      

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানায়, সোমবার (২৪ জুন) মেক্সিকো সীমান্তে টেক্সাসের ব্রাউনসিভলি নদীর মাতামরস রো গ্রান্ড উপকূলে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

নদীর উপকূলে বাবা-মেয়েকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়,
নদীর উপকূলে বাবা-মেয়েকে এভাবে পড়ে থাকতে দেখা যায়, ছবি: এপি

 

সূত্র জানায়, এল স্যালভাদোর থেকে ম্যক্সিকোর সীমান্ত পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে বাবা ও শিশুকে নদীর উপকূলে এভাবে ডুবে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বাবার নাম অস্কার আলবার্ট মার্টিনেজ ও শিশুর নাম ভ্যালেরিয়া (২ বছর)।     

ছবিটি তুলেছেন এক মেক্সিকো সাংবাদিক। ছবিতে দেখা যায়, বাচ্চা মেয়েটি তার বাবার টি-শার্টের ভিতরে আটকে উল্টো হয়ে নদীর তীরে ভাসছে। 

এখানে মেক্সিকো কতৃপক্ষ লাশ উদ্ধার করে,
এখানে মেক্সিকো কতৃপক্ষ মরদেহ উদ্ধার করে, ছবি:এপি

 

একই সঙ্গে, ছবিটি তিন বছরের আয়লান কুর্দির কথা মনে করিয়ে দেয়। তুরস্কের সমুদ্র সৈকতে এভাবেই ডুবে ভেসে উঠেছিলো সিরিয়ান বালক আয়লান কুর্দি। একই ধারাবাহিকতায় বাবা ও তার মেয়ের মরদেহ ভেসে উঠলো।

  তিন বছরের আয়লান কুর্দি
  তিন বছরের আয়লান কুর্দি, ছবি: সংগৃহীত

 

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে এল স্যালভাদোর কর্তৃপক্ষ জানায়, গত কয়েকমাসে সীমান্তে শরণার্থীদের মৃত্যু ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

স্যালভেদোরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্দ্রা হিল বলেন, 'আমি হাত জোর করে আপনাদের দেশে থাকার অনুরোধ করছি। দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। ঝুঁকি নিবেন না কারণ জীবনের মূল্য অনেক বেশি। পুনর্বাসন সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকার মেক্সিকো কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলছে।'  

এল স্যালভাদোরের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী নায়িব বুকিলি পরিবারটিকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন :

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের কনজারভেটিভ পার্টির প্রধান নির্বাচিত হয়েছেন বরিস জনসন। এ হিসেবে তিনিই দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) দলের সদস্যদের ভোটে জয়ী হন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জেরেমি হান্ট, তবে বেশ বড় ব্যবধানে তাকে হারিয়েছেন বরিস জনসন। তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ১৫৩ ভোট। অন্যদিকে জেরেমি পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৬৫৬ ভোট।

বিজয়ের পর দেওয়া ভাষণে জনসন ব্রেক্সিট রক্ষা এবং দেশে একতা ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। 

তিনি বলেন, আমরা দেশের শক্তি বৃদ্ধি করতে যাচ্ছি। ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ব্রেক্সিট সম্পন্ন করব। এর সমস্ত সুযোগ-সুবিধা নতুন শক্তির সঞ্চার ঘটাবে।

ব্রিটেনের নতুন এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা আবারো নিজেদের স্বকীয়তায় বিশ্বাসী হতে যাচ্ছি। আমরা নিদ্রাকাতরতা থেকে জেগে উঠতে যাচ্ছি। যারা আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি এবং নেতিবাচকতা ধারণ করছেন, আমরা তাদের জাগাতে যাচ্ছি।

সদ্য সাবেক হওয়া প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মেকে ধন্যবাদ দেন তিনি। নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ায় বরিস জনসনকে অভিনন্দন জানান থেরেসা মে। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা ঘোষণা দেন তিনি।

সূত্র: বিবিসি

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র

হুয়াওয়েকে ‘সময়মত’ ব্যবসার লাইসেন্স দেবে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

হুয়াওয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর মার্কিন মুল্লুকে ব্যবসা করতে ফের অনুমতি দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। তবে পুরো ব্যবসার জন্য ‘সময়মত’ লাইসেন্স ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন সরকার।

চীনা জায়ান্টটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে মঙ্গলবার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টারা বৈঠকে বসেন। বৈঠক শেষে এ কথা জানায় হোয়াইট হাউজ।

ওই বৈঠকে গুগল, কোয়ালকমসহ আরও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেন। হুয়াওয়েকে কালো তালিকাভুক্তি থেকে সরাতে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানও হোয়াইট হাউজকে অনুরোধ জানায়।

হোয়াইট হাউজ সোমবার (২২ জুলাই) এক বিবৃতিতে জানায়, হুয়াওয়ের পক্ষ থেকে দেশটিতে মুক্তভাবে ব্যবসা করার লাইসেন্স চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়। এরপর বৈঠকে তারা ‘সময় মত’ সিদ্ধান্তটি জানাবে। তবে দেশটির শক্ত অবস্থান থাকবে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুটিতে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিসকো সিস্টেম ইনকর্পোরেশনের সিইও, ইন্টেল, ব্রডকম, কোয়ালকম, মাইক্রোন টেকনোলজি, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল এবং আলফাবেট ও গুগলের প্রধান নির্বাহী ও কর্মকর্তারা।

এর আগে গত মে মাসে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ হুয়াওয়েকে দেশটিতে কালো তালিকায় অন্তুর্ভুক্ত করে। পরে দেশটির বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করে দেয়।

হুয়াওয়ে এখন পর্যন্ত টেলিযোগাযোগ খাতে বিশেষ করে ফাইভজি বিস্তারে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে। তবে কবে পাওয়া যাবে সেই লাইসেন্স, তা জানায়নি হোয়াইট হাউজ।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র